ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
টা-ডা।
অ্যামুর অ্যাডোনিস কুঁড়িগুলো শেষমেশ গজিয়েছে।
আরেকটু উপরে তুলো।
এক ঐতিহাসিক দিন আজ লাল গ্রহের বুকে ফিরল জীবনের স্বাদ।
আসলে, এটা একদম ভূপৃষ্ঠে গজায়নি।
মাধ্যাকর্ষণও সান্তাকে থামাতে পারে না।
ওহ, এই ব্যপারে ভিন্নমত থাকতে পারে।।
আমার মতে সান্তা মাধ্যাকর্ষণে থাকতে পারে না, কিন্তু রুডলফ এবং স্লেজ দিব্যি ভেসে বেড়ায়।
তোমরা এতে একটু বেশিই মাথা ঘামাচ্ছো না?
মাটি বিশ্লেষণ নিয়ে যদি তোমারদের এই উৎসাহটা থাকতো ।
সিরিয়াসলি?
জি-ইয়ং, তোমার ছোট্ট রাজকন্যার জন্য আরেকটা ভিডিও রেকর্ড করছো, বুঝি?
হাই, নান-ইয়ং। শুনেছি তোমার আরেকটা দাঁতে পোকা ধরেছে।
এই খবর তো মঙ্গলেও পৌঁছে গেছে।
শান্ত থাকো!
ইমার্জেন্সি বহির্গমণের দিকে যাও!
- তাড়াতাড়ি! - জি-ইয়ং!
হেডকোয়ার্টার? জু বলছি। আমি এখন হ্যাবিট্যাট মডিউলে আছি।
কপি। ধীরে ধীরে এবং সাবধানে এগোও।
- তোমার গতিবিধি ভালো আছে। - সরবরাহের জন্য ISRU-এর দিকে যাচ্ছি।
স্যুট, অক্সিজেন জেনারেটরের অবস্থান দেখাও।
অক্সিজেন ট্যাঙ্ক সুরক্ষিত আছে।
রিচার্জ শুরু করছি।
নান-ইয়ং, দেরি হচ্ছে কেন?
এখনই রিচার্জ করো।\i0}
- দারুন হয়েছে! - কাজ শেষ।\i0}
ও প্রায় মঙ্গল অভিযানের জন্য তৈরি।
- ঠিক আছে। কাজ শেষ। - জানি!
ওই ছোট্ট বিরতিটা না নিলে একটা রেকর্ড হতো।
- থামলে কেন? - মনে হলো কিছু একটা দেখেছি।
সত্যি? আমি এটা খুঁটিয়ে দেখব।
- আজ এখানেই শেষ করতে যাচ্ছি? - হ্যাঁ। এবার বিদায়ের পালা।
ওহ, স্যাম, যাই হোক, ইঞ্জিনিয়াররা গতবার গ্র্যাভিটি টেস্টের ঘূর্ণন অক্ষের সমস্যা নিয়ে
আলোচনা করতে চাইছে।
আমি এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছি না। আমার পরীক্ষার ফলাফলে কোনো সমস্যা হয়নি।
শোকাহত পরিবারেরা তাদের প্রিয়জনদের জিনিসপত্র পেয়েছে,
আর বুঝতেই পারছো, পুরানো ব্যথার জখম আবার তাজা হচ্ছে।
মঙ্গল অভিযানের ক্রুদের একমাত্র সদস্য তুমি
যে কাউকে হারিয়েছে।
এই অভিযানে দুর্ঘটনার স্মৃতিতে পা রাখা
তোমার জন্য খুবই কষ্টকর হবে।
জানেন সবচেয়ে কষ্টকর কী, ক্যাপ্টেন?
জানেন এতে কত পরিশ্রম করেছি।
সত্যি বলছি, আমার উপর কোনো প্রভাব পড়েনি।
সত্যিই তোমার উপর প্রভাব পড়েনি?
ঠিক এটাই সমস্যা।
দেখো, নান-ইয়ং, এটা স্বাভাবিক মানসিক প্রতিক্রিয়া নয়।
ডাক্তার তোমার মানসিক ওই দিকটা নিয়ে উদ্বেগে আছে।
আপাতত ব্যাকআপ হিসেবে প্রস্তুত থাকো।
কোরিয়ায় একটু বিরতি নিচ্ছ না কেন? মাথাটা পরিষ্কার করে নাও।
ব্রেকিং নিউজ।
চতুর্থ মঙ্গল অভিযানের জন্য
মহাকাশচারী বাছাইয়ের তোড়জোড়ের মধ্যেই,
নাসা জানাল মঙ্গল গ্রহ থেকে এক রোমাঞ্চকর সংবাদ।
পঁচিশ বছর আগে, মঙ্গলে এক ভূমিকম্পে ধসে পড়েছিল
একটি ভূগর্ভস্থ, মনুষ্যচালিত গবেষণা কেন্দ্র।
দ্বিতীয় মঙ্গল অভিযানে ক্রুদের বাড়ি ফেরানো সম্ভব হয়ে উঠেনি।
এই ঘটনা কেবল হতাহত পরিবারেরই নয়,
বরং বিশ্বজুড়ে তাদের নিরাপদে ফেরার আশায় প্রার্থনা করা সকলের জন্য এক দারুন ধাক্কা ছিল।
মঙ্গল অভিযানের জন্য নির্বাচিত প্রথম কোরিয়ান মহাকাশচারী,
প্রয়াত সন জি-ইয়ংয়ের ব্যাক্তিগত জিনিসপত্র,
উদ্ধার করা হয়েছে।
সিউল স্টেশন স্কয়ার ও তার আশেপাশের এলাকা,
নিম্ন উচ্চতায় ড্রোন ওড়ানোর অনুমতিপ্রাপ্ত এলাকা।
এয়ার ট্যাক্সি চালকদের ড্রোন সংঘর্ষ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে...
- এই, নানস! নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছো? - ভয় পাইয়ে দিয়েছো!
- কেমন আছো? - আমার অবস্থা?
মনে হচ্ছে চোখের সামনে স্বপ্নগুলো ভেঙে পড়তে দেখেছি।
ওহ।
ঠিক আছে, তোমার মুখটা দেখাও তো।
ক্যামেরা চালু করো।
এই দেখো, ভাঙা স্বপ্নে ভরা মুখটা।
বাহ, তুমি কি আবর্জনার গুদামে থাকো?
এসব কিছু জোগাড় করার সময় পেলে কখন?
সবই বাবা-মায়ের স্মৃতিচিহ্ন। সময় করে একদিন পরিষ্কার করতে হবে।
ওহ ইশ্বর! এটা তো খুব সুন্দর!
এই!
- আমার ভেতর দিয়ে যেও না। - স্ক্যান করা হচ্ছে।
- সামনে এসে দাড়িও না বারবার। - টার্গেট। ম্যানেজিং মোড।
এই! এই! এই!
এখান থেকে সরো।
- এই! - নানস পরে আবার কথা হবে।
টার্গেট স্ক্যান করা হচ্ছে।
" অনুবাদ ও সম্পাদনায় " রিদওয়ান তাসকীর
LOST IN STARLIGHT
২৫ বছর পর উদ্ধার হলো মঙ্গল অভিযান টিমের জিনিসপত্র
আধুনিক ইলেকট্রনিক্স মেরামতখানা
দুঃখিত। ঠিক আছেন?
ব্যাথা পেয়েছেন?
এই, এত দেরি করছো কেন?
ঈশ্বর। তোমাকে বলেছিলাম।
ওহ, খোদা।
আমি ঠিক আছি। আপনি যেতে পারেন।
আ.হ...
এটা…
এটা কি ২০২৩ এর ক্রোজলি অল-ইন-ওয়ান মডেলটা?
আমি এটা ঠিক করে দিতে পারব।
এই নিন আমার কার্ড। সময় করে একদিন আসবেন।
- আমি এটা ঠিক করে দেব। - আপনি যান।
আমি দুঃখিত!
এই…
ঠিক আছে। এটা ৪০২ নম্বর রুমে যাবে।
- ঠিক আছে, আর ওটা? - ড্রোনই নিয়ে যাবে। পরে দেখা হবে।
আমি তাহলে উপরে যাচ্ছি।
সু-জংয়ের প্রিয় ব়্যান্ডম খেলা!
কোন খেলাটা? খেলা…
এটা তো এখানেই রেখেছিলাম। গেল কোথায়?
সত্যি বলছি, এটা ঠিক... এটাই তো!
কপাল। কী একটা দিন যাচ্ছে!
দেখি।
এক মাস হয়ে গেলো এটা এনেছি, আর তুমি মাত্র দেখলে?
- জে বলল, সে সব সামলে নিয়েছে। - আহ।
জে না থাকলে, তোমার যে কী হবে?
- দোষ দেওয়ার মতো কাউকে পাবে না। - চুপ করো, মনোযোগ দিতে পারছি না।
শুনছেন।
এখানে কি কোন যুবক কাজ করে?
- যুবক? - হ্যাঁ।
ওহ, জে'র কথা বলছো।
এই, জে।
- আপনি এসেছেন। - আহ, জে।
- এটা কে? - গার্লফ্রেন্ড?
- ধুর! - আ.হ ম্যাম।
তিনি কেবল একজন কাস্টমার।
- ইশ্বর। - ওহ, আবার তরুণ হতে পারতাম...
- বাদ দিন তো। - তরুণ থাকাটা নিশ্চয়ই ভালো হবে।
- এগুলো কি গাড়িতে তুলবো? - আমিই তুলব, তুমি কাস্টমারকে সময় দাও।
- অবশ্যই। - ভালো করেছো, জে।
আবার আসবেন, মিস ওহ।
এদিকে এসুন।
- এই দিকে। - ঠিক আছে।
এখানে আসতে পেরেছেন বলে ভালো লাগলো।
তাড়াতাড়ি চলে যাওয়ার জন্য দুঃখিত।
- উপরে আসুন। - ঠিক আছে।
সিউন প্লাজা
সার্কিট বোর্ডটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে।
হ্যাঁ, আপনাকে ধন্যবাদ।
পড়ার আগেই সম্ভবত ভেঙে গিয়েছিল।
যাই হোক, এটা ঠিক করতে পারবেন?
আমি পার্টসগুলো খুঁজার কাজ শুরু করব।
এটা পুরোনো ধাঁচের হলেও, তখন কিন্তু সাশ্রয়ী ছিল।
পার্টসগুলো খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হবে না।
আপনার বিস্তারিত তথ্য লিখে দিন।
এটা ঠিক হয়ে গেলে আপনাকে জানাব।
আমাকে দিন।
এইভাবে।
জু নান-ইয়ং
তোমার নাম, কাগজে লিখেছে?
বাহ! আজকাল এরকম ছেলে হারিকেন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এই, এখন যেহেতু তার কাছে তোমার নম্বর আছে, ডেটে গিয়ে মনটা হালকা করছো না কেন?
রাখো তো।
ল্যাবের সবকিছু কেমন যাচ্ছে? আর লিডারশীপ মিটিং কেমন চলছে?
তোমার সাইকোলজিকাল টেস্টের স্কোর কোনোমতে পাস করেছে।
যদি বড় কিছু করে দেখাও, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
বড় কিছু?
শুনেছি ডিটেক্টরে নয়েজে কিছু সমস্যা আছে।
এটা ঠিক করতে পারলে, হয়তো ফেরার দরজাটা আবার খুলতে পারে।
আমাদের কি এটা ২৭০ থেকে ৩০০ এ করতে হবে?
মনে হচ্ছে তোমাকে ছাড়া টিমটা বেশ কষ্টে আছে।
ঠিক আছে।
আমার সবসময় প্রস্তুত থাকা উচিত।
কখন ভাগ্যের দরজা খুলে যায় কেউ বলতে পারবে না।
ডঃ জু'কে মঙ্গল অভিযানের ব্যাকআপে রাখা হয়েছে
এরকম কিছু পেলে আমাকে ফোন করো।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে। আমি যাচ্ছি।
- সাবধানে থেকো। - খুব বিরক্তিকর...
- সবচেয়ে পিছনের বেঞ্চই বসি আমি। - তুই তো বলেছিস, অনেক প্রেকটিস করেছিস।
গান-টান কি একেবারেই ছেড়ে দিয়েছো নাকি?
এইভাবে চললে, শেষমেশ আমার মতো হয়ে যাবে।
আপনার মতো হতে পারলে তো, স্বপ্নের জীবনে সাঁতার কাটতাম।
আ.হ, পাগল কোথাকার।
ডঃ জু নান-ইয়ং
জানতাম না সে এতটা বিখ্যাত।
কী এমন দেখছো?
সে বেশ দারুন।
আমাদের কাছে কি নয়েজ টেস্টের রেজাল্ট আছে?
আমি এখন বেরোচ্ছি।
দেখো। এটা কাজ করছে। দারুন!
- ওহ! - ওহ না!
আমি নান-ইয়ং বলছি। আমার অগ্রগতির রিপোর্ট দিচ্ছি।
বাড়ি ফেরার পর থেকেই লাইফ ফর্ম ডিটেক্টর আপগ্রেড করে যাচ্ছি।
গবেষণাটি সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চলছে।
যদি আমরা উৎক্ষেপণের আগে ৩০০ রেজোলিউশন অর্জন করতে পারি,
আমাকে মঙ্গল অভিযানে সিস্টেম পরিচালনার জন্য বিবেচনায় রাখবেন।
একটা ভালো খবর আছে।
একটা জায়গা পেয়েছি। কাল ফ্রি আছেন?
ওহ কপাল…
মনে হয় এটা ঠিক হবে না। দুঃখিত, তোমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।
মোটেও না। চেষ্টা করার জন্য ধন্যবাদ।
আমাকে দিয়ে দিন।
আপনাকে আর বিরক্ত করতে চাই না, আর এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণও না।
- এটা আমার না! - আ.হ।
এখানে বড় বড় অক্ষরে লেখা আছে।
"নান-ইয়ংয়ের।"
এটা কি সত্যিই আপনার না?
না, মানে।
এটা আমার মায়ের ছিল।
তাহলে তো,
অবশ্যই এটা ঠিক করতে হবে।
হেই, স্যার, আপনার প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।
যথেষ্ট হয়েছে।
No comments yet. Be the first to leave one.