ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
উইল ও ওসিয়ত
চুন-হে।
লিউ চুন-হে!
নানু।
চুন-হে।
যে কেয়ার হোমে ছিলাম খুবই আরামদায়ক ছিল।
তোমার মা অনুরোধ না করলে,
আমি আসতামই না।
এই দেখো।
মাত্র এক বছর বাইরে ছিলাম,
আর আচারের বয়ামটায় ছাঁচে পড়ে গেছে।
আমি না থাকলে এই বাড়ি শেষ হয়ে যেত।
তোমাকে একটা কথা বলি, সোনা।
বোকা মেয়েরা পোশাক কেনে। আমার মতো বুদ্ধিমান মেয়েরা স্কার্ফ কেনে।
এগুলো সস্তা
সহজেই ব্যবহার করা যায়।
মেজাজও প্রতিদিন বদলায়।
ছাঁদে কী করছিলে?
আমি... আকাশ দেখছিলাম।
আকাশ?
খুব সুন্দর করেছো।
তোমার মাকে ল্যান্ডলাইনটা কেটে দিতে বলেছিলাম। এই যুগে কে এসব ব্যবহার করে?
টাকার অপচয়।
হ্যালো? কে বলছেন?
আহ-হাহ…
এক সেকেন্ড সময় দিন।
- চুন-হে? - হ্যাঁ?
তোমার সিভি কোনো ট্রেনিং সেন্টারে পাঠিয়েছো?
হ্যাঁ।
তারা আগামী সপ্তাহে মৌখিক কথা বলতে চায়।
যেতে চাও?
হ্যাঁ।
হ্যালো? সে আসবে।
আহ, বৃষ্টিটা দেখো...
ওরা চলে এসেছে।
আমার নাতি, লিউ চুন-হে।
কলেজ পরীক্ষায় সে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
এখন শুধু ডাকের অপেক্ষায় আছে।
অসাধারণ।
ওর কি সেরিব্রাল পালসি নেই? সেরিব্রাল পালসি: মস্তিষ্কের বিকাশজনিত এক ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকথা।
তার মানে এই নয় যে সে প্রতিবন্ধী।
আসো। তোমাকে পরিচয় করিয়ে দেই।
এরা আমার গায়কদলের মূল সদস্য।
চুন-হের জন্মদিন উদযাপন করতে আসায় সবাইকে ধন্যবাদ।
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ...
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ...
তোমার সকল ইচ্ছা পূরণ হোক।
শুভ জন্মদিন!
চিয়ার্স!
আমাদের স্টেজটা, মনে হয়
হাউজিং এস্টেটের চেয়ে পার্কেই ভালো হবে।
অন্তত শব্দের জন্য আমাদের নামে অভিযোগ আসবে না।
তোমরা সবাই কী মনে করো?
তুমি যেখানেই বলো না কেন, আমি আছি।
আমিও।
আমাদের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে,
আমি যেকোনো জায়গায় রিহার্সেল করতে পারব।
যেমন
পারফরম্যান্সের সুযোগ...
আগের মতোই করব।
আমার ছেলের সুপারমার্কেটে গিয়ে,
বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের জন্য কিছু মজাদার জিনিস কিনে,
তারপর পার্কে আমাদের পারফর্ম দেখতে ওদের বলব।
চলো আরেকটা চিয়ার্স করি!
- চলো! - পান করো!
চিয়ার্স!
ও ঠিক আছে। ঢোক গিলতে ওর সমস্যা হয়।
সহজেই গলায় আটকে যায়।
ঠিক আছে...
চুন-হে…
ঠিক আছে...
খোকা…
আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?
আমরা বাসায় এসে গেছি।
লিউ চুন-হে!
এই অবস্থায় ওর মা ওকে দেখলে,
আমাকে কাঁচা খাবে।
তাহলে আরেকটু অপেক্ষা করি। আমি আপনার সাথে থাকতে পারব।
কী করছো?
আমার ছেলেকে ড্রিঙ্ক করাতে নিয়ে গিয়েছিলে?!
না! ওকে খাবার খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলাম,
ওই একটু ড্রিঙ্ক করেছে।
তোমাকে বলিনি?
ও ৩য় বর্ষে আবার পড়ছে।
ওর তো পড়াশোনা করার কথা!
ওকে যদি এভাবে মাতাল করে দাও, তাহলে পড়াশোনা করবে কীভাবে?
চুপ করো।
একটা রাত বিশ্রাম নিলে কী হবে?
ওর ব্রেইন ভালোই, আর আজ ওর জন্মদিন।
সে এটা উদযাপন করতে পারবে না!
সে এখন বড় হয়েছে। কিসের ভয় পাচ্ছ?
চুন-হে…
তোমার ছেলের জন্মদিন কি লজ্জাজনক?
আমার ভয় কিসের?
নিশ্চয়, তুমি জানবে না।
তুমি তো জানো না
আমি একা এতটা বছর কীভাবে কাটিয়েছি!
ইশ্বর…
একটু বুঝেশুনে কথা বলো।
আট মাস বয়স থেকে আমি তার পাশে আছি।
আমি না থাকলে, তুমি ওকে কুকরদের জন্য ডাস্টবিনে ফেলে দিতে!
ঠিক আছে।
তোমার কাছেই জানলাম,
নবজাতকদের ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া যায়!
তুমিও কি
আমার সাথে একই কাজ করোনি?
বাজে কথা!
এটা মারা গেছে...
আমার বিড়ালটা মারা গেছে।
কী? কীভাবে?
এটা মারা গেছে!
তুমি এখন বড় হয়েছো।
এই বদভ্যাস ছাড়তে হবে।
এবার কোন প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়েছো?
একটা খেলা খেলছি!
এটা নিশ্চয় মিথ্যা কথা। তাহলে আমাকে দেখাচ্ছ না কেন?
এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তোমাকে কেন দেখাবো?
তোমার এমন কী ব্যক্তিগত বিষয় আছে?
প্রতারণায় পড়া ছাড়া আর কী আছি?
আমাকে দেখাও!
তুমি আমার গোপনীয়তায় হাত দিচ্ছো!
গোপন রাখার মতো কী আছে?
কেন আমার গোপনীয়তা থাকতে পারে না?
আমারও গোপনীয়তা লাগবে!
দেখো!
চুন-হে…
সকালে,
উপরের অঙ্গ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি,
হাতের লেখাও চর্চা করতে হবে।
ঠিক আছে। এটা নিশ্চয়ই তোমার হাতের লেখা ছিল,
যেটা তোমার প্রবন্ধের আরো ভালো স্কোর এনেছে।
দুপুর ২ টায়,
ওর গণিত অনুশীলন পরীক্ষা আছে।
২ঘন্টা হবে।
আহ-হাহ।
তারপর ওর জন্য একটু দুধ গরম করে দিও।
ওরা চলে গেছে। ওরা সত্যিই চলে গেছে!
মাথায় কী ঘুরছে?
আমি বাইরে যেতে চাই।
ঠিক আছে। এক মিনিট।
" অনুবাদ ও সম্পাদনায় " রিদওয়ান তাসকীর
ও কেমন করছে?
হাই। আমার নাম লিউ চুন-হে।
আজ আমরা একটা কবিতা দেখব।
সূর্য যেখানে দৃষ্টি মেলে না
সেখানে বসন্ত রঙে সেজে ওঠে
শ্যাওলা ফুটে চালের দানার মতো
পিওনির মতো জলমলে, আলো ছড়ায় অপুর্ব
এই কবিতার নাম শ্যাওলা।
এটা কিং রাজবংশের ইউয়ান মেই লিখেছিলেন।
এটা কী ধরণের রোগ?
ও নিশ্চয়ই পাগল!
কেউ কি জানো শ্যাওলা দেখতে কেমন?
কেউ জানো?
চুপ করো। পড়ায় মনোযোগ দাও।
বলো।
এগুলো সবুজ ও নরম হয়।
দারুন।
শুনো।
এগুলো বসন্ত বা গ্রীষ্মের বৃষ্টির পর,
দেয়ালের নিচে
এবং পাথরের সিঁড়ির ফাঁকে হয়।
ওগুলো অনেক সবুজ হয়।
ছোট ও নরম হয়
একদম সবুজ হয়।
এটা দেখো।
জিয়া দাও লিখেছেন,
সূর্যাস্তের সোনালী রোশনি, ভিজে সাদা শিশির
গাছের ছায়া পড়ে শ্যাওলার বুকে সয়ে যায় নিরবে
বাই জুই লিখেছেন,
লাল পাতার ডালে পাখির বাস
শ্যাওলা ঢাকা মাটিতে চাঁদের উল্লাস
লিউ ইউ-শি লিখেছেন,
শত বিঘায় শ্যাওলায় ছাঁদ
পীচ ফুল গেছে ফুলকপি আনল আবাদ
লাইনগুলো চমৎকার,
তবে এগুলো কেবল অলংকরণ।
শ্যাওলার এই কবিতাগুলোতে শুধু সহায়ক ভূমিকা উল্লেখ করেছে।
শুধুমাত্র ইউয়ান মেইয়ের লেখাতেই
শ্যাওলার নিজস্ব চরিত্র ফুটে উঠেছে।
সূর্যের আলো পেলেও,
অন্ধকারে শ্যাওলা টিকে থাকার লড়াই করে।
এটা চালের মতো ছোট হতে পারে,
কিন্তু কখনো হাল ছাড়ে না।
এরা আত্মসমর্পণ করে না।
এটা পিওনি ফুলের মতো
মর্যাদার সাথে জীবন কাটায়।
কী চমৎকার শিখিয়েছো! দেখো।
লিউ চুন-হে?
- হ্যাঁ? - আমি।
আজ আসার জন্য ধন্যবাদ। তুমি সত্যিই চমৎকার শিখিয়েছো।
আমরা সবাই এটা উপভোগ করেছি। অসাধারণ করেছো! সত্যিই।
তবে, শিশুদের অনুভূতিও
আমাদের ভাবতে হবে।
কিন্তু বাচ্চারা তো এটা পছন্দ করেছে।
ঠিকই বলেছেন।
হ্যাঁ, সে দারুন করেছে।
কিন্তু দেখুন...
তার অবস্থায়... ওর সমস্যা হতে পারে...
ও শারীরিকভাবে সক্ষম।
No comments yet. Be the first to leave one.