ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: মোহাম্মদ সায়েম।
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর!
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর!
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ!
ইয়া আল্লাহ,
লাখো কোটি শুকরিয়া।
আপনার দয়া অফুরন্ত!
ইয়া আল্লাহ, আমার ছেলেকে রক্ষা করুন,
তাকে আগলে রাখুন।
আমার মৃত্যুর পর,
সে যেন কষ্ট না পায়।
আমিন!
Heaven is Beneath Mother's Feet অনুবাদ ও সম্পাদনায়: মোহাম্মদ সায়েম।
আদিল,
ঘুম থেকে ওঠ।
ভোরে ওঠা মানুষকে আল্লাহ সাহায্য করেন।
ওঠ, সোনা।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে।
আমার ছেলে সেরা।
আল্লাহ তোকে এতো ভালোবাসেন যে, সরাসরি জান্নাতে যাবি।
জান্নাতে?
মা, আমি কি জান্নাতে যাব?
তুমিও যাবে?
আল্লাহ-ই ভালো জানেন।
না!
তোমাকে ছাড়া জান্নাতে যাব না।
আমি আল্লাহকে এভাবে বলব,
"আমার মাকে অবশ্যই জান্নাতে নিতে হবে।"
সেখানে একসাথে থাকব।
রুটি বানিয়েছি, খাবি?
রুটি?
আদি-ল!
খা।
কী?
খেলবি?
হ্যাঁ!
আগে খেয়ে নে, তারপর যাবি।
সামিরকে এখানে ডাক।
সামির!
কী?
নাস্তা খাবি?
না, আমি খেয়েছি।
খালা আমাদের জন্য মজার মজার নাস্তা বানিয়েছিল।
মিথ্যা বলবি না, মিথ্যা বলা পাপ।
মিথ্যা বলা পাপ, তাই না মা?
মিথ্যা বলবি না।
আ-আ! আমি তো সকালে ঘুমিয়েছিলাম।
খালা নাস্তা খেতে ডাকেনি, বলেছিল,
ঘুমাক।
আচ্ছা, এদিকে বস, পেট ভরে খা, আয়।
আয়। রুটি খা।
এই নে, মাংস খা।
লজ্জা পাস না। খা।
মা যখন মক্কা থেকে আসবে,
আমাদের দুজনের জন্য মান্তু বানাবে।
পাঁচ কাসকান।
না,
সাত কাসকান।
ভাব তো, আমরা এতগুলো খেতেও পারব না।
আমার মাকেও দেব।
মা তোকে খাওয়ায়। তাকেও দিতে হবে।
- হ্যাঁ! - আর আমার মাকেও।
হ্যাঁ।
আমার মা ভালো...
আমার মাও ভালো, হ্যাঁ।
আমার মাও ভালো।
দাদি শুধু মায়ের সম্পর্কে উল্টাপাল্টা বলে।
কিন্তু মাঝে মাঝে!
চল খেলি!
এক,
দুই,
তিন,
চার,
পাঁচ,
ছয়,
সাত,
আট,
নয়।
যে লুকায়নি, তার দায় আমার নয়!
আদিল!
আদিল!
আদিল, টান!
চল, টান!
চল!
এখন দেখবি মজা!
সামির।
তোশা।
নুরবোলত।
বিলাল।
নুরিস।
একে তোরা নে।
ও খেলা জানে না। তোরা নিয়ে নে।
এই, তুই ওখানে দাঁড়া।
তাহলে আমিও খেলব না।
না খেলতে চাইলে, খেলিস না।
আমাদের জন্য ভালো।
আচ্ছা, খেল!
এদিকে আয়!
তুই গোলকিপার।
গো-ল!
স্কোর ৬:৬।
তাহলে সাত পয়েন্ট পর্যন্ত খেলব।
যে আগে গোল করবে, সে-ই জিতবে।
চল বন্ধুরা, কথা বলি!
আহ্,
তাহলে আমরা লেমনেড খাব।
লেমনেড?!
এই, আমি দলের ক্যাপ্টেন, আমি আগে খাব।
উফ! ছি!
এবার আমার!
এই।
গোল খেলে চুল ছিঁড়ে ফেলব!
আদিল!
বলেছি না? এখন চুল ছিঁড়ে ফেলব।
নাহ, ছিঁড়তে হবে না।
চুল ছিঁড়তে হবে না।
মারবি নাকি?
নাহ, মারব না, মারামারি করা ঠিক না, এটা খারাপ।
ওকে ছেড়ে দে।
চলে যা!
নাহলে কী?
তুই আমাকে চ্যালেঞ্জ করছিস?!
না, সামির মারামারি করবি না, না।
তাহলে বলি ধরি।
ওহ...
আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর!
আদিল, নামাজের সময় হয়েছে!
ভীতু, ভীতু, প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছে!
আমি ভয় পাইনি।
নামাজে যাচ্ছি।
নাহয় মক্কাতে মার কাছে যেতে পারব না।
আমিন, আল্লাহ, আপনাকে ধন্যবাদ!
আমাকে মক্কাতে মায়ের কাছে নিয়ে যান।
আমিও যাব, আর সবসময় একসাথে থাকব।
আর মার কাজটা যেন সহজ হয়।
মহান আল্লাহ কোরানে বলেন:
সামর্থ্যবান মানুষের ওপর হজ করা ফরজ।
মহান আল্লাহ বলেছেন,
সামর্থ্যবানদের অবশ্যই হজ করতে হবে।
আমাদের প্রিয় নবি কারিম (সা.)-
হাদিসে এভাবে বলেছেন,
"যে উত্তম নিয়তে হজ করবে,
আল্লাহতায়ালা তাকে জান্নাত দান করবেন।"
বলা হয়, একবার জলদুবাই নামের এক ময়দাকল মালিক,
মায়ের দোয়া পাওয়ার জন্য,
মাকে ঘোড়ায় চড়িয়ে হজ করতে নিয়ে গিয়েছিলেন।
পথে অনেক কষ্ট হয়েছিল, তাদের ঘোড়া মারা গেল,
তাই হেঁটে যেতে বাধ্য হলেন।
তখনও পিছু না-হয়ে মাকে কোলে নিয়ে
একসাথে হজ সম্পন্ন করলেন।
আর তাই, বলা হয়, তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মায়ের দোয়া পেয়েছেন।
তাই, সম্মানিত মুসলিম ভাইয়েরা,
এখন সেই সময় নয় যে আগের মতো হেঁটে যাত্রা করতে হবে,
উটে বা ঘোড়ায় চড়ে।
এখন সব কিছু বদলে গেছে...
সামির,
খেলবি?
চুপ!
এদিকে আয়।
আমি একটা ছবি এঁকেছি।
খুব সুন্দর।
দেখ, এটা আমি আর আমার মা...
আরেহ তুই!
তোকে পেন্সিল না ধরতে বলেছিলাম!
এদিকে আয়।
তাড়াতাড়ি!
তোকে কী বলেছিলাম?
কী,
কানে শুনিস না?
আমি শুধু মাকে মক্কায় এঁকেছি।
কে ওকে মক্কায় চায়?
ওখানে কী করছে ভালো করে জানি।
যা।
ছাগলকে খাওয়া গিয়ে।
আমি মাকে হেঁটে মক্কায় নিয়ে যাব।
আমরা দুজনে পাহাড়,
নদী আর মরুভূমি পাড়ি দিবো।
দেখিস, আমি কিছুতেই ভয় পাই না।
আমরা অনেক দূরে যাব।
লোকেরা যেদিকে নামাজ পড়ে,
আমরা সেদিকেই যাব।
মাকে হেঁটে নিয়ে গেলে,
তিনি জান্নাতে যাবেন।
- মা জান্নাতে যেতে পারবে? - হ্যাঁ।
- সত্যি? - হুম।
আদিল, কোথায় যাচ্ছিস?!
মা!
মা!
মা।
মা!
এই, ওখানে পাত্রপক্ষ বসে আছে, ঢুকিস না!
মা!
কী হয়েছে, বাবা?
ওঠো, চলো!
কোথায়?
জান্নাতে।
মা, তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাব আমি।
জান্নাতে নিয়ে যাব।
আসসালামু আলাইকুম।
No comments yet. Be the first to leave one.