ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়... "মোঃ আলাউদ্দীন রাসেল"।
ওদিকে যেতে পারবেন না।
বল এমা আর এনিবাল কোথায়?
আমি জানি না!
আমি সত্যিই জানি না!
কিমি!
আরো বেশি নির্যাতন করতে বাধ্য করিস না আমাকে।
ওরা কোথায় আছে আমি জানি না।
ভাল করে ভাব!
নাহলে তোর এমন হাল করবো, কেউ তোকে চুদতেও চাইবে না।
আমি কসম খেয়ে বলছি...
শেষবারের মতো জিজ্ঞেস করছি, এমা আর এনিবাল কোথায়?
আমি জানি না!
আচ্ছা বল, কোন শহরে আছে? তাহলে তোর জন্য ডাক্তার নিয়ে আসব।
সত্যি বলছি, আমি জানি না! জানলে অনেক আগেই বলে দিতাম।
নাকি তুই তাকে বাঁচাচ্ছিস?
তার ভয়ে মুখ খুলছিস না?
না!
নাকি এমাকে বাঁচাচ্ছিস?
না!
এসব করতে আমার ভাল লাগছে না।
কিন্তু আমার ওই টেপসগুলো লাগবে।
না, প্লিজ!
- এক... - না, প্লিজ!
- দুই... - না!
তিন!
তোমার নাম মার্টিনা ডিয়াজ!
কিন্তু এত বছর ধরে "কিমি ডেল" সেজে থাকতে থাকতে...
...ভুলেই গেছো যে মার্টিনা কেমন জীবন চেয়েছিল।
হয়তো তুমি ড্যান্সার হতে চেয়েছিলে।
ভিন্ন ধরণের ড্যান্সার!
তুমি অনেক স্বপ্ন নিয়ে বুয়েন্স আয়ার্সে এসেছিলে।
কিন্তু স্বপ্ন দিয়ে তো আর পেট চলে না।
কিন্তু তুমি কারো হুকুমের গোলাম হতে চাওনি...
...এবং নিজের সম্মাণ হারাতে চাওনি।
যদি তোমাকে যন্ত্রণা পেতেও হয়।
যেভাবেই হোক তুমি সবকিছু সহ্য করে নিতে শুরু করলে।
তারপর ক্যান্ডেন্স আসলো।
তার আগমন তোমাকে সেই মার্টিনার কথা মনে করিয়ে দিলো, যকে তুমি ভুলেই গিয়েছিলে।
তোমার মতো সেও যদি নিজেকে ভুলে যায়, তুমি সেই ভয়ে ছিলে।
তাকে প্রথমবার সেখানে যেতে দেখে তোমার ঠিক সেরকম কষ্ট হয়েছিল...
...যেমনটা তোমার ক্ষেত্রে পেয়েছিলে।
ওর জন্য আবার নিজেকে শক্ত করলে।
তুমি ওর সাথে সেরা মুহুর্তগুলো ভাগ করে নিলে।
তুমি খুব কিউট!
দেখো কিমি খালামনি তোমার জন্য কি নিয়ে এসেছে।
তারপর সবচেয়ে খারাপ ব্যাপারটা হলো।
তুমি যেকোন মূল্যে ওকে নিষ্ঠুরতা থেকে বাঁচাতে চেয়েছিলে।
কিন্তু তুমি ব্যর্থ হলে।
হেই, কিমি! এমা বলছি! এনিবাল ক্যান্ডেন্সকে খুন করেছে।
তার মৃত্যুর সাথে সাথে তোমার দেখা সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়...
...আর তুমি কিছুই করতে পারলে না।
তাকে বাঁচাতে না পারার আক্ষেপ...
...তোমার বারবার তাড়া করে যাচ্ছিল।
কিন্তু তোমার ভাগ্য তোমার হাতে ছিল না।
এলোমেলোভাবে তোমার জীবন চলতে লাগলো।
ভিন্ন পথে গিয়ে নতুনভাবে জীবনটাকে সাজাতে চাইলে।
কিমি নামটাকে কবর দিয়ে!
কিন্তু অতীত তোমার পিছু ছাড়ছিলো না।
নতুন জীবনের কোন দরজাই খুললো না।
তাই তুমি আবার সেই কাজে ফিরে গেলে যেটা করে সহজেই তুমি পেট চালাতে পারবে।
আর নয় বছর ধরে...
এই চাহনিগুলো তোমাকে মনে করাতে থাকে যে তুমি তোমার আসল পরিচয় এড়াতে পারবে না।
তোমার দুর্দশাগ্রস্ত জীবন চলতে থাকলো।
তোমার একজন ক্লায়েন্ট এসেছে।
অদ্ভুদ এক মহিলা!
ভিতরে আসতে বলো।
কিন্তু একদিন, এই দুঃস্বপ্নের সমাপ্তি ঘটে।
তোমার কী হয়েছে?
তোমার ব্যাপারে বলো?
আমি তোমাকে সবকিছু বলবো, কিন্তু...
সবকিছু কেমন অদ্ভুদ! আমি জানিনা, আমি এখানে কী করছি।
ক্যান্ডেন্স, সোনা আমার!
এখন আমি অলিভিয়া!
আর আমি জাদুসোনা!
কিন্তু, তাতে কী?
আমাকে খোঁজার জন্য কেউ এসেছিল?
তোমাকে খোঁজার জন্য?
পাঁচ মিনিট আগেও, সবার কাছে তুমি মৃত ছিলে।
বলো, কী হয়েছে?
হতে পারে এটা কোন ফাঁদ! জায়গাটা আমার নিরাপদ মনে হচ্ছে না।
কেন?
আমার বাসায় যাবে?
হ্যাঁ
সেটাই ভালো হবে।
কিমি!
ওই লোকটা কি জানে তুমি কোথায় থাকো?
- কেন? - ওর কাছে একটা সাহায্য চাইতাম।
না, ওকে বিশ্বাস করা যাবে না।
- কিন্তু ওকে করা যায়! ওকে ডাক দেবো? - হ্যাঁ!
লুসিয়া!
- হাই, লুসিয়া! - হাই!
ও আমার মেয়ের মতো!
ও যা করতে বলে করো।
দেখো, ও আমার স্বামী। ওর নাম ম্যাট!
আমাদের এখানে দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু ওর কাছে মোবাইল নেই।
ও আসলে ওকে বলবে যে, আমরা কিমির বাসায় আছি।
- আসল নাম কী? - মাতেও ভিদাল!
ঠিক আছে, বলবো।
শুনুন!
হেই!
হেই!
হেই! আমি আপনার সাথে কথা বলছি।
কতবার বলবো যে, আমি একটা ফোন করবো। আমি নিজেও উকিল এবং নিজের অধিকার আমি জানি।
কতবার বলবো যে, উনি আসার আগে কোন কল করা যাবে না, বোঝা গেছে?
কে আসার আগে?
- বিয়া, বলো! - থিও!
হে ঈশ্বর! তুমি আমার মেসেজের উত্তর দিচ্ছ না কেন?
কর্ণেল প্রিয়েতো তোমাকে কল করেনি? আমি তাকে কল করতে বলেছিলাম।
আমি ঠিক আছি, কিন্তু এখন কথা বলতে পারবো না।
সোফিয়ার কী অবস্থা?
সে এখন ব্রুনোর খবরটা জানে না, কিন্তু আমার সত্যিই খুব চিন্তা হচ্ছে।
ওর জায়গায় তুমিও থাকতে পারতে।
- থিও, যেখানেই থাকো, জলদি বাসায় চলে আসো। - পারবো না।
কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি, সব ঠিক হয়ে যাবে।
বিয়া, আমি একটা টানেলের মধ্যে ঢুকছি! নেটওয়ার্ক চলে যাবে, ফোন রাখছি।
পরে কল করবো।
থিও!
- ভালোবাসি তোমাকে! - থিও!
এখানে সব আছে?
নিজেরা যাচাই করার আগে অফিসিয়াল ভার্সন গ্রহণ করি না আমরা।
অরতিজ!
এগুইলারের যে পিস্তল দিয়ে সুটুকে মারা হয়েছে তার সাথে ওই বুলেটটার ম্যাচ হতে হবে।
আমরা এখন SCU-এর আদেশ মান্য করে এই কেস থেকে দূরে থাকবো।
আমি আরেকটা সুযোগ চাই।
একজন সম্মানীয় SCU অফিসারের কথা বিশ্বাস না করে...
...আমরা একটা পতিতার কথা বিশ্বাস করবো নাকি?
সবকিছু সবসময় ধামাচাপা দিলে তো ও আজীবনই নিষ্পাপ এবং সম্মানীয়ই থাকবে।
নিজের চাকরি হারাতে চাও?
তোমাকে আবার কখন দেখব?
খুব তাড়াতাড়ি!
এগুইলারের কাছ থেকে রেকর্ডটা আনতে পেরেছি...
...কিন্তু ও আমাকে আটকে ফেলেছিল। তাই আমাকে জানালা দিয়ে লাফ দিতে হয়।
ও এটা খুঁজছে!
এটা ওর!
ও ল্যাভান্ডাকে খুন করেছে!
আর আমার সাথে এটা করেছে!
আমি দুঃখিত!
সে আমার কাছে এনিবাল আর এমা কোথায় জানতে চেয়েছিল।
তুমি যে ঠিক আছো সেটা আমাকে জানানো উচিত ছিল।
অন্তত এটা তো জানতে পারতাম যে, সেদিন তোমার সাথে খারাপ কিছু হয়নি।
কিমি!
তোমার সাথে যা করেছি তার জন্য কখনোই নিজেকে ক্ষমা করতে পারব না।
তুমি এখানে কেন এসেছো সেটা কিন্তু এখনও বলোনি।
পাওলার জন্য!
- পাওলা? - আমার মেয়ে!
ও অসুস্থ! আমার সাহায্য দরকার ওর!
তোমার মেয়ে তোমাকে খুঁজে বের করেছে?
না! ও করেনি!
গ্যালার্ডো করেছে! যে আমার খুনের ব্যাপারে তদন্ত করেছিল।
গ্যালার্ডো?
সে বলেছে, পাওলার বাবা-মায়ের মাধ্যমে ও আমার খোঁজ পেয়েছে।
সে আমাকে এখানে পাঠিয়েছে...
যাতে আমি ওদের সাথে দেখা করে পাওলাকে সাহায্য করতে পারি।
আগামীকাল রাত ১১টায়, সান্তা ইউজিনিয়া চত্বরে!
তোমাকে একটা কথা বলা দরকার
তোমার মেয়ে আমার কাছে এসেছিল।
কিন্তু সে গ্যালার্ডোর কথা কিছু বলেনি।
পাওলা জেনে যায় যে, তাকে দত্তক নেয়া হয়েছে।
সে তোমার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছিলো।
সে সেখানেই গিয়েছিল যেখানে গেলে তোমার সম্পর্কে সব খবর পাবে।
যেখানে তাকে দত্তকের জন্য দিয়ে আসা হয়েছিল।
তারা তাকে বলেছিল, তুমি মারা গেছো।
এভাবে ও তোমার কবর খুঁজে পায়।
আর সেখান থেকে ও আমার কাছে আসে।
তোমার মা তোমাকে খুব ভালোবাসতো।
ব্যাপারটা বুঝলাম না!
যদি আমার মেয়ে মনে করে যে আমি মৃত, তাহলে গ্যালার্ডো আমাকে যা বলেছে সব মিথ্যা।
এটা নিশ্চয়ই কোন ফাঁদ!
হয়তো ম্যাট সত্যি বলেছিলো।
এনিবাল!
এনিবাল?
সম্ভবত সে আমার কাছে পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ব্যাবহার করছে।
তোমার এবং আমার কাছে। শুধুমাত্র আমরাই বেঁচে আছি।
বুঝলাম না?
এমা মারা গেছে! গ্যালার্ডো মারা গেছে! সাইজও মেরে গেছে!
- ওরা দু'জনও মারা গিয়েছে? - হ্যাঁ!
পাওলার বাবা-মা খোঁজ নিতেও আসেনি।
No comments yet. Be the first to leave one.