ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ইয়ার্ড বন্ধ প্রবেশ নিষেধ
"সেই রোববার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য,
রাকেল মারিল্লো প্রফেসরের চেহারা দেখার সুযোগ হারাল।
আর ধাঁধাটা সমাধানের মধ্যদিয়ে,
পরের ধাপে পা দেওয়ার এটাই ছিল শেষ সুযোগ।
ইতিমধ্যেই সে রিওর চেহারা দেখেছে।
আমারটাও দেখেছে।
আরেকটু হলে বার্লিনেরটাও দেখত।
প্রফেসর আগেই অনুমান করেছিলেন, রাকেল ছবিগুলো পাবে।
খেলার গুটিগুলো তিনি এমন নিপুণতার সাথে চালছিলেন যেন,
ইন্সপেক্টর এক চাল বুঝে উঠতে না উঠতেই তিনি পরেরটা চালতে পারেন।
একমাত্র ওর চেহারাটাই কখনো পাবে না।
কিন্তু সে একদম অচেনা নয়।
তার চেহারা পুলিশের প্রটোকলে হলোগ্রামের মতো চলছিল।
এর ফলে তিনি ভালোই ঝুঁকিতে ছিল।
এখন ইন্সপেক্টর যদি ধাঁধাটা ঠিক মতো সমাধান করে
প্রফেসরের চেহারা জেনে যায়, তাহলে খেলাটা শেষ হয়ে যাবে।
বাজি জিতে যাবে একদম।"
Translated By SANJIDA PRITOM | AL MAKSUD TANJIDUL ISLAM SAKIB | ASIF NEWAZE | SAYEED BIN TARIQ KUDRATE JAHAN ZINIA
Edited By SARAH IQBAL
LCDP 108 :.:.: Tú LO HAS BUSCADO :.:.:
রবিবার রাত ১২: ০৬টা
-"অ্যালিসন পার্কার। -তুমি কি নিশ্চিত?
আটজনকে না বাঁচিয়ে শুধু পার্কারকে বাঁচাতে চাও?
হ্যাঁ, ঠিক তাই।
কী নিষ্ঠুর! একটু দ্বিধাও করল না।
কেউ যখন দ্বিধাহীনভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়,
আর কিছু বলার থাকে না।"
ডাকাতি শুরুর ৫০ ঘন্টা পরে।
৮জন স্প্যানিশ কিশোরের জীবনের সামনে...
একজন ব্রিটিশ মেয়ের জীবন বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, অবশ্যই সেটা বৈষ্যমতা।
অ্যালিসন স্প্যানিশও, দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে।
প্রধান চিন্তা অবশ্যই জিম্মিদের নিয়ে,
তবে ইন্সপেক্টর মারিল্লোর সিদ্ধান্তের প্রতিও ভরসা রাখতে হবে
মনে হয় না, সে এত বড় একটা পদক্ষেপ না বুঝেশুনে নিয়েছে।
পুলিশ ফোর্সের সদস্য হিসেবে তার বিশাল ক্যারিয়ার।
সাইকোলজিস্ট, ক্রিমিনোলজিস্ট... আর কী চান?
অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সে।
কিন্তু সমস্যা হলো, ইন্সপেক্টর মারিল্লো,
মাত্রই শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেছে"
- পাওলা! -"এর সাথে সম্পর্ক কী...?
সে এখন মানসিকভাবে দুর্বল।
হয়তোবা ওষুধও খাচ্ছে,..."
মাত্রই ওর বাবার সাথে কথা বলল।
পাওলা, বাবা যা বলেছে, তা মাকে বলবে না?
এসো।
আমি কি বাবার সাথে থাকতে চাই কি না।
তুমি কী বললে সোনামণি?
আমি বলেছি, থাকবো।
কিন্তু তুমি বাবার কাছে চলে গেলে,
- আমাদের তো দেখাই হবে না। - এমনিতেও তো হয় না, তুমি তো বাইরেই থাকো।
দেখো, পাওলা।
মা তোমাকে বাবার কাছে থাকতে দিতে চায় না কারণ...
তোমার বাবা ভালো না, আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, বুঝেছ?
বাবা তো ভালো।
না সোনা, তোমার বাবা ভালো না।
মোটেই না, বাবা বলেছে আমাকে।
বলেছে, তুমি মিথ্যা কথা ছড়িয়েছ।
- আমি ওদের সাথে থাকতে চাই। -কিন্তু সোনা।
আন্ট মার্তা পাগলাটে স্বাভাবের।
যদিও এটা বলা ঠিক না, কারণ আমি তারও মা।
কিন্তু তোমার খরগোশের মতো ওর মাথাতেও বুদ্ধি নেই।
মা।
চুপ করো তো, ওর আন্টের নামে ওর সামনে আজেবাজে কথা বোলো না।
বেশ।
জানো, আমরা কী করব?
হ্যামবার্গার খেতে যাবো, ঠিক আছে?
কেচাপ দিয়ে?
কেচাপ আর ফ্রাই দিয়ে।
কাজটা শেষ হলে আমরা ক্যানারিতে যাব।
সৈকতে, খালি মেয়েরা মিলে, খুশি এবার?
শুধু মেয়েরা হলে আমি যাব।
চলো যাই।
চকোলেট আইসক্রিমও খাবো।
ঠিক আছে, চকোলেট আইসক্রিমও কিনে দেবো।
"ডাকাতির ব্যাপারে আমাদেরকে কুরে কুরে খাওয়ার মতো,
অনেকগুলো প্রশ্নের উদয় হচ্ছে।
কিডন্যাপারগুলো কারা? ওরা কি ভেতরেই থাকতে চায়?
ওরা কি অর্থ চায় নাকি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চায়?
পুলিশকে কতক্ষণ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে?"
পুলিশ ঢুকবে না কেন?
কারণ আমরা দরজা ভেতর থেকে লাগিয়ে রাখবো।
ওর মুখভঙ্গিটা তো দেখো।
ওরা ভেতরে আসবে না।
কারন স্পেনের কেউ ওদের আসতে দেবে না।
আপনার কি মনে হয়, গণ ভোট হবে ?
- আচ্ছা। - দেখা যাক।
সাল ২০১১।
পুয়ের্তো দেল সল দখল করে নেয় একদল তরুণ ।
স্পেনের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ জায়গা
আর ২০০০০ এর বেশি লোক ওখানে জড়ো হয়।
১৫-এম , না ?
ওটাই।
আমাদের যদি বলা হতো, আমাদের মধ্যে যে কাউকে
যে ২০০০০ লোক ১ মাসের জন্য জড়ো হবে,
পুয়ের্তো দেল সলের সামনে জড়ো হবে , যাতে কোনো পুলিশ ভেতরে না যেতে পারে।
আমরা বিশ্বাসও করতাম না, বলতাম অসম্ভব।
কিন্তু তাই হয়েছিল।
আর পুলিশ ভেতরে যায়নি।
কেন ?
কারন পুরো স্পেন ওই তরুণদের পক্ষে ছিল।
ঠিক, কিন্তু ওই তরুণদের ছিল তাবু, আর আমাদের থাকবে বন্দুক।
- একটু আলাদা। - তা ঠিক।
কিন্তু রাজনীতি হচ্ছে রাজনীতি।
অর্থ হচ্ছে অর্থ , তাই না ?
আর সাঙ্গারিয়া হচ্ছে, সাঙ্গারিয়া। [ সাঙ্গারিয়া- রেড ওয়াইন, লেমোনেড ও ফল মিশ্রিত এক ধরণের স্পানিশ ড্রিংক।]
না, না, সাইবেরিয়াতে, এটার পুলিশ চলে আসবে।
- চিয়ার্স, বন্ধুরা! - চিয়ার্স! চিয়ার্স!
আস্ত একটা বদ!
আমরা ওখানে আটকে থাকবো।
ওই ইঁদুরের গর্তে।
যেভাবে ওরা ছিল পুয়ের্তো দেল সলে।
আর যারা আটকে থাকে, ওদের পক্ষেই থাকে সবাই।
- আর কাজ না হলে... - নিজেদের দর্শক তো আছেই , তাই না ?
না, সরি , বলুন, বলুন।
ধন্যবাদ।
ওটায় কাজ না হলে,
পুলিশ জানবে, আমাদের কাছে অস্ত্র আছে।
জানবে, আমাদের কাছে বোমা আছে।
ডাকাতদল ও জিম্মিদের আলাদা করে চেনার,
কোনো পুলিশের সাধ্য থাকবে না।
কোন মন্ত্রী ঢোকার আদেশ দেবে না।
কেন না ?
কারন নাবালক থাকবে ওখানে।
স্প্যানিশ সেকেন্ড- ক্লাস সিটিজেন
ওই ৮ জনের বদলে, আ্যালিসন পার্কারকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটা আপনার ছিল।
আপনি বলেছিলেন, ইনটেলিগেন্স সার্ভিস বাকিটা সামলে নেবে।
এখন ওদের গিয়ে জানান যে, এই সিধান্ত আপনার ছিল।
আর আপনার সি. এন. আই. এর বন্ধুদের।
আমাদের পক্ষে এটা আর বলা সম্ভব না।
কিন্তু চিন্তা করবেন না।
প্রেসিডেন্ট জানেন, এই ব্যাপারটা। সরকারের পূর্ণ সমর্থন পাবেন আপনি
দেখুন, ওসব সমর্থন আমার লাগবে না।
আমার মা আর মেয়ে কী ভাবল, সেটাই আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেসিডেন্ট কী ভাবল, সেটা না।
ইন্সপ্যাক্টর, ওই লোকগুলো কখনোই আ্যালিসন পার্কারকে ছেড়ে দিত না।
ওই আটজন কিশোরকেও না।
এটা একটা জাল ছিল।
আমি আরও একটা কথা বলবো।
যখন সব শেষ হয়ে যাবে , কারও কিছু মনে থাকবে না।
এটা অনেকটা...
স্পেনের ফুটবল টিমের মতো।
কে কেমন খেলল, তাতে কিছু যায় আসে না,
বিশ্বকাপের শুরুর দিকে।
কিন্তু শেষে যদি জিতে যাও, তবে সবাই খুশি।
এটা যদি এক গাদা মরা মানুষ নিয়ে ইতি টানে,
তাহলে আমাদের সব শেষ হয়ে যাবে।
আমার ভুলের জন্য দুঃখিত।
আর আপনি এখন থেকে আমার উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন।
কিন্তু আপনি যদি চান আমি হাল ছেড়ে দেই...
সুয়ারেজ , আমি চাই, সবাই কাজ করুক।
ওই ইবিজার সিটের ফরেনসিক রিপোর্ট চাই আমি।
আর আন্ডারগ্রাউন্ড ইউনিটের রিপোর্ট কোথায়?
আর এছাড়াও মি. প্রিয়েতো...
আমি চাই, ইনটেলিগেন্স সার্ভিস...
আমাকে বলুক, ডাকাতগুলো কীভাবে বের হয়ে আসবে।
আমার একটা প্রশ্ন আছে, প্রফেসর।
আমরা ওখান থেকে বের হবো কীভাবে?
- একটা সুড়ঙ্গ দিয়ে। - এটা বুঝি আপনার মাস্টার প্ল্যান?
পুলিশ দুই তিন মিনিটেই জেনে যাবে।
হ্যাঁ।
দেখো,
এটাই সেই ন্যাশনাল স্ট্যাম্প অ্যান্ড কয়েন ফ্যাক্টরি।
উপর থেকে...
ভেতরে ঢোকার পর,
তোমরা জিম্মিদের দিয়ে এখানে পাথর ভাঙ্গাবে।
বেজমেন্টের বয়লারের রুমে।
এটা ড্রেন থেকে ঠিক ১৩ মিটার দূরে।
১৩ মিটার ?
এই দূরত্বে তো যে কোনো জি পি আর আমাদের ধরে ফেলবে।
তাই না ?
হ্যাঁ।
জি পি আর এর দূরত্ব ১৫ মিটার।
অথবা ওরা সিসমোগ্রাফ ব্যাবহার করবে।
যেটা আমাদের হাতুড়ির অবস্থান ধরে ফেলবে।
ওরা ভাববে, আমরা ওদিক দিয়ে পালাচ্ছি।
কিন্তু আমরা ওদিকে যাবে না, তাই না?
না।
আমরা অন্য একটা সুড়ঙ্গ দিয়ে যাবো।
সুড়ঙ্গ?
ওটা ওরা দেখতে পাবে না।
কারন এটা যেকোনো নালা থেকে ২৬ মিটার দূরে।
আর সুড়ঙ্গটা ওখানে এমনিতেই আছে।
ওদিকে শুধু একটা সুড়ঙ্গমুখ লাগবে।
ভল্ট ৩ থেকে সোজা এখানে এসে বের হবার জন্য।
কে বানিয়েছে ওটা ?
- আমি ৫ বছর আগে বানিয়েছি। - না
সুড়ঙ্গ আর ফ্যাক্টরির মধ্যে একবার সংযোগ স্থাপন করে,
৪৮৬ মিটারের একটা প্রশস্ত পথ...
পাড়ি দিতে পারলেই দেখবে,
একটা হ্যাঙ্গার
যেটা আগে থেকেই ওখানে ঝুলছে।
না..
ক্যাপটা খুলে আপনার সামনে মাথা নত করছি। - প্যান্টটাও খুলে ফেলো।
কিন্তু সব ক্যামেরা....
ওই পাতালের পথ তো বন্ধ করা । তাই না ?
হ্যাঁ , ঠিক।
প্রথম স্তর স্টিল আর তারপর কংক্রিটের।
নিউম্যাটিক ড্রিল ওখানে ব্যাবহার করা যাবে না।
হাতুড়ি আর করাত দিয়ে হাতে করা লাগবে।
No comments yet. Be the first to leave one.