ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সাবটাইটেল অনুবাদ রফিকুল রনি আরমান আল মাহমুদ
সাবটাইটেল সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
পালিয়ে থেকে অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত আমি...
শোনো!
ভোরেই কার্গো শিপ ধরবো
তবে ওখানকার সবকিছু তুমি হ্যান্ডল করবে।
বুঝলে?
কী? অপেক্ষা করতে হবে মানে?
আর কতবার বলতে হবে?
সব দায় যেন আমার!
সব তো মিডিয়ার দোষ!
ঊ-মিউং গ্রুপের কর ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে
না, না, না, না... চায়না নয়! ভিয়েতনাম যাবো...
কে তোমরা?
মি. জাং মিন-খি?
তাইতো?
কী করছো?
বসিয়ে রাখো।
একটু ব্যথা লাগবে। মুষ্টি চেপে রাখুন।
যাওয়া, যাক।
ওকে।
আচ্ছা।
খাইছেরে...
এটা তো স্ক্রিপ্টে ছিল না। কী করবো?
কী আর করবে? স্ক্রিপ্ট আবার লেখো।
প্রসিকিউটরদের কাছ থেকে তলব পাবার আগে উধাও হওয়া
ঊ-মিউং গ্রুপের CFO,
সিউল হোটেলে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।
ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত ড্রাগ ওভারডোজ মৃত্যুর কারণ।
ঊ-মিউং গ্রুপের কর ফাঁকির তদন্তকে অন্য দিকে চালনা করতে
জাং এর মৃত্যুকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
THE PRISON
সোজা হাঁটো। লাইনে থাকো।
বন্ধু হওয়া যাক।
সামনে তাকাও! আগাও!
ওরে, এটা তো মৃত্যুদণ্ড পেয়েছে!
শালা মাথামোটা, ওরা লাল পরে।
হলুদ হলো সুবিধাবাদী। মানে সে মনোযোগ পেতে চায়।
ওকে একা ছাড়াই ভালো হবে।
কী দেখিস, চোদনা?
তাকাবি না।
চুপ যাও!
চোখ উপড়ে নেবো...
শালার!
ছাড়ো!
ছাড়ো!
আয়, শালা!
সম্প্রতি আসা প্রথম বোকাচোদা।
তাই মনে হচ্ছে।
হলুদ ব্যাজ পরেছে।
কুত্তার বাচ্চা!
আগে কখনো দেখিনি। কোথায় থাকছে?
শালার বোকাচোদা।
ঢোক!
ধুর শালা!
দাঁড়িয়ে থাক!
দাঁড়িয়ে থাক, হারামীর দল!
- নড়িস না। - ঘাড় মড়কে যাবে, শালা!
এইতো!
ওই, শালা ঝুলে আছে!
হারামীর বাচ্চা।
- ওই, হয়েছে। - জ্বী, বস!
ঘুমাবো।
ওখানে ফেলে রাখো।
গুড নাইট, বস!
ধুর বাল!
ঘুমাতে গেলে মুতায় ধরে ক্যান?
ডাক্তার দেখাতে হবে।
কষ্ট হয়?
নিজেকে শক্ত করুন।
ব্যাপারটা কষ্টের, লেফটেন্যান্ট সং।
জানি।
যাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন ভাবেননি তার সাথে থাকতে হবে।
হাসছেন?
মজা লাগে?
শালা মাদারচোদ!
কী?
কিছুই বুঝি না, হারামী।
অনেকদিন আগে...
কী?
অনেকদিন আগে...
অনেকদিন আগে? কী?
- নড়ো না! - ওয়ার্ডেন কোথায়?
আসছে!
ওয়ার্ডেনকে ডেকেছি। তোমাদের না!
গলায় বসিয়ে দেবো! তোমাদের দোষে মরবে!
ওয়ার্ডেনকে ডাকো!
শালা একেবারে পাগল!
আচ্ছা। বুদ্ধিটা কার?
চালাকি সাবধানে করতে হয়।
ওই হারামীদের মাঝে থেকে কী করবো?
এটা তিব্বতের চা।
ঘ্রাণটা দারুণ। চেখে দেখো।
শুনেছি জেলটা যমের বাড়ি।
কিন্তু আমার সাথে এমনটা করবেন না।
আপনার মতো আমিও সিভিল সার্ভেন্ট ছিলাম।
ভবিষ্যতে কী পরিস্থিতিতে পড়তে হয় কেউ তা জানে না।
শাস্তিমূলক কাজকারবার পরিচালনা করা অতো সোজা না।
একে অন্যকে জেলে ঢোকাচ্ছে...
ফালতু বকেন বেশি।
আমার কথা শুনছেনই না।
আমাকে অন্য সেলে দিন।
তাহলে ঝামেলা করবো না।
আমাকে চ্যালেঞ্জ করা আর দেয়ালে ঘুষি মারা একই কথা।
গো-ছাং জেলে থাকতে,
নিরাপত্তা প্রধান আর এক অফিসারকে ভাগাড়ে পাঠিয়েছিলাম।
তাই আমাকে ঘাঁটিয়ো না। তবেই চুপচাপ থাকবো।
কয়েদীদের রাতের বেলা ছাড়ে কে?
কোন বালের জেল এটা?
এদিকে আয়।
এদিকে আয়, হারামী!
দাঁড়া বলছি!
এদিকে আয়!
ব্যথা লাগে... হয়েছে।
থাম। বাল!
তোমার চোখ
আক্রোশে পরিপূর্ণ।
জায়গাটা ভালো না।
এভাবে আঁকুপাঁকু করলে,
শত্রুতাই বাড়বে।
আমাদের একে অপরের উপর নির্ভর করতে হবে,
সাহায্য করতে হবে।
আমরা দুজনই কয়েদী।
আমাকে জ্ঞান দেয়ার তুমি কে?
তো, মেশিনে কাজ করতে গিয়ে
হাত খুইয়েছিস, কেমন?
ধুর।
বাল, থাম!
ধরো!
না!
দাঁড়াও!
মাফ করে দাও!
যা বলবে তাই করবো!
কথা দিয়েছো কিন্তু।
প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছো।
বাল।
৩২৬০। হামলা এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করায় ২০ দিন আটক থাকবে।
ঢোকো!
জলদি।
ধাক্কাবেন না।
ওই লোকটা কে?
মানসম্মান সব শেষ।
ওর সাথে যে লাগতে যায় সে মরে ভুত হয়।
ওয়ার্ডেনও ভয় পা।
ইক-হো সমস্যার সমাধান করে।
তাই ওর কথাই এখানকার আইন।
সত্যি বলতে, আমাদের কাজকে ও সহজ করে দেয়।
কোন গ্যাংয়ের লোক?
কোনো গ্যাংয়ের নয়। গ্যাংয়ের ঊর্ধ্বে ও।
হোয়াইট টাইগার গ্যাংকে চেনো?
সেই গ্যাংয়ের লিডার ইক-হোর সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ওর কাছে সব লোক খুইয়েছে।
গুজব আছে ওর চোখ বের করে নিয়ে সবার সামনে চিবিয়েছিল ইক-হো।
বোকা বানাবেন না!
যাকগে, এখানকার সব ও।
রাজা ও।
হাউজ ৮ এ যাবার চেষ্টা করো। ওর সব লোক ওখানে।
আমরা ওদিকটা মাড়াই না।
ওখানে গেলে, রাজার হালে থাকতে পারবে।
ঊ-মিউং কর ফাঁকি মামলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে
- রিফর্মেশন! - আসুন।
শুনলাম আপনার মেয়ের নাকি বিয়ে?
না দিলেও হতো...
আমরা সবাই পরিবার।
অভিনন্দন, চিফ খোয়ন।
যাইহোক... ওই!
জ্বী!
জ্বী।
ওর একটু সমস্যা আছে...
কী?
- আমার মেয়ে খুব অসুস্থ... - ট্রান্সফার করে দিন...
বুসান হলে ভালো হয়।
হয়ে যাবে।
পারবো।
একটা মিটিং আছে।
ধন্যবাদ, চিফ খোয়ন।
ধন্যবাদ।
আশাকরি পুলিশটা ঠাণ্ডা হয়েছে?
বড্ড চালু লোক। চোখে চোখে রাখতে হবে।
- হিট-অ্যান্ড-রান? - শুধু সেটা নয়।
প্রমাণ লোপাট, ঘুষ দেওয়া... সব ওর কাজ।
ওকে গ্রিম রিপার ডাকা হয়,
ওর রাডারে একবার ধরা পড়লে, কেউ নিস্তার পায় না।
সেজন্যই ওর এতো শত্রু। ও আমাদের আসল মাথাব্যথা।
মানে ওর কাজটা ও ঠিকঠাক করেছে?
৩২৬০, বেরিয়ে এসো।
ব্রো!
কে তুমি?
নিজের লোককেই চিনতে পারছো না?
গিয়ে-সিক নাকি? চেহারার এই দশা কেন?
নিজেরটা দেখো আগে।
তোমার আসার কথা শুনেছি।
কিন্তু এই বালছাল পরে থাকায় চিনতে কষ্টই হয়েছে।
ওই, লেফটেন্যান্ট সং!
তো বের হলি? সেখানে অবস্থা খারাপ হয়েছে?
আমরা তোকে মিস করছিলাম রে।
ওই, আমার কানের মূল্য চোকাবি, হারামী!
পুরোটাই গিলে ফেলেছি, চোদনা। টয়লেটে গিয়ে হাতা।
পেছাও, তোমরা!
রাতে মজা হবে।
রক্তে ডুবে সূর্যোদয় দেখবি হারামী।
No comments yet. Be the first to leave one.