ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদেঃ এফ আর সজীব। রবিউল আওয়াল জীবন।
সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
অনুবাদেঃ এফ আর সজীব। রবিউল আওয়াল জীবন।
সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
ধন্যবাদ, বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার জন্য। সাবটাইটেলটি ভাল লাগলে অবশ্যই সাবসিনে গুড রেটিং দিয়ে পাশে থাকবেন।
আউচ!
পিটার?
পিটার...
পিটার?
পিটার...
পিটার!
পিটার!
"নীরবতা"
পুলিশ ডিপার্টমেন্ট পিটার এবং তার স্ত্রী মেলিসার মৃত্যুর পিছনে কারণ খুঁজে বের করতে অক্ষম হয়েছিল।
প্রত্যেকে বিশ্বাস করলো যে, এই ভিলার (বাড়ি) মালিক জোসেফাইন উডের আত্মা...
...তাদের দু'জনকে হত্যা করেছিল।
ভুতুড়ে বাড়ি হিসাবে জায়গাটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।
ডুভাল প্রদেশ সম্পত্তিটা নিয়ে নেয়,
বাড়িটার কোনো উত্তরাধিকারী নেই বলে নিলামে তুলে দেয়।
তবে কেউই সেই সম্পত্তি কিনতে এগিয়ে আসেনি।
অবশেষে, ২০১৯ সালে...
'মার্টিন এসকাভাদো' নামে একজন কলম্বিয়ান ব্যবসায়ী সাহস করে সেই ভিলাটি(বাড়ি) কিনেছিলেন।
এরপর থেকেই সব শুরু হয়।
এই পৃথিবীতে, প্রতিটি মানুষেরই একটি নিজস্ব গল্প আছে।
আর প্রতিটি গল্পের পিছনেই একটি অপরাধ আছে।
কিছু অপরাধ প্রকাশিত হয়,
আর কিছু সময়ের সাথে সাথে ম্লান হয়ে যায়।
তবে যারা অপরাধ করে তারা সকলেই অপরাধী হয় না।
আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক অপরাধের সাক্ষী হয়েছি,
এবং তাদের অনেকগুলোরই সমাধান হয়েছে।
তবে একটা কেস...
আমার অভিজ্ঞতা আর বুদ্ধিমত্তাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
আমি মাহা,
ক্রাইম ডিটেক্টিভ, সিয়াটল পিডি।
হেই, কাম-অন!
তুমি পাগল নাকি অন্যকিছু?
"It's you that I have in my eyes"
"It's you that I've placed in my heart"
"Love letters that cover more than words"
"I read them in your mute signals"
"The naughty things that Are deep inside the heart"
"I know them with your touch"
"I'm climbing up to the clouds"
"When your stare pokes me"
"I'm coloring the rainbow"
"When I hear symphony Being played in your smile"
"It's you that I have in my eyes"
"Why do I need sleep"
"When you are before me"
"Why do I need to breathe"
"When I pay attention to you"
"A foot in my eyes and a foot in my heart"
"You've placed them so beautifully, Now tell me your wish"
"In the lake of love"
"Let's roam around like Twin waves from now on"
"I'm climbing up to the clouds"
"When your stare pokes me"
"I'm coloring the rainbow"
"When I hear symphony Being played in your smile"
আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছেছেন।
তাহলে এই সেই জায়গা যেখানে তুমি যেতে চেয়েছিলে, তাই না?
দারুন!
খুব সুন্দর জায়গা!
অসাধরণ! দুর্দান্ত!
তো...
তো, তুমি যে জোসেফাইন কাঠের পেইন্টিং খুঁজছো...
তা এই ভুতুড়ে বাড়িতে?
আর তুমি এটা আঁকলে তবেই কেবল সন্তুষ্ট হবে?
তোমার ইচ্ছাই আমার আদেশ।
১৯৪৮।
আট।
খোলো...খোলো।
ওহ, দারুণ!
হো-হো! ভয় পেয়ে গেলাম।
কোথায় এটা?
ঠিক আছে ঠিক আছে! আমি এইদিকটায় যাচ্ছি।
বেডরুমটা চেক করে দেখবো?
ওহ!
ওই দিকে! ওই দিকটা চেক করে দেখো।
তাহলে জোসেফাইনের উড পেইন্টিং টা এখানে?
আরে স্যাম! কী করলে এটা?
আমি কিছুই করিনি!
হায় ঈশ্বর! স্যাম!
আমরা এখন কী করবো?
কী করবো মানে? চলো তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই!
"To Lord Ganesha, the son of Lord Shiva"
"To the head of Gods who brings luck"
"To the one who is the teacher Of all art forms"
"To the one who is worshipped Throughout the world"
"Victory to him always"
"Victory to him always"
পুজা করাকালীন ম্যাসেজিং কেন করছো তুমি?
ভক্তি শ্রদ্ধা কিছু নেই নাকি?
আমার ঠিকই আছে, আমার প্রডিউসারের নেই।
ফোনের পর ফোন করেই যাচ্ছেন, তাই ম্যাসেজ করেছিলাম।
ঠিক আছে। আমাদের এখন যেতে হবে।
আমার অনেকগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে!
সিয়াটলে সাইকোদের গুঞ্জন চলছে। আপনিও সাইকো হয়ে যাবেন।
দিনটা শুভ হোক!
আরে মাহা! তিনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, আর এটাই তার পেশা।
আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি যাচ্ছ যাও, তবে তাকে রেখে যাও!
ধন্যবাদ, আন্টি।
আচ্ছা ঠিক আছে, তাহলে পরে দেখা হবে।
-আসি মা, আসি বাবা। -আচ্ছা।
উডসাইড ভিলা যেটা 'ভূতুড়ে বাড়ি' নামেও পরিচিত,
যা ৪৬ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, আর আজকের সংবাদে উঠে এসেছে।
আজকে সকালে সেখানকার প্রতিবেশি এবং পুলিশ কর্তৃক জানা গেছে...
...সেখানে আরও একটি বড় ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
ক্যাপ্টেন! ক্যাপ্টেন! আপনি কি বলবেন এখানে কী হয়েছে?
বাড়ির ভেতরে কী হচ্ছে?
-এটা কি কোনো খুন? -কী?
-ভূত কি আবার ফিরে এসেছে? -কী!
ইতোমধ্যেই সিয়াটলে প্রচুর মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে,
-সে ব্যাপারে মিডিয়ার টার্গেট ছিল ক্যাপ্টেন রিচার্ড। -আমি জানি না! সাইড দিন প্লিজ!
দয়া করে আমাদেরকে বলবেন আসলে কি হয়েছে?
আমার কোনো ধারণা নেই!
-ক্যাপ্টেন, প্লিজ! -দূর হোন আমার রাস্তা থেকে।
-ক্যাপ্টেন! দয়া করে কিছু তো বলুন। -আমার দৃষ্টির সামনে থেকে যান!
কী হচ্ছে সেই ব্যাপারে প্লিজ কিছু তথ্য দিন।
-ক্যাপ্টেন! প্লিজ! -চুপ করুন।
স্যার, এখানে একটা অপরাধের তদন্ত চলছে..
আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ ভিতরে যেতে পারবে না, স্যার।
আমি এই জায়গার মালিক! আমার ভিতরে যাওয়ার অধিকার আছে!
এই যে শুনুন, আপনি যদি বকবক বন্ধ না করেন তাহলে আমি কিন্তু আপনার নারী নক্ষত্র পড়া শুরু করে দিবো।
ঠিক আছে?
বালছাল পাগল কোথাকার!
-কাম-অন, ক্যাপ্টেন। প্লিজ! -ডিটেক্টিভ, কেমন আছেন?
হেই! এটা দেখে রাখো!
সে খোঁড়াচ্ছে কেন?
২০১০ সালে ডিউটিরত অবস্থায় তার পায়ে গুলি লেগেছিল।
-বেসমেন্ট কোথায়? -এইদিকে, ক্যাপ্টেন!
এইদিকে, তাই না?
এইদিকে, স্যার!
ওয়াশরুম?
আজ, আমেরিকা তাদের দেশের একজন বিখ্যাত সংগীতশিল্পীকে হারালো।
উডসাইড ভিলা প্রায় ৪৬ বছর পর আবারও সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
কী চলছে এই বাড়িতে?
সত্যিই কি এই বাড়িতে প্রেতাত্মা শিকার করতে আসে?
দুঃখিত, ক্যাপ্টেন! আসলে রক্ত দেখলে আমার একটু সমস্যা হয়!
হ্যাঁ! আমি খেয়াল করেছি এটা।
আমার দলের সেরা তদন্তকারী গোয়েন্দা রক্ত দেখে ভীত!
আমি সাহায্য করতে পারলাম না!
ও সত্যিই? কী একটা অবস্থা!
চলো হাসপাতালে যাওয়া যাক।
-শুভ সকাল, ক্যাপ্টেন। -শুভ সকাল।
উনারা দুজনই তাকে এখানে নিয়ে এসেছেন৷
হাই!
পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আপনাদের আবারও দরকার হতে পারে,
-তাই ভালো হয়, আসে-পাশেই থাকুন। -আচ্ছা।
-ওকে। -মাফ করবেন, ক্যাপ্টেন।
আসলে...আমরা সাকশির বন্ধু। আমরা কি ওর সাথে দেখা করতে পারি, প্লিজ।
-ইন্ডিয়ান? -হ্যাঁ, সাউথ ইন্ডিয়ান।
-তেলেগু? -হ্যাঁ, ভিজিয়ানাগারাম থেকে।
-এই! আমি ভিজিয়ানাগারামের। -অহ!
ভেতরে যাওয়া যাক।
-ক্যাপ্টেন! সে আমার নিজের শহরের। -তাকে অপেক্ষা করতে হবে।
আমরা পরে করবো।
চলো।
শুভ সকাল।
শুভ সকাল,
তাকে ট্রমাতে রাখা হয়েছে, বেশিক্ষণ সময় দেওয়া যাবে না।
ঠিক আছে...
ম্যাম...আমার নাম রিচার্ড ডারকেন্স।
ক্যাপ্টেন, সে শুনতে পায় না, কথাও বলতে পারে না।
ভয়ানক নাকি এটা?
যা আমার দরকার। সাক্ষীর জন্যে সবার চুপ থাকা।
সাকশি তেলেগুর মেয়ে।
ধীরে কথা বললে, সে লিপ-রিডিং করতে পারবে।
এইদিকে দেখুন,
আমার নাম মাহা লাকস্মী।
আমার কথা আপনি বুঝতে পারছেন?
খুনীরা ইতোমধ্যে হয়তো অনেক দূরে গিয়ে থাকবে।
অন্তত এখন যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন,
আমরা ওকে ধরতে পারব।
বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে।
সাকশি আর এনথনির(অ্যান্থোনি) এংগেইজমেন্ট হওয়ার পর,
তারা হলিডে কাটাতে গিয়েছিল।
আর তাদের ফিরে আসার সময়,
জোসেফাইন উড পেইন্টিং এর প্রতিলিপির জন্যে উডসাইড ভিলাতে গিয়েছিল, সাকশি বললো।
যখন সে পেইন্টিংটা খুঁজছিল,
তখন সাকশি এনথনিকে না দেখতে পাওয়ায়,
তাকে খুঁজতে খুঁজতে বাড়ির বেসমেন্টে চলে যায়।
অন্ধকারের মধ্যে সেখানে কেউ তার উপর আক্রমণ করে।
কিন্তু কে আক্রমণ করেছিল দেখতে পায়নি।
সাকশি?
সাকশি, তুমি ঠিক আছো?
তার বিশ্রাম দরকার।
প্লিজ, পেইন কিলার দেওয়ায় সে তন্দ্রাচ্ছন্ন।
-দয়া করে যান। -ওকে।
তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
ডাক্তার, ঠিক আছে। আমরা চলে যাচ্ছি।
-চলে যেতে হবে বাল! চলো। -অবশ্যই।
চলে আসো সবাই। চলে আসো।
হ্যালো?
ফুল মুন রাও আছেন?
এই নামে এই বাড়িতে কেউ থাকে না।
কিন্তু নম্বর তো এটাই!
-কে ছিল, বাবা? -কেউ ফুল মুন নামে কাউকে চাইছিল, মা।
বলে দিয়েছি এরকম নামে কেউ নেই এখানে।
কেন? আমিই তো।
No comments yet. Be the first to leave one.