ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ আপনার অপেক্ষা করছে: © মালায়ালাম সিনেখোর
বঙ্গানুবাদ : আরুশ আরিয়ান। বিশেষ সহযোগিতায় : মোহাম্মদ সায়েম।
এই!
তোমার কি কষ্ট হচ্ছে?
এটা আরো ভয়ের, তাই না?
আমি খুশি।
পাগলী মেয়ে!
খুশি হলে কেউ কাঁদে না কি?
কেন?
নিষেধ আছে?
আমার ইচ্ছে হয়েছে আমি কাঁদব।
আমি কাঁদি না, কক্ষনো কাঁদি না।
কখনো না?
আমাকে কখনো কাঁদতে দেখেছ?
আমি কাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি?
তুমি ছাড়া...
তোমার নানী'কে।
হুম...
নানী যখন মারা গিয়েছিল, তুমি তো পাশে ছিলে, তাই না?
হ্যাঁ।
আমি কি তখন কেঁদে ছিলাম?
বা এত বছরে একবারও কাঁদতে দেখেছ?
এই!
না কেঁদে থাকো কিভাবে?
তুমি মিথ্যে বলছ!
আচ্ছা!
এসব কী বলছ তুমি?
জানি না,
আমি ছোটবেলা থেকেই এমন।
জন্মের সময় পর্যন্ত আমি কাঁদিনি।
সবাইকে একরকমই বলতে শুনেছি আর আমি সত্যিই কখনো কাঁদিনি।
অনেকবার চেষ্টাও করেছি।
তাও কখনো একটু কান্না করতে পারিনি।
মূলত আমি একধরনের অলৌকিক সত্তা।
চুপ করো বোকা!
আই লাভ ইউ।
এখন থেকে তোমাকেও কান্না আসতে দিবো না।
আমি এমনটা হতে দিবো না।
শয়তানটা মেয়েদের ছবিতে লাইক মেরেই পটিয়ে ফেলে।
আজকেও নতুন একটা।
বন্ধু।
এখনই সুযোগ ঝোপ বুঝে কোপ মার।
বেশি সময় নিস না।
সিন্ধু,
কোন সমস্যা? আমাকে বলো।
ভয় পেয়ো না সিন্ধু!
সে তোমার সাথে যেভাবে ছলনা করে এটা আমার মোটেও পছন্দ না।
তুমি ওর চেয়ে ভালো কাউকে পাবে, সিন্ধু।
এই!
শালা তো দেখছি হাল ছাড়বে না।
কী?
সে গর্ভবতী রে ভাই।
কী বললি?
আমার সন্তানের মা হবে।
যাও?
সব শেষ ভাই...
বোকাচোদা...
এদিকে দেখো, সবকিছু স্বাভাবিক আছে।
আমার নেই।
দেখো, এটা বড় কোনো সমস্যা নয়।
আমার এক পরিচিত ডাক্তার রয়েছে।
সে আমার বন্ধুর মতোই।
সে সবকিছু বুঝবে।
সে কী বুঝবে?
বাচ্চা নষ্ট করে দিবে।
মাথা নাড়ছো কেন?
আমি কিছুই বুঝিনি।
মানে— আমি এমনটা চাই না।
ওহ, তাহলে তুমি এখন কী চাও?
বাচ্চা নষ্ট করা ছাড়া পৃথিবীর যেকোনো কিছু।
ঠিক আছে, এখন শান্ত হয়ে বাড়ি যাও...
বাড়ি যেতে পারবো না।
এই!
তুমি কি মজা করছ?
শান্ত হয়ে বাড়ি যাও, যা-হোক না কেন...
বললাম— বাড়ি যেতে পারবো না!
ভাই, একটু শান্ত হ!
রাত অনেক হয়েছে, বাকী সিদ্ধান্ত সকালে নেওয়া যাবে।
আমি তোদের জন্য খাবারের অর্ডার দিয়েছি, তোদের কাছে কি নগদ টাকা আছে?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে, আমি আসি সকালে দেখা হবে।
বাই।
ধন্যবাদ, ভাই!
এই, চিল!
চিল ম্যান!
চিল ম্যান!
মূর্খ কোথাকার।
এই, দরজা খোলো!
সিন্ধু!
হ্যালো!
তুই কোথায় বাবা?
অমিতের বাসায়,
কেন, কী সমস্যা?
বাড়ি আসার সময় এক প্যাকেট দই কিনে আনিস।
মা,
আমি সকালে যাবো, একটু কাজ আছে।
তুমি খাওয়া-দাওয়া করে শুয়ে পড়ো।
তুই তো জানিস সে দই না খেয়ে ঘুমাতে পারে না।
হ্যাঁ, ঠিক। একদিনও কি সে দই না খেয়ে ঘুমাতে পারে না!
আচ্ছা যা-হোক, তুই আবার বন্ধুদের সাথে নেশা-পানি করিস না।
ঠিক আছে...
রাখো মা।
স্যার, আমি এখানে এরিয়ার কাউন্সিলর হিসেবে আসিনি,
একজন মেয়ের বাবা হিসাবে এসেছি।
এই লোকটা কি সহানুভূতির দাবিদার নয়?
সন্ধ্যায় তার মেয়ে অপহরণ হয়েছে।
আরেকটু দাও।
হয়েছে।
হ্যাঁ, বলুন।
আসলে মেয়েটা মোটেও আগ্রহী নয়।
সে তাক জোর করেছে, স্যার।
আমরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করব।
আশা করি, বাকিটা আপনি বুঝে নিবেন।
মেয়েটা তার বাবার অনুমতি ছাড়া এক আঙুলও নড়বে না, স্যার।
এতোটা বাধ্য মেয়ে, স্যার।
দেখতে পাচ্ছেন না, আমি এই মামলার জন্য কতটা পরিশ্রম করছি।
আহহ, দেখতে পাচ্ছি স্যার।
আপনি যা বলবেন আমরা তাই করব নাকি।
মেয়েটাকে দেখুন, এখানে আসার পর থেকে একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি।
তাকে কিছু বলতে বলুন।
সোনা, কিছু বলো।
তুমি কি তার সাথে যেতে রাজি হয়েছিলে, সোনা?
আমরা এসব সামলে নিবো, তুমি শুধু বলো সোনা!
মা, তোমার চাচার কথা শোনো, বলো।
হ্যাঁ বলো।
স্যার,
আমি গর্ভবতী!
ওহ খোদা! কী?
কোনো সমস্যা? কী হচ্ছে এসব?
একদম বাধ্য মেয়ে!
চাচা!!
শুনুন, মিস্টার মণিকন্দন।
মনে হচ্ছে তারা আমার বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করবে।
এই! তুই কি আকাম করেছিস?
বলে দিয়েছে।
হ্যাঁ।
সেও তো একটা মেয়ে? সে কী করেছে দেখ!
আমি ওর বিয়ে নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখেছিলাম।
ও আর আমার মেয়ে নয়, আমার মেয়ে হওয়ার যোগ্যতা ওর নেই।
যেভাবে চিৎকার করে বলছে উনার তো হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে।
বাবা কি গেছে?
যেভাবে চিল্লাচিল্লি করছে শীঘ্রই চলে যাবে।
এই কিছু কর।
হ্যাঁ, বাবা কিছু একটা করতেই তো এসেছি।
তুই যে ঝামেলা পাকিয়েছিস, এই নিয়ে ধারণা আছে?
বাবা এখানেই আসছে।
তুমি চুপ কর, আমি কথা বলছি।
হ্যাঁ।
তোকে কিন্তু মারতেও পারে।
বাবা, এতক্ষণ ভেতরে কী করছিলে?
আমি ভিতরে বিয়ের আগে সন্তানসম্ভবা নতুন দম্পতির বিয়ের পরিকল্পনা করছিলাম।
এই!
তোর মাথায় কি মগজ আছে? ওর মুখটা দেখিসনি?
মেয়েটা তার মর্যাদা হারিয়েছে।
ছেলের বাবা হিসাবে যেটা আমি আত্মহত্যার মতো মনে করি।
তোর কী মনে হয়?
এসবের আন্দাজ করে আমি ওকে নিয়মের বাঁধায় আটকে রেখেছিলাম।
সে কি কখনো আমার কথা শুনেছে?
শেষ পর্যন্ত, আমি যা নিয়ে বেশি ভয় করতাম, তাই সত্যি হলো।
বাবা, ওকে বাসায় নিয়ে যাই। তারপর এটার একটা ব্যবস্থা করা যাবে।
কেন?
যেন আরও বেশি মানুষ জানতে পারে।
আর বাকী সম্মান টুকুও নষ্ট হয়ে যায়?
একদম ঠিক, চাচা!
হ্যাঁ, ওর কিছু আজাইরা বন্ধু আছে না।
এখন ওর পাশে ওরা দাঁড়াবে।
এটাও ঠিক না!
আমি জানতাম! আমি তো আগেই বলেছি,
সে মেয়ে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আমাদের তখনই তদন্ত করা উচিত ছিল।
ওর মা ওকে প্রশ্রয় দিয়েছিল, তারা নাকি টুরু লাভ করে।
টুরু লাভ যে এমন হয় সেটা আমি জানতাম না।
আমি মেয়েটার সাথে কথা বলে আসি।
বাবা।
তবে একটা জিনিস কিছুতেই আমার মাথায় খেলছে না,
এত কিছু হওয়ার পরও।
মেয়েটার ওর উপর পূর্ণ আস্থা আছে।
সে কখনো আমার কোনো কথা শোনেনি,
এবার যেন আমার একটা কথা শোনে।
ভেতরে যে মেয়েটা ওকে বিশ্বাস করছে, সে যেন ওই মেয়েটার বিশ্বাস কখনো না ভাঙে, ওকে বল।
বাবা... বাবা!
ঠিক আছে, তোরা আজকে ভিলায় থেকে যা,
পরেরটা পরে দেখবো।
দরকার নেই ভাই,
তোকে শুধু-শুধু কষ্ট দিতে চাই না।
আমি দেখছি ভাই।
তাহলে আমাকে যে হুদাই থানায় আনলি, তাতে আমার কষ্ট হয়নি?
দুঃখিত, ভাই।
এই গান্ডু এভাবে কথা বলিস কেন?
এটা মা-বাবা থাকার জন্য বানিয়েছে।
কিন্তু তারা এতো তারাতাড়ি আসছে না।
ভিলা পুরো খালি।
কথা এটা না ভাই,
আমার ঠিক মনে হচ্ছে না।
কী?
কিছু না! তুই ভালো ছেলে ঠিক আছে,
কিন্তু দেখে ওরকম মনে হয় না।
ভাই, কোনোভাবে সুরেশ মামার গুদামে আমাকে একটা চাকরি নিয়ে দে।
বোকার মতো কথা বলিস না।
ভাই, প্লিজ।
No comments yet. Be the first to leave one.