ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
মুন-ইয়ং!
আমি তোমাকে ভালবাসি!
এটাই তো শুনতে চাও? নাকি অন্যকিছু?
কিছু তো একটা বলবা নাকি?
আরেকবার যদি আমাকে ভালবাসো বলেছ, আমি কিন্তু...
তুমি কিন্তু কী?
এরকম করবে?
হে খোদা, অলক্ষুণে হরিণ কোথাকার!
চুপ থাক, হারামজাদা হরিণের বাচ্চা!
আমি তোমাকে ভালবাসি!
:: অনুবাদ ও সম্পাদনায় - আলাউদ্দীন রাসেল ::
স্মারকলিপি!
আমি, লি সাং-ইন, সাংসাংইসাং কোম্পানির সিইও...
- মুন সাং-ত্যে'র... - মুন সাং-ত্যের ...
- রূপকথার গল্পটি... - রূপকথার গল্পটি...
- প্রকাশ করার জন্য... - প্রকাশ করার জন্য...
- সর্বোচ্চ চেষ্টা করব! - সর্বোচ্চ চেষ্টা করব!
কী বাজে হাতের লেখা!
সাং-ত্যে!
স্মারকলিপি!
ওরে খোদা, বিশ্বাসই করতে পারছি না যে, তুমি তাকে দিয়ে একটা স্মারকলিপি লিখিয়ে নিয়েছ।
সাং-ত্যে, তুমি একটা মাল!
কিন্তু তুমি কী আমাকে এটা দেখানোর জন্যই এখানে অপেক্ষা করছিলে?
- না! - তাহলে কী আমাকে মিস করছিলে?
- বস! - কী?
আমি আমার পার্ট-টাইম চাকরিটা ছেড়ে দিতে চাই।
- মানে? - আমি এই চাকরিটা ছেড়ে দিতে চাই।
হঠাৎ চাকরি ছেড়ে দিতে চাচ্ছ কেন?
লোকজন সবসময় হঠাৎ করেই চাকরি ছাড়ে।
তাই, আমি অত্যন্ত দুঃখিত!
কেন?
তোমার কী বেতন বাড়াতে হবে?
আচ্ছা, ঠিক আছে! ঘন্টাপ্রতি আরও ৫০০ টাকা বাড়িয়ে দেবো।
আচ্ছা যাও, ১০০০ টাকা বাড়িয়ে দেবো।
আমি পার্ট-টাইম চাকরি করবো না। আমি পেশাদার অঙ্কনশিল্পী হতে চাই।
কী?
আমি পেশাদার অঙ্কনশিল্পী হতে চাই।
পেশাদার!
না!
না, তুমি পারবে না!
এত তাড়াতাড়ি না!
আমি এটা মেনে নিব না।
সাং-ত্যে, তুমি যদি সত্যিই চাকরি ছাড়তে চাও, তাহলে তোমাকে বদলি লোক এনে দিতে হবে।
তবে সেই লোক যেন তোমার মতোই প্রতিভাবান হয়।
আমারও তাকে পছন্দ হতে হবে এবং তাকে ছবি আঁকায় দক্ষ হতে হবে।
চিত্রাঙ্কনে তাকে অতুলনীয় হতে হবে।
আমি সত্যিই তোমাকে ঠান্ডা মাথায় বিদায় দিতে চেয়েছিলাম।
সত্যি বলতে, তোমার মাথা গরম হওয়াটাই স্বাভাবিক।
মাঝেমধ্যে, সত্যটা না বলাই ভাল।
না, আমাকে সৎ হতে হবে।
তুমি একটু বেশিই সৎ!৷
তোমার মায়ের গাছটাতে...
আমার ছবিটা ঝুলিয়ে রেখেছ কেন?
ভেবেছিলাম সে হয়তো তোমাকে দেখতে চায়।
তাকে আমার কী পরিচয় দিয়েছ?
বলেছি তুমি সাং-ত্যের বেস্টফ্রেন্ড...
যেটা সে সবসময় প্রত্যাশা করতো।
আরও বলেছি, তুমিই সেই মেয়ে...
...যাকে আমি ভালবাসি।
তাকে বলেছি, আমরা তিনজন একটা পরিবারের মতো...
তাই তাকে কোন চিন্তা করতে হবে না।
আমার মনে হয়...
সম্ভবত উনি আমাকে পছন্দ করবেন না।
সত্যি বলতে...
আসলে তুমি পছন্দের যোগ্য নও।
কী বললা?
অন্যরা তোমাকে পছন্দ করে কী করবে?
আমার পছন্দ হলেই হলো!
আমার ঘুম পাচ্ছে!
আমার ঘুম পাচ্ছে!
বললাম না, আমার ঘুম পাচ্ছে?
ঠিক আছে, এবার ঘুমানো যাক।
- ঠিক আছে! - ঘুমানো যাক।
ঠিক আছে, চলো যাওয়া যাক।
না, আমি "যাওয়া যাক" বলিনি। আমি বলেছি, "ঘুমানো যাক"।
তুমি এখানে ঘুমাবে?
আরে, চলো! আমি তোমাকে দিয়ে আসব।
আমি গাং-ত্যে'কে বলেছি যে, আমি এখানেই ঘুমাবো।
- কেন? - যাতে তারা মিটমাট করে নিতে পারে।
তাদের নিজেদেরই মিটমাট করে নিতে হবে।
আমি এখন ওখানে গেলে, সব গোলমেলে হয়ে যাবে।
তারা নিজেদের মধ্যে মিটমাট করতে পারবে না।
জ্যে... জ্যে-সু, চাইলে তুমিও এখানে শুয়ে পড়তে পারো।
আর, ভালো কথা... আশা করছি তুমি নাক ডাকবে না।
সাইনাসের সার্জারীটা করে নিও।
সাং-ত্যে...
কবে যে আমি তোমার মত একজন বড় ভাই হতে পারব!
তোমার একটা ছোট ভাই লাগবে।
তোমার বাবা-মায়ের আরেকটা বাচ্চা হলেই তুমি বড় ভাই হতে পারবে।
আরে, আমি শুধু তোমার ছোট ভাই হতে চাই।
সাবধানে, আমার হাতে ছুরি আছে।
আমি তোমাকে একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি।
কী কথা?
আমি এখন বেকার!
তুমি চাকরি ছেড়ে দিয়েছ?
- হ্যাঁ! - কেন?
আমি নতুন কিছু করতে চাই।
এখন এটা বলো না যে, তুমি আবার পড়ালেখা করার চিন্তাভাবনা করছ।
আমি ন্যাশনাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়ালেখা করব...
না!
যদি পড়তেই হয়, অনলাইনে পড়বে।
আমার তোমার অনুমতির প্রয়োজন নেই।
সারাজীবন এত কঠোর পরিশ্রম করে এখন তোমাকে আবার পড়ালেখা করতে হবে কেন?
এত চাপ নিও না!
এত চাপ নেয়ার কিছু নেই। শুধু পরজীবীর মতো সারাজীবন...
...আমার পাশে থেকো।
তোমাকে কিন্তু বলেছিলাম, আমার হাতে ছুরি আছে।
ভুল হয়ে গেছে!
আমি আসলে পরজীবী বলতে চাই নি।
তোমার প্লান কী? তুমি বলেছিলে আর লেখালেখি করবে না।
লেখার মতো তেমন কিছু মাথায় আসছে না।
তাহলে, ওই গল্পটার কী খবর...
যেটাতে ৩ জন মানুষ একটা 'ক্যাম্পিং কার' নিয়ে ভ্রমণে যায়?
ওটা নিয়ে আমি খুব এক্সাইটেড!
তুমি ওটা পড়তে চাও?
ওটা আমি প্রকাশ করতে চাই।
তুমি আর সাং-ত্যে এটা নিয়ে অনেক খেটেছ!
তাই আমি এটা সবার সামনে প্রকাশ করতে চাই।
আমার সাথে চলো।
এটা দেখো।
সাং-ত্যে এটা এঁকেছে!
মুন গাং-ত্যের চেহারায় কী চমৎকার হাসি।
যখন তুমি ঘুমোচ্ছিলে...
...এমন ভাবে হাসছিলে মনে হচ্ছিল যেন তুমি কাউকে তোমার মনের কথা বলছিলে।
তুমি নিশ্চয়ই তাকে খুব পছন্দ করো।।
এইজন্য তুমি স্বপ্নের মধ্যেও তার প্রতি তোমার অনুভূতিটা প্রকাশ করছিলে।
হ্যাঁ!
এটা...
...দেখতে আমার মতো না।
এটা দেখার পর...
...আমি গল্পে কিছু পরিবর্তন এনেছি।
কিন্তু আমি তোমাকে সমাপ্তিটা বলতে পারব না।
তুমি বইটা প্রকাশ করবে?
সত্যি বলতে, এই বইটা প্রকাশ করব।
কিন্তু ভবিষ্যৎ এর ব্যাপারে কিছু জানি না।
এটা পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ, পছন্দ হয়েছে।
তুমি কাকে বেশি পছন্দ করো? আমাকে নাকি সাং-ত্যে'কে?
আমি যাকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি...
...সে হলো আমি।
আমি এসেছি!
- সাং-ত্যে, খেয়েছ কিছু? - হ্যাঁ!
হায় রে, চাপাবাজ!
তুমি আমাকে বেশি পছন্দ করো?
চেক!
হায় রে! বিশ্বাসই হচ্ছে না যে, এটা আমার চোখে পড়েনি।
আবারও হেরে গেলাম!
এবার কী চাও তুমি?
সস? পপকর্ণ? চকোলেট?
ইচ্ছা করে হেরে যাওয়াটা খুব কষ্টকর, তাই না?
তুমি ইচ্ছে করে খেলাটা সহজ করে দিয়েছ।
কয়েকদিন ধরে তোমাকে খুব বিপর্যস্ত দেখাচ্ছে।
তুমি সবসময় ইচ্ছে করে হেরে গিয়ে...
আমার জন্য নানারকম খাবার নিয়ে আসো, যাতে করে আমার মন ভাল থাকে, তাই না?
হায় রে!
এটা ধরো!
কী এটা?
তোমার ডাক্তার হিসেবে তোমার জন্য এটাই আমার শেষ প্রেসক্রিপশন।
এগুলো পায়ে দিয়ে এখান থেকে যাও।
চোখ বন্ধ করে থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে না পাওয়ার ভান ধরবে না একদম।
জুতা গুলো পায়ে দিয়ে যাও আর দরজা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত ফিরে আসবে না।
খোদা রে, কী একটা অবস্থা...
পায়ে লেগেছে?
একদম খাপেখাপ!
হায় রে...
ছেলেটার জন্য খুব খারাপ লাগে।
- আমি এটা বদলে দিয়েছি! - আব্বু, ব্যথা লাগছে!
- যাতে তুমি... - আব্বু! ব্যথা লাগছে! ব্যথা লাগছে!
- "আব্বু"? - আব্বু বলল নাকি ব্যথা লাগছে বলল?
মনে হয় দুটোই বলেছে।
আব্বু, ব্যথা লাগছে তো! সত্যি খুব ব্যথা লাগছে!
ওকে এক্ষুনি ছাটাই করো।
আমি নিজে থেকেই চলে যেতে চাচ্ছিলাম।
সে উনাকে " আব্বু" বলেছে, তাই না?
তাহলে সে ডিরেক্টর ''ও" এর ছেলে?
সে কেন এত ভাব দেখাতো, সেটা এখন বুঝতে পারছি।
আরে, ব্যথা লাগছে তো।
ভেবেছিলাম, ও বড় হয়েছে...
...তাই ওকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ও একটা অকর্মা।
আমি ওকে আমার সাথে নিয়ে যাচ্ছি।
কথাটা মনে রেখো এবং কাজ চালিয়ে যাও।
তুই আমার সাথে চল।
ওমা রে, তুমি আমাকে ব্যথা দিচ্ছ।
অবিশ্বাস্য!
সে একদমই তার বাবার মতো হয় নি।
সব সন্তানরা তাদের বাবা-মায়ের মতো হয় না।
তুমি তোমার পার্ট-টাইম চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছ?
হ্যাঁ!
ওয়াও, তার মানে আমরা সবাই এখন বেকার।
আমাদের মধ্যে কত মিল!
যাইহোক, তোমাদের ঝামেলা মিটেছে?
ঝগড়া করার চেয়ে চুমু খাওয়া উত্তম।
চিন্তা করো না, সাং-ত্যে!
আমরা শুধু গালে না, ঠোঁটে ঠোঁটেও চুমু খেয়েছি।
ঠোঁটে... ঠোঁটে চুমু?
হ্যাঁ, কিন্তু তাতেও মন ভরে নি, তাই আমরা...
ওই, তুমি আমাকে লাথি মারছ কেন?
- আমি? - হ্যাঁ, দুইবার লাথি মেরেছ।
মাগো, পায়ের গোড়ালিতে খুব ব্যথা করছে!
সাং-ত্যে!
No comments yet. Be the first to leave one.