ആദ്യത്തെ 102 വരികൾ.
KOOZHANGAL
বঙ্গানুবাদ : আরুশ আরিয়ান।
আপনি কে ভাই? লুঙ্গি পরে কোথায় যাচ্ছেন?
তুই আমাকে চাস? না তোর মা?
বল।
আমাকে? নাকি তোর মা?
এই! ৩০০ টাকা দে তো।
ভরপুর পিনিকে আছিস মনে হচ্ছে। এখন আবার কি?
টাকা বের কর তো।
ধর, এই কয় টাকায় আছে।
এই! আয়।
- সাড়ে দশটার বাস এসেছে? - না, এখনো না।
একটা বোতল দাও।
কিছু লাগবে, বাবু?
কয়েকটা বিড়ি আর ম্যাচ দাও।
ব্যাগটা রাখ।
দোকানে রাখ, ফেরার সময় নেওয়া যাবে।
কি করছো বাবু?
কার জন্য?
ছোট বোন।
বলদ!
টিকিট?
কোথায়?
ইদাইয়াপট্টি।
একটু সাহায্য করো, ভাই।
- টিকিট! - ইত্তিমঙ্গল।
এই ছোট-ছোট কলসির ভাড়াও দিতে হবে?
ছোট-বড় কথা নয় কলস এক-দুটো নাকি?
এই পাগলচোদা! বলদ নাকি? বাসের ভিতর বিড়ি টানিস?
চোদনা! তাই বলে তুই গায়ে হাত দিবি?
তাহলে তোকে জরিয়ে ধরবো?
দোষ করে আবার গরম দেখাবি না।
ঝামেলা করবি না।
শুরু তো তুই করলি?
মটকা গরম করিস না, কার সাথে পাঙ্গা নিচ্ছিস ধারণা আছে।
বাল! ভদ্র ভাষায় কথা বল। বাসটা কি তোর শ্বাশুড়ির?
শয়তানের বাচ্চা।
দাদা, জোরে ফু দাও! ধোঁয়া আসছে না।
ধরো মা।
তোকে যা বলেছি তাই গিয়ে বলবি আর সাথে তোর মা'কে নিয়ে আসবি।
দাড়া!
কি বলেছি বল?
বাবা তোমাকে ফিরতে বলেছে। নাহলে বাবা আরেকটা বিয়ে করবে।
যা! ঠিক এটাই বলবি।
ওহো ভগবান! একাই এসেছিস?
এই গরমের মধ্যে। আজ স্কুলে যাসনি?
বাবা আমাকে পাঠিয়েছে মা'কে নিয়ে যেতে।
তোর মা তো সকালেই চলে গেছে।
ঠিক আছে, আয়। খাবার কিছু আছে...
তোর বাবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে?
- হুম। - সেলভি! এদিকে আয়।
বেচারা ছেলেটাকে স্কুল থেকে তুলে এনেছে।
সেলভি।
আসছি।
এবার কি বলে পাঠিয়েছে তোর বাবা?
মা যদি না ফিরে তাহলে বাবা আরেকটা বিয়ে করবে বলেছে।
বলেছিলাম না?
বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে সেদিন ছেড়ে দিয়েছিলাম।
সব তোমার দোষ, মা।
ওকে আমি চিনি ওর রাগ ভালো না।
খোঁজ-খবর না নিয়েই বিয়েটা দিলে এখন ঠেলা সামলাও।
সেলভি! ওকে কিছু খেতে দে।
ধরো।
তোর মাও কিছু খায়নি সারারাত কান্না করেছে।
এই বুড়ির কারণেই এরা এখানে আসে!
সবই কপাল আমার...
আমি কি চাকরানি নাকি ওদের সারাদিন রান্না করে খাওয়াবো?
ভগবান তখন আমায় অন্ধ করে দিয়েছিল।
নইলে আমার মিষ্টি মেয়েটাকে ওই মাতালের সাথে বিয়ে দিতাম?
নে, খাবার টা খেয়ে নে।
বাবা, মা'র মতো অহংকার করিস না। খা!
পান্দি! যা গিয়ে কথা বল দেখ বাড়িতে আসে কিনা?
ওকে ওখানে দেখলে মানুষ আমাদের বদনাম করবে।
কেন? এতদূর পথ আসতে পেরেছে এইটুকু পথ আসতে পারে না?
শুধু কি তারই রাগ আছে আমাদের নেই...
যাই হোক! আমরা কনের পরিবার। আমাদের তো সহ্য করতেই হবে।
সবকিছুর একটা সীমা আছে এবার তা অতিক্রম হয়ে গেছে।
যদি সে ভুলক্রমেও আমার সমানে আসে ওকে একদম মায়ের ভোগে পাঠিয়ে দিবো।
সব পুরুষের সমস্যা আছে।
নারীদের তা মানিয়ে নিতে হয়।
উদাহরণস্বরূপ, আমি।
তোমার গল্প শুরু করলে কেন? তুমি ভিতরে যাও তো।
এই, সেলভি?
চিল্লাচিল্লি করছো কেন? বাজারে যাবে না?
কিভাবে যাবো? তুমি যাও দিদি।
তোমার আবার কি হলো?
এই ছেলে কখন এলো? তুমি ভালো আছো, বাবু?
আহ, বুড়ির অভিযোগ শুরু হয়ে গেছে।
এসব ফালতু কথা শোনার ইচ্ছে নেই।
শুরু হলে আর শেষ হবে না।
এই! মীনা?
হ্যাঁ...
প্রস্তুত হয়েছো?
আসছি।
বাজারের জন্য সবাইকে জড়ো করা কি আমার কাজ নাকি?
আগামী সপ্তাহ থেকে আমি একাই চলে যাবো।
আমিও মাত্রই বেরচ্ছিলাম।
সেলভি আসছে না...?
না, আসবে না।
সকালে শান্তিকে দেখলাম। মনে হয় আবার ফিরে গেছে।
এখন ওর ছেলে এসেছে।
কি হয়েছে? আবার নতুন ঝামেলা?
No comments yet. Be the first to leave one.