ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
এর প্রেক্ষাপট, 1945 সালে ঘটে যাওয়া ঘটনা...
নেতাজি ছাড়া অন্যান্য সব চরিত্র কাল্পনিক।
ঐতিহাসিক ঘটনা অথবা জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে...
কোনো সাদৃশ্য সম্পূর্ণভাবে কাকতালীয়।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য...যার উপর থেকে সূর্য অস্ত যায় না।
ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এক হাজার বছর ধরে অপরাজিত ছিল।
যে সৈনিক এই সাম্রাজ্যকে অমান্য করে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন...
তিনি ছিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু।
লাখ লাখ ভক্ত এবং হাজার হাজার অনুগামী থাকা সত্বেও, নেতাজি একজনকেই বিশ্বাস করতেন।
ত্রিবর্ণ।
নেতাজির ডান হাত।
আজাদ হিন্দ ফৌজের গোয়েন্দা প্রধান, নেতাজি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্রোহী দল।
গত চার বছর ধরে বিদেশে থেকে আন্দোলন চালাবার পর নেতাজীর...
ভারতে ফেরার কথা ছিল।
ভারতে কোথায়,কখন তিনি অবতরণ করতে যাচ্ছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত...
তথ্য, তিনি একটি টেলিগ্রাফিক বার্তার মাধ্যমে ভারতে পাঠান।
আরো এক বার।
আরো এক বার।
জেনারেল কেনেথ ব্র্যাকেন।
ভারতে ব্রিটিশদের সিক্রেট সার্ভিসের প্রধান হিসেবে...
তার কাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধা এবং বিপ্লবীদের ধরে তাদের নিরপেক্ষ করা।
নেতাজিকে গ্রেফতার করাই ছিল তার জীবনের লক্ষ্য।
পোড়া মাংসের মিষ্টি গন্ধ...
না না...
তাকে অজ্ঞান হতে দিও না।
চন্দ্র বসু কোথায়?
আরো এক বার।
ত্রিবর্ণ কোথায়?
আরো এক বার.
একটি বার্তা...
এজেন্ট ট্রোজানের থেকে।
চার বছর আগে, ব্র্যাকেন নেতাজির সংগঠনে কাজ করার জন্য,
একজন ব্রিটিশ আন্ডারকভার এজেন্টকে পাঠিয়েছিলেন।
এবং তার নাম রেখেছিলেন, ট্রোজান।
যে লক্ষ্যে তিনি ট্রোজানকে সেখানে পাঠিয়েছিলেন, আজ ফলপ্রসূ হয়েছে।
ট্রোজান ব্র্যাকেনের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে, নেতাজি ভারতে আসছেন।
অবশেষে, আমরা বোসের তথ্য পেয়েছি।
সিনেমা : Devil The British Secret Agent ভাষা : তামিল রানটাইম : 02:24:15
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
ভূমা, তুমি এখানে কেন এসেছো?
তুমি আমার কাছে এসেছো কেন?
যদি বাড়িওয়ালা এটা জানতে পারে, কি হবে জানো?
আমি জানি, বিজয়া ম্যাডাম...
আমি যদি তোমার কাছাকাছি আসি...
বাড়িওয়ালা আমার জীবন শেষ করবে...
তোমার থেকে দূরে থাকলে, আমি বাঁচতে পারবো না।
আরে সত্য, ভূমাকে দেখেছো?
না কাকা, আমি তাকে দেখিনি।
সে কোথায় যেতে পারে?
ম্যাডাম...
ম্যাডাম...
ম্যাডাম...
ম্যাডাম...
ম্যাডাম!
মৃতদেহ প্রথম কে দেখেছিল?
আমি, স্যার।
ঠিক আছে...
ম্যাডাম একটা বিয়েতে গিয়েছিলেন...
জমির মালিক একটি পার্টিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন...
তুমি টাকা ও গয়না ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিলে...
সে হয়তো তোমাকে চুরি করতে দেখেছিল...
তুমি ভয় পেয়েছিলে, সে চিৎকার করে সবাইকে তোমার সম্পর্কে বলতে পারে...
তাই তুমি তাকে তার গলা চিরে মেরে ফেলেছো।
না, স্যার...
আমি ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের নামে শপথ করছি...
-আমি ম্যাডামকে মারিনি। -স্যার...
আমি এটা সেই রুমে খুঁজে পেয়েছি, যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।
-স্যার... ওটা ভু-- -আমাকে বলো...
-ওটা ভূমার... -ভুমা কে?
স্যার, সে রমনার ছেলে।
আমার ছেলে নির্দোষ, স্যার।
সে ছোটো থেকেই বিজয়া ম্যাডামকে ভালোবেসে বড় হয়েছে।
মনিবের প্রতি কারোর ভালোবাসা প্রদর্শন করা উচিৎ নয়...
তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হয়।
তার সৌন্দর্য তাকে প্রলুব্ধ করে...
তাই সে তার পদক্ষেপ নিয়েছে।
সে প্রতিশোধ নিয়েছে...
সে ভয় পেয়েছিল, হয়তো বিজয়া সকালে বাড়িওয়ালার কাছে অভিযোগ করতে পারে।
তাই তার গলা কেটে হত্যা করে।
এক্ষুনি ভুমাকে এখানে ডাকো।
-স্যার। -হ্যাঁ।
ভুমা ও রানী গত রাত থেকে নিখোঁজ।
রানী কে?
সে এখানকার বাবুর্চি।
স্যার!
দয়া করে এখানে এসে একবার দেখুন।
স্যার, এখানে আসুন।
স্যার, এখানে রক্তের দাগ দেখুন।
স্যার!
এই রক্তমাখা শার্ট জমিদারের ঘরে পাওয়া গেছে।
এসব কি, বাড়িওয়ালা মশাই?
গত রাতে, আমি YMCAতে একটি নাচের অনুষ্ঠান একটি যোগদান করি।
দেরিতে ফিরেছিলাম...
আমি সোজা আমার রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েছিলাম।
এর বাইরে আমি কিছু জানি না।
গল্প বানানো বন্ধ করুন, স্যার।
সেই ঘরে যদি ভূমার গামছা পাওয়া যায়...
এর অর্থ হল ভুমা সেই ঘরে প্রবেশ করেছিল।
আপনি একই সময়ে বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন...
তাদের ভালোবাসার সাক্ষী হন...
রাগের মাথায়...
ছুরি দিয়ে আপনি তার গলা কেটে ফেলেন।
আতঙ্কিত ভুমা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এটাই সেখানে ঘটেছিল।
চলুন, মাওয়া যাক।
ব্রিটিশ পুলিশ সম্পর্কে আপনি কি ভেবেছিলেন?
পুলিশ স্টেশনে প্রমাণগুলো সুরক্ষিত রাখো।
তুমি কি সবার বক্তব্য রেকর্ড করেছো?
সরুন। কি হয়েছে?
কাকা!
- কাকীমা! কি হয়েছে? - ওহ না।
ম্যাডাম, ওরা জমিদারকে গ্রেপ্তার করছে...
-বিজয়া ম্যাডামের হত্যাকাণ্ডের অপরাধে। - খুন?
বিজয়াকে খুন করা হয়েছিল?
- সে কে? - তিনি মীনাক্ষী দেবীর ভাগ্নি।
সে এখানে থাকে।
মনে হচ্ছে সে মন্দির থেকে ফিরেছে।
তার বক্তব্যও রেকর্ড করো।
ঠিক আছে, স্যার।
ম্যাডাম, চলুন।
হিমস তালওয়ার... কথা বলুন।
হিমস তালওয়ার... বলুন... কথা বলুন।
স্যার, আমি ভেঙ্কটাচারি, বাটলার, কথা বলছি।
এখানে গণহত্যা চলছে।
ওখানে কি হচ্ছে?
স্যার, জলদস্যুরা আক্রমণ করেছে।
কি?
মাত্র ছয় মাসে চারটি হামলা?
স্যার, দয়া করে এমনটা বলবেন না...
দয়া করে আমাকে বাঁচান স্যার।
এই নৌ ঘাঁটি এখান থেকে ৩০০ নটিক্যাল মাইল দূরে।
আমি খুব দুঃখিত...
কিন্তু, আমরা তোমাকে সাহায্য করতে পারবো না।
দয়া করে, আমাকে সাহায্য করুন, স্যার।
স্যার!
সেই জাহাজে ডেভিল আছে।
আমরা ভাগ্যবান।
এবং তাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।
এখানে সবাই স্বতন্ত্রভাবে হাঙ্গর শিকার করে।
স্যার, তিনি দাবি করছেন যে, তিনি সাত সমুদ্রের সম্রাট।
তাই নাকি!
ছলাম, এত প্রতিভা নিয়ে, তিনি কেন হাঙ্গর ধরে জীবিকা অর্জন করেন না?
ডাকাতি করেন কেন?
তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলো...
অন্যথায়...
যে সাগরকে সে তার সাম্রাজ্য বলে মনে করে...
সেটা তার কবরস্থান হয়ে যাবে।
- স্যার! - ডেভিল!
ভাল করেছো, ডেভিল... দারুণ করেছো!
- ধন্যবাদ, স্যার। - এসো।
আপনি বার্মায় আমার পোস্টিং বাতিল করেছেন...
এবং আমাকে সত্বর হেড কোয়ার্টারে রিপোর্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন...
কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, স্যার?
হ্যাঁ, আমাদের কাছে তোমার জন্য একটা নতুন কাজ আছে।
এখানে।
ডেভিল!
স্যার!
- বসো। - ধন্যবাদ, স্যার।
এই হত্যা মামলার তদন্ত করতে তোমার রসপাদুতে যাওয়া দরকার।।
একটা খুনের তদন্তে সিক্রেট সার্ভিসের কি প্রয়োজন, স্যার?
সাব ইন্সপেক্টর মাথৈয়া বলছি।
- বেল বলছি। - হ্যাঁ, স্যার।
বিজয়ার হত্যা মামলার তদন্ত করতে মাদ্রাজ থেকে একজন বিশেষ অফিসার আসছেন।
স্যার।
তাকে তদন্তের সময় সহযোগিতা করবে।
হ্যাঁ, স্যার।
গুডিশেলা মাথৈয়া রিপোর্টিং, স্যার।
স্যার, ট্রাভেলার্স বাংলোয় আমি আপনার থাকার ব্যবস্থা করেছি। আমাকে অনুসরণ করুন.
মাথাইয়া, আমি তোমার প্রস্তুত করা ফাইল দেখেছি।
স্যার!
দুর্দান্ত! মাত্র আধঘন্টার মধ্যে তুমি খুনীকে ধরে ফেলেছো।
স্যার!
- ভাল কাজ করেছো! - স্যার...রমনা...
আমাদের উচ্চপদস্থ স্যার এসেছেন। একটি আদা-কফি নিয়ে আয়।
-মাথৈয়্যা... আমি কি মীনাক্ষী দেবীর সাথে দেখা করতে পারি? - স্যার...
অবশ্যই। আমি দুই মিনিটের মধ্যে তাকে নিয়ে আসছি।
স্যার, কফি।
এটাই কি এই বাড়ির একমাত্র প্রবেশদ্বার?
এটা প্রধান প্রবেশদ্বার, স্যার।
উত্তর দিকের প্রবেশদ্বার সেই দিকে।
পিছনের প্রবেশপথ সবসময় বন্ধ থাকে।
কেন?
স্বামীজি বলেছেন যে ওই প্রবেশদ্বার, খোলা থাকা অশুভ।
সেই কারণেই বড় রাণীর রাজত্বকালে সেটি আটকে দেওয়া হয়েছে।
স্যার, তিনি পূজা করছেন, বলেছেন যেকোনো মুহূর্তে তিনি এখানে আসবেন।
তিনি চান আপনি বৈঠকখানায় বসুন...
- দয়া করে আসুন... - তোমার পিছনেই আসছি।
প্লিজ, স্যার...
দয়া করে আসুন, স্যার। এইদিকে, স্যার।
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি?
এটা ঠিক এখানে পাওয়া গেছে, স্যার।
এটি প্রমাণ হিসাবে নথিভুক্ত করেছি এবং এটি থানায় সুরক্ষিত আছে।
- মাথৈয়্যা... - স্যার!
তুমি কি ছুরিতে কোনো আঙুলের ছাপখুঁজে পেয়েছিলে?
হ্যাঁ, স্যার।
- সেটা কার ছিল? - জমিদারের।
ডান হাত না বাম হাত?
অবশ্যই, ডান হাত।
ছুরির ভিতরের না বাইরের অংশে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে?
ভিতরের অংশ, স্যার।
No comments yet. Be the first to leave one.