لومړۍ 27 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
হুম।
আবার দেখা হবে, ফ্র্যানসিন।
উফ, উইসেলটন। তোমার জীবন নিয়ে একটু ভাবা দরকার।
তুমি এখানে প্রায়ই আসো, যা সত্যিই লজ্জাজনক।
কী? তোমার কোনো ধারণাই নেই কীসের কথা বলছ।
আমি উইসেলটাউনের ডিউক। আমি জীবনে অনেক সফল।
ছিচকে চোর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন, ডিউক উইসেলটন
আজ আবার নিজের মান-সম্মান খুইয়েছে।
সে লিটল রোডেনশিয়ায় এক প্রকার তান্ডব চালায়,
যতক্ষণ পর্যন্ত না জুটোপিয়া পুলিশ ডিপার্টমেন্টের প্রথম খরগোশ পুলিশ...
- ওকে বড় একটা ডোনাটে করে আটকে ফেলে... - না।
না!
স্যরি। ট্রাফিক পুলিশ ছিল।
কী? ওখানে ক্যামেরা ছিল?
এটা দেখেছিস? দেখ, দেখ, দেখ, দেখ।
একটা বেজি শেষমেশ খরগোশের কাছে ধরা খেলো, তাও আবার ডোনাটের মধ্যে আটকা পড়ে।
এরকম চলতে থাকলে, সে আজীবনই ছিচকে চোর থেকে যাবে।
- জোশ তো। - ঐ তো সে।
- ওরে! - ঐ যে সে।
এই হাসা বন্ধ করো। আমার দিকে তাকাবে না। তাকাবে না।
কি লজ্জার বিষয়!
হয়তো ওরা ঠিকই বলেছে।
হয়তো আমি সত্যিই একটা অপদার্থ।
হ্যাঁ। তুমি আসলেই অপদার্থ।
আমি তো অনেক সফল হবার স্বপ্ন দেখেছিলাম।
কিন্তু কোথায় ভুল হচ্ছে?
No comments yet. Be the first to leave one.