The first 174 lines.
কোথায় তুই, কিম্বলি?
এই কথা তো ছিল না!
তুই বলেছিলি, দূর্গে আক্রমণ করলে ব্রিগসে তোর লোকেরা গাদ্দারি করবে।
ফায়ার বন্ধ করো!
এ তো অভিভূত বিজয়।
হ্যাঁ।
তাহলে এটাই হলো...
রক্তাক্ত শিখর।
তো আমি বলছি...
ইস্টার্ণ অ্যালকেমি পারফর্ম করতে হলে তোমায় ‘ড্রাগনের শিরা’ উপলব্ধি করতে হবে।
আর আমিও বলছি...
আমি বুঝছি না কীভাবে উপলব্ধি করবো!
তোমার অনুভূতিকে তীক্ষ্ম করতে হবে!
রেডি, গো!
দেখলে? আমি এটা অনুভব করছি!
আমি তো পারছি না!
তুমিও পারবে!
আমায় এর থিউরিটা ভালোভাবে শিখিয়ে দাও!
পরিস্থিতি এখানে সত্যিই হৈ-চৈপূর্ণ।
বুঝলাম না!
আমাদেরকে এখানে লুকিয়ে রাখতে বলায় দুঃখিত।
ওই, সেটা নিয়ে ভেবো না।
আমাদেরও উপকার হচ্ছে।
চুল না!
বাচ্চারা খেলার নতুন সঙ্গী পেয়েছে।
জাম্পানোকে বলো, আমরা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাহাড়ে যাচ্ছি।
ঠিক আছে।
বাবাগো!
কী এক ফ্যাসাদে পড়লাম রে!
জাম্পানো কোথায়? বাকিরা তো কাজ করছে!
ওই!
এদিকে।
আমায় অনুসরণ করো।
তোমার উপর ভরসা করছি, জাম্পানো।
তো, তুমি সেলিমের ব্যাপারটা জেনে গেছো।
জি।
এবং আমার আসল পরিচয়ও?
জি।
তোমাদের নেতা ও তার ছেলে হোমোনকুলুস জেনে...
দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তোমার অনুভূতি কী?
আমার মতে, যে পরিবারের সদস্যদের উপর আপনার বিশ্বাস রাখার কথা, তারা কৃত্রিম হওয়াটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়।
এটা প্রায় ঘর-ঘর খেলার মতো।
যে-সময় আপনি মানুষ হওয়ার অভিনয় করেন, তখন মানুষকে বোকা মনে করেন।
ঠিক বলেছো, আমার ‘ছেলে’কে আমার হ্যান্ডেলার (নিয়ন্ত্রক) দিয়েছে।
আমার ফুরার প্রেসিডেন্ট পদ, সেই সাথে লোকজন ও অন্যসব কিছুও তারই দেয়া।
‘ঘর’ এর পরিবর্তে, আমি আরো যথাযথভাবে বলবো, আমরা ‘রাজনীতি’ খেলা খেলি।
তবে, আমার স্ত্রী'কে আমি নিজে বেছে নিয়েছি।
চা এখনো হয়নি?
দু-দুঃখিত।
সুস্বাদু।
তাহলে আপনি ৫ নং রিসার্চ ল্যাবরেটরির বড়ো বড়ো গবেষকদের একজন ছিলেন?
সেটা বলবো না, তবে আমার অধীনে কয়েকজন লোক কাজ করতো।
ভাবছি, তাদের কী অবস্থা...
ওই!
এই লোকটা কে?
সে একজন ভবঘুরে, আজ সকালেই তার সাথে দেখা হয়েছে।
সে আপনার সাথে দেখা করতে চেয়েছে, ডাক্তার-
অনেক হয়েছে, জাম্পানো।
বালের অভিনয় এখানেই খতম।
হ্যালো ডাক্তার।
এখানে কী করছেন?
যদি ভাবিস, তোর মতো নর্দমার কীট আমাদের টেক্কা দিতে পারবে, তাহলে দিবাস্বপ্ন দেখছিস।
এটা কী?
জাম্পানো!
বালের অভিনয় এখানেই শেষ, তাই না?
আমাদের লক্ষ্যই ছিল, তোকে ফুসলিয়ে এখানে আনা।
তোকে হাড়ে হাড়ে চেনার কারণে...
নিশ্চিত ছিলাম, আমার বেঁচে থাকার কথা শুনার পর তুই নিজেই আমায় জব্দ করতে আসবি!
তোদের মতো তিনটা নর্দমার কীট আর কীইবা করতে পারবি?
তোরা সংখ্যায় যতই হোস না কেন, তোরা কেবলই নর্দমার কীট-
এগুলো ল্যান্ডমাইনের মতো।
অ্যালকেমি প্রতিদিনই আপডেট হয়!
এমন কোনো অ্যালকেমি থাকা সম্ভব নয়।
শালার!
এগুলো মাইন হলে...
কেবল তোর পায়ের ছাপ অনুসরণ করলেই হবে।
এটা কীভাবে হলো?
এগুলো কেবলমাত্র হোমোনকুলুসদের কেলানোর জন্য বানানো হয়েছে।
বরফের কল্যাণে তুই ঠাওর করতে পারবি না, সেগুলো কোথায় আছে ও তোর জন্য কী অপেক্ষা করছে!
এবার বল, চান মানিক।
যাদেরকে নর্দমার কীটের নজরে দেখতি, তাদের কাছে হেনস্থা হয়ে কেমন লাগছে?
সে পুরো বোকচোদ হয়ে গেছে।
এটা রিমোট অ্যালকেমি।
বেজন্মারা!
তোদের মতো নর্দমার কীটদের আমাদের আদেশ অক্ষরে অক্ষরে মাথা পেতে মান্য করা উচিত!
তোরা নর্দমার কীট ছাড়া কিছুই না! আত্ম-অহমিকায় ফুলিস না!
ডাক্তার!
একটুর জন্য।
ধ-ধন্যবাদ।
বাল, ভোটকা হিসেবে তুই বেশ দ্রুতগতিসম্পন্ন।
নর্দমার কীটকে ছোটো করে দেখিস না!
হালারপুত!
কী দুর্বল আক্রমণ! মনে হলো, কেউ সুঁড়সুঁড়ি দিয়েছে!
তাই না-কি?
তাহলে এটা কী?
সে কি পেরেছে?
ধরে ফেলেছি!
ডাক্তার!
নড়িস না।
নাইলে একে দুই টুকরা করে ফেলবো।
এখন...
তোর কিছুটা শাস্তি প্রাপ্য।
তোকে আগেই সতর্ক করিনি, ডাক্তার?
বলেছিলাম না, তুই উল্টাপাল্টা কিছু করলে পুরো গ্রাম ধ্বংস করে দিবো?
তোকে সেটা করতে দিবো না!
তুই এখনো প্রতিরোধ করছিস?
মিয়া, তুই কত বড়ো আহাম্মক!
ঠিক আছে, এই বস্তিটা ধ্বংস করে দিবো।
থাম!
কিন্তু কেবল ধ্বংস করায় মজা নেই।
বরং কয়েকজনকে সাথে করে সেন্ট্রালে নিয়ে গিয়ে বলি দিয়ে ফিলোসফার স্টোন বানাবো।
শালা ইতর!
তোরা এখনো সেন্ট্রালে একাজ করছিস?
গবেষকদের ছেড়ে দে...
আমার লোকেদের ছেড়ে দে!
হাহ?
সেটা তো সম্ভব না।
কারণ, ইতোমধ্যেই তারা সকলে ফিলোসফার স্টোনে রুপান্তরিত হয়ে গেছে।
আমার লোকেরাও?
ওহ? মনে হয় তোকে বলতে ভুলে গেছি?
কিন্তু ডাক্তার, এতদিন পর তাদের জন্য তোর শোক প্রকাশ করতে হবে না।
কারণ তুই অতীতে অনেক ফিলোসফার স্টোন বানিয়েছিস,
মানুষকে বলি দিয়ে।
ঠিক বলেছিস।
আমি অনেক মানুষের জীবন বলি দিয়ে ফিলোসফার স্টোন বানিয়েছি।
এ দেশে ফিলোসফার স্টোন বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না।
ফিলোসফার স্টোন বানানোর পদ্ধতি জানার দরুণ...
সেটা ধ্বংস করার পদ্ধতিও আমার জানা আছে।
এটা কী হচ্ছে?
এটা তো সে উপত্যকা থেকে আসছে, যেখানে ডাক্তার ও অন্যরা আছে।
মাগো, বাবাগো!
খালাগো! চাচীগো! মামীগো!
না...
ব্যথা করে!
এটা...
না...
এটা-
এ হতে পারে না...
আমি এনভি...
তোর মতো তুচ্ছ মানবের কাছে হারতে পারি না...
না...
শালা খিমিরারাও...
আমার দিকে তাকাবি না...
তা-তাকাবি না-
আমার দিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকাবি না, মানুষেরা!!!
আমার দিকে তাকাস না, কীটপতঙ্গের দল...
নিকৃষ্ট প্রজাতিরা...
তাকাস... না...
এমন একটা জিনিস আমাদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাচ্ছিলো?
আমরা জিতেছি, মার্কো।
তারা ফিরেছে!
ডাক্তার মার্কো! আঘাত পেলেন কীভাবে?
এটা কী?
ওয়াও, তোমরা আমাদের না জানিয়ে জবরদস্ত কিছু করছিলে।
মানুষের সাথে পাঙ্গা নিলে এমনই হয়।
এমন বেপরোয়া কাজ করলেন কেন, ডাক্তার মার্কো?
সারাজীবন অন্যের ইশারায় নেচেছি।
কিন্তু এই একটা কাজ নিজ হাতে সমাধা করতে চেয়েছি,
নিজের মতো চিন্তা করে... নিজ সিদ্ধান্তে...
ঠিক যেমন তোমার বাবা-মা করেছিলেন।
কিন্তু প্লিজ, আর বেপরোয়া কিছু করবেন না।
ঠিক আছে।
মাগো!
মাগো!!!!!!
স্যার ইউকি?
স-সাহায্য করো...
আমি এই ব্যাটার শরীর দখল করেছি।
থাম!
তুই দানব!
আ-আমার শরীর আমার কথা শুনছে না!
প্রতিরোধ করে লাভ নেই।
এখন তুই নর্দমার কীট!
যদি তোরা একে বাঁচাতে চাস...
আরে নাহ, তোর যা মন চায় কর।
No comments yet. Be the first to leave one.