The first 194 lines.
ধূমপান ও মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর!
অনুবাদকঃ- রিফাত আহমেদ (রিপন)
হা?
এখানে থাম! আমার মনে হয় আশেপাশে কেউই নাই।
হুম....
কিছুক্ষণের জন্য থাম.... আরাম কর!
-ওটা কই? -আমার কাছে আছে!
গাড়ি?
-ইথাক... -হা!?
তুই জানিস, আমি কেনো এখনো তোকে আমার মেয়ের বাপ্তিস্মে দাওয়াত করিনি?
কেনো?
কেননা সেই অনুষ্ঠানে তুই সবার মতো অতিথি না...
তুই যাবি সেখানে স্পেশাল গেস্ট হিসেবে!
তোর বউ এতে সম্মতি জানাবে?
কেন হবে না!?
আমি কারো সম্মতি নেওয়ার দরকার মনে করি না! এটা শুধুই আমার ব্যাক্তিগত মতামত!!
যখন আমরা পানির নিচে নিশ্বাস চেপে ছিলাম...
তখনি আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে... তুই তার ধর্মপিতা !
আমার মনে হয় না তোর বউ এতে রাজি হবে..
কেনো তোর তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে? আমার সিদ্ধান্ত কি যথেষ্ট নয়!?
তুই হচ্ছিস আমার লাকি পার্টনার! তোর সুন্দর একটা বাচ্চা আছে!!
কি?
তুই আসলেই ভাগ্যবান!
- মেরি, গামছাটা দাও তো... - দিচ্ছি..
-এখানে তুমি! -সাবানটা দাও তো...
-তুমি কি ফাদারকে বলেছো? -হা...!
ওরে...দিতে ভুলে গেছি।
সারা... তোমার বাবা এসেছে...
এইযে তোমার বাবা...
ওরে.... আমার ছোট্ট রাজকন্যারে...
না... না... সোনা কাঁদে না!
কেনো আমার মা কাঁদছে? এর ঘাড়ে লাল দাগ কিসের?
রাতে এখানে অনেক মশা।
তাহলে আমার সোনামণির জন্য মশারী কিনে দিতে হবে!
যাও..সোনামণি যাও...ঘুমাও!
আমার মায়ের সম্পর্কে একজন চাচা ছিলেন...
সে শিক্ষিত ছিলো...
তিনি যাজক নন কিন্তু তিনি পরিবারের ধর্মীয় সহকর্মী।
তো কি হয়েছে?
আমার মায়ের ইচ্ছা যে আমাদের মেয়ে এর জন্য যেনো তাকে ধর্মপিতা করি!
অসম্ভব... ইথাক হবে তার থোট্টাপ্পান(ধর্মপিতা)!
কি? তুমি একাকী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কে?
-আমি তার বাবা, বুঝেছো? -তো কি হয়েছে?
সুতরাং, সবকিছুতে আমি সিদ্ধান্ত নিব।
তুমি একাকী বাচ্চা জন্ম দেও নি...
মেরি, মুখ সামলে...
আমি একাই এই বাপ্তিস্ম অনুষ্ঠান করছি না?
আমি তার জন্য সোনা-দানা, জামা-কাপড় আর সবকিছু তো আমিই কিনছি না?!
কেউ কি আমাকে কিনে দিচ্ছে?
আমার বাবার কোন টাকা নেই?!
হয়েছে... তোমার খোচা দেওয়া বাদ দাও..
-এটা নিন... -বাহ্!
- এটা চন্দন হাটের... -ওহ্...
আপা... তুমি কি বাচ্চাকে প্রশ্রয় দিচ্ছ? - হাঁ, এটা নিয়ে যাও।
আরে না..!
চল যাওয়া যাক...
কিছু টাকা দাও তো! প্রতিনিধি দল সাপ্তাহিক টাকা নিতে আসবে।
আমার মানিব্যাগ থেকে নিয়ে নিও!
আর এক পেগ দাও তো...এটা শেষ...
আর পান করো না..
আমি শুধু তোমার কথা ভেবে বাড়িতে মদ খাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলাম!
আর এখন তা আমার জন্য তা অসহ্যকর!
আন্নাকুট্টি আর নাই..
আমি তোমাকে মাছের পানি ঢেলে দিব, যদি না তুমি তোমার মুখ বন্ধ না কর
-ইলসি....এখনো গোসল করছিস? - আমার হয়ে গেছে!
- ও.. আন্টি... - অতিথি এসেছে...
-জোহানাপ্পান... -হাঁ...
অনেকদিন পর দেখছি... ব্যাস্ত নাকি?
হ্যাঁ, কিছুটা দূরে। আমার কিছু নদী খননের কাজ চলছে।
কাজ কতদিন চলবে?
তা তো হবেই... আমরা পরের বছর পর্যন্ত সাথে থাকব।
মদ কি আর আছে?!
কিভাবে আরো থাকবে ভাবলে যখন এই মানুষ এখানে সারাদিন বসে থাকে!?
আরেকটু দেখুন না... থাকতেও তো পারে।
-আছে মানে?! -আলবাত আছে!!
আমাকে একটা হাঁস দে তো!
আর শোন, এইভাবে তাদের সামনে যাবি না।
তার সিদ্ধান্ত শুনবি....
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে তোর বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বলবি।
জোহানাপ্পান, তোর ঐখান থেকে আমাকে একটু দে তো!
এ জোহানাপ্পান, কাজের জন্য এই মানুষটিকে তোমাদের সাথে রাখতে পারতেছো না?!
শুরু হলো...
- এই মদের নেশার জন্য তার চাকরি গেছে! -হ্যাঁ!
আর এখন আমার জমানো টাকা দিয়ে মদ গিলতে শুরু করছে।
এই পাগল মানুষটা একবারও ভাবে না যে তার একটি মেয়ে আছে।
আরও কিছু ছেলে আছে, যারা তাদের উপার্জিত টাকা এই মদেই শেষ করে।
আর সেজন্য তারাও এই বিয়ে করতে রাজি হয় না।
-চলে যাচ্ছিস? -আমি আসতেছি...
আমার কথা তোর পছন্দ হয়নি?
সে কেমন? ভাল?
খালা, আপনি তার চেয়ে আর ভালো পাত্র আর পাবেন না।
-সত্যি? -হ্যাঁ, সত্যি!
- এটাই সেরা সময়। - সত্যি?!
হ্যাঁ ... আরও একটু দিন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আমার একটা প্রস্তাব এসেছিলো।
হাঁ করে দাও..
আমি জানি, তুমি এটাই বলবে।
আমাকে বিয়ে করে তুমি তোমার সুখ-শান্তি নষ্ট করতে চাও।
তোমাকে লোকজন বলবে, ঐ দেখ চোরের বউ? তুমি কি মেনে নিতে পারবে?
তুমি কি তোমার জীবন নষ্ট করতে চাও?
আমাকে গালি দিতে বাধ্য করো না।
আমাদের বিয়ের জন্য আমি টাকা জমা করেছি। দয়া করে, আমার মায়ের সাথে কথা বল!
তিনি রাজি হবেন এই প্রস্তাব সম্পর্কে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেই লোককে বিয়ে কর। তুমি ভাল মারামারি দেখতে পাবে।
-এই এলসি... -তোমার মা ডাকছে ... যাও।
এটা আমার দায়িত্ব, আমি এর দেখা-শুনা করব।
শুধু এটা করতে হবে।
আরে তুই কই যাচ্ছিস?
আমাকে বল না। -তুই কি ব্যস্ত?
তোমার তো আমার আর দরকার নেই, তাই না? তোমার নতুন কাজের জন্য নতুন বন্ধু আছে, ঠিক না?
তো যা, যদি তুই এতোই ব্যাস্ত থাকিস।
-কি ব্যাপার? আমাকে বল... -তুই তো ব্যস্ত? ফিরে আয় তারপর...
আমি একটি নষ্ট বাড়ির ছক এঁকেছি। আমাকে নৌকা ধরতে হবে...
এটা নিও না, ওস্তাদ! এটা আমার দরকার।
তাস খেলার জন্য? আমি তোকে জলদি ফেরত দেব।
-ওস্তাদ। -আস্তে!
পুলিশ!
আমি?!
চিন্তা করো না, আমি পুলিশ না। আমি একটি ব্যবসায়িক কাজের জন্য এসেছি।
আমরা কি কথা বলতে পারি?
এটা বাড়িতে নিয়ে যা।
মাঠে জোয়াল দে, আমি জলদি আসছি...
দেখি কি বলে..
ডিলাররা অন্ধ্র প্রদেশের।
তাতে কি?
এখনই বিক্রি করা ভাল, তাই না?
আমাদের কোচিতে বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী আছে।
আমাদের শর্তগুলি কি ভাঙা উচিত? আমি জানি তুমি চোর।
আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন? চলে আয়, জোহানাপ্পান!
অফারের পরিমাণ দ্বিগুণ!! ভেবে দেখ!
-দোস্ত (ডুড) -হ্যাঁ...
তোর বাপ্তিস্ম আর বিয়ের জন্য আমাদের এখন টাকার দরকার!
এটি বিক্রি করে দিই..
অ্যানথ্রাপারের কী হবে?
তাতে কি? আমরা তো ওকে কথাও দিই নি।
আমিও তোর সাথে আসব??
না, তুই যাস না... বাড়ি যা তুই..
আমি তাদের জায়গাটি দেখিয়ে দিয়ে আসি... আর ওটা বিক্রি করে আসছি...
তারা কোথা থেকে এসেছে? তারা কোথায় থাকে?
তারা স্বপ্না হোটেলে আছে...
আচ্ছা, যা।
কি?
ঘুমাতে যাবি না?
আমি এখনই ফিরে আসছি...
-তাড়াতাড়ি ফিরে আসিস, দেরি করিস না। -আচ্ছা!
আমার অনেক কাজ আছে।
আরে আসো...
তুমি কি করছো?
জোহানাপ্পান কোথায়?
সে আসছে... ভিতরে আস...
আম্মা, বাচ্চাটা ধরো তো...
আমি আসছি..
-ইথাক.. -কি হলো, মেরি?
জোহানাপ্পান কোথায়?
সে শহরে গেছে। সে চলে আসছে... বলে... কি ব্যাপার?
সমস্ত অতিথি তাঁর জন্য জিজ্ঞাসা করছে।
সত্য বল, ইথাক। কি হয়েছে তার সাথে?
তুমি কি পাগল হয়েছে?
সে তার বাচ্চার জন্য কিছু কিনতে গেছে।
যাও.... বাচ্চার দেখাশোনা কর।
সে শীঘ্রই ফিরে আসবে। যাও!
আমি জানি তার সাথে কিছু হয়েছে।
হা, মা!
-কি? -আমার মনে হয় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
-আমি এখন কোথায় যাব? -আমার বাচ্চাটা এতিম হয়ে যাবে।
ইথাক ...তুমি কি জোহানাপ্পানকে পেয়েছো?
এই...
কি হইছে, ভাই?
গতকাল এখানে কি নতুন কেউ এসেছিলো?
হুম ... তারা তিন জন ছিল। তারা তো সন্ধা ৭ টায় এই জায়গা থেকে চলে গেছে।
তুই কি তাঁদের সাথে জোহানাপ্পানকে দেখেছিস?
না।
একেবারে বোকামি! তোর একা তাকে পাঠানো উচিত হয় নি।
আমি সবাইকে কী বলব?
তার স্ত্রী'র এখনও কান্না থামেনি। আজ তার সন্তানের বাপ্তিস্ম।
আমাকে কিছু তো বল, অ্যানথ্রাপার।
উপরওয়ালা কে জিজ্ঞাসা কর!
আসো... আসো...
থোট্টাপ্পান (ধর্মপিতা)
আরে... অরোথা কে তো আমি অনেক দিন থেকে দেখিনি।
সে কোথায়?
প্রতি রাতে, কুকুর ডাকার শব্দ শুনতে পাই।
আমাকে তো মধ্যেরাত পর্যন্ত জেগে থাকতে হয়।
কেনো তুমি ঘুমাও না?
এখনকার দিনে এটা নিয়মিত....
আর পাশাপাশি আমার মাতাল স্বামীর নাক ডাকার শব্দ।
আর...তারপর?
তার স্বামী খুব সকালে মাছ ধরতে যায়।
যখন সে চলে যায়, তখন দেখি প্রতিদিনকার মতো একটা লোক তার ঘরে যায়।
বাজে কথা বাদ দিয়ে যেটা করতেছে সেটা করো।
আমরা অরোথা'র সম্পর্কের কথা বলতেছিলাম।
তোমরা যেকারো গুজব ছড়াতে পারো কিন্তু আমার আর আমার মায়েরটা বাদে।
অহ... তুই কি তোর স্বামীর আদর পেয়েছিস?
স্বামী...আমার ***!
No comments yet. Be the first to leave one.