The first 185 lines.
শুভ সন্ধ্যা ,ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ,
আজ রাতের বক্তাকে পরিচিত করাতে পেরে আমরা অতিশয় আনন্দিত।
একজন কোটিপতি যিনি কি না ব্যবসার জগতে ঝড় তুলেছেন।
যার স্টক পুরো ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে তাক লাগিয়ে আকাশ ছুঁয়েছে।
একজন সত্যিকারের দূরদর্শী এবং উদার হৃদয়বান ব্যক্তি।
একজন দয়াবান জনহিতৈষী যিনি মানবতার পক্ষে থাকেন...
এবং সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করেন।
যিনি সমগ্র মানবজাতির জীবনের মানোন্নয়ন করার জন্য চেষ্টা করেন।
একটা রাক্ষস সে!
একজন হৃদয়হীন রাক্ষস যে কখনো অন্যের জীবনের পরোয়া করে না।
ঋষির জন্য হাজারো মানুষ মারা গেছে।
যে বাতাস থেকে আমরা নিঃশ্বাস নেই সেটাকেও সে বিষাক্ত করে ফেলেছে।
এর ফল আমাদের কয়েক বছর ধরে ভুগতে হবে।
এতগুলো মৃত্যুর জন্য দায়ী হওয়ার পরও ঋষি তার ফ্যাক্টরি পুনরায় চালু করতে চলেছে।
সে একজন পাষাণ রাক্ষস।
কয়েক বছর ধরে আন্দোলনের পর...
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
কিন্তু উনি আজ মৃত।
আমাকে হুমকি দিচ্ছো?
আমি চাইলে তোমাকে আজীবন জেলের ভাত খাওয়াতে পারব।
বাচ্চাছেলে বলে তোমার প্রতি সদয় হচ্ছি।
তোমার ফ্যাক্টরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।
এটাকে "কালোতালিকা" ভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি চিঠি পাঠিয়েছি।
উড়িষ্যার কথা বাদ দাও।
ভারতের কোথাও তুমি পা ফেলতে পারবে না।
রক্ষীগণ!
মুখ্যমন্ত্রী সাহেব... মুখ্যমন্ত্রী সাহেব...
এটা আমাকে সত্যিই প্রতিশোধের জন্য উসকে দিচ্ছে।
আবার আসবো আমি।
আবার আসব।
আপনারই ক্ষতি বেশী হবে।
আমাদের কনিষ্ঠতম এবং সৃজনশীল এই উদ্যোক্তাকে জোরালো করতালির মাধ্যমে স্বাগতম জানাই...
যিনি ১৭৫-টিরও বেশি দেশে নিজের কর্তৃত্বের ছাপ রেখেছেন।
ঋষি কর্পোরেশনের রাজিব ঋষি।
সত্যমেব জয়তে !
যখন বাবা আমাকে ঋষি কর্পোরেশেনের দ্বায়িত্ব দিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ...
আমার বয়স তখন ১৭ ছিল।
লোকে ভাবত আমার মতো কমবয়সী একটা ছেলে কীভাবে এতো বড় একটা কোম্পানী চালাবে।
আমাকে অবজ্ঞা করত তারা।
"ছোট বাচ্চা সে! পারবে না!" বলে মশকরা করত তারা।
তারা আমাকে নিচে নামানোর চেষ্টা করা সত্ত্বেও আমি উপরে উঠে যাই।
আমি এই কোম্পানীকে শূন্য থেকে তুলে এনে আমেরিকার সেরা পাঁচটা কোম্পানীর তালিকায় নিয়ে এসেছি।
আপনাকে নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা ব্যক্তিদের হারিয়ে তাদেরই সামনে রাজার মত করে বসার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই।
অতীব সুখকর একটা অনুভূতি !
যখন আপনি দেশের জন্য ভালো কিছু করতে যাবেন অনেকে থামাতে চাইবে।
বেচারা! চেষ্টা করুক তারা।
নিজেদের সেরাটা দেয়া যাক।
জয় হিন্দ !
ধন্যবাদ !
হায় ভগবান...
স্বাগতম জনাব !
আরে প্রতিবেদক যে... কেমন আছেন, সাংবাদিক নেল্লাইয়াপ্পান?
আহ...
ভালো আছি, নওয়াব স্যার।
তো...
মনে হল আপনার বস কোন সাক্ষাৎকার দিয়েছে।
টিভিতে দেখেছি।
উনি কী বললেন?
উনি সন্তুষ্ট।
ধন্যবাদ আপনাকে !
উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, উনি ঋষি কর্পোরেশন বন্ধ করে দিবেন।
আপনার লোক কাজটা ভালোভাবেই করেছে।
তার সাথে দেখা করতে হবে।
কোথায় আছে সে?
সে কারো সাথে দেখা করে না ।
অন্য কারো জন্য কাজও করবে না সে।
তাকে পাওয়া এতো সোজা না।
তার ফোন,হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ইমেইল নেই।
তার এমনকি জাতীয় পরিচয়পত্রও নেই।
নিজের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই তার এমন উদ্যোগ।
কিন্তু সেটা বড় কথা নয়।
যদি আমি তার পরিচয় প্রকাশ করে আপনাকে তার তথ্য দিয়ে দিই...
আমার ব্যবসা তো শেষ হয়ে যাবে, তাই না?
ভালোই কথা বলো, নেল্লাই।
মোদ্দা কথায় আসা যাক। এটা উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারটার মতো না।
পুরো পৃথিবী দেখবে।
যদি সামান্যতম সন্দেহও রয়ে যায়, তবে এখনি পিছিয়ে আসতে হবে।
বললেই তো, মোদ্দা কথায় আসা যাক। তো এসব আজাইরা প্যাঁচাল বাদ দাও!
শুধু বলো টাকা কোথায়, যাতে আমি শুরু করতে পারি।
যাওয়ার আগে গোসলও সেরে নিতে হবে আমাকে !
হ্যালো! শুনতে পাচ্ছো ?
হ্যাঁ, পাচ্ছি।
তোমার বসকে বল..."পিছিয়ে যাওয়া" উনার অভিধানে নেই।
স্কটল্যান্ডের যুবরাজকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। তুমিও না।
এবার স্কটল্যান্ডের যুবরাজকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।
কেউ বাঁচাতে পারবে না যুবরাজকে !
এবার স্কটল্যান্ডের যুবরাজকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।
হো হো হো! যাও পারলে যুবরাজকে বাঁচাও !
যুবরাজকে বাঁচাও , যুবরাজকে বাঁচাও !...
যুবরাজকে বাঁচাও !
যাও যুবরাজকে বাঁচাও !
যুবরাজকে বাঁচাও , যুবরাজকে বাঁচাও !...
যুবরাজকে বাঁচাও !
চীফ, ইন্টারপোলের সবক'টা তথ্যভাণ্ডারে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে এখনো খুঁজে পাইনি আমরা।
এটাও বন্ধ করতে পারছি না।
বিশ্বাস করুন চীফ, এটা অসম্ভবের চেয়েও বেশি কিছু।
অফিসার, চিন্তার কিছু নেই।
যুবরাজ একদম সুরক্ষিত এবং ঠিক আছেন।
যাক গে,আপনার দেয়া তথ্যে কেন বিশ্বাস করব আমি?
নিশ্চিত নই।
সার্ভার হ্যাক হয়ে যাওয়াতে আমরা এই তথ্য পাই।
কিন্তু আপনি তো জানেনই, কোন সাধারণ মানুষের দ্বারা এটা সম্ভব নয়।
এটা এক প্রকার বিদ্রুপও হতে পারে, অফিসার।
তাছাড়া, আজ যুবরাজের রাজকীয় বিবাহ।
জানোই তো রাজকীয় বিয়ের মত অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা কতটা জোরদার থাকে।
অফিসার, আমরা গির্জায় আসা প্রতিটা অতিথিকে কয়েক দফা তল্লাশি করেছি।
বাটনে একটি চাপ দিয়েই আমাদের প্রতিটি অতিথির যেকোন তথ্য সম্পর্কে আমরা জানতে পারব।
গত সপ্তাহে তাদের কাজকর্ম, কোথায় গিয়েছিল,কাদের সাথে দেখা করেছে ইত্যাদি।
আজ স্বপ্নেও কেউ যুবরাজেও ধারেকাছে যেতে পারবে না।
যাক গে, ধন্যবাদ, অফিসার।
আমরা এবার যাবো।
জেমস, বিয়ে সম্প্রচার করছে এমন প্রতিটা চ্যানেল চালু করো।
ভদ্রমহিলা ,ভদ্রমহোদয়গণ এবং যাজকসম্প্রদায়বৃন্দ...
চলুন সেই সুমহান শক্তির কথা বলা যাক যা আমাদের আজ এখানে একত্রিত করেছে।
যে শক্তি আমাদের পরোয়া করে।
যে শক্তি আমাদের নিরাময় করে।
যে শক্তি এই ব্রহ্মান্ডকে চালিত করে।
আজ,ভালোবাসা নামক সেই শক্তির মাধ্যমেই দুটি তরুণ প্রাণ একত্রিত হয়েছে।
ভালোবাসায় আছে শক্তি।
এর আছে সাহায্য এবং নিরাময় করার শক্তি, যা আর কোনোকিছু পারে না।
ভালোবাসার মাঝে আছে জাগরণ এবং মুক্তি দেয়ার ক্ষমতা যা আর কিছু পারে না।
এই ভালোবাসাকে আপনাদের হৃদয়ে স্মারকস্বরূপ রেখে দিন।
মনে রাখার মত একটি স্মারক।
আত্মায় থাকা একটি স্মারক।
ফ্রান্সিস, ওটা তো অগাস্টাস নয়!
কী?
ওটা যাজক অগাস্টাস লেডক্স নয় !
ফাদার, উনিই এটা।
না! - লোকে আমাকে সর্বদাই জিজ্ঞাসা করে...
"যাজক, প্রতিটা ধর্মগ্রন্থ কেন ভালোবাসা শেখায়?"
হা, ঈশ্বর!
এ দেখতে একদম উনার মতো।
ভালোবাসা সদয়। এটি কখনো বিদ্বেষ পোষণ করে না।
অহংকার করে না,দাম্ভিক নয়।
কারো বিপদ সমাসন্ন !
- এটি ভুলের কোনো চিহ্ন রাখে না। - কে সে?
পাখির কলকাকলিতে প্রেম আছে গাছের নড়াচড়ার মাঝে প্রেম আছে ...
সমুদ্রের স্থিরতায় প্রেম আছে
এমনকি শুনেছি আমাদের চারপাশে বয়ে চলা বাতাসের প্রতিটা কণাতে ভালোবাসা আছে।
সেই ঐশ্বরিক ভালোবাসাকে আমি...
স্কটল্যান্ডের যুবরাজ এবং তার হবুপত্নীর চেহারায়...
অবলোকন করতে পারছি।
ভদ্রমহিলা ,ভদ্রমহোদয়গণ এবং যাজকসম্প্রদায়বৃন্দ...
আমার সাথে গাইতে থাকুন...
পাঁচ!
চার!
তিন!
দুই!
চুমু দিন! চুমু দিন! চুমু দিন!
চুমু দিন! চুমু দিন!
চুমু দিন! চুমু দিন!
তুমি হয়তো কখনোই কনেকে চুমু দিতে পারবে না।
কী?
এক!
অসম্ভব,বাছা!
রক্ষীবাহিনী !
: . : . : C O B R A : . : . :
:: . : . :: বাংলা অনুবাদ : SAEID HOSSAIN (সাঈদ হোসাইন) : : . : . : :
এটি প্রাচীন এক সুড়ঙ্গপথ।
ভেতরে পথ হারিয়ে ফেললে আজীবন সেখানে আটকে থাকতে হবে।
সুড়ঙ্গ থেকে বের হওয়ার প্রতিটা পথ বন্ধ করে দাও। এক্ষুণি!
জনাব,অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিষ্ক্রমণপত্র দিন।
বিশ বছর পূর্বে
বাহ!
অনেক দ্রুত সমাধান করে ফেললে!
গত তিনদিন ধরে এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।
কে তুমি, বাছা?
তোমার বাবা-মা আছেন সাথে?
আমার টাকা লাগবে, এখনি।
কী?
আমি আপনাকে চিনেছি ।
আসামীদের বের করে আপনি কাজ দেন।
যখন ফিরে আসে তখন তারা সর্বদা রক্তস্নাত থাকে।
কিন্তু আপনি তাদের অনেক টাকা দেন।
আমারো এখন টাকার প্রয়োজন।
বিনিময়ে যা করতে বলবেন তাই করব।
আমার জরুরী ভিত্তিতে টাকা লাগবে।
ধুর,তুমি গোলমাল পাকিয়েছ !
প্রশাসক যদি মন্ত্রীর কাছে চিঠিগুলো পৌঁছে দেয়, তাহলে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে।
এই নে তোর টাকা।
এটুকুতেই চলবে আমার।
বাকিটা দিয়ে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করতে পারবেন?
পরেরবার বড় কিছু করব !
কী বলিস?
No comments yet. Be the first to leave one.