The first 200 lines.
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
গেন্ট, জুন ২০০৬।
হাতটা দেখি।
আমার দিকে তাকাও।
টাইট মনে হতে পারে।
নড়াচড়া কোরো না, সোনা।
কেঁদো না।
হয়ে গেছে। হয়ে গেছে।
ওমন কোরো না, কাজ শেষ।
আচ্ছা, ডাক্তারের সাথে দেখা করে আসুন।
- আর আমি বাবু সোনার সাথে থাকছি। - দুষ্টুমি করবে না, হ্যাঁ?
হ্যালো, বাবু সোনা।
- কী এটা? - আমার স্কুলব্যাগ।
- না, বিটল পোকা। - আমার স্কুলব্যাগ!
বড় বিটল পোকা।
- হ্যালো, ডাক্তার। - ভেতরে আসুন।
কিছুক্ষণ একা একা থাকতে পারবে? বাবা-মা একটু বাইরে যাবে।
এইনা আমার সোনা মেয়ে।
একটা জিনিসে কি একমত হতে পারি?
কাঁদাকাটি বাড়িতে গিয়ে করব। যতক্ষণ এখানে আছি পজিটিভ থাকব, ওকে?
ওকে।
কাম অন।
দেখ ওকে।
- একদম সুস্থ-সবল। - হ্যাঁ...
তাই না?
আগামীকাল একে গুলি মেরে দেব।
- কী করব আমরা? - ক্যান্সারকে গুলি করে দেব।
- ইয়া! - ইয়া!
মাথায় টুকা!
- ঘুমাও এখন, দুষ্টু মেয়ে। - সবাই তাই করে।
- এগুলো সব তোমার? - হ্যাঁ।
- ওয়াও, অনেক সুন্দর! - কিন্তু এখনো অনেকটা কাজ করতে হবে।
- তবুও... - তো এখনের জন্য আমি... ওখানে ঘুমাই।
ওটা ভ্যান নাকি?
- তুমি তো দেখছি আসল কাউবয়! - হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।
- ওই ঘোড়াটাও তোমার? - হ্যাঁ, ওর নাম আর্ল।
মুরগী!
- রাগী নাকি? - না, অনেক শান্তশিষ্ট।
'জেডি. ক্রো' আর 'দ্য নিউ সাউথ'। তারপর 'টনি রাইস ইউনিট''।
'মানজানিতা' নিশ্চিন্তে আমার সবচেয়ে প্রিয় সিডি।
ওর কন্ঠস্বর অনেক সুন্দর ছিল।
কিন্তু হারিয়ে ফেলেছে, কি একটা অবস্থা!
জানি না কীভাবে। অসুস্থ না কি জানি হয়েছিল, অথবা অধিক হুয়িস্কির ফসল!
ব্যাঞ্জো বাজাও কেন?
গিটার বাজানোর মতো বুদ্ধি আর ম্যান্ডোলিন বাজানোর মতো দক্ষতা নেই।
না, না। আগে অনেক 'পাঙ্ক রক' করতাম
আর ব্যাঞ্জোর শব্দও কিছুটা কর্কশ, যেটা আমায় 'পাঙ্ক রক' স্বরণ করিয়ে দেয়।
অনেক পছন্দের।
তোমার শরীরে এতো ট্যাটু কীভাবে এলো?
এলিসে?
হাই, কাউবয়।
এমনভাবে দেখছ যেন কোনো ট্যাটু চাও না...
পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ।
- শুভ অপরাহ্ন। - শশশ, শশশ।
দুপুরের খাবার নিয়ে এসেছি।
- ও মাত্রই ঘুমিয়েছে। - হাসপাতালের নির্দিষ্ট সময় আছে।
- মেইবাল অসুস্থ! - সোনা...
- অসুস্থ! - সোনা...
- তুমিও কিছু বলতে পারতে, দিদিয়ের। - কী বলতাম ,হ্যাঁ? কী?
দুঃখিত।
দুঃখিত।
হেই, মেইবাল।
দুঃখিত, সোনা। মায়ের ওভাবে চিল্লানো উচিত হয়নি, হ্যাঁ?
দুঃখিত।
- দুঃখিত। - ঠিক আছে।
এখন আমরা শক্ত করে বসে থাকব, একটু খোঁচার মতো লাগবে।
শাবাশ!
ওকে, রেডি?
ব্যথা লেগেছিল।
- জানো, এটা আমাকে কে দিয়েছিল? - তোমার মা।
তার আগে এটা আমার মায়ের মায়ের কাছে ছিল।
আর তারও আগে আমার মায়ের মায়ের মায়ের কাছে ছিল।
আর এখন আমি তোমাকে দিচ্ছি।
কারণ আমি তোমার মা।
আর যখন তুমি বড় হবে, তুমিও তোমার মেয়েকে দিতে পারবে।
কিন্তু তার আগ পর্যন্ত আমি চাই, যখন খারাপ লাগবে এটা শক্ত করে ধরে রাখো,
অথবা যখন ভয় লাগবে অথবা নিঃসঙ্গ লাগবে।
তাহলে চোখ বন্ধ করে ভালো কোনো কিছুর কথা চিন্তা করো।
একবার চেষ্টা করে দেখব?
সারা বিশ্বের দরিদ্র্য আর ভাগ্যান্বেষী লোক
অ্যাপোলেচিয়ানে ছিল,
ওই অবস্থায় সময়টা আমার জন্য কষ্টকর ছিল।
স্প্যানিশের কাছে ছিল গিটার, ইতালিয়ানের কাছে ম্যান্ডোলিন,
ইহুদির কাছে ভায়োলিন আর আফ্রিকানের কাছে ব্যাঞ্জার,
যেখান থেকে ব্যাঞ্জোর উৎপত্তি হয়েছিল।
দারিদ্র্য আর ক্ষুধাকে জয় করতে ওরা গান গাওয়া শুরু করেছিল
প্রতিশ্রুত ভূমির স্বপ্ন নিয়ে,
প্রায়শই মৃত্যুর ভয় নিয়ে,
ওদের ভবিষ্যৎ সুন্দর জীবনের আশা নিয়ে,
ওদের দুঃখ, কষ্টকর জীবন নিয়ে।
দিদিয়ের?
দিদিয়ের?
এলিসে, এদিকে এসে একটু সাহায্য করতে পারবে, সোনা?
কোথায় তুমি?
দিদিয়ের?
কী?
কী হয়েছে?
তুমি ঠিক আছ, সোনা?
আমি গর্ভবতী।
তিন মাস চলছে।
কী?
হয়তো আমি ওকে চাই না।
কীভাবে হলো? কীভাবে...?
আমার... মাসিক কখনোই নিয়মিত হতো না।
তোমার কী মনে হয়?
যে আমি জানতাম? আমি তোমাকে ফাঁদে ফেলেছি?
হয়তো আমি অন্যকারো জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাই না।
জানি না।
বাচ্চা নিয়ে ওই ভ্যানগাড়িতেই জীবন কাটিয়ে দিতে চাও নাকি?
- হ্যালো, মেইবাল। - হ্যালো, ডাক্তার।
তোমাকে দেখতে দারুণ লাগছে।
- আগামীকাল বাড়ি যেতে পারো। - ইয়েস!
গ্রেট, না? কিন্তু তোমাকে কয়েক সপ্তাহ পর ফিরে আসতে হবে।
- যেমনটা বলেছিলাম। - হ্যাঁ।
তখন দেখা যাবে ক্যাপ্টেন ক্যামো যুদ্ধ জিতেছে কিনা।
ধন্যবাদ, ডাক্তার।
- কী সেজেছ? - টাইগার।
টাইগার!
- আর তোমার মা? - প্রজাপতি।
টাইগার কী করে?
ওটা কী?
আমি যেটা শুনছি তুমিও কি শুনতে পাচ্ছ? আমাদের বাড়িতে কেউ ঢুকেছে।
ভেতরে গিয়ে দেখবে একটু? কারণ আমার ভয় করছে, গিয়ে দেখ একটু।
তুমি কি দেখতে যাচ্ছ?
ওকে? দেখতে পাচ্ছ কিছু?
ওদের হাস্যকর লাগছে, তাই না?
- তুমি ফিরে আসায় অনেক খুশী হয়েছি। - ওয়েলকাম হোম।
অনেক সুন্দর!
- তোমার পছন্দ হয়েছে? - হ্যাঁ।
- জোরে। - কী?
জোরে জোরে।
- শোনো। - বলো?
বাড়ির সামনে একটা বারান্দা রাখলে কেমন হয়?
একটা কী? বারান্দা?
বারান্দার চেয়ে বেহুদা জিনিস আর নেই।
কখনোই ওতে বসবে না। মাংসের কিমা বানিয়েছ?
- কিন্তু হলে দারুণ হবে, তাই না? - বারান্দা ভালো জিনিস।
কাম অন, সোনা। গ্রীষ্মে যখন গরম পড়বে তুমি বাইরে যাবে
আর শীতে ঘরের মধ্যে স্টোভের পাশে বসে থাকবে।
কিন্তু আমরা বেলজিয়ামে থাকি, যেখানে বাইরে বসলে একটু বেশি ঠান্ডা
আর ভেতরে বসলে একটু বেশি গরম লাগে।
আসলেই মাংসের কিমা বানিয়েছ?
- এটা মাংসের কিমা নয়। - সবজি। সুন্দর, তাই না?
কাম অন!
আমি বাতাসের মধ্যে বসে থাকা পছন্দ করি না, আর না আমাদের বাচ্চা করে।
তো সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, তোমার বারান্দা লাগবে।
বেশ, তোমার বারান্দা পাবে, কিন্তু ওকে তর্কের মধ্যে আনার এটাই শেষবার।
- ধন্যবাদ। - কী? একটা বারান্দাই তো।
- বেশ? ভেতরে কি আছে জানো নাকি? - বাচ্চা, আমার ধারণা।
কিন্তু দিদিয়েরের ঘোড়ার মতো যন্ত্রের কারণে নিশ্চিত হতে পারছি না, ঘোড়ার বাচ্চাও হতে পারে।
শিট।
বাচ্চা আসছে, পানি ভাঙছে।
- শান্ত হয়ে বসো। - না।
শান্ত হও, শান্ত হও।
এলিসের বাচ্চা হয়েছে, মেয়ে বাচ্চা।
হ্যাঁ, অনেক...
মেইবাল। মেইবাল।
হ্যাঁ, মেইবাল কার্টারের মতো।
নাম সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণা নেই!
না, না। হাত নিচে।
কী ওটা?
কী?
- ওটা তো বারান্দা নয়, সোনা। - না... না, ওটা 'ট্যারেন্দা'।
বারান্দা আর ট্যারেসের পারফেক্ট কম্বিনেশন।
সুন্দর হয়েছে। অসাধারণ। ধন্যবাদ।
যাও, যাও। গুড গার্ল!
হাঁটো, এইতো!
দেখ। ওহ, সাবধানে...
আমেরিকার ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা...
দেখ, দেখ।
শুভ নববর্ষ!
- বড় হয়ে তুমিও কাউগার্ল হবে? - হ্যাঁ।
বাবা!
ওটাকে নিচে রাখো, মেইবাল। আমার কাছে দাও, সোনা।
কেঁদো না। আমাকে দিয়ে দাও, সোনা।
পাখিটা মরে গেল কেন, বাবা?
সোনা... কাঁচের উপর এসে পড়েছিল যে...
পাখিরা তো জানে না কাঁচ কী জিনিস।
ওরা ভাবে যদি এর মধ্যে দিয়ে দেখতে পারে,
উড়তেও পারবে। একদম বোকা, তাই না?
মরার পর পাখিরা কেথায় যায়?
আমাদের... এটাকে কেবল ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তাই না, মেইবাল?
কমপোস্টের গাদায় রাখা যাবে না। কারণ এটা মুরগির মতো,
ভেতরে হাড্ডি আছে।
এটাকে ডাস্টবিনে ফেলে আসি, দাও।
না, বাবা।
এটাতে ময়লা আছে। আমার কাছে দিয়ে দাও, সোনা।
আমি ফেলে দিয়ে আসব, ওকে?
তুমি নিজে ফেলতে চাও?
আমার কাছে দিয়ে দাও।
দাও, আমার কাছে দাও। আমাকে দিয়ে দাও।
না!
মেইবাল!
ক্যামো কাজ করছে না।
ওর অস্থিমজ্জা আবারও অস্বাভাবিক শ্বেতরক্তকণিকা তৈরি করছে।
যেটা অবশ্যই ভালো খবর নয়।
কিন্তু, যেমনটা আগেও বলেছিলাম, আমরা এখনই হাল ছাড়ছি না।
কেবল চিকিৎসার পরবর্তী ধাপে চলে যাব,
স্টিমসেল প্রতিস্থাপন।
No comments yet. Be the first to leave one.