The first 200 lines.
[সাবটাইটেল ভালো লাগলে গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক দিবেন। ]
আমায় বাঁচান৷ কেউ আছেন?
অনুবাদ ও সম্পাদনায় আহমেদ জয়নুদ্দিন
- আরে? - হা?
- কতক্ষণ লাগবে পৌঁছাতে? - সঠিক জানি না।
ভাই? আর কতক্ষণ লাগবে?
- আরো ১০ কি:মি, ভাই৷ - ১০ কি:মি?
- মনে হচ্ছে আরো ১০ কিঃমি৷ - খোদা৷
বন্ধু, ওরা বনের মাঝখানে সবসময় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণ করে কেন ?
ভাইয়া.. ভাইয়া. এক মিনিট.!
ভাইয়া...ভাইয়া..অটো থামাও। দেখো ওখানে কে দাঁড়িয়ে আছে।
- ভাইয়া, তুমি আমাদের AKR কলেজে যাচ্ছো? - ওহ? আমাদের কলেজ?
তারা আমার অটো ভাড়া করেছে ওদের সাথে কথা বলো।
জি, আমায় কলেজে ড্রপ করতে পারবেন?
- উঠে পড়ো৷ - ধন্যবাদ জি।
- এটা দাও। - ওদিকে উঠো।
- জি তুমি কোন ডিপার্টমেন্টে পড়ো? - ইইই।
- ইইই? জি, তুমি? - ইইই, জি।
- জি, আমিও ইইই-তে ভর্তি হয়েছি। - ওহ? তাই নাকি?
আমরা একটা গ্যাং হয়ে যাবো৷
- দারুণ জি। - দারুণ জি৷
- তোমার জন্মস্থান কোথায়? - তিরপুর।
ওহ?
আমি বাসে যাচ্ছিলাম ওরা আমায় এখানে নামিয়ে দিছে।
উফ.. - ভালো হয়েছে তুমি দেবতার মতো এসে আমাকে বাঁচিয়েছ।
আমায় কে বাঁচাবে?
এই জঙ্গলে আটকা পরলে তুমি শেষ হয়ে যাবে।
খোদা... যেভাবেই হোক শেষ পযর্ন্ত পৌঁছে গেছি।
আরে ভাই, রুম নাম্বার চেক না করে তুমি চলে যাচ্ছো। - ধন্যবাদ খোদা৷
তোমার নাম কি?
তোমার জন্য রুম নাম্বার ২০২ বুক করছে। উপরে যাও।
- কি বড় হোটেল, দোস্ত ? - ওকে, ওকে, আয়।
-দাড়াও...দাঁড়াও.. তুমি কোন ডিপার্টমেন্টে পড়ো? - ইইই।
- তোমার নাম? - আরুল
- তোমার নাম? - বিজয়।
লালু, স্যার৷
- রুম নাম্বার ১৬১ তোমাদের জন্য বুক করা হয়েছে। - ঠিক আছে, স্যার।
উপরে যাও।
- রুমটা দারুণ। - আমি এই বিছানায় থাকব৷
উফ.. উফ..
- ও কে? - বন্ধু?
আরে...তোমরা কারা?
- আরে,এখানে আয়। - হে৷
তোমরা কারা?
ভাই, আমরা ১ম বর্ষের ছাত্র। ওয়ার্ডেন এই রুমে আমাদের থাকতে বলছে।
আমি চলে যাব, ভাই?
- আরে দাঁড়া। - ঠিক আছে, ভাই।
উফ.. এই ওয়ার্ডেন অকেজো।
প্রতি বছর এইভাবে আমায় কিছু লোকের সাথে দিয়ে দেয়৷
আচ্ছা, তুমি কে?
কি? আমি কে?
- উফ.. সে টেনশন করছে - আরে আমি তোমাদের সিনিয়র।
- সিনিয়র। - আরে।
দুঃখিত ভাই। আমি হাসি থামাতে পারছি না৷
- কি? বিশ্বাস হচ্ছে না? - না ভাই।
আমাকে তরুণ লাগছে।
- ভাই, আমি কোথায় ঘুমাবো? - নিচে যা৷
হেই চ্যাটারবক্স .. তুই উপরের বিছানা নিতে পারিস৷
আমি নিচের বিছানায় ঘুমাবো কারণ উপরেটা আমার পছন্দ নয়।
- তুই উপরের বিছানায় ঘুমা। - ধন্যবাদ ভাই।
ওহ, ক্যামেরা.!
আরে,ক্যামেরা নিচে রাখ, যদি স্পর্শ করিস তোকে শেষ করে দিব।
- ভাই আপনি কি ফটোগ্রাফার ? - সাধারণ ফটোগ্রাফার নই।
বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফার৷
- অসাধারণ ভাই - আমি ছবি তুলব।
হেই চ্যাটারবক্স.. ওরা আগামীকালের নাস্তার জন্য ডিম দিবে।
যদি এটা আমার জন্য নিয়ে না আসিস, তোকে এমন কেলানি দিব কেঁদে কূলকিনারা পাবি না৷
বুঝেছিস?
কি দেখছিস?
জি .. জঙ্গলটা দেখতে খুব ভয়ঙ্কর।
যদি জঙ্গল দেখতে যাস এটাকে আরো ভয়ঙ্কর মনে হবে৷
হা! জঙ্গলে শিয়াল, হাতি, বাঘ আর অনেক ধরনের পশু আছে।
- কিন্তু ওখানে একটা সিংহ খুঁজে পাবি না? - কেন জি?
কারণ এখানে
-উফ.. -ওহ গড, মনে হচ্ছে ও ভয় পেয়েছে।
- এক্সকিউজ মি জি? - হা? - অহ..এটা কি, জি?
- হুম.. তুই আসার সাথে সাথে.. - কি? কেন জি?
- উফ... ওটা গার্ল হোস্টেল। - ওহ.. দারুণ।
কমলা.. বিমলা.. গীতা.. কি?
- মিনা এখনো ঘুমায় নি কেন? - কেন?
- আমি কল করে চেক করে আসছি। - হা, ঠিক আছে জি৷
- নিচে নামতে সাহায্য করো৷ - ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
এই ব্যাচ আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে
অহ.. প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, AKR ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে স্বাগতম।
গত ১২ বছর ধরে.. এই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ..
আমি সত্যিই গর্বিতের সাথে বলছি যে,
এটা রাজ্যের ১০ টি শীর্ষ কলেজের মধ্যে স্থান পেয়েছে।
ধন্যবাদ।
- ঠিক আছে, এখন তোমাদের পরিচয় দাও৷ - আমি সৌম্য, স্যার, ত্রিচি থেকে আসছি৷
কার্তি স্যার
আমি লাক্সমী, স্যার৷
দিলীপ স্যার
তুমি?
- আমি স্যার? - হে তুমি।
আরে, ডাকছে৷ উঠো৷
অহ .. আমার নাম বিজয়, পোলচি থেকে আসছি, স্যার।
ঠিক আছে।
আহ.. আমার মার্ক ৮৪০, স্যার - তাই নাকি?
আহ.. আমার বাবা এই কলেজের জন্য ৪ লাখ টাকা দান করেছেন, স্যার
হেই,হেই.. তোমাকে এটা এখানে বলা উচিত হয় নি৷
তুমি বসো। সে মিথ্যা বলছে।
- না, আমি মিথ্যা বলছি না৷ সে ৪ লাখ টাকা দিয়েছে৷ - না,না,না..বসো। বসো৷
তুমি অনেক ভালো ছাত্র। বসো...বসো।
পরেরজন।
-স্যার, আমার নাম আরুল -ঠিক আছে।
- আমি উচ্চ মাধ্যমিকে ১০৮৯ নম্বর পেয়েছি - ঠিক আছে।
- আসলে আমি মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে আগ্রহী। - তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হলে কেন?
কি বলব? আসলে একজন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের বাড়ির উপরের তলায় থাকেন - ঠিক আছে।
আমার বাসার নিচের তলায় একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র আছে - ঠিক আছে।
আমার পাশের বাড়িতেও একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র আছে - ঠিক আছে।
আমি বাড়িতে বেকার বসে আছি আর আমার সব আত্মীয় এখানে ভর্তি হচ্ছে , স্যার।
- হে... ওকে। বসো। - ধন্যবাদ, স্যার।
মনে হচ্ছে এভাবে অনেকেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হচ্ছে।
- আমার পরিচয় দিব? - আরে বসো।
- না স্যার৷ আপনি আমার সম্পর্কে জানেন। - ঠিক আছে।
- নতুনদের জানা উচিত, তাই না? - ঠিক আছে।
- এজন্যই, স্যার - ঠিক আছে, বলো৷
আমার নাম মিলো। সবসময় গরম থাকি।
তার নাম মায়িলসামি। কিন্তু সে মিলো বলতে গর্ববোধ করে, মিলো....
- সে শুধু ভাব দেখাতে আসে৷ - আমি তোমাদের সিনিয়র৷
শুধু তুমিই নও, সেও আমার সিনিয়র৷
তোমাদের কোনো সন্দেহ থাকলে আমায় জিজ্ঞেস করতে পারো।
তাই নাকি?
- আমার সন্দেহ আছে, আমি জিজ্ঞেস করতে পারি? - হা, বলুন।
- কবে এই কলেজ থেকে চলে যাবে। - আগে ভালোভাবে শিক্ষা গ্রহণ করি, পরে চলে যাবো।
জানি আমায় নিয়ে উপহাস করবে৷
সেজন্য তুমি এখানেই রয়েছো, বুঝতে পেরেছো?
ওকে। বলতে থাকো।
- আমার নাম স্বাতী, স্যার - ঠিক আছে
আমি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ১১৭০ নম্বর পেয়েছি।
কত?
- ১১৭০ নম্বর৷ - ভালো। বসো।
আমি তোমাদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করতে চাই।
তোমাদের ভালো করে শোনা উচিত।
আমাদের কলেজ অনেক ঘন জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত।
জঙ্গলে চিতাবাঘ, বাঘ, বন্য হাতি রয়েছে।
বিকাল ৫ টার পর কলেজ নীরব হয়ে যায়।
বিশেষ করে হোস্টেলের ছাত্ররা...
যেখানে সেখানে ঘুরাঘুরি করার প্ল্যান করো।
তোমরা আমাকে ভিন্ন রূপে দেখবে।
আমি খুব কঠোর ব্যবস্থা নেব।
সেটা কে, আমি সেটা পরোয়া করব না।
- বুঝতে পারছো? - ইয়েস স্যার৷
- বুঝতে পারছো? - ইয়েস স্যার৷
- জোরে বলো। - ইয়েস স্যার।
হায়....
আরে কি করছো?
দেখো এটা আমার চেহারার সাথে মিল নেই। তোরটা দেখা তো৷
- হাস্যকর.. ওটার চেয়ে খারাপ লাগছে। - ওহ, ধুর৷
- কি হয়েছে , দোস্ত? - আমার জীবন থেকে ৪ বছর হারিয়েছি৷
ওহ?
স্কুলে থাকতে অন্তত, সরোজ, ভাল্লী আর অন্যরা পায়ে মোজা পরে আসতো৷
ভেবেছিলাম শহরের মেয়েরা নায়িকাদের মতো দেখতে তাই এই কলেজ নির্বাচন করি৷
- এটাই তোর সমস্যা? - কাউকে সুন্দর লাগছে না৷
গড... এটা তোর জন্য বেশি হয়ে গেছে।
ও যা বলেছে সব ঠিক। প্রথম বছরে সবাই এমন ভাবে।
কিন্তু, ফাইনাল ইয়ারে সবাই সুন্দর হয়ে যাবে, ঠিক আছে?
ফাইনাল ইয়ারে সবাই সুন্দর হয়ে যাবে, তাই না?
অবশ্যই, তারা সুন্দরী হয়ে যাবে।
- কথা দাও। - কথা দিলাম, বন্ধু, ওকে?
- বন্ধু? - ওহ? ওটা সে?
দোস্ত, ওকে এমন লাগছে কেন?
- ওসব কিছু না৷ - ঠিক আছে...
আমাদের ক্লাসে কেউ সুখী না, মনে হচ্ছে সে কাউকে পছন্দ করতে পারছে না।
- সেজন্য, সে অনুভব করছে.. - কেউ কি এমন অনুভব করে?
- বন্ধুরা? - হ্যাঁ?
- আমার কথা ভালো করে শোন। - ওকে।
আমাদের মতো কলেজ ছাত্রদের জন্য বড় অভিশাপ।
- আমাদের সিনিয়র মেয়েরা দেখতে সুন্দরী৷ - উহু?
আমাদের জুনিয়র মেয়েরা দেখতে খুব সুন্দর হবে।
- কিন্তু, আমাদের ক্লাসের মেয়েরা দেখতে কুৎসিত হবে। - ঠিক।
এটাই আমাদের ভাগ্য। কিন্তু একটা জিনিস
জানি আমাদের কলেজের সুন্দরী মেয়েরা কোথায় থাকে?
- আমি তোদের ওখানে নিয়ে যাবো। আয়। - ওকে..ওকে।
এসব কি, জি? ওরা খুব ভয়ংকর।
- বন্ধুরা, কেমন হয়েছে? - দারুণ, তাই না?
- ওরা দুর্দান্ত, তাই না? - দারুন লাগছে, তাই না?
আরে ও সেই মেয়ে যার কথা তুই বলেছিলি, তাই না?
আরে, ওরা কারা?
- ওরা সবাইকে উপহাস করছে। - বাদ দে, বাদ দে তো৷
- ওরা সবাই আমার সাথে পড়াশুনা করেছে? - তারাও?
হ্যাঁ.! ওরা আমার সাথে পড়াশোনা করেছে, ওরা পরীক্ষায় পাস করে সিনিয়র হয়ে গেছে।
উহু? - সেই অহংকারে, ওরা সবাইকে উপহাস করে।
- কিন্তু, ওদের কৌশল আমার উপর কাজ করে না। - ওখানে ভিড় কেন, জি?
- ভাই, এখানে দিন। - ধৈর্য ধরো .. ধৈর্য ধরো।
- ভাই আমি আগে এসেছি। আমায় ভাজা দিন৷ - গরম গরম দিব, দয়া করে অপেক্ষা করো।
ভিড়? প্লিজ, ভালো করে দেখো।
ভাই...ভাই... এটা আমায় দিন।
ভাজা, তাই না? এটা গরম গরম দিচ্ছি।
- ভাই.. আমাকে ২ প্লেট দিন - এদিকে দেখো। সল্ট বে স্টাইল।
আরে.. সে এত স্টাইলিশভাবে ভাজা বানাচ্ছে।
উনি কে?
এটা আমাদের কলেজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান
- ওহ ? - ভাজার দোকান।
এটা কলেজের শুরু থেকেই আছে।
- তাই নাকি? - হা৷
এমনকি আশেপাশের কলেজ শিক্ষার্থীরাও আমাদের আইডি ট্যাগ পরে এখানে ভাজা খেতে আসে।
দোকানে এত ভিড়। এখানে ভাজা কেনা কঠিন হবে, তাই না?
- খুবই কঠিন ৷ - আমি কিনেছি৷
No comments yet. Be the first to leave one.