Specials

Release info

Strangers from Hell E05 190921-NEXT-VIU
타인은 지옥이다 E05 190921-NEXT-VIU
A Commentary by Flamy_Tuhin
📣 কিম ইয়ং-কি'র লেখা ২০১৮ সালের জনপ্রিয় ওয়েবকমিক "Taineum Jiokida" হতে নির্মিত এই ড্রামা পুরো রুদ্ধশ্বাসে ভরপুর। বাংলা সাব দিয়ে উপভোগ করুন। ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না। 📣

Tags

other
Published on: 2021-01-24
Downloads: 86
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

আমার কি বদহজম হচ্ছে?

খুব ক্লান্ত লাগছে।

কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমার মুড নষ্ট করতে যাচ্ছে?

আমি কি ড্রাগস সেবন করেছি? শরীরটা এমন লাগছে কেন?

কী হচ্ছে?

হঠাৎ এমন অনুভূত হওয়ার কারণটা কী?

বমিবমিভাব লাগছে কেন?

আগে মাইন্ডটাকে ফ্রেশ করতে হবে।

সত্যিই কি ওকে ৩০২ এর জায়গায় রিপ্লেস করবেন?

কেন? দেখতে বেশি দুর্বল নাকি?

দেখো

হুম

মলাট দেখে বইয়ের তাৎপর্য বিচার কোরো না।

কেউ একজন রুমে এসেছিল।

এপিসোড ৫

মিস. ইওম

মিস. ইওম!

মিস. ইওম!

কেউ একজন আমার রুমে ঢুকেছিল।

কী বলতে চাচ্ছো? এখানে কেউ থাকে না।

বলছি তো আপনাকে, কেউ আমার রুমে ঢুকেছিল, শিওর।

একাজ কে করবে?

সেজন্যেই আপনাকে বলছি চেক করতে।

CCTV কাজ করছে, তাই না?

প্লিজ চেক করুন।

দেখতে একদম ভোলাভালা কিন্তু তোমার মেজাজটা খিটখিটে।

ফুটেজটা কীভাবে চেক করবো দেখান।

প্লিজ?

এইযে, এখানে।

তুমি আমাকে বিরক্ত করছো।

কাজ করছে।

পুরোনো হওয়াতে ভেবেছিলাম কাজ করবে না।

মাউসটা ইউজ কর।

বাড়ি থেকে বেরোবার সময় দরজা খোলা রেখে গেছিলে?

শিওর আমি দরজা লক করেছিলাম এবং সকালেও চেক করেছি।

আমার জাস্ট...

কী?

জাস্ট একটা ফিলিং। এইযে।

কী ফিলিং?

দেখেছ? কেউ নেই।

একটু বেশি সন্দেহ করছো।

আমি বিশ্বাস করি না।

কে ওখানে থাকতে পারে?

ওটা কে?

ক্যাবলাটা আবার শুরু করেছে।

মানে,

ওর ঘুমে হাটার অভ্যাস আছে, তাই হাটাহাটি করেছে।

কথাটা বিশ্বাস করতে বলছেন?

আরে!

ও কি দরজাটা খুলছে?

সে তো জাস্ট...

কাজ করছেনা কেন?

পুরোনো হয়ে গেছে, আর কাজ করবে না।

আমার মনে হয়না সে দরজা খুলেছে।

এটা কাজ করছে না।

নিশ্চয় এটা ৩১৩ নং ইউনিটের লুইচ্যাটার কাজ।

জং-য়ু?

জং-য়ু? মাথা গরম কোরো না।

- বের হ। - জং-য়ু।

বেরিয়ে আয়।

বেরিয়ে আয়।

দরজা খোল!

শান্ত হও

হেই

তুই আমার রুমে ঢুকেছিলি, তাই না?

সত্যি করে বল, এইমাত্র আমি ফুটেজ দেখে এসেছি।

মিস. ইওম

ফুটেজে আপনিও ওকে দেখেছেন, না?

দেখেছি, কিন্ত দরজাটা ও খুলেছে কিনা শিওর না।

তুই আমার রুমে ঢুকেছিলি, না?

- তুই এখনো শিওর না। - আমার রুমে তুই ঢুকেছিলি।

- ঢুকেছিলি কি না? - থামো!

বৃন্দাবনের টিকিট কাটাতে চাস?

- তোমরা দুজন থামো। - বৃন্দাবনের টিকিট কাটাতে চাস?

শুধু বল মরতে চাস কি না।

আমি তোকে খুন করবো।

তো তুই বলছিস...

যে আমার রুমে ঢুকিসনি, না?

তুই ঢুকেছিস!

কী হচ্ছে এখানে?

শান্ত হও

তুমি ঠিক আছো?

ওই মুহূর্তে,

আমি বুঝতে পারলাম...

কেন গুণ্ডাটা ওদের...

চাহনি দেখে থরথর করে কাঁপছিল।

আমি ভীত।

যারা এখন আমার দিকে তাকিয়ে নিষ্প্রাণ হাসি দিচ্ছে...

ওরা বিপদজনক।

ওকে। শান্ত হ।

শান্ত হ।

সবাই যে যার রুমে যাও।

আমরা সবাই প্রতিবেশী।

গুডনাইট।

মাথাটা ঠিক কর।

আমরা কথা বলতে পারি?

আরে!

কী হলো?

এইমাত্র সামনের রুম থেকে শব্দ শুনলাম।

কীসের শব্দ? আমিতো কিছুই শুনলাম না।

- কী? মিস. ইওম কী বলেছিল শোনোনি?

আগুন লাগার পর এই ফোর্থ ফ্লোরে...

কেউ থাকে না। আচ্ছা।

কিন্তু সত্যিই একটা শব্দ শুনেছি।

ফোর্থ ফ্লোরে যে মহিলাটা থাকতো তার একটা বিড়াল ছিল।

মহিলাটা অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছে, কিন্ত বিড়ালটা এখানে ঘোরাফেরা করে।

একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ বসাতে হবে।

ভিউটা দারুণ, না?

করিডোরে হঠাৎ ওমন করছিলে কেন?

দেখে তো মনে হয়না কেউ তোমার ঘুম ভেঙ্গে দিয়েছে।

কেউ কি আপনার রুমে ঢুকেছিল?

৩১০ নং এর লোকটাও বলেছিল যে কেউ তার রুমে ঢুকেছিল।

আপনি আমাকে ভিডিও করছেন?

মনেহয় ভিডিও করছেন... কী করছেন আপনি?

তুমি দেখতে সুন্দর তাই একটু ট্রাই করলাম।

মিস. ইওম বলেছে...

ফুটেজে ওই লোকটা রুমে ঢুকেছে কিনা সেটা দেখা যায়নি, ঠিক?

কারণ...

সে আমার রুমে ঢোকার ঠিক আগমুহূর্তে ক্যামেরাটা বিকল হয়ে যায়।

সে নিশ্চয়ই আমার রুমে ঢুকেছে। আমি শিওর।

হুম, এখানে যারা থাকে সবাই একটু...

আজিব টাইপের লোক।

আমি ১০০% শিওর।

কাজে যাবার আগে আমি ল্যাপটপে ময়লার একটা ছোট্ট পিস রেখে গেছিলাম।

যদি কেউ রুমে ঢোকে, তাহলে ময়লাটা ল্যাপটপে থাকবে না...

আর আমি শিওর হতে পারবো যে রুমে কেউ এসেছিল।

যখন আমি ল্যাপটপটা খুললাম, ময়লাটা জায়গা বরাবর ছিল না।

উপরন্তু, ল্যাপটপ অফ ছিল, কিন্তু কাজ থেকে ফেরার পর দেখি সেটা অন।

বুঝতে পেরেছি।

তোমার জায়গায় থাকলে আমিও তাই করতাম।

কিন্তু....

তুমি কি সত্যিই ওই লোকটাকে খুন করতে চাও?

অ্যাঁ!

করতে চাও না?

ভেবে ভয় পেয়ে গেছ যে,

ওই লুইচ্যাটা যে একা নিজের রুমে পর্ণ ভিডিও দেখে...

সে রুমে ঢুকে তোমার জিনিসপত্রে হাত দিয়েছে, তাই না?

তুমি মনে কর এই জায়গাতে থাকতে পারবে না, হাহ?

নিজেকে আলাদা ভাবো।

কিন্তু তুমি এখনো ভয়ে পেয়ে আছো।

এই ভেবে ভয় পাও যে, তুমিও আমাদের মত একজনে পরিণত হবে।

এখানে থাকাটা নিয়ে বেশি চিন্তা করা

তোমাকে আরও আজব বানিয়ে দিচ্ছে।

ঠিক বলছি তো?

কিন্তু চিন্তা কোরো না।

তুমি ওদের চেয়ে আলাদা।

অন্যদের চেয়ে আলাদা হওয়ার ফলে,

তুমি যখন যা খুশি তা করতে পারো।

স্যরি, আপনার কথা শেষ হলে, আমি ফোনটা ধরতে পারবো।

ঠিক আছে।

হ্যালো, মা।

আমি এখন ঘুমাতে যাচ্ছি। কেমন আছো?

- জং-য়ু। - জি

- তোর কাছে কিছু টাকা হবে? - টাকা?

তোর ভাইকে হসপিটালে ভর্তি করেছি।

এখন টাকার খুব দরকার,

কিন্তু আমার কাছে ট্রিটমেন্ট করার মত পর্যাপ্ত টাকা নেই।

বেশি আঘাত পেয়েছে?

তেমন সিরিয়াস না,

ব্যস উপর থেকে নিচে পড়ে গেছে।

কতটাকা লাগবে?

তোর কাছে ২০০ বা ৩০০ ডলার হবে?

ঠিক করে বল কতটাকা লাগবে তোমার।

ঠিক আছে, ফোন থেকে টাকা পাঠাতে হবে, তো রাখছি।

স্যরি, জং-য়ু

কোনো ব্যাপার না মা, ওভাবে বোলো না। ঠিক আছে, রাখলাম।

৩০০ ডলার

৫০০ ডলার

এসে গেছ।

- আমি চলে এসেছি। - আমার নাতনি

ঠাকুমা

- চিনতে পেরেছ আমায়? - মজা করছো নাকি?

তোমার কি মনে হয় আমার নিজের নাতনির চেহারা মনে নেই?

ঠাকুমা

সাবধানে

মানুষকে নামের জীবটাকে বেশি বিশ্বাস কোরো না।

মানুষকে বিশ্বাস কোরো না

কী বলতে চাচ্ছো?

তুমি কে?

- কে তুমি? - ঠাকুমা

আচরণ তো একদম বন্ধুসুলভ, কিন্ত শুরুতে ওনার হাসিটা

আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।

বেশ অস্বচ্ছন্দবোধ করি।

দেখলে তো?

এভাবে....

বদমাইশদের শায়েস্তা করতে হয়।

কোনো গেম চলছে নাকি এখানে?

স্টুডিওটা সবসময় এরকম নয়, তুমি নিশ্চয় ভয় পেয়েছ।

তোমার কি মনে হয় না এখানে শুধু ভালোমানুষেরা থাকে?

আমি জানি তুমি কোন টাইপের লোক।

হাসো। আমি বলছি হাসো।

তুমি ওদের নিয়ে একটু বেশিই চিন্তা করছো না?

চিন্তা কোরো না, ওদের চেয়ে তুমি আলাদা।

তোমার যখন যা ইচ্ছা...

তাই করতে পারো।

তুমি ওদের নিয়ে একটু বেশিই চিন্তা করছো না?

তোমার কি মনে হয় না এখানে শুধু ভালোমানুষেরা থাকে?

স্টুডিওটা সবসময় এরকম থাকে না।

তুমি ওদের নিয়ে একটু বেশিই চিন্তা করছো না?

বিছানাটার কারণে হয়তো ঘুমোতে একটু অস্বস্তি লাগছে।

More Bengali subtitles for Strangers From Hell

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left