Season 1

Release info

All of Us Are Dead S01E01 WEB-DL x480p x720p x1080p
A Commentary by Piyash_Bhowmick
🔴🔵মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নেটফ্লিক্সের কোরিয়ান সিরিজ অল অব আস আর ডেড।🔵🔴 নিত্যনতুন মুভি সিরিজের আপডেট এবং বাংলা সাব পেতে Bangla Subtitle Freak গ্রুপে যুক্ত থাকুন।

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
720p
720
480p
480
1080
webrip
BRip
Published on: 2022-01-29
Downloads: 135
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

এপিসোড ০১

তোমার হাত।

হাত কেটেছিলি?

আত্নহত্যা করতে?

শুনেছি তুই হাত কাটার আগে লিখে গেছিলি আমার জন্য আত্নহত্যা করছিস?

দুঃখিত।

-খানকির পোলা। -চোদনা কোথাকার!

পরে যদি তোকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয়, তাহলে সবাই তো আমাকে দুষবে?

তোরে আমি কখনো মেরেছি?

না, কখনো না।

এইতো, কখনো না। বাল।

ইয়া।

ইয়া।

ইয়া।

এই শুয়োরের বাচ্চা।

-আমার দিকে তাকা, মাগীর ছেলে। -সরি, গুই-নাম।

-থাম। -হেই, জিন-সু।

প্লিজ থাম!

সাহস কতোবড়!

-এই মাদারচোদ। -আহারে…

বেচারা!

উঠ, বাল! মাদারি!

-এই, আমার গায়ে পড়ছে তো! -ধ্যাত!

এই বোকাচোদাটা!

এই চুদানির পুত, তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?

তোর মারে চুদি!

তোর নানিরে চুদি, তোর মায়েরে বাপ!

চুদানি!

হেই, থাম, থাম।

এই চুদানিরে দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়।

মাদারের বাচ্চা!

গুই-নাম, সাহায্য কর!

থাম, চুদানি।

কীরে, ভয় পেয়েছিস?

না, ভয় পাইনি।

মিথ্যা কথা।

ধুর।

তার রক্তচাপ স্বাভাবিক আছে, কিন্তু নড়ছে না।

তার মাথায় বেশ আঘাত পেয়েছে। মনে হচ্ছে ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি,

এবং বুকে পাঁজরের হাড় ভেঙ্গেছে ও তলপেটে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

আমি তাকে জলদি ইমার্জেন্সি সার্জারীর জন্য পাঠাচ্ছি।

যদি তাকে এক ঘন্টার মধ্যে সার্জারী না করা হয়, তাহলে মারা যাবে।

জি।

আমরা তাকে ইমার্জেন্সি সেবা দিয়ে ওখানে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

জি।

আচ্ছা।

এত সময় লাগছে কেন? কতোক্ষন আগে ফোন দিলাম।

বাবা।

তারা ঠিকাছে?

-হুম? -সরি, বাবা।

আমি জানি এসব ভুল ছিল,

কিন্তু তাদের মারতে চেয়েছিলাম।

সরি, আর কখনো হবে না।

সমস্যা নেই।

সত্যিই সমস্যা নেই?

সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

কী ঠিক হয়ে যাবে?

সবকিছু।

একেবারে সবকিছু।

কোনোকিছু কি ঠিক হয়েছে?

উত্তর দিচ্ছ না কেন?

কোনোকিছু কি ঠিক হয়েছে?

আমার মরতে হবে বা তাদের।

কেউ না মরার আগে কিছুই ঠিক হবে না।

-জুন-সু। -ছাড়ো!

আমি ঐ হারামিগুলোকে মেরে ফেলবো।

জিন-সু, থামো।

ছাড়ো!

জিন-সু, আমি সব ঠিক করে ফেলবো, থাম!

তুমিও কি মরতে চাও?

তোমাকে আমি খুন করবো?

প্লিজ, থাম!

ক্ষমা করিস, জিন-সু।

বাবা তোকে ভালোবাসে।

জিন-সু।

= আমাদের সবাই মৃত=

°°°সাবটাইটেল বাংলা অনুবাদে°°° পিয়াস ভৌমিক

হ্যালো।

হ্যালো।

-মিস. জাং। আমি যাচ্ছি তাহলে। -কালকে দেখা হবে।

-জি। -বিদায়।

দেখা হবে।

বিদায়, ম্যাম।

কাজ চালিয়ে যাও। বাড়ির কাজ করতে ভুলো না।

-জি ম্যাম। -ভালো।

শুভ বিকাল।

মনে হচ্ছে যে গরমের উত্তাপ শেষ হওয়ার নাম নিচ্ছিল না, তা অবশেষে কমেছে।

অসহ্য গরম উত্তাপের জায়গা নিয়েছে সতেজ ঠান্ডা বাতাস।

আজকে আমরা একটা ইন্টারেস্টিং গবেষণা নিয়ে কথা বলবো।

আমেরিকার এক মনোবিজ্ঞানী এই গবেষণা করে।

তারা ৪৮ জন ছেলে এবং মেয়েকে একসাথে করে যাদের আগে কখনো দেখা হয়নি।

একটা গ্রুপে সে…

তোর একটা গোল করা উচিত ছিলো। তোর জন্য হেরেছি আমরা।

এই বেটা, তোর আরও ভালোভাবে পাস করা উচিত ছিল।

মারা খা।

ইয়া।

আচ্ছা, আমি এটা ডাস্টবিনে ফেলতেছি।

কোথায় যাচ্ছিস? আমার জন্য দাঁড়া।

কী করছিস বেটা?

বোকাচোদা!

[আমরা হেয়োসান হাইস্কুলের তীরন্দাজ দলকে সাপোর্ট করছি]

-ক্ষুধা লাগছে, চল তকবোক্কি খাবো। -আবার?

হেয়ন-জু'কে ডাকা উচিত না?

-অনেক মজাদার। -ছাড় ওকে। মরুক গিয়ে ও।

আমাকে ডাকতে বলেছিলাম। শয়তানগুলো।

ধুর।

এই।

এই।

এদিকে আয়।

কোথায় যাচ্ছিস?

ধ্যাত, পিচ্চি ইদুরটা দেখছি বেপরোয়া।

এই।

এই।

এই।

ধ্যাত, রক্ত বের হচ্ছে।

তুমি এখানে কী করছ?

কিছু না। এটা কামড় দিয়েছে। বাল।

বিদায়।

শুনলাম তোদের রেস্তোরাঁর জায়গা বদলিয়েছে। শুভ ওপেনিং কবে হবে?

কোনো অনুষ্ঠান করবে না।

কী? কেন করবে না?

সত্যি! আমি নামটা পাল্টাইতে বলেছিলাম।

শুনলাম যে করবে নাকি।

না। লিফলেটগুলো এখনও আসেনি।

শুনলাম করবে।

মা: তোমার কোনটা পছন্দ? চেওং-সান: আমার নামটা বাদ দাও।

তোর চেয়ে আমি ভালো জানবো, তাই না?

মা: আচ্ছা কোনটা দেবো? চেওং-সান: মা...

মা, সত্যি!

এই, আমার ফোন!

তুমি পালাতে পারবে না।

এই, বাঁকা। চলো আজকে ফ্রাইড চিকেন খাবো।

আমাদের রেস্তোরাঁ এখনও ওপেন হয়নি।

খুলেছে। উনি বললো আজকে নাকি নতুন রেসিপি পরীক্ষা চলছে।

তুমি যাবে তো?

অবশ্যই।

-তুইও আসবি? -অবশ্যই।

তোমার মা ওন-জু'কে বন্ধুদের নিয়ে যেতে বলেছে।

তাহলে আজকে কি ডাবল ডেট হবে?

কী বলছে? আবোলতাবোল।

কী বলছে? আজকে তো আমরা ওপেন করবো না।

তুই জানসটা কী? চল, বাঁকা।

-তুই মুরগি এতো পছন্দ করিস? -বাজি ধর, আজকে দোকানের সব শেষ করে ফেলবো।

ও, কতোগুলো!

ধন্যবাদ।

-ধন্যবাদ। -অনেক মজাদার লাগছে।

এতগুলো এনেছ কেন?

ওন-জু অনেক খায়।

আমি অনেক খাই না, আমি পেট ভরে খাই।

হ্যাঁ, তুমি অনেক খেতে পছন্দ করো। খাও, গেউং-সু।

-ধন্যবাদ। -তুমিও খাও, আসাক।

আসাক না ইসাক আমার নাম।

তোমার নাম পরিবর্তন করেছ?

জি?

মা, আরেকজনের নাম পরিবর্তন কোরো না। রেস্তোরাঁর নাম পরিবর্তন করো।

-আমার নাম ব্যবহার করছ কেন? -তোর জন্মের আগে থেকে এটার নাম এটা।

হ্যাঁ, তুমি এটার নামেই আমার নাম দিয়েছ।

-পছন্দ না-- -হেই, চুপ।

আমার অনেক পছন্দ, সেরা নামটা।

-তাই না? -হ্যাঁ।

-ঠিক বলেছে। -ঠিক বলেছে।

এই রেসিপিটা নতুন বানিয়েছি।

এটা একটু ঝাল, আর এটা অনেক বেশি ঝাল।

কেমন লাগছে?

সত্য কথা বলো।

এটা খেতে অবিশ্বাস্য-অসাধারণ-অমায়িক সুস্বাদু।

অনেক সুস্বাদু।

-সত্যি? -আন্টি!

ওহ হ্যাঁ। আপনার যদি ডেলিভারি বয় লাগে, আমি কম টাকায় করে দেবো।

তোমাদের পড়াশোনা করা উচিত।

ওন-জু, অনেক ঝাল?

লবণ বেশি লাগে।

লবণ বেশি লাগে?

তাহলে এটা কেমন? অনেক বেশি ঝাল?

না, এটাও কডা লাগে।

এটা কডা লাগে কেন? খারাপ খবর।

সোনা!

-হ্যাঁ? -তার নাকি কডা লাগছে।

কডা?

-ওহ-জু বলছে কডা লাগে। -কেন?

-এমন হতে পারে না। -তবুও ভালো লাগছে।

-তুমি কি আরও লবণ মিশিয়েছ? -ভালো লাগছে।

-হ্যাঁ, ভালো। -আমার কাছেও ভালো লাগছে।

আমি খেয়ে দেখি।

খেও না, তোমার কডা লাগছে বললে।

কিন্তু তবুও ভালো লাগছে।

আহ, আচ্ছা।

বিজ্ঞানের শিক্ষকের ব্যাপারে শুনেছ?

কী হয়েছে উনার?

তার দেহ থেকে নাকি লাশের গন্ধ আসে?

ছিঃ!

না-ইয়ন এই গুজব ছড়িয়েছে, তাই না?

এটা সত্যি। উনার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর উনি কয়েকদিন স্কুলে আসেনি।

তারপর তিনি একদিন ক্লাসে আসে…

পাথর, কাগজ, কাঁচি!

-পাথর, কাগজ, কাঁচি! -আমি খেলব না।

…তার দেহ থেকে লাশের গন্ধ আসছিল।

হেতি লাশের গন্ধ চিনে কীভাবে?

লাশের গন্ধ কি ও শুকছে?

হেতি এই গন্ধ ছাড়া সব গন্ধই চিনে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left