The first 200 lines.
A COPRODUCTION
BY SANAYE DASTI OF IRAN AND MK2 PRODUCTIONS
GABBEH
A FILM BY MOHSEN MAKHMALBAF
ABBAS SAYAHI, SHAGHAYEGH DJODAT
HOSSEIN MOHARAMI, ROGHEIH MOHARAMI
PARVANEH GHALANDARI
MOJTABA MIRTAHMASEBI
ABBAS RASTEGARPOUR
AND BEHROOZ SHAHAMAT
SHAHRIAR ASADI, BEHZAD DORANI
B. AZIMPOUR, A. ALAGHEBAND
MOSTAFA MIRZAKHANI
KHALIL DAROUDCHI
AND KHALIL MAHMOUDI
MOHAMAD AHMADI
HOSSEIN ALIZADEH
MAHMOUD KALARI
সাবটাইটেল রিলিজঃ ২৯ জুলাই, ২০২৩
অনুবাদ ও সম্পাদনায় মোঃ সায়মুন ইসলাম শুভ
"ইরানের কারুকাজ সংবলিত এক ধরনের বিশেষ কার্পেটের নাম হচ্ছে গাব্বেহ।"
"সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা মেয়েটির নামও 'গাব্বেহ'।"
গতরাতে তোমার পা ব্যাথা বলে কাতরাচ্ছিলে তুমি।
তুমি ঘুম আসতে পারছিলে না।
গাব্বেহ আমাকে ধুতে দাও।
আমাকে দাও। আমি বুট পরা আছি।
বুট আমার কাছে দাও।
না, তার প্রয়োজন নেই।
আমি করব। তুমি গিয়ে খাবার রেডি করো। গাব্বেহ আমি ধুচ্ছি।
আমাকে করতে দাও।
না, তোমার পায়ে ব্যাথা।
বুট আমাকে দাও।
না, আমি দেব না।
তুমি খাবার রেডি করো গিয়ে। গাব্বেহ আমি ধুচ্ছি।
আমি মহিলা না-কি রান্নাঘরে পড়ে থাকব!
তুমি আমাকে ধুতে দেবে না-কি না?
খানম খানমা, মহারাণী,
তুমি না ধুলে কে ধুবে?
আমার মূল্যবান গাব্বেহ, সুন্দর গাব্বেহ,
কতোই না সুন্দর তুমি!
তুমি এমন নীল হয়ে গেলে কেন?
ঘোড়া কে চালাচ্ছে, এই মেয়েটিকে নিয়ে কে যাচ্ছে?
তোমাকে কে বুনেছে বলো।
মাশা-আল্লাহ! তুমি একদম পূর্নিমার চাঁদের মতো!
তোমার নাম কী?
গাব্বেহ।
কী স্বচ্ছ পানি।
আমাকে ধুবেন না?
অবশ্যই তোমাকে ধুবো আমরা।
তোমার তরুণ কাধে ভর দিতে পারি?
শক্তি পাই না একদম।
অবশ্যই পারবেন।
তোমাকে পরিচিত লাগছে। তোমার বাবার নাম কী?
তার নাম বোনা...
ওল দিয়ে বোনা। এইতো সে।
এইযে বাবা।
আমরা ঘাসঘাই সম্প্রদায়ের লোক।
আমরা কখনো এক জায়গায় বেশিদিন থাকি না।
কিন্তু যদি থাকতে চাই, আমাদের বাবা জোর করে যেতে বাধ্য করে।
একদিন আমি এক ঘোড়সওয়ারের প্রেমে পড়ি
তার গলার স্বর কেমন যেন অদ্ভুত ছিল। যেন সে একধরণের মতিভ্রম।
সে ছায়ার মতো আমাদের গোষ্ঠীকে অনুসরণ করেছিল আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য...
যদি আমি তরুণ থাকতাম, তোমার হাত আমার হাতে তুলে দেবার অনুরোধ করতাম।
আমার মনে হয় তোমার বাবা
একজন দয়ালু মানুষ।
মানুষকে দেখে বিচার করা ঠিক নয়। তার মেজাজ অনেক গরম।
বাবার কথা অনেক হলো। তোমার মায়ের কথা বলো?
সে কি কোমল মনের মানুষ?
না, আমাদের পরিবারের সবাই, আমার বাবার মেজাজ এমন গরম থাকার কারণ
মায়ের কদর্যতার কারণে বলি।
এইতো সে।
আমার মায়ের নাম সখিনা।
আমি বাড়ির বড়ো মেয়ে।
আমাকে বুট দাও, আমি গাব্বেহ'কে ধুবো।
তোমার পায়ে ঘা হয়েছে। পানিতে ভিজলে সেখানে আরও ব্যাথা করবে
আমি ধুবো এটা।
দেখলে কতো সুন্দরী সে।
আমি পুরো চমকে যাচ্ছি।
সে তোমাকে দেখা মাত্রই আমার কথা ভুলে যায়।
সে নিজেকে নিয়েই ঈর্ষান্বিত, গাব্বেহ খানম।
গাব্বেহ খানম, এত সুন্দরী তুমি,
তোমার কোনো প্রেয়সী নেই?
তুমি যখন তরুণ ছিলে
তুমিই তো আমার প্রেয়সী ছিলে।
কতো বোকা ছিলাম আমি!
দেখলে কীভাবে আমার মন ভাঙ্গে সে!
তোমার কোনও প্রেয়সী নেই?
তার গলার স্বর নেকড়ের মতো কেন?
এটা তার আর আমার ভেতর একটা গোপনীয় ব্যাপার।
সে বলে: "আমি এটা সইতে পারব না। তুমি আসছ না কেন?"
তাকে ভালোবাসো তুমি?
তার সাথে পালিয়ে যাচ্ছ না কেন?
আমার বাবার জন্য। সে আমাকে মেরে ফেলবে।
যদি সে তা করতো, আমি মুক্ত হতে পারতাম।
সে ডাকছে। আমার কি যাওয়া উচিত?
যেয়ো না। তোমার বাবা তাহলে তোমাকে মেরে ফেলবে।
তার সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলো আগে।
দাদু অসুস্থ।
চাচা বাড়িতে ফেরার পর তাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবে।
বাবা বলেছে আমার চাচা শহর থেকে ফিরলেই আমি বিয়ে করতে পারব।
কিন্তু আমার প্রেয়সী অধৈর্য্য হয়ে যাচ্ছে।
- পাঁচ একে? - পাঁচ।
- পাঁচ দুয়ে? - দশ।
- তিন পাঁচে? - পনেরো।
- চার পাঁচে? - ২০।
- পাঁচ পাঁচে? - পঁচিশ।
উঠতে হবে না।
উঠো।
আমি করব?
- তোমার নাম কী? - মোহসেন জাহানপুর।
- আর তোমার? - তাহমিনা।
এটা কী ধরনের স্কুল?
- ভ্রাম্যমাণ। - কোথাকার?
ইরানের।
বেশ, বেশ, টিচার ছাড়া একটি ক্লাস...
চলো আমার সর্বোচ্চটা দেই।
এখন আমার সাথে সাথে বলো:
“R.A.N.G“
এরমানে কী?
রঙ।
শাবাশ।
এখন আমাকে বলো।
এটা কি রঙ?
লাল।
পপি ফুলের লাল।
এখন বলো এটা কী রঙ?
হলুদ।
গম খেতের হলুদ।
এবং এটা?
নীল।
খোদাতায়ালার বেহেশতের নীল।
আর এটা?
নীল।
সমুদ্রের হালকা নীল।
এবং এটা?
হলুদ।
সূর্যের হলুদ রঙ যা পুরো পৃথিবীকে আলোকিত করে।
সূর্যের হলুদ বর্ণ
আর সমুদ্রের নীল মিলে বৃক্ষরাজির সবুজের সৃষ্টি।
সবুজ।
খাটি সবুজ।
হলুদ এবং লাল সূর্যের মাঝে একত্রে মিশে...
বসন্ত চলে আসলো, কিন্তু আমার চাচা এখনও আসলেন না।
বসন্ত আসার পর, আমরা বাদে গোত্রের সকলে চলে গেলো।
বাবা চাচার ফেরার প্রতীক্ষায় ছিলেন
যেন দাদুকে শহরে নিয়ে যেতে পারেন।
দাদু অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু মারা যেতে চাননি।
চাচাকে একবার দেখতে চেয়েছিলেন প্রথমে,
কিন্তু চাচা অনেক দেরি করে ফেললেন ফিরতে।
বাবা ঘন সবুজ ঘেরা জায়গায়
দাদু'কে কবর দিলেন।
কী খবর!
- আসসালামু আলাইকুম, সখিনা। কেমন আছ? - ওয়ালাইকুম আসসালাম।
আমাকে চিনতে পারছ না?
- না। - আমাকে চিনোনি?
আর এখন?
আপনি তো দেখছি আমার দেবরসাব।
ভালো।
- আপনার স্ত্রীকে সঙ্গে আনেননি কেন? - আমি এখনও অবিবাহিত।
আমাকে কে বিয়ে করবে?
সালাম, জিনাত। কেমন আছ?
আমাকে টুপি ছাড়া চিনে ফেলেছ তুমি!
গাব্বেহ খানম, তোমার চাচা এসেছেন।
বিবাহের ক্ষণ কাছাকাছি এখন।
কেমন আছ পরে সখিনা?
আর বাচ্চারা? কতজন বাচ্চা জানি তোমার?
সাতজন। এদিকে এসো বাবুরা। তোমাদের চাচাজান এসেছেন।
জিনাত, ভালো আছ?
- সালাম। - সালাম, চাচা।
মাশা-আল্লাহ!
তোমার চাচাজানকে তোমার ব্যাপারে সুপারিশ করতে বলো।
আমার চাচাজান? আমার কথা তার মনেও নেই।
তিনি এটাও জানেন না তিনি আমার
বাবার পক্ষের চাচা না-কি আমার মায়ের পক্ষের!
সে কি তোমার বাচ্চা?
আপনি এতদিন ধরে গিয়েছেন ওদের এখন চিনতেও পারছেন না।
মজা নিলে। দাঁড়াও আমি দেখাচ্ছি।
জিনাত, ওদিকে যাও।
সাকিনেহ, তুমি ওদিকে যাও।
সুরাইয়া, তোমার মায়ের কাছে যাও।
ফাতেমা, তুমি ওদিকে যাও।
রেজা, তুমিও ওদিকে যাও। জিনাতের সাথে যাও।
তুমি তো একদম আমার ভাইয়ের মতো দেখতে।
- তো ঠিক ধরেছি না? - না!
বেশ, কোথায় ভুল হলো?
চাচাজান আমাদের সবাইকে এই গাছের নিচে আনলেন।
এই গাছটি আমাদের পরিবারের প্রতীক।
প্রতিটি নতুন বাচ্চা জন্মের পর একটা করে ডাল গজায় এই গাছে।
যখন কেউ মারা যায়,
একটা ডাল কাটা হয়।
দাদু আমাদের সবাইকে
গাছের ডাল দেখে চিনতে পারেন।
দেখলেন? চাচাজান আমার কথা বলল না।
গাব্বেহ কোথায় তা জানতে চায়লো না।
তিনি শুধু তার মায়ের জন্য এসেছেন।
আমার আম্মাজান কোথায়? নরেঞ্জ খানম কোথায়?
মা
মা! নরেঞ্জ!
তোমার আব্বাস এসেছে!
তুমি কোথায়, মা?
No comments yet. Be the first to leave one.