The first 200 lines.
গণিত, ১ম সেমিস্টার নমুনা প্রশ্ন, হং জি-হিউও
অনুবাদে মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন নির্জন হাসান সিয়াম
সম্পাদনায় মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
আমি হং জি-হিউও।
হং জি-হিউও খুবই যুক্তিবাদী।
হং জি-হিউও খুবই বিচক্ষণ।
হং জি-হিউও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করে না।
দেখতে পাচ্ছি বলেই আমাকে বিশ্বাস করতে হবে না।
শুধু মাত্র নিজের উপর আস্থা রাখতে হবে।
চোখ খুললেই,
দেখব আমি মিথ্যা আর সত্যের জগতেই আছি।
চলুন ইংরেজি বলার অভ্যাস করি।
বাক্যগুলো শুনে তারপর বলার চেষ্টা করুন।
আপনাকে এখনও অনেক দূর যেতে হবে।
আমি এই সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘুরার পরিকল্পনা করেছি।
আপনার যাত্রা আপনাকে অনেক দূরে নিয়ে যাবে।
কত দূরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন?
চলো খেয়ে আসি।
আমার এখনও একটু কাজ বাকি আছে।
আরে চলো। এখন লাঞ্চের সময় হয়েছে।
এখনও ১০মিনিট বাকি আছে।
আগে খেয়ে আসি।
আমরা খাওয়ার জন্য কাজ করি,
মিস ওহ।
- হ্যাঁ? - চলো খাবার অর্ডার করি।
ঠিক আছে।
দেখছিস? তোকে বলেছিলাম।
আমরা কি অর্ডার দিব, স্যার?
- যেটা ভালো লাগে। - আচ্ছা!
কি খাবি বল?
- স্বাস্থ্যকর খাবার। - হ্যাঁ।
স্বাস্থ্যকর খাবার,
লাঞ্চের সময়ে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত। এর চেয়ে ভালো সময় খুঁজে পাইনি।
- এই নাও। - কি এটা?
টাকা নাকি?
- এটা কি? - না।
আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি।
অভিনন্দন। এই জন্যই অফিসের ডিনারের পর তাড়াতাড়ি চলে গিয়েছিলে।
- অভিনন্দন! - ধন্যবাদ!
তোমার বয়স বিশের কোঠায় না? এত জলদি বিয়ে করছ?
এত জলদি মানে?
আগের দিনে হলে এই বয়সে এক বাচ্চার মা হত।
- ধন্যবাদ। - সুখী হও।
- ধন্যবাদ। - সে বিয়ে করছে।
বিয়ে করার পর তাকে পরিণত মনে হচ্ছে।
- মিস হং। - জ্বি?
তোমারও তো বয়সে হয়েছে, তাই না?
আমার?
সে নিশ্চিত গর্ভবতী হয়েছে।
তা না হলে তিন মাসের মাথায় কেন বিয়ে করতে যাবে?
অসম্ভব।
সত্যি? তাহলে সে কি মা হতে চলেছে?
তুই মি-সুনকে তো চিনিস, তাই না?
আমরা দ্বিতীয় বর্ষ থাকায় সে বদলি হয়ে যায়।
- ওর ছেলে এই বছর স্কুলে ভর্তি হয়েছে। - সত্যি?
আহ, বিশ্বাসই করতে পারছি না।
তোর তো সি-গুক আছে। চিন্তা করার কি আছে?
এর সাথে ওর কি সম্পর্ক?
- তুই ওকে বিয়ে করবি না? - কি?
হ্যাঁ, আসলে,
আহ, সব ঠিকঠাক আছে। তোকে আর চিন্তা করতে হবে না।
সবাই সুখে আছে আর আমি শুধু বুড়ি হয়ে যাচ্ছি।
আমাকেও আমার জীবন সাজাতে হবে।
আহ।
ধুর ছাই।
আহ, ভয় পাইয়ে দিয়েছে।
কত বছর হয়েছে?
তিন বছর? চার?
দাঁড়াও, এই প্রথম ওকে এত কাছ থেকে দেখেছি।
আচ্ছা, শান্ত হও, হং জি-হিউও।
শান্ত হও।
- আপনার ডিসকাউন্ট বা লয়্যালটি কার্ড আছে? - না।
আপনার থলে লাগবে?
হ্যাঁ, দিন!
মোট ১৩২০০ ওন হয়েছে।
ঠিক আছে।
ধন্যবাদ। আবার আসবেন।
যা দেখি তার সবই গুরুত্বপূর্ণ না।
কিছুই বিশ্বাস করবে না, হং জি-হিউও।
যা দেখি তার সবই গুরুত্বপূর্ণ না।
দেখতে পাচ্ছি বলেই আমাকে বিশ্বাস করতে হবে না।
শুধু মাত্র নিজের উপর আস্থা রাখতে হবে।
তাহলে এভাবেই আরেকটা দিন এড়িয়ে যেতে সক্ষম হব।
আজকের বাক্যগুলো শুনুন এবং নিজে নিজে বলার চেষ্টা করুন।
আমি কীভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?
আপনি কি কিছু খুঁজছেন?
শুভ সকাল, মিঃ পার্ক।
মিস ওহ, শুভ সকাল।
হেই, সে-হি।
এটা মোটেও শুভ সকাল না।
সকালে থেকে আমার গায়ে কোনো শক্তি নেই।
কন্টাক্ট লেন্স পড়বি?
চলো আজ সন্ধ্যায় ড্রিঙ্ক করি।
কাল শনিবার।
আচ্ছা, আমি তোকে সঙ্গ দিব।
তুই পান করবি না?
তুই জানিস আমি পান করা শুরু করলে,
তুই নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিস না, জানি।
আমিও বুঝতে পারছি না।
আমি সারাদিন মাতাল হয়ে পড়ে থাকতে চাই।
আমি কাজটা ছেড়ে দিতে চাই।
আহ, আমি আর কাজে ফিরে যেতে চাই না।
কাজের কথা বলবি না।
আজকে আইডি চেক করার পর আমার মেজাজ অনেক ফুরফুরে আছে।
আমি কেন এমন টালমাটাল হয়ে আছি?
মিজু, তুই কখনও এটা নিয়ে ভেবেছিস?
চুল পড়া নার্স হিসেবে?
আমি নার্স না। আমি চুলের ফলিকল বিশেষজ্ঞ!
তোর কি খবর, জি-হিউও?
কি করছিস, জি-হিউও? আমি তোর সাথে কথা বলছি।
কাকে ম্যাসেজ দিচ্ছিস?
সি-গুককে?
না, ইওম সাহেবের সাথে বলছি।
ইওম সাহেব? কেন?
V-Ray ইনস্টল করতে উনার সমস্যা হচ্ছে। তাই শিখিয়ে দিচ্ছি কীভাবে করবে।
হয়ে গেছে। বলো কি বলছিলি?
জি-হিউও।
তুই কেন এত দয়ালু?
আহ, আবার প্যাঁচাল শুরু করছে।
আমি শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।
আমি যদি হং জি-হিউও হয়ে জন্ম নিতাম।
তাহলে ওর মতো সেক্সি বডি আর মায়াবী চেহারা পেতাম।
ওর বাবা সাথে কোম্পানি পরিচালকের বন্ধুত্ব ছিল।
নেপোটিজম জিন্দাবাদ!
ওর প্রেমিকও আছে যাকে সে বিয়ে করতে যাচ্ছে।
ওর মায়ের ব্যবসাও সফল, আহ!
তুই এত অপরাজেয় কেন?
সে আমার সৎ মা।
তোর জীবন এত সহজ কেন, হ্যহ?
আহ, আমার জীবনটা যদি জি-হিউও মতো এত সহজ হত।
বাবা চাকরিটা দিয়েছেন।
আমার সফল সৎমা আছে আর আমি আমার প্রেমিককে বিয়ে করতে পারি।
হ্যাঁ, আমার জীবনটা নির্ভেজাল।
হ্যহ, আমার কোনো সমস্যা নেই।
আমি অন্যদের মতো বাঁচতে পারি।
সুইং!
বের হও।
খেলা শেষ।
হুন্ডাই ইউনিকর্নস ২-০তে জিতেছে।
কি হচ্ছে?
আচ্ছা, এটা নতুন একটা উপায়।
হ্যাঁ, ওটাই।
তবে একটা জিনিসই আমাকে বিরক্ত কছে।
খেলা শেষ।
হুন্ডাই ইউনিকর্নস ২-০তে জিতেছে। ৯ম ম্যাচের পর...
কেন?
কেন?
কেন?
কেন সমস্ত কিছুর মধ্যে ইউনিকর্ন ছিল?
কি?
হেই!
সোনা!
আশাকরি তোমার সব দাঁত জায়গা মতো আছে। তুমি ঠিক আছ?
ঠান্ডা লেগেছে?
ঠিক আছ?
হুন্ডাই ইউনিকর্নস
তখন চাচাকে জিজ্ঞেস করি,
আপনি কেন চিলেকোঠায় উঠেছেন?
হংদ্যে-এ আপনার দুই বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট আছে না?
চাচা বলেন, আমার মতো তরুণরা নাকি নান্দনিকতা বোঝে না।
নান্দনিক অ্যাপার্টমেন্ট কিনো। এখন এটা বেশ জনপ্রিয়।
এটা খুবই হাস্যকর না?
তরুণরা নাকি নান্দনিকতা বোঝে না।
আমার কাছে টাকা থাকলে, আমি দুই বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজতাম না,
তুমি পেশাদার বেসবল খেলা দেখ?
- কি? - পেশাদার বেসবল খেলা পছন্দ করো?
হঠাৎ কেন জিজ্ঞেস করছ?
তোমার প্রিয় টিম কোনটা?
বেসবল খেলায় প্রতিবছর কতজন মানুষ মারা যায় জানো?
তুমি কি আগে কখনও আমার সাথে বেসবল নিয়ে কথা বলেছিলে?
মানে, আমার অবচেতন মনে এমন কিছু ঢুকিয়ে দিয়েছ।
যেমন দলের ভাঙ্গন!
তোমার স্মৃতিতে এমন কিছুই ঢুকাইনি।
ঠিক আছে।
কি হয়েছে?
কিছু না।
- চালিয়ে যাব। - হ্যাঁ।
দুই বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট,
বাদ দাও!
বাদ দাও। এটা দেখো!
এটা একবার দেখো।
এটা কি?
বাসা!
- বাসা? - আমাদের বাসা!
আমাদের বাসা?
আমি ইয়াং পিপলস হোম প্রজেক্টে বাসার ভাড়ার জন্য আবেদন করেছি।
বাসা পেয়ে গেছি!
ওহ!
- কি? - বাসা।
এই আর্থিক অবস্থাতেও আমরা একটা বাসা পেয়েছি।
ওহ, হ্যাঁ!
হ্যাঁ?
তুমি খুশি হওনি?
হয়েছি!
দারুণ! দারুণ কাজ করেছ!
দারুণ?
তাহলে আমরা কি এখন একসাথে থাকব?
হ্যাঁ।
চলো বাবা-মায়ের সাথে কথা বলি।
দেখা?
No comments yet. Be the first to leave one.