The first 200 lines.
না, না, না!
হেই।
অনুবাদে -কুদরতে জাহান
Join Our Group - Subtitle Hut
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
আমি বলছি।
তোমার আর বাচ্চাদের কথা খুব মনে পড়ছিল, সেজন্যই...
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আমি বলছি।
তোমার আর বাচ্চাদের কথা খুব মনে পড়ছিল, সেজন্যই...
- সুপ্রভাত। - শুভ অপরাহ্ন।
বিকাল হয়ে গেছে?
হায় খোদা! আমাকে ঘুমাতে দেয়া উচিত হয়নি তোমার।
তোমার দরকার ছিল ঘুমটা।
স্কাইলার, গতরাতে কী ঘটেছে, আমার ঠিক কিছুই মনে নেই।
আমি মনে হয় কিছু কথা বলেছি--
তুমি কি গ্যাল বোয়েটিকার লোকটাকে চেনো?
- স্কাইলার, আমি মনে করতে পারছি না... - গ্যাল বোয়েটিকার।
- তুমি চেনো ওকে? - হেহ।
খোদা--?
আমি কাল রাতে কী বলেছি আসলে?
যা বলার, যথেষ্ট বলেছ।
তোমরা কি একসাথে কাজ করতে?
কে মেরেছে ওকে?
যাদের হয়ে কাজ করো, তারা?
অবশ্যই না।
যারা একাজ করেছে,
তারা কি একপর্যায়ে এসে তোমার সাথেও এই কাজ করবে?
সন্দেহ আছে, মনে হয় না।
আহ, খোদা!
ওহ খোদা।
কালরাতে কী ঘটেছে, তা মনে হয় আমি জানি ওয়াল্ট।
কী ঘটেছে, পরিষ্কার বুঝতে পারছি। তুমি বেশি ওয়াইন খেয়ে ফেলেছ।
তারপর হ্যাঙ্ককে বলেছ,
ও যে লোককে খুঁজছে, সে এখনো বেঁচে আছে।
বোয়েটিকার হয়তো আসল মাস্টারমাইন্ড নয়।
তুমি কী ভেবে ওকে এ কথা বললে, সে চিন্তায় সারারাত ঘুম হয়নি আমার।
হুম, কারণ আমি মদ খেয়েছিলাম, স্কাইলার।
তারপরে তুমি যে ঘুষি খেয়েছিলে, সেটা মনে পড়লো আমার।
কথা কাটাকাটির যে ঘটনাটা তুমি আমার কাছে বলতে চাওনি।
দ্যাখো, আমি আর কক্ষনো এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না।
গির্জা আর সরকারি আইন যেমন একে অপরের বেলায় নাক গলায় না,
তেমনিভাবেই আমাদের এ ব্যাপারটাকে মোকাবেলা করতে হবে।
তারপরে মনে পড়লো তোমার ঐদিনকার মেসেজটার কথা,
বলেছিলে, তুমি আমাকে ভালোবাসো।
শুনে মনে হয়েছিল, তুমি--
আমাদের মধ্যে যা ঘটেছে, তার জন্য আফসোস করছ।
তার কারণও আন্দাজ করতে পারছি।
গতরাতের ঘটনার পরে...
আমার ধারণা, তুমি ভয় পেয়েছ, ওয়াল্ট।
ভেবেছিলাম, মেসেজটা মনে হয় বিদায় জানানোর জন্য দিয়েছ।
না, স্কাইলার।
- ভেবেছিলাম, তুমি সাহায্য প্রার্থনা করছ। - ওহ খোদা।
সাহায্য প্রার্থনা?
তোমার বিবেকের একটা অংশ তোমাকে হ্যাঙ্কের কাছে ধরা দিতে বলছে।
ওয়াও, এটা পুরোই...
ঠিক, আসলেই তাই।
ডক্টর জয়েস ব্রাদার্সের মতো মনোবিদ হয়ে গেছ।
খোদা।
অন্তত তাহলে এসবকিছু শেষ হয়ে যাবে।
হ্যাঁ, এভাবে আমার ঘাড় থেকে একটা বিশাল বোঝা সরিয়ে নিলে।
এখন আমি নিজেকে বুঝতে পারছি।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।
ওয়াল্ট, কথাটা আমি আগেও বলেছি।
তুমি যদি বিপদে পড়ো, তাহলে আমরা পুলিশের কাছে যাবো।
- আমি পুলিশের নাম আর শুনতে চাই না। - আমি হালকাভাবে বলিনি কথাটা।
আমি জানি সেটা এ পরিবারের জন্য কী করতে পারে।
কিন্তু এ ছাড়া অন্য উপায় যদি না থাকে, যদি তা না হলে তোমার মরার আশঙ্কা থাকে..
আমি পুলিশের নাম শুনতে চাই না।
তুমি পেশাদার অপরাধী নও, ওয়াল্ট। নিজেকে এত মহা কিছু মনে কোরো না।
আমরা ওদেরকে এই সত্য কথাটাই বলব।
- এটা সত্য কথা না। - এটাই সত্য কথা।
ক্যান্সারে ভোগা স্কুলশিক্ষক, মরিয়া হয়ে একাজ ধরেছে...
- আমাদের কথা শেষ, - ...কিন্তু এ পথ থেকে সরে আসতে পারছে না হুমকির কারণে।
তুমি নিজেই আমাকে বলেছ একথা।
- খোদা, কোন আক্কেলে যে বলেছিলাম! - ওয়াল্ট, প্লিজ।
চলো, আমরা এ ব্যাপারটাকে অজুহাত দিয়ে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা বাদ দেই,
আর স্বীকার করে নেই যে তুমি আসলেই বিপদে আছ।
তুমি এখন কার সাথে কথা বলছ?
কার দিকে তাকিয়ে আছ বলে মনে হয়?
আমি বছরে কত কামাই করি, জানো?
আমি বললেও বিশ্বাস করতে পারবে না।
আমি যদি কাজে যাওয়া বন্ধ করি, তাহলে কী হবে জানো?
এই ব্যবসাটার পরিধি এত বিশাল যে, আমি কাজ বন্ধ করলে শেয়ারবাজারে ধস নেমে যাবে।
আর এ ব্যবসা আমাকে ছাড়া টিকবে না।
তুমি যে কার সাথে কথা বলছ, সে সম্পর্কেই আসলেই ধারণা নেই তোমার, তাই একটু ধারণা দেই।
আমি কোনো বিপদের মধ্যে নেই, স্কাইলার। আমিই হলাম স্বয়ং বিপদ।
তুমি ভেবেছ, দরজা খোলামাত্র গুলি খাওয়ার ঝুঁকি আছে আমার?
না, আমি হলাম সেই লোক, যে দরজায় কড়া নেড়ে ঢুকে গুলি করে।
দ্যাখো, আমি...
স্কাইলার?
এই যে, ঠিক যেভাবে রেখে গিয়েছিলেন।
আপনার সুন্দরী স্ত্রী কোথায়?
তার অন্য কাজ আছে।
যেভাবে ওনাকে বলেছিলাম, এ জায়গা যে অবস্থায় আছে, ঠিক সেভাবেই বেচা হবে।
হ্যাঁ বুঝেছি।
ভালো, ভালো।
আমি চাই না উনি আরো দাবি নিয়ে ফিরে আসুক।
দামাদামি করার সময়ে অনেক কষ্ট দিয়েছে।
আমরা সবাই একই দলের লোক, বোগড্যান।
যা যা দরকার, সব আছে এখানে।
- আমি সবকিছু গুছিয়ে রাখি। - ধন্যবাদ।
তাহলে আপনি এখন বস?
বস হবার জন্য রেডি তো?
তাই তো মনে হয়।
বস হওয়া খুব কঠিন কাজ।
নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, আমি আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি।
আস্তে আস্তে বুঝতে পারবেন।
দায়িত্বে থাকা খুব কঠিন কাজ।
খুবই, খুবই কঠিন।
আপনি তো আমাকে কঠিন কাজ করতে দেখেছেনই।
জানি না।
তেমন একটা দেখিনি, হয়তো।
যখন আপনি বস হবেন,
তখন একটু চিন্তাবিহীন থাকার চেষ্টা করবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো--
সবাই কিন্তু এটা জানে না।
-খুব কঠিন হতে হবে।
বস হতে চাইলে কঠিন মনের হওয়া চাই।
মানুষকে না বলতে শিখতে হবে।
ক্যাশিয়াররা যদি রাজি নাও হয়,
তারপরেও তাদেরকে দিয়ে গাড়ি মোছাতে হবে।
কঠিন হতে পারবেন, ওয়াল্টার?
আপনি নিশ্চয়ই সামলে নিতে পারবেন।
আর না হতে পারলে আপনার বউ তো আছেই, দরকার পড়লেই ডাক দেবেন, তাই না?
- তেল দিয়ে রাখি। - হ্যাঁ।
সমস্যা নেই।
দিয়ে দিলাম তাহলে।
একদিন যে আপনার হাতে চাবিগুলো তুলে দেবো আমি, তা কে ভাবতে পেরেছিল?
এতবছর হয়েছে, ভুলেই গিয়েছিলাম।
বোগড্যান।
কথা শেষ তাহলে।
ধন্যবাদ।
তুমি ঠিক আছ?
হ্যাঁ আছি।
ড্রাগ নিতে না পেরে একটু...
কিছু একটা খাও।
হ্যাঁ?
এই তো, দুইটাই খাও।
ঠিক আছে।
আমি আসছি।
কোনো সাহায্য লাগবে?
না।
মাকে ফোন করব?
না। না।
ও ঠিক কী বলেছে? বলো তো?
আমি ঠিক আছি কি না জিজ্ঞেস করেছে, চিন্তা করতে মানা করেছে।
এটুকুই।
কখন ফিরে আসবে, তার কোনো ধারণা আছে?
জুয়াখেলা নিয়ে ঝামেলা, না?
আসলে ব্যাপারটা বোঝানো কঠিন--
বাবা, মা বুঝবে না।
এমন না যে তুমি ইচ্ছা করে একাজ করছ, এতে তোমার দোষ নেই।
ব্যাপারটা এত সোজা না।
দ্যাখো, এটা তোমার অসুখ, ঠিক মদের নেশার মতো, তাই না?
- না, মোটেই তা না। - হ্যাঁ তাই, আমি ইন্টারনেটে পড়েছি।
তোমার ওপর একবিন্দুও রাগ করার অধিকার নেই মায়ের।
ক্যান্সারের মতো এটাও একটা অসুখ, মা রাগ করবে কেন?
খোকা, দুইটা দুই রকম জিনিস।
না, জুয়ার নেশাও একটা অসুখ।
- তুমি চাইলেই-- - শোনো, আমার সাথে যা ঘটেছে,
ব্যাপারটা ঠিক অসুখ না, "না" বলার সুযোগ ছিল আমার।
আমি একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সেই ভুল সিদ্ধান্তকেই আঁকড়ে ধরেছি।
তুমি কি আবারও খেলা শুরু করেছ?
না।
হেই শোনো, স্কুলে যাওয়া থাক।
চলো আমরা নেশা কাটানোর জন্য কিছু একটা করি।
কী করব?
দেখতে পাবে একটু পরে।
চার্লি, ৩ নম্বর লাইনে ফোন এসেছে।
তোমাকে নতুন গাড়ি কিনে দেবার সময় হয়েছে মনে হয়, কী বলো?
কী?
তোমার যদি আমাকে কিনে দেবার ইচ্ছা থাকে,
তাহলে কিনে দাও।
লটে একজন অ্যাটেনডেন্টকে পাঠাও।
ওয়াও।
অসাধারণ। অসাধারণ!
খুব ভালো। তোমার পছন্দ হয়েছে দেখে ভালো লাগছে।
- খুব পছন্দ হয়েছে, ধন্যবাদ বাবা। - ঠিক আছে খোকা।
তো, তুমি এসেছ।
হ্যাঁ।
তুমি আসলেই এখানে এসেছ? কাজ করতে?
আরে বাবা, হ্যাঁ!
জেসি।
এদিকে এসো।
- আমি একটা আপডেট চাই। - কী ব্যাপারে?
তুমি মাইকের সাথে কোথায় কোথায় ঘুরে বেড়াও, সেই ব্যাপারে।
আগেই তো বলেছি।
আমরা টাকা তুলি, সব ঠিক আছে কি না দেখি, এইতো।
আর তুমি ওর বডিগার্ডের কাজ করছ, না? তাই তো বলেছিলে?
বলেছিলাম, আমি ওকে গার্ড দেই।
ব্যাকআপের মতো, আরেক জোড়া চোখ লাগে এসব কাজে, তাই।
সবারই তো ব্যাকআপ লাগে, তাই না?
সেই ব্যাকআপ তোমাকেই হওয়া লাগলো?
টাইরাস কিংবা গাসের হয়ে কাজ করা অন্য গুণ্ডাগুলোকে নিতে পারলো না ও?
না, জেসি পিংকম্যানকেই নেয়া লাগলো।
কেন? তোমার ব্যাপারে এমন কিছু আছে, যা আমি জানি না?
তুমি কি আগে নেভিতে কাজ করতে নাকি?
তোমার হাতজোড়া কি মারণাস্ত্র হিসেবে রেজিস্ট্রি করা?
No comments yet. Be the first to leave one.