Seven Worlds, One Planet

Seven Worlds, One Planet

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

SevenWorlds,OnePlanetS01E02
A Commentary by TanjedAhamed
Seven Worlds, One Planet একটি ডকুমেন্টারি সিরিজ। এই এপিসোডে এশিয়ার জীববৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিবেন আশা করি।

Tags

TS
Published on: 2020-04-20
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 177 lines.

অনুবাদেঃ তানজীদ আহমেদ তালুকদার মোঃ আসাদুজ্জামান প্রামাণিক

এশিয়া- মহাদেশ গুলোর মধ্যে বৃহত্তম।

এর বিস্তৃতি নিরক্ষরেখা থেকে সুমেরুবৃত্তের ওপার পর্যন্ত।

এটা প্রতিকূল আবহাওয়াময় মহাদেশ।

এখানে, তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে যেতে পারে।

স্থলে, বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব।

তবে গ্রীষ্মে কয়েক সপ্তাহের জন্য,

বরফ গলে আর তীরের পরিবর্তন সাধন করে।

এটা পৃথিবীতে বিদ্যমান অন্যতম বৃহৎ

স্তন্যপায়ীর লীলাভূমি।

এরা হলো প্যাসিফিক ওয়ালরাস।

বছরের বেশীরভাগ সময় তারা আর্কটিক মহাসাগরে খাবার খায়,

সমুদ্রের বরফে বিশ্রামের জন্য বেরিয়ে আসে।

কিন্তু এখন জলবায়ুর পরিবর্তন এখানের বরফ গলিয়ে দিচ্ছে,

আর এদের খাবার খাওয়ার স্থানের নাগালের মধ্যের বিশ্রামস্থল গুলো

হলো এমন কয়েকটি সৈকত।

তাদের ১ লক্ষ, প্রায় সমগ্র বিশ্বের জনসংখ্যার সমান, এখানে আছে।

তারা রাক্ষুসে।

একটা পুরুষের ওজন এক টনও হতে পারে...

...এবং অনেকে স্ক্রামে মারা যায়।

পশ্চিমে ২৫০ মাইল দূরে একটা সৈকতে আরও অধিকতর বিপদ আছে।

মেরু ভাল্লুক।

তাদেরকেও বরফের আস্তরণে অনেক সময় কাটাতে হয়েছে।

আর এখন তারা খুবই ক্ষুধার্ত।

কিন্তু বয়স্ক ওয়ালরাস শক্তপোক্ত, অস্ত্রে সুসজ্জিত এবং পানিতে ক্ষিপ্রগতির,

আর ভাল্লুকটাকে মারাত্মকভাবে আহত করতে পারে।

সে হেরে গেছে।

এই সংকীর্ণ সৈকত পাহাড় দ্বারা ঘেরা...

...এবং কিছু ওয়ালরাস ঝাঁক থেকে পালিয়ে তাদের উপরে একত্রিত হয়।

একদম উপরে, তারা সৈকত থেকে ৮০ মিটার উপরে...

...কিন্তু এতো উপরে ওয়ালরাসদের থাকার কথা নয়।

না কেবল তারা একাই উঠেছে।

ভাল্লুকও উপরে উঠেছে।

ওয়ালরাসরা পানিতে নিরাপত্তার খোঁজ পেতে উদ্বুদ্ধ।

তারা এখনও সমুদ্রের ঘ্রাণ পাচ্ছে।

আর শুনতে পাচ্ছে।

কেবল মেরু ভাল্লুকের উপস্থিতিই ওয়ালরাসকে প্রশমিত করতে যথেষ্ট।

পাহাড়ে উঠা অনেক ওয়ালরাস আর কখনও সমুদ্রে ফিরতে পারে না।

এমনকি মেরু ভাল্লুক একবার এগোলে,

ওয়ালরাসকে সমুদ্রে ফিরতে হয়, আর কেউ কেউ ফেরার জন্য কাছের পথ অবলম্বন করে।

যখন কেউ পাথরে আছড়ে পড়ে,

তখন সৈকতের গুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং আরো প্রাণহানি ঘটে।

মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ২০০ এরও বেশি ওয়ালরাস মারা যায়।

এখন মেরু ভাল্লুকরা মৃতদেহগুলো খেতে পারবে।

এই ঘটনা কয়েক বছর অন্তর একবার ঘটে,

কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে যাওয়ায়,

এসব আরও ঘন ঘন হতে পারে।

অভ্যন্তরীণভাবে, এই জায়গাটা বছরের ছয় মাস যাবত,

শীত কবলিত থাকে।

উত্তর রাশিয়ার দুই মিলিয়ন বর্গ মাইল বরফের নীচে ঢাকা পড়ে আছে।

কিন্তু তবুও কিছু প্রাণী এখানে ঘর তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

তুষারে তারা তাদের উপস্থিতির প্রমাণ রেখে গেছে।

এই ছাপ সবগুলো একদিকে গেছে।

পৃথিবীর সক্রিয় আগ্নেয়গিরির মধ্যে কামছাতকার ঘনত্ব সর্বাধিক।

মাটির নিচের তাপমাত্রা ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে যায়,

ফলে বেরিয়ে আসে ফুটন্ত কাদা এবং জলীয় বাষ্পের মেঘ...

কিন্তু এই বিপদ সত্ত্বেও,

কিছু প্রাণী লম্বা দূরত্ব ভ্রমণ করে এখানে আসে।

একটা কামছাতকা বাদামী ভাল্লুক।

সে মাটির নীচে একটা গর্তে দীর্ঘ শীতটা ঘুমিয়ে কাঠিয়েছে।

আর এখন সে অনেক ক্ষুধার্ত।

কিন্তু খাবার খুঁজতে যাওয়া মানে বিপজ্জনকভাবে পুড়ন ঝর্ণার কাছে যাওয়া।

উত্তাপ পৃথিবীর কারণে, চারপাশের অনেক মাইলের মধ্যে এটাই একমাত্র জায়গা,

যেখানে একটা ভাল্লুক তুষার মুক্ত ঘাস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

পা ভুল জায়গায় রাখলে সত্যিকারের সমস্যা হতে পারে,

এবং ভাল্লুকদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে

যারা জমে থাকা পানিতে পিছলে গিয়ে পড়ে মারা যায়।

এবং এই ভাল্লুকটা একা নয়।

বড় আকারের বাদামি ভাল্লুকগুলো নির্জন প্রাণী।

আর এটা বছরের কয়েকবারের মধ্যে একবার

যখন তারা অন্যের উপস্থিতি সহ্য করে।

আর এখন তারা পর্যাপ্ত খাবার এবং বিশ্রামের কারণে, খেলাধুলার সময়ও পেয়েছে।

এশিয়ার হিমশীতল উত্তরের এই আগ্নেয়গিরির জায়গাটা একটি উষ্ণ মরুদ্বীপে পরিণত হয়েছে।

আর্কটিক রাশিয়া থেকে দূরে, এশিয়ায় আছে গ্রহের উষ্ণতম মরুভূমি,

সর্বোচ্চ পর্বতমালা এবং দীর্ঘতম জঙ্গল আছে।

এটা অবিশ্বাস্য বৈচিত্রের মহাদেশ...

....তবে সবসময় এমন ছিল না।

প্রায় ৮৯ মিলিয়ন বছর আগে,

ভারত ছিল দক্ষিণ দিকে অবস্থিত একটি দ্বীপ, কিন্তু এটি উত্তরে চলে এসে এর আর

এশিয়ার মূলভূমির মাঝের আস্তরণকে ওপরে তুলে দেয়৷

মিলিয়ন বছর ধরে,

এর মধ্যে থাকা আস্তরণসমূহ উঁচু হয়ে খাড়া হতে হতে হিমালয় পর্বতের সৃষ্টি করেছ।

এখন এগুলোই গ্রহের উচ্চতম পর্বতমালা।

পাঁচ মাইলেরও বেশি উঁচু।

ভারত এখনও উত্তরে চলমান, আর পর্বতগুলো ঊর্ধগামী।

আফগানিস্তান থেকে উত্তর ভারত জুড়ে এখানকার মধ্য চীন পর্যন্ত,

এশিয়ার পাহাড়গুলো প্রসারিত।

এগুলো চীনের সর্বোচ্চতম শেননংজিয়ার পাহাড়।

এখানকার বনগুলো কিছুদিন আগেও বিশ্বের কাছে তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ছিল।

এখানে কি ধরণের পশু থাকতে পারে সে ব্যাপারে বাইরের খুব কম লোকেরই জানা ছিল।

মানুষের মতো দানবদের গল্প ছিল - ইয়েতি, জঘন্য তুষারমানব-

যারা তুষারে অন্যকিছু ছাড়া কেবল...

অদ্ভুত পদচিহ্ন রেখে যেত।

আর অবশ্যই এই তুষারময় বনে বানররা বাস করে,

আর তারা খুবই অদ্ভুত।

পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি নীলমুখো, সোনালী লোম আর বোঁচা নাকবিশিষ্ট,

তুষার বানরের সাথে।

তারা বানরের বৃহত্তমতমদের মধ্যে আছে।

বড় প্রাণী ছোটদের তুলনায় খুব সহজেই গরম থাকে,

এবং তারা পৃথিবীর অন্য বানরের চেয়ে শীতল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকে।

তাদের সবারই নাক বোঁচা।

সম্ভবত পরিচিত গুলোই খুব সহজেই জমে যেত।

উষ্ণ থাকার সামান্যতম সুযোগটাতে পুরো গ্রুপ একসাথে গাদাগাদি করে থাকে...

...আর কে করতো না?

এমনকি প্রাপ্তবয়স্করাও গ্রুপ থেকে পৃথক হয়ে গেলে, ঠান্ডায় জমে মরে যেতে পারে।

এখন, শীতের মাঝামাঝি, খাবার খুঁজে পাওয়াটা কঠিন।

পরিবারের প্রধান খাবারের সন্ধানে তাদেরকে নিজ

সীমানার প্রান্তে নিয়ে যায়।

খাদ্য হিসেবে এখানে আছে শুধু-

অপুষ্টিকর গাছের বাকল, শ্যাওলা আর শৈবাল।

যা আছে তাতে পরিবার তো দূরে থাক একটা বানরের-ই টিকে থাকা দুষ্কর।

কিন্তু তারা ভাগ করে খায়।

বেঁচে থাকাটা গ্রুপের সবার একসাথে থাকার উপর নির্ভর করে।

এই পাহাড়ে যেকোনো খাবারই মূল্যবান।

একটা প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ।

তারাও খাবারের সন্ধান করছে।

দুই পুরুষ মুখোমুখি হয়ে যায়।

এবং এখন মহিলারা এ লড়াইয়ে যোগ দেয়।

এরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায়, অনুপ্রবেশকারীরা পিছু হটে।

তাদের প্রধানটাই সর্বশেষ।

ছোট্ট এক টুকরো খাবারের জন্য লড়াই হলেও,

তা ছিল হিংস্র, আর এখন পরিবারটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে...

...কিন্তু তাদের সবাইকে একসাথে থাকতে হবে।

ছোটজন ইতোমধ্যে ঠান্ডায় জমে গেছে।

সে তার বাবাকে দেখতে পাচ্ছে, কিন্তু বাবার কাছে পৌঁছানোর মতো শক্তি তার আছে কি?

নিরাপত্তা এবং উষ্ণতায় ফেরা।

এই হিমশীতল বনের মধ্যে গাদাগাদি করে থাকাই

উষ্ণতার একমাত্র উৎস।

হিমালয়ের পশ্চিমে ইরানে, পৃথিবীর উষ্ণতম কিছু মরুভূমি আছে।

এটা লূত মরুভূমি...

...এবং এখানে তাপমাত্রা ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যেতে পারে।

ইরানের মরুভূমির জ্বলজ্বলে গরম পাথর এবং উত্তপ্ত বালু...

মৃত্যুর দুয়ার প্রদর্শন করাতে পারে...

...তবে কিছু গাছ উপত্যকার দেয়ালের ছায়ায় বেড়ে উঠছে...

...আর পাখিরা এখান দিয়ে উড়ে পার হওয়ার সময় এখানে অন্তত

একটু জিরিয়ে নিতে পারে।

ফ্লাইক্যাচার।

ভাগ্যক্রমে, এখানে কোনো ধরণের খাবার থাকতে পারে।

ফাটলে মাকড়শা আছে।

বেশি নয়, তবে মূল্যবান।

এবং উপরে কিছু একটা নড়ছে।

পাখিটার ভুল হয়েছিল।

ওটা ছিল প্রাণঘাতী সাপ।

প্রজাতিটা সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে

আর এখন অবধি এই স্থান ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যায়নি।

এর ছদ্মবেশটা এতই কার্যকর যে

পাথরগুলোতে এটাকে দেখা প্রায় অসম্ভব।

আর এর লেজে, চলনক্ষম আঁশ পরিবর্তিত হয়ে মাকড়সার পা...

...আর এর প্রান্ত পেটের আকৃতি লাভ করেছে।

অভিবাসী পাখিরা বছরের নির্দিষ্ট কয়েক সপ্তাহেই কেবল এই অনুর্বর প্রান্তরে আসে।

কয়েক মাস ধরে সাপের খাওয়ার এটাই একমাত্র সুযোগ।

শ্রাইক।

এটা আফ্রিকা থেকে এখানে উড়ে এসেছে আর কয়েক দিন খায়নি।

পরেরবারের জন্য শুভকামনা।

পরিস্থিতি উত্তর ভারতের শুকনো সমভূমিতর মতই কঠোর।

একজন পুরুষ সারদা টিকটিকি নিজেকে অন্যের নজরে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে।

প্রজননের সময় হয়েছে।

নিজেকে নজরে আনার জন্য ব্যাপক খোলা জায়গা ভালো।

সে মাত্র ৭ সেমি লম্বা,

কিন্তু একটা পাথর তাকে সুস্পষ্ট করে তুলতে সাহায্য করবে।

আর ইতোমধ্যে তাকে একটা মেয়ে খেয়াল করেছে।

এবার তার খেল দেখানোর সময় হয়েছে।

সে যত স্বাস্থ্যকর এবং পুরুষোচিত হবে, তার রং ততো উজ্জ্বল হবে।

আর উজ্জ্বল এবং চটকদার রং মেয়েরা পছন্দ করে।

কিন্তু, মনে হচ্ছে তার যতোটা দৃষ্টি-আকর্ষণকারী হওয়ার ছিল ততোটা হয়নি।

প্রতিবেশি এলাকায়,

আরেকটি পুরুষ এর চেয়ে বড় পাথর খুঁজে পেয়েছে।

তাই নবাগতটি ভালোভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারছে না।

বড় পাথরের জন সব নারীদের আকর্ষণ করছে।

নবাগতটার মেয়ের দৃষ্টিতে আসার জন্য বড় পাথরের দরকার পড়বে।

আর সে এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে।

সে কেবল ১ বছরের জন্য বেঁচে থাকে।

এটাই তার একটা সুযোগ।

প্রয়োজনে তাকে লড়াই করতে হবে।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী পিছিয়ে নেই।

সারদা পুরুষরা মৃত্যু পর্যন্ত লড়াই করতে পারে।

নতুনজন জিতে গেছে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left