The first 200 lines.
অনুবাদকগণ হলেনঃ
অনুবাদকগণ হলেনঃ অনিক কুমার নাথ
অনুবাদকগণ হলেনঃ অনিক কুমার নাথ এফ আর সজীব
অনুবাদকগণ হলেনঃ অনিক কুমার নাথ এফ আর সজীব হাসান বিন ইসলাম (সোহান)
সম্পাদনায়ঃ
সম্পাদনায়ঃ অনিক কুমার নাথ
মাহিরা (২০২০)
সাবটেইটেলটি আমি, সজীব ভাই এবং সোহান ভাই যৌথভাবে করেছি। আমাদের ৩ জনের একসাথে করা প্রথম যৌথ কাজ এটি। চেষ্টা করেছি নির্ভুল একটি সাব আপনাদের উপহার দিতে।
অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটিগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এবং সাবটাইটেলটি ভালো লেগে থাকলে ভালো রেটিং আর ফিডব্যাক জানাতে একদমই ভুলবেন না যেন।
All my dreams are still fresh
If you just be
A word called pain has been a lie
If you just smile
In the path you showed me
I can tread even with closed eyes
Nothing else matters for this life
With you by my side
Laugh like a child Like all your dreams come true
Capturing every bit of it for life
All my dreams are still fresh
If you just be
A word called pain has been a lie
If you just smile
Why do you signal me now?
Whatever have I done?
I didn't shout but simply heard
The words you tell me
Follow like a shadow Live like it's a dream
I'll wait till the end
If you just be
A word called pain has been a lie
If you just laugh.
এটা কী? এই খাবার কেউ আনতে বলেছে?
এভাবে পরিবেশন করো তোমরা?
- গরমও না, ঝালও না... - এক মিনিট, স্যার।
কী হয়েছে?
- ওহ, তাহলে আপনিই মালিক! - হ্যাঁ, স্যার। বলুন।
- ভালো খাবারের প্রত্যাশায় এখানে কেউ আসলে, আপনারা এসব পরিবেশন করেন? - কিরে? কী হয়েছে এখানে?
লবণ বা ঝাল কিছুই নেই!
- উনি ফোনে ব্যস্ত ছিলেন আর এদিকে খাবার ঠান্ডা হয়ে গেছে... - ভুলের জন্যে দুঃখিত, স্যার।
মাগনা খেতে এসেছি নাকি আমি? টাকা পয়সা দেবো না নাকি?
জনাব, কথায় লাগাম দেন!
সবাই এখানে টাকা দিয়েই খায়। এটা কোনো দানশালা না যে আপনাকে মাগনা খাবার দেবে।
এসব কী? খদ্দেরের সাথে এভাবে কথা বলেন আপনারা?
খাবার পরিবেশনে অযোগ্য হলে, হোটেল চালাচ্ছেন কেন?
যোগ্য অযোগ্য বলার সাহসও করবেন না।
পুরো প্লেটের খাবার গিলে ফেলেছেন, আর বুঝতে পারলেন না যে খাবার ভালো না?
আমার রাগ উঠলে এক হাত লাগাবো, তখন যা খেয়েছেন সব বেরিয়ে আসবে!
এভাবে কথা বলছেন কেন আপনি? পুলিশে অভিযোগ করবো আপনাদের বিরুদ্ধে!
- স্যার, প্লিজ। এটা করবেন না। - তুমি চুপ থাকো, মায়া!
যান আপনি। গিয়ে আরো একটা অভিযোগ করুন যে...
এক মেয়ে আপনার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে! ডিমের মতো মাথা!
আপনাদের খাবার আর হোটেলের নিকুচি করি!
- খদ্দেরদের সমাদরও ঠিকমতো করতে পারে না!! - আমাদের হোটেলে ফের কোনোদিন আসবি না!
প্লিজ, চুপ কর।
- না, মায়া... - চুপ থাকতে বললাম না?
তুই এখানে থাকলে পুরো ব্যবসার বারোটা বাজিয়ে দিবি।
আমি যাই করি সবসময় তুমি সেখানেই ভুল খুঁজো।
তোমার কাছে আমার থেকে ওই খদ্দেরটা গুরুত্বপূর্ণ?
- কেমন আছো মা, আধিয়া? - ধুর! যাও তো!
তুই সবসময় এত রাগ করিস কেন?
পাভনি, মুখ বন্ধ রাখবি তুই?
এখানে দাঁড়িয়ে কী করছে সে?
আজকে ওকে একটা শিক্ষা দিয়েই ছাড়ব।
আধিয়া, এসব আমাদের জন্যে নতুন নাকি? বাদ দে তো!
তুই এখানেই থাক।
গতকাল বকেছিলে বলে কি ভেবেছিলি ভয় পেয়েছি আমি?
আমার সাথে আজকে ওরা আছে, দেখেছিস?
কী রে ভাই! এই মেয়েটাই তোকে মেরেছিল?
- দেখতে তো বরফের ক্যান্ডির মতো, তাইনা? - ওহ, দেখাচ্ছি তোদের...
ওর সাথে লাগতে গেলে তুই শেষ!!
- এই, দাঁড়া। - তোরা নিজেদের কথাই ভাবিস।
এভাবে তাকিয়ে কী দেখছিস? চোখের মনি উপরে ফেলবো! ছাইপাশ কোথাকার!
এই, দাঁড়া।
ছেড়ে দে। যেতে দে ওকে।
এবার তুই শেষ!!
না, আধিয়া! মারামারি শুরু করিস না।
- তাহলে কিন্তু ভালো হবে না... - এই, কী করবি তুই, হাহ?
- এই দাঁড়া! ছাড়বো না তোকে আজকে! - ভাই, পালা রে!
- থাম! থামতে বলেছি তোকে। - পালা, বন্ধু!
কোথায় যাবি? ছাড়বো না তোকে!
থাম!
জানালা দিয়ে লাফ দিবি? দাঁড়া তুই, আসতেছি আমি।
- এই, ছেড়ে দে আমাকে! - পালিয়ে যাবি তুই?
আমার দিকে তাকাস, হাহ?
কাজ বাদ দিয়ে মুখ চেপে হাসছিস কেন?
আমাকে পরেও বকতে পারবে, আগে তোমার মেয়ের দুঃসাহসিক কাজটা দেখো।
দেখা তো।
কলেজে কারোর সাথে পাগলের মতো মারামারি করেছে।
হ্যাঁ, স্যার!
উনি এখানেই আছেন, এক মিনিট। তোমার ফোন।
- কে? - প্রিন্সিপাল।
এরা আবার স্টুডেন্ট হয় নাকি?
আমাদের কলেজের জন্যে লজ্জার এটা!!
এই, ওদিকে ঘুর নইলে মেরে অন্য চোখও কালো করে দেবো!
মেয়েটার দিকে দেখুন একবার!
প্রিন্সিপালের রুমে এসেও পরোয়া করছে না, তাহলে বাইরে কী করে বেড়ায়!!
একটা মেয়ের হাতে মার খেয়েছিস তুই? ছিঃ তোর বাবার মতোই অপদার্থ তুই।
আমি আবার কবে মার খেলাম?
দেখুন! এটাকে কলেজে মনে করছেন নাকি মাছের বাজার?
চিৎকার, মারামারি বাইরে গিয়ে করুন!
আসুন, মায়া।
আহা! কী শিক্ষাই না দিয়েছেন আপনার মেয়েকে!!
ও একজন ছেলে, সেটা না ভেবেই কী নিদারুণভাবে ওকে মেরেছে দেখুন।
কী হয়েছে, স্যার?
মা হিসেবে নিজের মেয়েকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয় সেটাও জানেন না?
ছেলেদের মেরে কী করছে সে?
দয়া করে শান্ত হোন।
নিজের ছেলের দোষটাকে ঢেকে, বেচারি মেয়েটার উপর দোষ চাপাচ্ছেন কেন?
ছেলেটা বেশি চালাক হবার চেষ্টা করেছিল আর মেয়েটা তা করতে দেয়নি।
স্যার, আমি...
এসব মানুষের জন্যে আমাদের কলেজের নাম খারাপ হয়।
ওদেরকে বরখাস্ত করলেই ওদের শিক্ষা হবে।
স্যার, দয়া করে এমনটা করবেন না।
তারা ভুল করেছে সেটা সত্যি।
দয়া করে ওদেরকে বরখাস্ত করবেন না, তাহলে ওদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে।
ভুলটা আমার মেয়ের দ্বারাই হয়ে থাকবে, এরপর থেকে আমি ওকে সংশোধন করিয়ে নিবো।
আমি কথা দিচ্ছি, এরকমটা আর ঘটবে না, স্যার।
প্লিজ, স্যার।
এইবারের জন্যে ওদেরকে মাফ করে দিচ্ছি।
এরকম ঘটনা আবার ঘটলে, আমি অবশ্যই ওদেরকে বরখাস্ত করব।
তখন আর আপনাদেরকে ডেকে পাঠানোর দরকার হবে না।
যেতে পারেন এখন।
চলে এসেছে সে? প্রিন্সিপাল ওকে কড়া ধমক দিয়েছেন হয়তো।
পাগল নাকি!
আসো, মায়া। বসো।
আধিয়া, নিজেকে কী মনে করো তুমি?
প্রতিদিন কারো না কারোর সাথে ঝগড়া না করলে তোমার ভালো লাগে না তাইনা?
নইলে অন্য কাজও ঠিকঠাক করতে পারো না, তাইনা?
আরে, কী করলাম আমি, মায়া?
সকালে ক্যাফেতে ঝগড়া করে আমার ব্যবসার বারোটা বাজিয়েছ তুমি।
আর এখন কলেজে মারামারি করে, নিজের পড়াশোনার খারাপ হাল করছো।
- আমি এসব কিছুই ইচ্ছে করে করিনি, মায়া। - চুপ কর!
তুমি কি এখনও বাচ্চা আছো? বিচার বুদ্ধি দিয়া কাজ করতে পারো না!
বুঝতে পারো না তুমি?
তোমার কিছু হয়ে গেলে তখন আমি কী করবো?
আবেগী হয়ে যাচ্ছো কেন, মায়া?
আমার কিছু হতেই পারে না। আমি কার মেয়ে সেটা তুমি জানো!
জানি। ভালো করেই জানি।
এজন্যেই তোমাক বলছি।
দেখো।
তুমি যখন খুব ছোট ছিলে তখন তোমার বাবাকে হারিয়েছিলাম আমি, আধিয়া।
একমাত্র আমি জানি, ওইদিন গুলোতে কতটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে আর..
আর আমাকে কী কী করতে হয়েছে!
কতো কতো শহরে তোমাকে পিঠে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি আর কতো জায়গায়...
কাজ করেছি, সেটা জানো তুমি?
তো কী হয়েছে?
তুমি কি চাও যে, তোমার মতো কম বয়সে আমিও বিয়ে করি আর তোমার মতো এসব সমস্যার বোঝা বইয়ে বেড়াই?
আমাকে আমার মতো হতে দাও।
তুমি বলতে চাচ্ছো যে, আমিও ভয়ে থাকি আর ক্যাফেতে তোমার মতো জঘন্য খাবার বানাই?
আমি শুধু মেয়ে হবার কারণে এটা বলো না যে, সবাইকে বা সবকিছুকে বইয়ে বেড়াবো, মায়া।
এরকম ভুল আর করবো না, মায়া।
দেখো, আমিও খাবো না, বলে দিলাম!
মায়া, এখনো আমার উপর রেগে আছো?
বললাম তো, এরকমটা আর হবে না।
প্লিজ, মায়া। কথা বলো।
শোনো, মায়া। আমার রাগ উঠিও না। বললাম না এবারের মতো মাফ করে দাও।
আমার রাগ উঠলে কী হয় সেটা জানো তুমি, তাইনা?
এতক্ষণ ধরে কথা বলে যাচ্ছি আর তুমি চুপ করেই আছো।
আমার কোনো দাম নেই? আমি কিছুই করতে পারব না?
মাফ করে দিয়েছ সেটা একবার বললে নিজের সম্পত্তি হারাবে নাকি তুমি?
ক্ষমা না করা পর্যন্ত, সরি বলতেই থাকব।
যথেষ্ট হয়েছে।
যথেষ্ট হয়েছে!
সরি বলেছি তো!
আবার ভয় পেয়েছো?
হ্যাঁ, মায়া।
আবার ওই স্বপ্ন।
সেজন্যে তোমাকে বলি, এসব হরর সিনেমা একদম দেখবে না।
ঘুমাও।
আধিয়াকে প্রিন্সিপাল স্যার ডেকেছেন।
আধিয়া, যাও মা।
আবার কী করেছিস?
- কিছুই তো করিনি। - তাহলে ডেকেছেন কেন?
- আরে, জানি না... - জলদি আসো। লাঞ্চের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে...
হ্যাঁ, স্যার। আসছি।
ওহ, আধিয়া। আসো মা, আসো।
ভেতরে আসো।
লাঞ্চ করেছ?
হ্যাঁ, স্যার।
স্যার, আপনি আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন...?
- বলছি আমি। বসো তুমি। - না, স্যার। সমস্যা নেই।
আরে, বসো তো, মা!
বসো।
ম্যাডাম, ওর নাম আধিয়া
আমাদের কলেজের সবথেকে মেধাবী, বুদ্ধিমান, আর সাহসী স্টুডেন্ট।
- আসলে, ওর জন্যে আমাদের কলেজ গর্ববোধ করে। - এই কথা কালকে মায়াকে বললে, এত নাটক করতে হতো না।
আধিয়া, ইনি মালতি শর্মা।
নারী-কেন্দ্রীক কলামে সাক্ষাৎকার নিতে তিনি ব্যাঙ্গালোর থেকে এসেছেন তোমার ইন্টারভিউ নেয়ার জন্য।
দেখলে? কতটা বিখ্যাত হয়ে গেছো তুমি?
ইন্টারভিউ? আমার?
- আমি কী করেছি, স্যার? - কী সব বলছো তুমি?
আধিয়া, তোমার কলেজের ঘটনার ভিডিওটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক বেশি ভাইরাল হয়েছে।
- প্রত্যেকটা মানুষ তোমাকে ব্যাপারে বলাবলি করছে। - তাতে কী?
তাই, আমি তোমার উপর একটা কলাম লিখতে চাই।
মায়া ইন্টারভিউ একদমই পছন্দ করে না।
- এই ব্যাপারে সে জানতে পারলে... - মায়াই তো, তাইনা?
আমি ওর প্রশ্নের উত্তর দেবো।
তুমি উনার প্রশ্নের উত্তর দাও।
আপনি জিজ্ঞেস করুন, ম্যাডাম। সে উত্তর দিবে।
No comments yet. Be the first to leave one.