The first 200 lines.
কোন ঝামেলা হয়েছে নাকি?
হায়রে।
এসব কিভাবে হলো?
কি বাজে ধোঁয়া বেরোচ্ছে।
আশেপাশে কোথাও কোন কার সেন্টার আছে কিনা বলতে পারেন?
আপনার কি মনে হয় আমাদের এখানে তেমন কোন জায়গা থাকবে না তাই সম্ভব?
তাহলে সেটা কোথায়?
- শুনুন... - হ্যাঁ?
এইদিক দিয়ে সোজা নেমে গেলে,
- আপনি দুটো রাস্তা দেখতে পাবেন। - মানে দুইটা রাস্তা।
সেখান থেকে, খেজুর গাছের দিক ধরে, ২০ মিটার সামনে এগোবেন,
৩০ মিটার ডানে গিয়ে, আড়াআড়িভাবে সামনে গেলেই,
আপনি ওটা পাবেন।
আসি,তাহলে। গুড লাক।
এটা নিয়ে এতদূর আমরা কিভাবে যাবো?
আমাদের কি টানার জন্য কোন ট্রাক ডাকা উচিত?
নে। ধাক্কা দে।
এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকবি নাকি? জলদি কর আর ধাক্কা দে, গাধা কোথাকার।
কিরে! তুইও ধাক্কা দে।
অসহ্য সব।
আরও জোরে।
এইতো এসে গেছি।
থাম থাম।
কে আছেন এখানে?
ভেতরে কেউ আছেন?
হ্যাঁ। ওয়েলকাম।
কি? এটা আপনার দোকান?
দেখে কি মনে হচ্ছে?
তাহলে আপনি আমাদের গাড়িটা এখান পর্যন্ত টেনে আনলে কি হত?
আপনি তো সেকথা আমাকে বলেননি।
সেটা আবার আপনাকে মুখে বলতে হবে?
অবস্থা দেখেই কি আপনি বুঝতে পারেননি?
কি মুসিবত।
তাহলে গাড়িটা আগের জায়গায় রেখে এসে আমাকে আনতে বলেন।
আমি গিয়ে ওটা টেনে আনবো।
আচ্ছা ছাড়ুন।
- জলদি এটা ঠিক করে দেন। - পারবো না।
আপনিই তো বলেছিলেন যে এখানে গাড়ি মেরামত করেন।
একবার এদিকে দেখেন তো।
সবগুলো এখানে লাইন ধরে অপেক্ষা করছে।
আপনাকে আপনার পালা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
- মেরামত করতে কত খরচ পরবে? - আপাতত ১০০ ডলার দিলেই চলবে।
নেন। পারবেন না এখনই ঠিক করে দিতে ?
আমি আপনাকে ১০০ ডলার দিতে বলেছি। আপনি এত টাকা কেন দিচ্ছেন?
তাছাড়া, আমি এটা এখন ঠিক করতে পারবো না।
- এখনই মেরামত করে দিন। - আমি বলেছি তো পারবো না।
ধ্যাত্তেরি। কত টাকা চাই আপনার?
১০০ ডলার চাই ১০০ ডলার।
এককথা কতবার বলবো আপনাকে?
যত্তসব।
ওই। ধাক্কা দে।
আমি এখানে গাড়ি মেরামত করাবো না, এখনই ধাক্কা দেয়া শুরু কর।
- আরে দাঁড়া... - ছাড় আমাকে!
হুহ!
আসলে আমাদের একটু তাড়া আছে। আর কি কোন উপায় নেই?
আপনাদের তাড়া আছে?
প্রবীণদের জন্য একটি শো করতে আমাদের শহরে যেতে হবে।
- প্লিজ আপনি কি আমাদের সাহায্য করতে পারবেন? - প্রবীণদের জন্য একটি শো?
সেকথা আগে বলবেন তো!
টাকা-পয়সা এসব ক্ষেত্রে কোন ব্যাপারই না।
মানুষের সাহায্য করতে হলে, সবার আগে আসে আন্তরিকতা।
কি ঠিক বলিনি?
আমি এখনই পার্টসগুলা আনছি,
কষ্ট করে গাড়িটা একটু সামনে এনে রাখবেন।
অসহ্য, একটা পাগল ভাঁড় কোথাকার।
ব্যাটা আমার একটা কথাও শুনলো না
নে আয়।
সবকিছু তৈরী রাখ। আমাদের বিকালে কাজ শুরু করতে হবে।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
ওরা বলছে যে ওরা বিকাল থেকে শুরু করবে।
তাহলে আমাদেরও কি শুরু করে দেয়া উচিত?
ওকে।
এসে গেছি আমি সাং-জি। আপনাদের প্রিয় সাং-জি।
হ্যালো। আমি ইয়্যু সাং-জি।
দারুণ!
আম্মাজান, আব্বাজান। আপনাদের অনেক ভালোবাসি!
তোমাকে মেসেজ পাঠিয়ে দিয়েছি।
মুরুব্বি,মাফ করবেন। আমি একটু বেশিই উত্তেজিত হয়ে গেছিলাম।
হোক দিন
অথবা রাত।
আমি পৌঁছে যাবো তোমারই কাছে।
ওকে। প্রথম স্থান অধিকার করেছে...
- নম্বর ২৭! - ধ্যাত্তেরি!
নম্বর ২৭!
আমিই নম্বর ২৭!
সবাইকে ধন্যবাদ।
আমি আগে কখনো লটারি জিতিনি।
দারুণ!
হে ঈশ্বর।
অনেক অভিনন্দন।
কি সুন্দর!
যান গিয়ে সিটে বসেন।
খুব ভালো। আপনারা কি আরও উপহার চান না?
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ।
আর তাই আমি আরও প্রাইজের ব্যবস্থা রেখেছি!
- আরও প্রাইজ! - আরও প্রাইজ !
- পার্ট ২। - পার্ট ২।
পার্ট টু এর প্রাইজগুলো এর থেকেও বড়,
তাই সবাই তৈরী হয়ে যান!
আরে,বাপরে।
আম্মাজান, আসেন একটা সেল্ফি নেই। রেডি?
বলেন, কিমচি।!
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সঞ্চারী ইসলাম
এটা একটু খেয়ে দেখো।
- হ্যাঁ, আমি জানি তো। - বাহ।
ওকে।
এবার কে জিততে চাচ্ছে সেই প্রাইজ?
কত্ত বড়!
- নম্বর ৫! - নম্বর ৫!
- নম্বর ৫! - নম্বর ৫!
নম্বর ৫!
নম্বর ৫! ইয়েস!
জিত্তা গেসি!
জিত্তা গেসি! আমার ভাইয়ের জন্য একটা তালি!
ইয়াং মিন ইয়্যু এর জন্য তালি হবে!
মরার শখ হয়েছে নাকি?
বল!
কাজটা কি ঠিকমত করতে চাস?
আগামীকাল আমি বাজার থেকে ওগুলো নিয়ে আসবো,
তাই সব ভালোভাবে তৈরী রাখবি।
আবার যদি এমন আধা-খ্যাঁচড়া কাজ করিস, তাহলে জানে মেরে ফেলবো।
জ্বি!
এই মিষ্টি আলুগুলো...
ওহ-বক দাদাজান জঙ্গলথেকে নিজ হাতে তুলে এনেছেন।
আলুগুলো খুবই মিষ্টি!
-মিষ্টি আলু! -মিষ্টি আলু!
- ওয়েলকাম! -মিষ্টি আলু!
আমরা পেরেছি!
-মিষ্টি আলু! -এগুলো কি মিষ্টি আলু!?
-মিষ্টি আলু! -মিষ্টি আলু!
ঈশ্বর।
বাপরে, এরা তো দেখছি খুবই দৃঢ় মনোবলসম্পন্ন।
কিন্তু আমাদের মনোবল আরও শক্ত।
আসুন দেখে যান!
কখনো নিজের এই উদ্যোম হারাবে না।
ক্ষুধা না পেলেও, সময়মত খেয়ে নেবে।
আগামীকাল আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী,
তাই আমি ভেবেছি ওর জন্য অনেক কিছু রান্না করবো।
বছরের এই একটা দিনই তুমি ওকে দেখতে পাবে,
তাই অবশ্যই তোমার উচিত ওর জন্য সুস্বাদু সব খাবার রান্না করা।
একটু দাঁড়াও।
আমি ক্ষেত থেকে কিছু সব্জি এনেছিলাম।
তার দরকার নেই, আব্বাজান।
এটা একটা উপহার।
আপনাকে শুধু সাধারণ উপযোগিতা চার্জ এবং ট্যাক্স দিতে হবে।
আমার এগুলো ব্যাপারে কোন ধারণাই নেই, তুমি আমাকে ভেঙে বললেও আমি কিছুই বুঝবো না।
- তুমি আমার হয়ে কাজটা করে দেবে? - আমি?
আপনার কাছে কি এমন ছোট একটা কার্ড আছে?
হ্যাঁ। আছে তো।
এইযে নাও বাবা।
নগদ টাকাটা আপনার কাছেই রাখেন।
বাকি সব আমি সামলে নেবো।
কার্ডে যা আছে সব বের করে বারোটা কিস্তিতে সেট করো।
এসব কি হচ্ছে?
আপনারা কি কোন কিছু বিক্রি করছেন?
এটা সবরকম ট্রান্সমিশন বন্ধ করে দেবে।
একদম আটকে দেবে।
শুধু একটা ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
কি সেটা?
দূরত্ব কম হতে হবে।
ভাই, এটা তো কাজ করছে না...
আব্বাজান অপেক্ষা করছে। কি শুরু করলি?
দে আমার কাছে দে।
মনে হচ্ছে সিগনাল নেই।
আব্বাজান, একটু দাঁড়ান।
আরে, এইতো এখন কাজ করছে।
আমি ভাবছিলাম এমন একটা নেবো। কেমন হবে নিলে?
আবার কি হলো?
ধুর।
হে ঈশ্বর।
কিন্তু এটা কিভাবে পিঠে আর কোমরে লাগাতে হয়?
আমি একা থাকি।
এভাবে এখানে লাগাবো? নাকি এই পাশে এভাবে?
- ভালো লাগবে? - আপনি আমাকে ইচ্ছা করে বিরক্ত করার জন্য...
এমন পিছেপিছে ঘুরছেন?
এটা আমি আপনার কাছে বিক্রিই করবো না, মুরুব্বি।
যান তো যান!
ওরেহ,বাবা।
ধ্যাত্তেরি।
আপনি আমাকে "মুরুব্বি" বলে ডাকলেন কেন?
আমি তো একজন তরুণ যুবক যে কিনা এখনো বিয়েই করেনি!
ক্ষমা চাও আমার কাছে।
ক্ষমা চাও।
সব তোর জন্য!
আমি তো কিছুই করিনি।
এখনই চলে যাচ্ছি।
কি হলো এটার আবার? ভেঙে গেছে।
এই, এদিকে আয়।
আয় বলছি। মেরামত কর এটা!
এইযে, তুই! ফিরে আয় বলছি।
- আয় বলছি... - মাথা ঠাণ্ডা করেন।
- উনি সব দেখতে পাচ্ছেন। - হ্যাঁ।
- আব্বাজান। - নিন এটা রাখুন।
সব ঠিক আছে।
এই মুহুর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না...
কি অদ্ভুদরে বাবা। কেউ ফোনটা ধরছে না কেনো?
ম্যাম।
আপনি বলেছিলেন না যে একটা লাল ব্যাগ ফেলে এসেছিলেন গাড়িতে?
হ্যাঁ, কিন্তু এখানে কেউ এলে আমি আবার এসে ওটা নাহয় নিয়ে যাবো।
তা হয় না।
No comments yet. Be the first to leave one.