1917

1917

Download Bengali Subtitle

Release info

1917 2019 BDRip XviD AC3-EVO [01:58:58 Sec ]
1917 2019 720p/1080p BrRip x265 HEVC-PSA
1917 2019 720p/1080p BluRay x264 AAC5 1-[YTS MX]
1917 2019 1080p BluRay H264 AAC-RARBG
1917 2019 720p BluRay H264 AAC-RARBG
1917 2019 720p BRRip XviD AC3-XVID [01:58:58 Sec ]
1917 2019 BRRip XviD AC3/MP3-XVID [01:58:58 Sec ]
1917 2019 1080p BluRay x264-WUTANG [01:58:58 Sec ]
1917 2019 720p BluRay x264-SPARKS [01:58:58 Sec ]
A Commentary by Anisur_Rahman_19
★★★ মুভিটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ৬ এপ্রিল , ১৯১৭ সালের কাহিনী নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে. মুভিটা শুরু হয় একটা গাছের নীচ থেকে আবার শেষও হয় একটা গাছের নীচে. মাঝখানে ঘটে যায় অসাধারণ সব কাহিনী আর শেষে দিয়ে যায় একঝাক অনুভূতি. মুভিটি উপভোগ করুন বেস্ট কোয়ালিটি BluRay প

Tags

brrip
720p
720
1080
x265
HEVC
BluRay
x264
TS
YTS
XviD
AC3
Published on: 2020-03-13
Downloads: 199
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

ব্লেইক.

ব্লেইক.

দুঃখিত , সার্জেন্ট.

একজন সৈনিককে সাথে নিয়ে ক্যাম্পে দেখা করো.

ঠিক আছে , সার্জেন্ট.

তাড়াতাড়ি আসো.

ঠিক আছে , সার্জেন্ট.

তারা কি আমাদের কোনো তথ্য দিয়েছিল ?

না. শুধু চিঠি দিয়েছে.

বাচ্চার মা হচ্ছে মার্টল.

তোর কাছে কি কোনো চিঠি এসেছে ?

না.

ওহ , প্রচন্ড খিদে পেয়েছে আমার. তোর খিদে লাগেনি ?

মনে করেছিলাম এখানে হয়তো ভালোমন্দ খেতে পারব.

তাইতো যাজক না হয়ে যুদ্ধে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম.

রুমালের ভিতরে কী রেখেছিস ?

রুটি আর শূকরের মাংস.

এগুলো তুই পেলি কোথায় ?

আমি খাবার যোগাড় করার উপায় জানি.

নে.

খেতে পুরনো জুতার মতো লাগছে.

এটা খেয়ে খুশি থাক. আগামী সপ্তার এমন সময় , আমরা চিকেন দিয়ে ডিনার করব.

আমার কপালে নেই.

আমার ছুটি বাতিল করা হয়েছে.

ছুটি বাতিলের কারণটা কি বলেছে ?

নাহ.

এখানে থাকাটা খুবই কষ্টকর.

সরে দাঁড়াও !

কিছু একটা হতে চলেছে. তুই কি কিছু শুনেছিলি এটা সম্পর্কে ?

না তো.

জার্মান অধিকৃত এলাকার ঢুকার প্রস্তুতি চলছে হয়তো , তুই কি বলিস ?

১০ ববের বাজি. আমি বলছি আমরা জার্মান অধিকৃত এলাকায় ঢুকব.

আমি এই বাজি ধরব না.

কেন ? আমি জিতে যাই কিনা সেই ভয়ে ?

না. কারণ তোর কাছে অত টাকা নেই.

সময় কম , জেন্টেলম্যান.

- কোনো সংবাদ আছে নাকি , সার্জেন্ট ? - কিসের সংবাদ ?

জার্মান এলাকায় ঢোকার সংবাদ. সপ্তাহ খানেক আগেই তো এটা হওয়ার কথা ছিল.

আমাদের তো বলেছিল বড়দিনের আগেই বাসায় ফিরতে পারব.

হ্যাঁ , তোমার আগাম ঠিক করে রাখা সিডিউলে বাগড়া দেয়ার জন্য দুঃখিত , ব্লেইক ,

কিন্তু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি.

হতাশ হলাম , সার্জেন্ট. কিছু তুর্কিকে আমি সামলে নিতে পারতাম.

ঠিক আছে , তোমার হতাশার খবর আমি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরব.

তো , হঠাৎ তলব করল কী কারণে , সার্জেন্ট ?

জার্মানরা কিছু একটা করার প্লান করছে.

প্লানটা কী হতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানা আছে নাকি ?

সেটা জানা নেই. কিন্তু এটা জানা হয়ে গেছে তাদের এই প্লান আমাদের ছুটিটা মাটি করে ছাড়বে.

এখন শুনো.

এরিনমোর ভিতরে আছেন , তো , ভিতরে ভালোভাবে আসো.

কী জানি , এবার হয়তো তোমাদের দিয়ে চিঠি প্রেরণের কথা বলবে ...

যদি উল্টোপাল্টা কিছু করে না বসো.

জেনারেল নিজেই এসেছে মানে নিশ্চয় বড় কিছু হয়েছে.

ল্যান্স কর্পোরাল ব্লেইক আর স্কোফিল্ড , স্যার.

ব্লেইক কে তোমাদের মধ্যে ?

আমি স্যার.

দ্বিতীয় বিভাগে লেফটেন্যান্ট একটা ভাই আছে না তোমার ?

জ্বি , স্যার. জোসেফ ব্লেইক. ও কি ...

বেঁচে আছে. আমার জানামতে.

আর তোমাদের সাহায্যে , ও যেন বেঁচে থাকে সেটাই নিশ্চিত করতে চাই.

স্যান্ডার্স আমাকে বলেছে , ম্যাপ সম্পর্কে নাকি ভালো ধারণা আছে তোমার , কথা কি সত্য ?

মোটামুটি , স্যার.

তো ...

আমরা এখানে আছি.

দ্বিতীয় বিভাগ অগ্রসর হচ্ছে এদিকে.

ওখানে পৌঁছাতে তোমাদের কত সময় লাগবে ?

ঠিক বুঝলাম না বিষয়টা , স্যার.

- স্যার , ওই জায়গাটা জার্মানদের দখলে আছে. - চলে গেছে জার্মানরা.

তাই বলে আশায় বুক ভাসিয়ে দিয়ো না.

মনে হচ্ছে পিছু হটার পিছনে তাদের কোনো চাল আছে.

ম্যাপ দেখে যা বুঝলাম , এখান থেকে নয় মাইল দূরে জার্মানরা নতুন একটা লাইন তৈরি করেছে.

কর্নেল ম্যাকেনজি দ্বিতীয় বিভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন.

গতকাল সকালে বার্তা পাঠিয়েছিল পিছু হটতে থাকা জার্মানদের সে ধাওয়া করবে.

কর্নেল উপলব্ধি করেছে জার্মানরা দৌড়ের উপর রয়েছে.

আর এখন যদি সে তাদের লাইন ভাঙতে পারে , তাহলে অবস্থার পরিবর্তন আসবে.

তার বুঝার ভুল আছে.

কর্নেল ম্যাকেনজি প্রতিপক্ষের নতুন লাইনের বিমান সম্পর্কে জানেনা.

এদিকে আসো , জেন্টেলম্যান.

তিন মাইলব্যাপী এত জোরালো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা , পরিখাপ্রাচীর ...

বড় কামান , আমরা আগে কখনো দেখিনি.

দ্বিতীয় বিভাগ হয়তো আগামীকাল খুব সকালে জার্মান লাইনে আক্রমণ শুরু করবে.

তাদের কোনো ধারনাই নেই তারা কী করতে চলেছে.

আর আমরা তাদের সতর্ক করতেও পারছি না.

কারণ পিছু হটার সময় বিদায়ী উপহার হিসেবে , জার্মানরা আমাদের টেলিগ্রাম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে.

তোমাদের প্রতি ক্রইসেইলস জঙ্গলে দ্বিতীয় বিভাগের কাছে পৌছানোর আদেশ থাকল.

জঙ্গলটা ইকোস্ট শহরের এক মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত.

এটা কর্নেল ম্যাকেনজির কাছে পৌঁছে দেবে.

এটা আগামীকাল সকালের আক্রমণ বাতিলের সরাসরি আদেশ.

যদি তোমরা এটা পৌঁছাতে না পারো , ধ্বংস হয়ে যাবে সবকিছু.

তোমার ভাইসহ , দুইটা সৈন্যদলের ১৬০০ সৈনিককে আমরা হারিয়ে ফেলব.

তোমার কি মনে হয় তুমি ওখানে সময়মতো পৌঁছাতে পারবে ?

জ্বি , স্যার.

কোনো কিছু কি জানার আছে ?

- না , স্যার. - যাক ভালো.

এবার তোমার পালা , লেফটেন্যান্ট.

সাপ্লাই নিয়ে নাও , জেন্টেলম্যান.

ম্যাপ , টর্চ লাইট , গ্রেনেড আর , আহ , কিছু ছোটখাট ট্রিট.

এখনই বেরিয়ে পড়ো. এই পরিখা ধরে সকিহেল স্ট্রিট দিয়ে পশ্চিমে চলে যাবে ,

তারপর প্যারাডাইস গলির সামনে দিয়ে উত্তর-পশ্চিমে.

ইয়র্কসদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত সম্মুখ সারির দিকে চলতে থাকবে.

এই নোটটা মেজর স্টিভেনসনের কাছে দিবে.

উনি কম সময়ে “নো-ম্যানস-ল্যান্ড” যাওয়ার রাস্তা ধরে আছেন.

ওখান থেকেই পার হবে তোমরা.

এখন তো দিনের আলো আছে , স্যার. তারা তো আমাদের দেখে ফেলবে.

চিন্তার কিছু নেই.

তোমরা কোনো বিপদের সম্মুখীন হবেনা.

স্যার , আমাদের সাথে কি আর কেউ যাবেনা ?

"নরকের নীচ কিংবা সিংহাসনের উপর , একা যে চলে সেই করে দ্রুত ভ্রমণ."

- তুমি কি বলো , লেফটেন্যান্ট ? - জ্বি , স্যার , কথা ঠিক আছে.

শুভ কামনা.

ব্লেইক , এক মিনিট কথা বলা যাক এটা নিয়ে.

কেন ?

ব্লেইক !

এটা আমাদের একটু ভেবে দেখা দরকার.

ভাবার কিছুই নেই. এটা আমার বড় ভাইয়ের জীবন মরণ প্রশ্ন.

- কমপক্ষে , আমাদের সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত. - এরিনমোর অবিলম্বে রওনা হতে বলেছিল.

এরিনমোর কিন্তু কখনো “নো-ম্যানস-ল্যান্ড” দেখিনি.

আমরা ১০ গজও পার হতে পারব না বলে দিলাম.

প্লিজ , থাম একটু ...

কী বলেছিল তুই তো শুনেছিস. বলেছিল ওখান থেকে চলে গেছে জার্মানরা.

তাহলে আমাদের গ্রেনেড দিলো কী কারণে ?

- ধীরে সুস্থে চলাফেরা করো. - দুঃখিত.

যাব না তো বলিনি. আমি শুধু একটু অপেক্ষা করতে বলছি.

হ্যাঁ , তুই তো বলবিই এমন কথা. তোর ভাই হলে এমন কথা বলতে পারতিস তুই ?

দেখ , শেষবার আমি শুনেছিলাম জার্মানরা চলে গেছে , কিন্তু শেষমেষ পরিণতি কিন্তু খারাপ হয়েছিল.

তুই তো কিছু জানিস না , ব্লেইক. তুই তো জানিস না ওখানে কী হয়েছিল.

যেতে দিন. যেতে দিন.

যেতে দিন.

তোরা গুড়িয়ে যাওয়া পরিখার দিকে যাচ্ছিস , নির্বোধ কোথাকার.

জেনারেলের আদেশ , স্যার.

ঠিক আছে. ধরে নিলাম জার্মানরা চলে গেছে.

কিন্তু নয় মাইল যেতে আমাদের কত ঘন্টা লাগবে , ছয় ঘন্টা ?

আচ্ছা ধরে নিলাম সর্বোচ্চ আট ঘন্টা.

তো , সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও আমাদের হাতে সময় থাকে.

- ওটা প্রতিপক্ষের এলাকা. - নাহলে আমাদের স্পষ্ট দেখা যাবে দিনের আলোয়.

আমরা জানিই না আমাদের সাথে কী ঘটতে চলেছে.

ব্লেইক , আমরা বুদ্ধি খাটিয়ে না চললে কখনোই তোর ভায়ের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবেনা.

আমি সম্ভব করে দেখিয়ে দেবো.

আমরা চলে এসেছি. এটাই সম্মুখ সারি.

এখন আমাদের ইয়র্কসদের খুঁজে বের করা দরকার.

সরি , বন্ধু.

- ঠেলা মারার আগে কাকে ঠেলা মারছিস দেখে নিবি. - ঠেলা মারার আগে রাস্তা থেকে সরে যাবি.

হেই , নিজেকে তুই কী মনে করিস , আহত সৈনিকদের ঠেলা মারিস তোর এত বড় সাহস ?!

আহত কিনা আমি জানতাম না. আমাকে ছেড়ে দে !

আমাদের সার্জেন্টকে ব্যাটা মাটিতে ফেলে দিয়েছে ! মাটিতে পড়ে লোকটা আহত হয়েছে !

আমি দুঃখিত , ঠিক আছে ? আমার ভুল হয়েছে !

- আমাদের একটা কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে. - আমাকে যেতে দে.

- জেনারেলের আদেশ. - আমাকে যেতে দে বলছি.

রাস্তা থেকে সরো.

ঠিক আছে. কিন্তু সাবধানে চলাফেরা করবে.

শুনশান অবস্থা বিরাজ করছে.

থেইপভ্যালে কি আগে কখনো এমনটা হয়েছিল ?

মনে নেই.

তোর কি সোমের যুদ্ধের কথা মনে পড়ে ?

- সত্যি বলতে মনে পড়ে নাহ. - হেই , যেতে দাও আমাদের. সরো.

ওখান থেকে চলে এসে তুই ভালো কাজ করেছিস.

কমপক্ষে তোর ফিতাটা তো গলায় দে.

ওটা এখন আর আমার কাছে নেই.

কী ? তুই তোর মেডেল হারিয়ে ফেলেছিস ?

সামনে সব ধ্বংস হয়ে গেছে , সৈনিকেরা.

হাত চালাও , সৈনিকেরা. খুড়তে থাকো.

মাথা নীচু রাখ.

আরে আরে. সাবধানে পা ফেলো.

তুমি মরা লাশের উপর পা রেখেছ.

উনি আমাদের সার্জেন্ট ছিলেন.

পাইপ দিয়ে ধুয়ে ছাউনি থেকে দূর করতে পারলে মনে শান্তি পেতাম.

ইয়র্কসরা কোথায় বলতে পারেন ?

পরের মোড়ে তোমরা তাদের অর্ধেকের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে.

দুইরাত আগে সবকটা গুলি খেয়ে মরেছে.

ইয়োর্কস ?

জ্বি , কর্পোরাল.

মেজর স্টিভেনসন কোথায় ?

কয়েক রাত আগেই পটল তুলেছে , কর্পোরাল.

এখন দায়িত্বে আছেন লেফটেন্যান্ট লেজলি.

তাকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে ?

পরবর্তী ছাউনিতে.

এদিকে.

স্যার ?

- লেফটেন্যান্ট লেজলি , স্যার ? - কী সমস্যা ?

আমাদের কাছে জেনারেল এরিনমোরের একটা মেসেজ আছে.

- তোমরা কি আমাদের বদলি সৈনিক ? - না , স্যার.

তাহলে বদলি সৈনিক কখন পাঠাবে ?

আমরা জানিনা ,স্যার , কিন্তু আমাদের এখান থেকে সীমানা অতিক্রম করার আদেশ দেওয়া হয়েছে.

ওটা কিন্তু জার্মানদের সম্মুখ সারি.

আমরা জানি , স্যার.

চিঠিটা একবার দেখুন.

একটা প্রশ্নের উত্তর দাও , কী বার আজকে ?

শুক্রবাব.

শুক্রবার. তাহলে আমাদের কারোটা সঠিক হয়নি.

- ওই হাদারাম মনে করেছিল আজ মঙ্গলবার. - দুঃখিত , স্যার.

মাথা মুণ্ড সব খারাপ হয়ে গেছে নাকি তাদের ?

মাত্র এক রাত , তাতেই উচ্চপদস্তরা ভেবে নিয়েছে জার্মানরা বাড়ি চলে গেছে.

আপনি কি মনে করেন তারা ভুল ভেবেছে , স্যার ?

দুইরাত আগে আমরা একজন অফিসার আর তিনজন সৈনিককে হারিয়েছি.

তাদের গুলি করে কাটাতারের সাথে লটকায়ে রেখেছিল.

দুইজনকে আমরা টেনেহিঁচড়ে এখানে নিয়ে এসেছিলাম. যদিও কোনো লাভ হয়নি ...

স্যার , জেনারেল তো নিশ্চিত যে জার্মানরা পিছু হটেছে.

- নতুন লাইনে বিমান প্রটেকশন আছে ... - চুপ থাকো.

এখানের প্রতি ইঞ্চি জায়গার জন্য আমরা লড়াই করে জীবন দিয়েছি.

এখন হঠাৎ করে নয় মাইলের কাজ চাপিয়ে দিচ্ছে ? এটা করা মানে ফাঁদে পা দেয়া.

কিন্তু প্রমোশন পাবে. সফল হলে নিশ্চিত পদক পাবে.

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left