Wings of Desire

Wings of Desire (Der Himmel über Berlin)

Download Bengali Subtitle

Release info

Wings of Desire 1987 720p Bluray x264 anoXmous eng
Wings of Desire 1987 1080p Bluray x264-YTS
Wings of Desire 1987 720p Bluray x264-YTS
Wings of Desire 1987 720p BluRay x264 AAC eng
Wings of Desire 1987 1080p BluRay x264 AC3-ONe
Wings of Desire 1987 720p BRRip H264 AC3-CODY
Wings of Desire 1987 GERMAN 1080p BluRay x264 DTS-FGT
Wings of Desire 1987 BDRip 720p Ita Deu x265-NAHOM
Wings of Desire 1987 GERMAN 720p BluRay H264 AAC-RARBG
A Commentary by Irtiza_Chowdhury

Tags

BluRay
x264
720p
720
TS
YTS
1080
AC3
brrip
Published on: 2020-02-13
Downloads: 75
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

ছোট থাকতে বাচ্চাটা...

হাত দুটো দুলিয়ে হেঁটে বেড়াতো।

সে চাইতো, জলধারাটা নদীতে...

নদীর স্রোতটা তীব্র বৃষ্টিতে...

আর সেই বৃষ্টির পানি যেন সমুদ্রে রূপ নেয়।

ছোট থাকতে বাচ্চাটা...

জানতো না যে সে একটা বাচ্চা।

জীবনে ছিল আনন্দের প্রাচুর্য ;

ছিল না বেড়ে ওঠার কোনো চিন্তা।

ছোট থাকতে বাচ্চাটার ছিল না কোনোকিছু নিয়ে কোনো অভিমত।

তার ছিল না কোনো অভ্যাস।

আনমনে বসে থাকতে থাকতে প্রায়ই দৌড় দিতো সে,

এক ফালি এলোমেলো চুল মাথায় নিয়ে...

আর কেউ ছবি তুললে, মুখ ভেংচি দিতো না সে।

তাকাও!

খোলা আকাশের নিচে স্বাধীনভাবে হেঁটে বেড়ানোতে যে শান্তি ;

দিনের বেলা মানুষের চোখে ঝিকমিক করে বেড়ানো রঙের মেলায়...

হারিয়ে যাওয়াতে যে শান্তি।

অবশেষে উন্মাদনার আলিঙ্গনে একাকীত্ব ঘুচে গিয়েছে!

অবশেষে মুক্তির খোঁজ মিলেছে!

অবশেষে শান্তির প্রহর এসেছে!

অবশেষে আত্মোপলব্ধি দানা বেঁধেছে।

৯ টা বাজে এখন। এইতো প্রায় পৌঁছে গেছি।

...যখন আমি দৌড়ে ছুটে গেলাম

আর তাকে জড়িয়ে ধরলাম।

বাসাটা ছোট হলেও দোতলা ;

সাথে একটা বারান্দাও আছে।

প্রতিদিন যখন আমরা স্নানে যাই,

তখন যে লোকটা সেই বাসায় থাকে, তাকে চোখে পড়ে।

সিনেমার কাহিনীটা পুরো মাথার ওপর দিয়ে গেছে।

এমন রহস্যময় চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অনেক বেগ পেতে হবে।

শুটিং করতে গিয়েই সব বোঝা যাবে।

সুন্দর কস্টিউম তো পাবো অন্তত ; সেটাও তো কম নয়।

বার্লিন।

এমিল জেনিংস।

কেনেডি।

ভন স্টফেনবার্গ।

একখান পাবলিক বটে।

ছবিটা সুন্দর।

সেটা তো আর বার্লিনে নয়।

কী আসে যায় তাতে? যাওয়াটাই হলো আসল।

দাদীমা থাকলে নিশ্চিত বলতেন, ''ঘুরে বেড়াও"।

"যাও, ঘুরে বেড়াও"।

টোকিও, কিয়োটো...

প্যারিস, লন্ডন, ট্রিয়েস্ট...

বার্লিন।

টিভিতে দেখার মত কিচ্ছু নেই।

তুমি রঙ চিনতে ভুল করো আর সবসময় কাজের বেলায় দেরি করো।

এর মধ্যে এখন ফ্রিজ আর ওয়াশিং মেশিন ঢুকাবো কী করে?

পরে ভেবে দেখবো সেটা।

গন্ধটা একইরকম আছে, তবে আগের চেয়ে নোংরা হয়েছে।

উনি সবকিছু গুটিয়ে চলে গেছেন।

স্ট্যাম্প, পোস্টকার্ড।

...এমনকি ট্রেনের টিকিটগুলোও।

উনি কিছুই ফেলে দেননি কখনও।

চাইলেও পারতেন না।

মা - মা কখনোই সেভাবে আপন হয়ে ওঠেননি আমার কাছে।

বাবা....

বাবাই ছিলেন সবচেয়ে আপন।

মা মারা গেছেন।

তাতে কান্না করিনি, শোক করিনি।

পরে করবো হয়ত।

কতদিন পর যে এখানে আসলাম !

আমার বোন একটু পরেই আসবে। এর মধ্যে বের হয়ে যেতে হবে।

ধরতে পারলে ধরো !

মেয়েটা তোকে ভালোবাসে না, কখনো বাসেওনি।

তুইও সেটা না জানার ভান করে আছিস।

কেউ যে তোকে মনে রাখেনি, তাতে বরং খুশি হওয়া উচিৎ তোর।

এখন আর তোর কোনো পিছুটান নেই।

কোনো লাভ নেই এই জীবন রেখে ; এই দুনিয়ায় আর বাঁচতে চাই না আমি।

হে ঈশ্বর, ছেলেটার যে কী হবে?

সারাক্ষণ খালি গান নিয়ে পরে থাকে।

আর কত সুযোগ দিবো তাকে?

এখন আবার কী চাই তার?

ক'দিন আগেই তো গিটার কিনে দিলাম।

এখন আবার ড্রামের বায়না ধরেছে।

এত খরচ কী করে সামলাবো!

ওকে নিয়ে আর পেরে উঠছি না আমি।

ছেলেটা কি আদৌ কখনও বড় হবে?

অনেক হয়েছে। আর সহ্য করবো না আমি।

এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না।

নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে ছেলেটা।

এজন্যই তো ঝাকানাকা-মার্কা গান ভালো লাগে জনাবের।

আশা করি, একদিন ছেলেটার সুবুদ্ধি হবে।

ছোট থাকতে বাচ্চাটার মুখে...

এই জাতীয় প্রশ্নই মানাতোঃ

আমি আমার মত কেন,

তোমার মত না কেন আমি?

আমি এখানে কেন, সেখানে না কেন আমি?

সময়ের সূচনা কবে আর স্থানের শেষ কোথায়?

আমার মত ভবঘুরের এই জীবন কি নিছক স্বপ্ন নয়?

আমি যা দেখি, শুনি, শুঁকি...

তা এই জগতবাসীর চোখে কি নিছক মরীচিকা নয়?

শয়তানের অস্তিত্ব কি বাস্তবে আছে...

এবং মানুষের পক্ষে কি শয়তানি কাজে জড়ানো সম্ভব?

বর্তমানের যেই 'আমি'কে আমি মনেপ্রাণে অনুভব করি, কেন তা...

আগের 'আমি'র অনুভূতির মত নয়...

আর কেন একসময় বর্তমানের আমি...

সম্পূর্ণ বদলে, এক নতুন 'আমি'-তে রূপ নেবে?

বাচ্চাটার অক্সিজেন দরকার। আমাকে দীর্ঘশ্বাস নিতে হবে।

সাধ্যে থাকলে আমি ওর সব কষ্ট নিজের বুকে টেনে নিতাম।

বেশিক্ষণ সইতে হবে না। প্রায় হয়ে গেছে।

সোনামণি, তোমায় দেখার তর সইছে না। কেমন যে হবে তোমার চেহারাটা।

আর মাত্র কিছুসময়।

হারামজাদা!

মেয়েমানুষ মানেই মুসিবত।

ব্ল্যাকী, আমি তো পথ হারিয়ে ফেলেছি! কবরস্থানে কীভাবে যাবো আমরা এখন?

তো?

সূর্যোদয় ৭ টা বেজে ২২ মিনিটে, সূর্যাস্ত ৪ টা বেজে ২৮ মিনিটে।

চন্দ্রোদয় ৭ টা বেজে ৪ মিনিটে, চন্দ্রাস্ত...

হাভেল ও স্প্রি নদীর পানির উচ্চতা...

২০ বছর আগে এই দিনে...

একটা সোভিয়েত জেট বিমান স্পান্ডাউ হ্রদে আছড়ে পড়ে।

৫০ বছর আগে সর্বপ্রথম--

অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়।

২০০ বছর আগে, বেলুনে করে ব্ল্যাঞ্চার্ড সারা শহর ঘুরে বেড়ায় ;

সাম্প্রতিক সেই পলাতকদের মত।

আর আজ...

লিলিয়েন্থলের রাস্তা দিয়ে, এক লোক ধীরগতিতে হেঁটে যায়...

ও মহাজগত নিয়ে গভীর চিন্তায় পড়ে যায়।

আজই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়া ছেলেটা ৪৪ নং পোস্ট অফিসে...

তার শেষ চিঠিগুলোতে প্রাপকের স্ট্যাম্প মেরে দেয়।

একেক চিঠিতে একেকরকম স্ট্যাম্প।

এরপর সে এক ইংরেজ সৈনিকের সাথে ইংরেজিতে কথা বলে ;

স্কুল ছাড়ার পর এই প্রথম এতটা সাবলীলভাবে ইংরেজি বলল সে।

প্লতজেনসি'র এক কয়েদী...

দেয়ালে মাথা ফাটাবার ঠিক আগেই...

বলে ওঠে, ''এখন!''।

জু উবান স্টেশনের গার্ডটা স্টেশনের নাম বলার পরিবর্তে...

''তিয়েরা দেল ফুয়েগো'' বলে হঠাৎ চিৎকার দিয়ে ওঠে।

এক বৃদ্ধ এক বাচ্চাকে ''দ্য ওডিসি'' মহাকাব্যটা পড়ে শোনায়...

আর বাচ্চাটা অপলক দৃষ্টিতে তা শুনতে থাকে।

এবার তোমার যা বলার আছে বলো।

বৃষ্টির মধ্যে একজন পথচারী তার ছাতাটা ভাঁজ করায়...

সে ভিজে যায়।

এক স্কুল পড়ুয়া ছেলে...

ফার্ণ জন্মানোর প্রক্রিয়া বর্ণনা করে...

তার শিক্ষককে স্তম্ভিত করে দেয়।

এক অন্ধ মহিলা আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরে...

তার ঘড়ি হাতড়াতে লাগে।

আত্মা হয়ে বাঁচাটা উপভোগ করি আমি ; এর বদৌলতে অন্তকাল ধরে...

মানবমনের আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনার সাক্ষী হতে পারা যায়।

কিন্তু মাঝেমাঝে আত্মার এই জীবনটা একঘেয়ে লাগে।

সারাক্ষণ ভেসে কাটানোর পরিবর্তে...

আমি চাই, ভারী কোনো জিনিস আমার ওপর চেপে বসুক...

আর এই অন্তহীন অস্তিত্বের ইতি টেনে আমায় পৃথিবীতে আটকে রাখুক।

আমি চাই, আমার প্রতিটা মুহূর্ত অনন্তকালের বেড়াজাল ভেঙ্গে...

শুধুমাত্র সেই মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকুক ;

'চিরকাল' ও 'অনন্তকাল' এর এই ঘনঘটা দূর হয়ে যাক।

আমি চাই, নিজের মনমতো জায়গায় বসে আরামসে তাস খেলতে,

খেলায় বাকিদের কাছ থেকে বন্ধুসুলভ আচরণ পেতে।

যখনই কোনোকিছু করতে গিয়েছি, প্রতিবার শুধু ভানই করে গেছি।

কুস্তি খেলায়...

ভানের বশে আরেক কুস্তীগিরকে নাস্তানাবুদ করেছি...

ভানের বশে মাছ ধরেছি...

শত শত টেবিলে বসে ভানের বশে...

মদ খেয়েছি আর খাবার খেয়েছি।

সুদূর মরুভূমিতে, তাবুর মধ্যে যে...

মুরগির রোস্ট আর ওয়াইন চেখে দেখেছি, সেটাও ভানের বশেই।

না, আমার বিয়ে করার কিংবা গাছ লাগানোর কোনো ইচ্ছা নেই...

কিন্তু কার না ভালো লাগে...

সারাদিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে...

ফিলিপ মার্লোয়ি'র মত নিজের পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে ;

জ্বরে কাহিল হতে ;

আর আঙ্গুলগুলো খবরের কাগজ পড়তে পড়তে কালো করে ফেলতে ;

মনোজগতের পাশাপাশি এর বাইরের জগতের সামান্য একটা খাবার নিয়েও...

উৎসাহী হয়ে উঠতে ;

মানুষের বাহ্যিক রূপের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠতে।

মিথ্যা কথা বলতে!

কোনো অনুশোচনা ছাড়াই।

হাঁটার সময় শরীরে হাড়ের নড়াচড়াটা অনুভব করতে।

সবসময় সব জানার অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে অনুমান করতে।

রক্ষণশীলতা ও সীমাবদ্ধতার গণ্ডি পেরিয়ে বিন্দাস মানুষের মত কথা বলতে।

মাঝেমধ্যে শয়তানি কার্যকলাপে অংশ নিতে।

মানুষের মধ্যে দানা বাঁধতে থাকা যাবতীয় সব পাপাচারকে...

দুনিয়া থেকে চিরতরে নির্মূল করে দিতে।

অসভ্য হতে।

কিংবা টেবিলের নিচে জুতা খুলে...

খালি পায়ে আঙ্গুলগুলো নাড়াচাড়া করার...

যে অনুভূতি, তা অনুভব করতে।

নিজের মত থাকো!

জোর করে কিছু ঘটাতে যেও না!

সিরিয়াস থাকো!

যত মনবাসনা পূরণ করার, তা সিরিয়াস থেকেই করতে হবে।

খালি দেখবে, কিছু করবে না! সাক্ষী থেকে ঘটনাগুলোকে মাথায় রাখবে!

আত্মা হয়ে বেঁচে রও!

দূরত্ব বজায় রাখো। কথা দিয়ে কথা রাখো।

মার্সিডিজটা কি সুন্দর দেখুন একবার!

এসব জিনিস কেনার সাধ্য নেই আমার!

এই জাতীয় গাড়ি মানেই চোরের ভয় আর ভুরি ভুরি টাকার জলাঞ্জলি।

ভেবে দেখুন একবার...

মাথার ওপর ছাদটা খুলে, ধোঁয়াশার পর্দা সরিয়ে এগোচ্ছেন আপনি....

অত শখ নেই আমার!

আমি হলাম সেই গল্পকার...

যার গল্পের মহিমা চমকের জন্ম দিয়েছে পৃথিবীর প্রতিটা কোণায়...

কৌতূহল জাগিয়েছে শিশু, বৃদ্ধ সকলের মনে...

সাধারণ মানুষকে খুঁজে দিয়েছে দিশা।

সময় গড়াবার সাথে...

আমার শ্রোতারা আমার পাঠকে পরিণত হয়েছে।

এখান আর তারা গোল হয়ে বসে না;

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left