The first 200 lines.
বাংলা সাবটাইটেল সম্পর্কে মতামত জানাতে জয়েন করুন আমাদের ৪,০০০ মেম্বারের গ্রুপেঃ বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি
অপাস পিকচার্স নিবেদিত
একটি ট্রিনিটি এন্টারটেইনমেন্ট প্রোডাকশন
১৯৮৭, সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া।
ছেলে হুন-জু "তিনটি গণতান্ত্রিক নীতি প্রস্তাবিত হয়েছে"।
জং হাইয়োক "গিউমগাংসান বাঁধ, জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি"।
❤️সাবটাইটেল সমন্ধে BSMBD গ্রুপে আপনার মতামত দিন❤️
কিম বং হান পরিচালিত।
সাবধানে লোকেরা, আস্তে যাও।
শালার কুকুর।
মাসের পর মাস ধরেও ওটা আমাকে চিনতে পারে না!
দূর হ! ফালতু কুকুর!
অর্ডিনারি পার্সন সাধারণ ব্যক্তি
বোকাগুলি।
হাদারাম!
স্যালুট, স্যার!
আরে, না!
- টাকা পরিশোধ করবে? - পরের সপ্তাহে।
- ব্যবসা ভাল যাচ্ছে? - সবসময়ই পরের সপ্তাহ বলব।
মুখ সামলে কথা বল, গাধা।
বসো, আহাম্মক!
সিয়ং-জিন।
সুইফটির ব্যাপারে কিছু একটা করো।
চীফ আমাকে উপরে ডেকেছেন।
আমাদের ঘাড়ে নিশ্বাস পড়ছে!
তাই, সুইফটির ব্যাপারে কিছু একটা করো!
তাহলে, আমাকে আরও বেশি সময় দাও।
অথবা, আরো বেশি সাহায্য লাগবে।
সাহায্য এরমধ্যেই এখানে আছে।
স্যালুট, স্যার!
তুমি ওখানে বসে আছ কেন?
একজন গোয়েন্দার এখানে থাকা উচিত।
আমি দুঃখিত, স্যার। কারণ...
আমি এখনও আমার টেবিল পাইনি, স্যার।
আচ্ছা!
ওকে দেখতে সত্যিই চমৎকার লোকের মত লাগছে।
ওকে পেতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।
তাই, ওকে ভাল করে শেখাও।
একসব ওকেই করে নিতে হবে।
আরে, তুমি কোথায় যাচ্ছ?
সুইফটিকে ধরতে!
জিয়ন্নংয়ে কিছুক্ষণ নজর রাখতে যাব।
তাহলে ওই ড্রাই ক্লিনারে একটু ঘুরে এসো।
এরমধ্যেই রক্ত মাখা জামাকাপড়ের ব্যাপারে তিনটি ফোন এসেছে।
এক সময় একটা করে কাজ, প্লিজ!
তুমি কখনই আমার কথা শোন না!
অভদ্র হারামজাদা!
- টাক শালা। - ওটা আমার, স্যার।
- এইমাত্র তুমি কী বললে? - এই যে, তুমি কি আসছ?
স্যালুট, স্যার!
কাপড় শুকানোর দোকান।
- একেবারেই মাতাল... - আপনি কেন এসেছেন?
২ দিন আগে যে জিন্স দিয়েছিলাম, আমাকে সেগুলোও দিন।
জিন্স?
- দেখা যাক। - কত হয়েছে?
জিন্সগুলো যে কোথায় রেখেছিলাম?
আপনি কি জিন্সের জন্য এসেছেন?
না।
কোন?
এখানে আসুন।
কেন?
এখানে আসুন।
কীসের জন্য?
এটা গরম!
খুব গরম!
আমি কোনো ভুল করিনি।
সুইফটি এখানেই আছে।
ঠিক আছে!
- আমি কোন কিছু করিনি, স্যার। - কী হচ্ছে, স্যার?
- ওকে একটু দেখে রাখো। - আমি?
- চুপচাপ থাক। - ওদিকে।
আমি নির্দোষ!
ডিটেকটিভ, প্লিজ আমার হাতকড়া খুলে দিন।
বড় ভাই!
ওটা দেখেছ?
দশের মধ্যে নয় ভাগ নিশ্চিত, এটা মহিলার জায়গা।
এটা কি ভয়ংকর নয়?
এটা ভয়ংকর, স্যার।
হ্যাঁ।
স্ত্রী নয়, কিন্তু একজন নারী ভয়ংকর।
মনে রেখ।
জ্বি, স্যার।
- তুমি তাকিয়ে আছ কেন? - স্যার?
গিয়ে ওকে ধরো!
হ্যালো?
আমি পানি সরবরাহ এজেন্সি থেকে এসেছি।
কী হয়েছে?
সেপটিক ট্যাংক উপচে পড়ছে।
আমরা ড্রেনের পাইপ চেক করছি।
আপনি কি পরে করতে পারবেন?
এই মুহূর্তে আমি একটু ব্যস্ত আছি।
চেক করা না হলে,
- দুর্গন্ধ বের হবে। - তুমি কী করছ, সোনা?
পরে!
- সোনা, দৌড়াও! - থাম!
ধুর!
আহ, ছাড়ুন!
ওখানেই থাম বলছি, কুত্তা!
আমি সুইফটি. আপনি কাকে...
বেশ, বেশ!
- তোর কপাল খারাপ! - আমার চুল! চুল, টানবেন না!
ছেড়ে দিন, ছেড়ে দিন।
ছেড়ে দিন!
ঠিক আছে! ঠিক আছে!
ছেড়ে দিন, ছেড়ে দিন।
দশের মধ্যে নয়, এটা ছাদেই হবে।
- এটা কি ভয়ংকর নয়? - হ্যাঁ, এটা ভয়ংকর!
- আরে, হাতকড়া কই! - হাতকড়া!
ধুর!
হতচ্ছাড়া!
কি হলো...?
ধুর!
আহ, আমার হাঁটু।
স্যার! আপনি ঠিক আছেন?
থাম বলছি, গাধা!
বোকা!
স্যালুট, স্যার!
শালার আহাম্মক!
ওই, শোন!
- থাম! - দ্রুত নিচে এসো!
তুই তো মরেছিস!
সোনা, চলো যাই!
স্যার!
ওরকম করবে না!
ওই বদমাশটাই সুইফটি, ঠিক আছে?
আমার কথা বুঝতে পারছ?
তুমি কীসের বিষয়ে কথা বলছ?
বুঝতে পেরেছ, নাকি পারোনি?
বুঝতে পেরেছি, কিন্তু...
চীফ আমাকে প্রতিদিন ফোন করছে!
আগের দিন, আরেকটু হলে তার ছাইদানির আঘাত লাগছিল।
সে চায়, যেভাবেই হোক তাকে যেন ধরি।
তুমি এক গোয়েন্দাকে মিথ্যা কথা বলতে বলছ?
মিথ্যা কথা না। যাই হোক, সব একই কথা।
হারামজাদা চীফ!
তিনি মরিয়া হয়ে আছে, কারণ, উচ্চতর কর্মকর্তারা আগ্রহ দেখাচ্ছে।
আমার মনে হয়, উনি মনোনয়ন পাবার জন্য এই কেস নিয়েছেন।
তোমার আর আমার কি কোন ক্ষমতা আছে?
এটাকে খুব ভালো করে সমাধান করি।
আমি তোমাকে বিশ্বাস করি!
সিয়ং-জিন! চলো, প্রমোশন নিয়ে নেই!
এই যে, তুমি!
তোমাদের বলেছিলাম, দেরি হলে ক্লাসে আসার দরকার নেই।
হ্যালো, প্রফেসর।
আমি গুই-নাম।
তুমি এখানে কেন এসেছ?
রাষ্ট্র বিষয়ক ঘোষণা।
আমি আপনাকে এটা লিখতে দেখেছি।
আমি শুনেছি তুমি নামসানে গিয়েছিলে। ।
হ্যাঁ।
আমি আমার নীতি আর বিশ্বাস নিয়েই থাকব, প্রফেসর।
যেই গুই-নামকে আমি চিনতাম তার কী হলো?
এত নির্দোষ,
খাঁটি,
এবং বাচ্চাদের মত চিন্তা ভাবনা,
এই দেশ আর জনগণ সেটা ধারণ করে না।
আপনার সেটা জানা উচিত।
তোমরা কি নিজেদের মধ্যে সেটা ধারণ করো না?
তাহলে তোমাদের দলে আমাকে নাও।
না, এখনও না।
কিন্তু, আমরা আপনার উপর নজর রাখব।
আজকের জন্য,
আমি এখন চলে যাচ্ছি।
বসো।
দৈনিক স্বাধীনতা।
আরে...
তুমি অফিসে এসেছ।
এটা কী?
শান্তির বাঁধ। প্রতারণার বাঁধ?
স্পর্শকাতর?
অনিশ্চিত?
তুমি কি পাগল?
অনেক লজ্জাজনক।
অনেক লজ্জাজনক।
এটা না, কারণ এটা সংবেদনশীল।
ওটা না, কারণ ওটা অনিশ্চিত।
রাজনীতি ও সামাজিক পেইজগুলি কেন আছে? বন্ধ করে দাও!
বিজ্ঞাপন দাও!
তুমি ভালো জানো, সবকিছু কেমন যাচ্ছে!
নৌকা ডানদিকে হেলে গেছে।
এটার মত।
এটার মত।
তুমি কি ঠিক আছ?
আমি ভালো আছি, আমি ভালো আছি।
তাহলে, বাঁচতে হলে মানুষকে বামদিকে হেলতে হবে।
হেই...
এটা কি সাধারণ জ্ঞান নয়?
একজন সাংবাদিকের কি এটা বলা উচিত না?
তোমার কি এটা বলা উচিত না?
খোদা...
তুমি!
কখনও বাম পাশে হাঁটবে না!
ডানদিকে হাঁটবে, হাঁদারাম!
আরে, শোনো!
জিনিস ঘোলাটে করো না। শান্তভাবে জীবন যাপন করো।
আরে, তুমি কোথায় যাচ্ছ?
আমরা যদি সহকর্মী না হতাম!
সব ঠিক আছে।
এটাই প্রথমবার নয়।
আমি জানি।
No comments yet. Be the first to leave one.