Dangal

Dangal (दंगल)

Download Bengali Subtitle

Release info

Dangal 2016 Hindi 1080p BluRay-by-AR-Rohan
Dangal 2016 Hindi 720p BluRay Multi Audio x264 AC3-LOKI-M2Tv
Dangal 2016 Hindi 1080p BluRay x264 AC3-LOKI-M2Tv
Dangal 2016 Hindi 720p BluRay x264-LOKI-M2Tv
Dangal 2016 BluRay 1080p x264 Hindi Multi AC3 5 1-Hon3y
Dangal 2016 BluRay 720p x264 Hindi Multi AAC 5 1-Hon3y
Dangal 2016 Hindi BluRay 720p x264 AAC 5 1 ESubs-Hon3y
Dangal 2016 Hindi BluRay 1080p x264 DD 5 1 ESubs-Hon3y
Dangal 2017 720p BluRay x264 DTS ESub-[DDR]
Dangal 2017 1080p BluRay x264 DTS ESub-[DDR]
A Commentary by ArRohan
এই সাবটাইটেলটি আমার প্রথম করা সাবটাইটেল। অনিচ্ছাকৃত কোন প্রকার ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিবেন। মুভি ডাউনলোডঃ https://pastebin.com/pF6WMErY

Tags

BluRay
x264
1080
TS
720p
720
AC3
Published on: 2017-09-07
Downloads: 206
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 187 lines.

সম্পাদনা করেছেন আহমেদ ইমরান

ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং করবেন।

এসেছে?

না।

এখন?

না।

এখন এসেছে?

না।

এখন?

আরে একটু ঠিক করে ঘুরাতে পারিস না!

সিউল অলিম্পিকের কুস্তির রণাঙ্গনে আপনাদেরকে স্বাগতম।

একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখার প্রত্যাশায়।

এসেছে।

নিচে চলে আসবো?

না।

ধরে দাঁড়িয়ে থাক।

৭২ কেজি ক্যাটাগরিতে অলিম্পিকের ফাইনাল ম্যাচ

রাশিয়ান এবং আমেরিকান কুস্তিগীরদের মধ্যে।

দুঃখের কথা হলো যে,

ভারতে কুস্তি এত জনপ্রিয় হওয়া সত্বেও,

অলিম্পিকে ভারতীয় কুস্তিগীরদের পারফর্ম্যান্স খুবই হতাশাজনক।

পদক তো ভাই আমাদের ছেলেরাই আনতে পারে।

কিন্তু সাপোর্ট কোথায় পাবে?

না আছে টাকা, না আছে কোনো সুযোগ-সুবিধা!

কিভাবে আমাদের ছেলেরা পদক জিতবে?

মুখের কথায় যদি পদক জেতা যেত,

তাহলে আপনি কবেই পদক জিতে যেতেন।

নতুন এসেছেন, নাকি?

আমি এটাই ভেবেছিলাম।

একবার কুস্তির রণাঙ্গনে উঠে দেখুন,

ম্যাচ শুরুর আগেই হাওয়া টাইট হয়ে যাবে।

মনে হচ্ছে আপনার আগে কয়েকবার হয়েছে ভাই,

হাওয়া টাইট।

এটা যদি রণাঙ্গন হতো তাহলে দেখিয়ে দিতাম।

রণাঙ্গনের কি প্রয়োজন?

এখন,এই মুহূর্তে আমরা ম্যাচ শুরুর অপেক্ষা করছি।

একটি বিশাল লড়াইয়ের জন্য মঞ্চটাও প্রস্তুত।

সবার মধ্যে একটা টান টান উত্তেজনা।

দুজন কুস্তিগীরই হাঁটছেন,

লড়াইয়ের জন্য।

তুমি একদম ঠিক বলেছ, টম।

মনে হচ্ছে অনেক রোমাঞ্চকর লড়াই হতে চলেছে।

দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক উত্তেজনা।

কুস্তিগীররা একে অপরের মুখোমুখি।

দেখা যাক শেষপর্যন্ত কি হয়।

প্রথাগত হ্যান্ডশেক।

রেফারির বাঁশি.... এবং ম্যাচ শুরু!

রাশিয়ান কুস্তিগীর নিচে পড়ে গেলেন!

নিচে পড়ে গেলেন!

শুরুতেই একটি ধাক্কা খেলেন রাশিয়ান কুস্তিগীর।

অতি আত্মবিশ্বাস কখনো কখনো বিপদজনক হতে পারে।

ভাউ, মনে কোনো দ্বিধা থাকলে, আরেকবার চেষ্টা করে দেখো।

এখন, কুস্তিগীররা পরবর্তী রাউন্ডের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

টম, শুরুতে লড়াই যতটা সহজ মনে হচ্ছিল, এখন ততটা নয়।

দেখা যাক সামনে কি হয়।

দুজন কুস্তিগীর একে অপরকে অ্যাটাক করার চেষ্টা।

দারুণ একটি অ্যাটাক! সেই সাথে চমৎকারভাবে প্রতিরোধ।

অসাধারণ মুভ!

খুব চমৎকার মুভ ছিল এটা!

বুঝতে পারেননি কি হয়েছে।

আবারো অ্যাটাক।

কাউন্টার অ্যাটাক!

এবং শেষ!

ম্যাচ সমাপ্ত!

এখানে ডেভিড হয়েছে গোলিয়াথ,

আর গোলিয়াথ হয়েছে ডেভিড।

ঠিক বলেছ, টম।

কেউই আশা করেননি যে, রাশিয়ান কুস্তিগীর এত দ্রুত হেরে যাবেন।

কি দারুণ ম্যাচ!

এটাই হল সেরা মানের কুস্তি।

দম আছে তোর।

প্রাদেশিক পর্যায়ের চ্যাম্পিয়নকে হারিয়েছিস তুই।

হতাশ হয়ো না, বন্ধু।

জাতীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়নের কাছে হেরেছিস তুই।

ইনি হলেন আমার কাকা।

মহাবীর সিং ফোগাট।

অনেক বছর আগেই কুস্তি ছেড়ে দিয়েছেন।

কিন্তু কুস্তি তাঁকে আজও পর্যন্ত ছাড়েনি।

ছোট ছেলেটাই জিতবে।

ঐ দেখো!

আটার বস্তার মত শরীর থাকলেই কুস্তিগীর হওয়া যায় না।

এখানে আয়, বাবা।

কুস্তিটা রক্তে থাকতে হয়, ভাই।

এই নে, দুধ কিনে খাবি।

বেঁচে থাক বাবা।

যখন খাবারের জন্য প্লেটে রুটি থাকবে না, তখন কি পদক খাবি?

আজকাল কুস্তির কোন ভাত নাই।

যে চাকরিটা পেয়েছিস চুপচাপ করতে থাক।

তো আপনি কুস্তি ছাড়লেন কেন?

ছেড়ে দেইনি ভাই, ছেড়ে দিতে হয়েছে।

কুস্তিতে আমি সম্মান, খ্যাতি সবই কামিয়েছি...

পারিনি শুধু টাকা কামাতে।

তাই এই চাকরী নিয়েছি।

প্রতিটি কুস্তিগীরের স্বপ্ন থাকে,

দেশের জন্য কিছু করার।

কিন্তু দেশই যদি কুস্তিগীরের জন্য কিছু না করে,

তাহলে বেচারা কুস্তিগীর কি করবে?

আপনি দেশের জন্য পদক জিততে পারেননি, এতে তো আর আপনার দোষ নেই।

এই ফটোগুলো দেখে দেখে কতদিন মন খারাপ করে থাকবেন?

যেটা আমি করতে পারিনি, সেটা আমাদের ছেলে করবে।

আমাদের ছেলে দেশের জন্য স্বর্ণ পদক জিতবে।

সবার উপরে আমাদের দেশের পতাকা উড়বে।

দেখে নিও।

ঐ দিন কাকুর অবস্থা এমন ছাত্রের মত ছিল,

যে ছাত্রের বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট দেয়ার কথা।

চিন্তা করোনা ভাই...

সব ঠিক হয়ে যাবে।

মেয়ে হয়েছে।

কাকু ছেলের আশা নিয়ে বসে ছিল।

কিন্তু হলো মেয়ে।

হুম ঠিক আছে।

বোন এসে গেছে ওমকারের।

আমি মনে মনে খুব খুশি ছিলাম।

কিন্তু কাকু, শুধু বাইরে থেকে।

আর এরপর থেকে কি শুরু হলো!

জ্ঞানীলোকদের ছিল জ্ঞান, আর কাকুর ছিল কান।

সবার কাছেই ছেলে হওয়ার অদ্ভুত কৌশল ছিল।

সাদা তিলের বীজ দিয়ে তৈরি মিষ্টি ভুট্টার রুটি দিয়ে মুড়িয়ে,

সূর্য ওঠার আগেই বাম হাত দিয়ে একটি কালো গরুকে খাওয়াবি।

ছেলে হবে, একেবারে পাক্কা!

মহাবীর, এটা হলো একটি ছেলে হওয়ার মন্ত্র।

মন দিয়ে পাঠ করবে।

এই নে...খা!

খা!

দাঁড়া, আয় আয়।

মহাবীর,

শুধু রবিবারে চেষ্টা করে যাবে,

অন্যদিন গুলোতে, একেবারে আলাদা হয়ে শুইবে।

বুঝে গেছে!

না লোকেরা উপদেশ দেয়া বন্ধ করে,

এই নে বেটা।

না কাকু এগুলো শোনা বন্ধ করে।

ডেলিভারির দিন এসে গেছে, আর গ্রামের অর্ধেক মানুষ কাকুর বাড়িতে,

ছেলে হওয়ার ক্রেডিট নেওয়ার জন্য।

গীতা, তোমার একটি ভাই হতে চলেছে।

তুমি তার সাথে খেলতে পারবে।

মেয়ে হয়েছে।

না কাকুর পুত্র সন্তান মিলল,

না গ্রামের মানুষের ক্রেডিট।

কিন্তু এসব "কার্যকর কৌশলে",

আসল দোষ কোথায় ছিল?

কালো গাভীর পরিবর্তে কালো মহিষকে খাওয়ানো উচিত ছিল তার।

আমার রোহতকের খালাতো বোনকে দেখ,

তিন বছরে তার তিনটি ছেলে হয়েছে।

যদি সে মন্ত্র উল্টো করে পড়ে,

ফলাফলটাও তো তাহলে উল্টোই হবে, নাকি?

নিজেকে সংযত রাখা উত্তম গুণ।

তাকে বলেছিলাম শুধু রবিবারের কথা...

আর সে রোজ চালিয়ে গেছে।

আমি আপনাকে ছেলে দিতে পারিনি।

এটা তোমার ভুল নয়।

ভুল বুঝো না।

গীতা এবং ববিতা দুজনই আমার কাছে অনেক প্রিয়।

কিন্তু আমার যে স্বপ্ন সেটা শুধু একটা ছেলেই পূরণ করতে পারে।

বছর পেরিয়ে যাচ্ছে...

কাকু জিদ করে বসলেন,

তাঁর ছেলেই চাই।

কিন্তু হয়তো ঈশ্বরও তাঁর সাথে জিদ করে বসেছেন।

তৃতীয়জনও মেয়ে,

আবার চতুর্থও মেয়ে।

এবার আমারও খারাপ লাগছিল।

খাবার দিয়েছি, বাবা।

উল্টে দে, নয়ত পুড়ে যাবে।

এরপর থেকে কাকু ছেলের আশা এবং নিজের স্বপ্ন, দুটোই ছেড়ে দিলেন।

মহাবীর সিং জী!

ওনার হয়েছে টা কি?

আজ সন্ধ্যায় কুস্তি খেলা দেখতে আসছেন?

না, তোমরা যাও।

মহাবীর!

আমার ছেলে হয়েছে।

মিষ্টি তো খেয়ে যাও।

কি হয়েছে?

দেখুন ভাই সাহেব, কি মারাত্মকভাবে ওদেরকে মেরেছে।

কিছু তো বলো!

দেখুন ভাই সাহেব, কি মারাত্মকভাবে ওদেরকে মেরেছে।

মেরে একবারে থেঁতলে দিয়েছে।

হ্যা,মেরে একবারে থেঁতলে দিয়েছে।

কেন মেরেছিস?

আমি না, কাকু।

ওদেরকে গীতা আর ববিতা মেরেছে।

ওরাই আগে শুরু করেছিলো, বাবা।

ওরা আমাকে অভাগিনী, আর ববিতাকে ডাইনী বলেছে।

তাই কিছু উত্তম মধ্যম দিয়েছি।

এরকম সামান্য ব্যাপার নিয়ে কেউ কাউকে এমনভাবে মারে?

হ্যাঁ, ওদের এভাবে মারাটা মোটেও ঠিক হয়নি।

দয়া করে ছোট ভেবে, ওদের ক্ষমা করে দিন।

আপনার মেয়ে একারণে ছেড়ে দিলাম, ভাই সাহেব।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left