Churuli

Churuli (ചുരുളി)

Download Bengali Subtitle

Release info

Churuli 2021 (1:54:28)
A Commentary by Neamul_Hoque_Abeg
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন এই বছরের অন্যতম মালায়ালাম মুভি CHURULI (2021) .. সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না যেন। মুভিটি পাবেন MLWBD, Soutfeak, Teambsmbd সহ দেশি-বিদেশি সব সাইটে। 💖

Tags

other
Published on: 2021-11-21
Downloads: 161
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

মুভি জগতের সকল লেটেস্ট আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে:

Intro

Film Society

তুমি জানো পেরুমাদন কে, শাজিভা?

সে একটা অপচ্ছায়া, যে সবাইকে বিপথে নিয়ে যায়।

একদিন, একজন সাধু ওকে বন্দী করার সিদ্ধান্ত নিল।

সাধু জঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল...

অপচ্ছায়াকে বন্দী করতে, একটা ঝুঁড়ি মাথায় নিয়ে।

একটা মনোরম বন....

রহস্যময় সৃষ্টিতে পরিপূর্ণ।

সেই সাধু তার যাত্রার পথ জানত না।

কিন্তু গাছ-গাছালি, পাখ-পাখালি...

পিটপিট করে একে অন্যের দিকে তাকিয়ে রইল....

ওরা চিনতো তাকে।

সাধুটা দীর্ঘ পথ হাটল। যখন সে মাটিতে একটা বল পেল,

সে ওটা তুলে নিয়ে ঝুঁড়িতে রাখল।

তার সন্তানকে দেওয়ার জন্য।

ঘণ্টাখানেক পরে, হঠাৎ ঝুঁড়িতে নড়াচড়া শুরু হল।

একটা পিঁপড়াভুক প্রাণী, বলের মতো গড়াগড়ি খেয়ে, ভিতর থেকে বলে উঠলো...

ওহে প্রভু, ধীরে চলুন।

সাধু আমোদিত হল।

সে ধীরে যেতে লাগল।

তারপর পিঁপড়াভুক বললঃ এইতো প্রভু, এই পথে চলুন!

সাধু তার কথা মতো চলল।

পিঁপড়াভুক আবার বললঃ ওহে প্রভু, এই রাস্তায় চলুন!

এবং সে তাই করল।

ধীরে ধীরে সাধু সম্পূর্ণ জঙ্গলে ঘুরপাক খেতে লাগল।

সে তখনও বুঝতে পারে নাই...

সেই অপচ্ছায়াটা তার মাথার উপর বসে আছে!

:::.চুরুলি.:::

অনুবাদে: সুমন হোসেন শহিদুল ইসলাম নীরব হাবীব-উন নবী সিয়াম আরুশ আরিয়ান নিয়ামুল হক আবেগ

সম্পাদনায়: নিয়ামুল হক আবেগ

এখন থেকে আমার নাম কী?

এন্টোনি।

আর তোমার?

সাজিভান।

না, শা-জিভান।

আচ্ছা।

নামটার একটা ঘুষি প্রাপ্য। শাজি হল বজ্জাতদের আনুষ্ঠানিক নাম।

নিচু জাতের লোক হওয়ার ভান করে আমাদের যেতে হবে।

আজ থেকে আমি এএসআই নই। আর তুমি পিসি নও। [এএসআই=অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেক্টর, পিসি= পুলিশ কন্সটেবল।]

আমরা কেবল দিনমজুর।

কিন্তু ভেবো না যে ওকে ধরার পরে তুমি ভাব নিয়ে চলতে পারবে!

আমাদের যখন দেখা হবে তখনই স্যালুট দিতে হবে!

হ্যাঁ।

স্যার, ভদ্রাবতি ক্রসিং এখান থেকে কত দূর?

স্যার, আপনি আঞ্চলিক ভাষা বলতে পারেন?

- এখানে ক্রাইম স্কোয়াডের পুলিশ কে? - উমম..

কিছু মনে কোরো না। পুলিশেরা কী করে?

পুলিশের কাজ...

কারা আসলে সকল অপরাধীকে ধরে? যারা আমাদের মতন ছদ্মবেশে থাকে।

তারা নয় যারা, স্টেশনে উর্দি পরে বসে বসে বাঁশিতে ফুঁক দেয়!

- তাদেরকে বলে চৌকিদার, বুঝলা! - জি, স্যার।

ঠাণ্ডা, আমার ঠাণ্ডা লাগছে।

তোমার বিশেষত্ব কী? কিছু না।

সাধারণ মানুষের মাঝে মিশে তাদেরই একজন হয়ে যেতে হবে।

- বুঝেছ? - হুম।

আকর্ষণীয় চেহারার অফিসার...

চেট্টিয়ারের মতো...

আমরা যা করি তা সে কখনই করতে পারবে না।

আপনার ব্যাপারে বলুন, স্যার।

আমাকে স্যার ডাকবে না! এন্টোনি ভাই বলার অভ্যাস করো!

আমি বলছি না, তুমি দেখতে সাধারণ বলে তারা তোমাকে নিয়োগ দিয়েছিল।

যোগ্য হতে হয় এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতে হয়।

স্যার, আমি সবসময় বাসে টিকিট ব্যবহার করি আমার পিসি কার্ড দিয়ে যাতায়াত করি না।

হ্যাঁ, এমনই হওয়া উচিত!

প্রয়াত বশির স্যার বলতেনঃ

ছদ্মবেশী পুলিশকে মাছের বাজারে বর্ণহীন মানুষের মতো হতে হবে।

কেউ আমাদের দেখবে না, কিন্তু আমরা সবকিছু দেখব।

হ্যালো! হ্যাঁ...

তুমি খেয়েছ?

সবকিছু ঠিক আছে।

আমি বাসে আছি। নেমে তোমাকে কল দিব।

নেটওয়ার্ক সমস্যা...

আচ্ছা।

- চলেন ওই দোকানে যাই। - কিন্তু মানুষ বলে...

শুধু অভাগা আর অকর্মণ্যরাই ক্রাইম স্কোয়াডে নিযুক্ত হয়।

ওটা নিজের অপারগতার জন্য স্ত্রীকে দোষারোপ করার মতন!

ঠিক...

- তারা আমাকে বাথেরি স্টেশন থেকে একদম ছাড়তে চায়নি।

সত্যি?

- এসপি স্যার বললো, "তুমি উর্দি পরে অনেক মামলার সমাধান করেছ তবে, উর্দি ছাড়া কতটা সমাধান করবে?"

ওহ...

বশির স্যার পাঁচ কেজি স্বর্ণ আটক করে নথিতে শুধু তিন কেজি লিখত।

- কি? সত্যিই! - হ্যাঁ।

চল, খাই।

ধীরে ধীরে খাও। স্যার বলেছে, আমরা পর্যাপ্ত সময় নিতে পারব।

স্যার, যদি দ্রুত ধরতে পারি, তাহলে দ্রুত ফিরে যেতে পারব।

যখন কাজে থাকবে তখন বাড়ি গিয়ে বউকে আদর করার স্বপ্ন দেখবে না!

চিন্তা কোরো না। যোগ্য পুলিশরা কখনই পদক্ষেপ ছাড়া বেশি দিন কাটায় না।

এইজন্যই তো আপনি এখনো অবিবাহিত।

- কত? - ৪৫।

- চুরুলি কিভাবে যাব? - এই দিকে সামনে গেলে, একটা জীপ পাবেন।

- একটা মধুর বোতল দিব? - নাহ, আমার ডায়াবেটিস আছে।

এই শাসি, দেখ! দুইজন আমেরিকানকে এলিয়েনরা নিয়ে চলে গেছে!

কত দূর?

চুরুলি?

আমরা এমন একজনকে ধরার চেষ্টা করছি যে নরক থেকে আসা কুত্তার মতো।

- তাই গাধার মতো কিছু বলবে না, বুঝলে? - হুম।

সে সম্ভবত আমরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে আমাদের গন্ধ পেয়েছে। সে খুব ধূর্ত!

কিন্তু, ও যদি কুকুর হয়, আমাদের বস বাঘ, স্যার!

মানে, এন্টোনি ভাই!

তাকে অনেকে ধরার চেষ্টা করেছে... ওকে বন্দি করে সবাইকে দেখাতে হবে, শাজিভা।

ক্রাইম স্কোয়াডে থাকায় যারা তোমাকে বিদ্রুপ করে, তাদের যোগ্য জবাব দিবে।

হ্যাঁ।

হায় হায়...

আশেপাশে তো কেউ নেই।

- শাজিভা! - জি!

দেখে মনে হচ্ছে এটা নরকযাত্রার মতো হবে।

ওই!

আহ!

এদিক আসো, বাবা! এটা কি চুরুলি যাওয়ার জীপ?

আরো কিছু লোক আসছে। আমরা শীঘ্রই রওনা হব।

- আপনারা কার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন? - রাবারের ক্ষেতে গর্ত খনন করতে...

মালিকের নাম... জোস বা জয় এমন কিছু...

- থানকান ভাই হতে পারে। - ঠিক!

তিনি পুরোনো গাছগুলো ইজারা দিয়েছে। হয়তো নতুন গাছ লাগাবে।

ওহ, তিনিই হবেন, শাজি!

কিন্তু থানকান ভাই তো বাড়ি চলে গেছেন... আপনারা কোথা থেকে এসেছেন?

- ওহ, তিনি নেই তাহলে? - না?

আমরা কূড়াচুন্ডু, কুট্টিয়াডি থেকে এসেছি। এখন কী করবো, শাজিভা?

আপনারা অনেক কষ্টে এই পর্যন্ত এসেছেন। তিনি কিছু দিনের মধ্যে ফিরবেন।

ততদিন পর্যন্ত আমরা কী করব?

কয়েক দিনেরই তো ব্যাপার। থাকার ব্যবস্থা পেয়ে যাবেন।

- কোথায়... আর টাকা? - কিন্তু আমরা সেখানে কাউকে চিনি না।

তাতে কী, ভাই? উঠে বসে যান। আমরা রাস্তায় অনেক মজা করব।

ঠিক আছে, চল যাই...

ভালো মানুষ! নম্র এবং বিনয়ী...

তারা চাষাবাদ করে সৎভাবে জীবনযাপন করছে।

ওই বজ্জাত অবশ্যই ওদের সাথে প্রতারণা করেছে।

সে সবসময় আমাদের হাত থেকে ফসকে গেছে।

বশির স্যার একবার ধরেছিল।

তখনও পালিয়েছিল।

সমস্যা হল, তাকে শনাক্ত করার কোনও উপায় আমাদের নেই।

এমনকি ভোটার তালিকা বা রেশন কার্ডেও তার কোন তথ্য নেই।

- তোমার কোনো বদ অভ্যাস নাই? - না।

- মদেরও না? - না।

চল, যাই।

গাড়ি ছাড়বে এখন।

- আসছি। - এখান থেকে বসা শুরু হবে।

চেপে বসুন।

- যাওয়া যাক? - হ্যাঁ।

- ওহহো! মারাত্মক ইঞ্জিন! - হ্যাঁ।

বাহ্! কী উর্বর জমি!

এখানে জুম চাষ করলে তো ভালো ফসল পাওয়া যাবে।

এখানে বৃষ্টিপাত কেমন হয়?

মধ্য-মৌসুমী বৃষ্টি হলে অন্যান্য ভালো ফসল ফলানো যাবে।

সবাই বলে করেও ফেলেছে, কেবল আমাদের লোকেরাই..

ওখান থেকে এসে, জঙ্গল পরিষ্কার করে এখানে চাষাবাদ করতে পারে...

যদি ব্রিটিশরা না আসত, এসব এখনও জঙ্গলই থাকত, তাইনা?

- আপনারা বেশি কথা বলেন না, তাইনা? - হ্যাঁ, আমিও এটাই ভাবছিলাম।

দেখুন!

- এটা স্থানীয় মন্দির। - ওহ...

জোরে চালাও!

ঠিক?

গিয়ার পরিবর্তন করে গতি বাড়াও, বাছা!

আমি ওয়ানাদ গিরিপথ দিয়ে কাঠের ট্রাক চালাতাম।

এসব নতুন কিছু না!

আরে, বাহ্! সে এখন অসাধারণ ফর্মে আছে!

ভালোই যাচ্ছে!

ওহহো!

ভাগ্য ভালো, কোনো গ্লাস নেই! নয়তো আমার মাথা গেছিল।

- ভাই, পার হয়ে অপেক্ষা করুন। - ঠিক আছে।

- এন্টোনি ভাই, আমি আসছি। - আসো।

আসুন, ভাই!

আমার হাত ধর।

সাবধানে...

এটা অনেক দুর্বল।

আমরাই তো হাটতে পারছি না... জীপ কীভাবে পার হবে?

সাবধানে, বাবা!

হ্যাঁ, আসো।

সামনে এগোও।

হালকা বামদিকে,

আসো!

থামো, থামো।

হায় ভগবান!

পুরোটাই পিচ্ছিল হয়ে গেছে।

এখন আসো।

হালকা ডানে ঘুরাও।

হ্যাঁ, ডানে।

আসবে।

আসবে!

হ্যাঁ, আসতে থাকো।

এই তো।

চলে এসেছে।

শাজিভা, আসো।

বাহ্! তুমি তো একটা চুলের উপর দিয়েও চালাতে পারবে!

কী বিষ্ময়করভাবে গাড়ি চালাও।

তোরা এখানে বসছিস কেন! নেমে যা, শালারা!

তারা কি ওখানে বাল ছিঁড়তে দাঁড়িয়ে আছে!

বালমার্কা ব্যাগ একটা!

আসো।

দাঁড়াও, দাঁড়াও!

উঠে বস, মাদারের বাচ্চারা!

- কী বাল দেখছিস দাঁড়িয়ে? - জি, জি, আমরা আসছি!

উঠে বস।

আমার সাথে লাগবি না! সরে যা, আবাল কোথাকার!

ভিন্ন স্থান মনে হচ্ছে, শাজিভা।

আসার পথে মহিষের পেছন মেরে আসছিস নাকি, সালা আবাল?

মহিষের না, তোর আম্মার!

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left