The first 155 lines.
অজস্র প্রাণের বিনিময়ে পুষ্টি পেয়ে বেড়ে উঠুক ফুলগুলো,
- রিকো! - অজস্র প্রাণের বিনিময়ে পুষ্টি পেয়ে বেড়ে উঠুক ফুলগুলো,
- রিকো! - এ সুন্দর পৃথিবীর গহীনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য দুঃখগাঁথা।
এ সুন্দর পৃথিবীর গহীনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য দুঃখগাঁথা।
- রিকো! - এ সুন্দর পৃথিবীর গহীনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য দুঃখগাঁথা।
এ সুন্দর পৃথিবীর গহীনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য দুঃখগাঁথা।
কিন্তু তুমি এসবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত না হলে এগুলো তোমার জানা সম্ভব না।
তোমার উচিত এ মোহনীয় সৌন্দর্যের ছটায় মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়া,
- দাঁড়াও... - তোমার উচিত এ মোহনীয় সৌন্দর্যের ছটায় মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়া,
তোমার উচিত এ মোহনীয় সৌন্দর্যের ছটায় মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়া,
- রিকো... - তোমার উচিত এ মোহনীয় সৌন্দর্যের ছটায় মুগ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়া,
শক্ত পায়ে হেঁটে যাও এ ভূমি দিয়ে।
আমাকে ফেলে যেও না, রিকো! শক্ত পায়ে হেঁটে যাও এ ভূমি দিয়ে।
তোমার ত্যাগের বিনিময়ে, তোমার জীবনীশক্তির বিনিময়ে জন্ম নেবে নতুন ফুল...
রিকো!
চোখ খোলো!
প্লিজ চোখ খোলো!
রিকো!
এত হইচই করো তুমি...
ঐ মেয়েটা ...
ওর হৃৎপিন্ড এখনো চলছে...
যেকোনো মুহূর্তে থেমে যেতে পারে অবশ্য।
ত-তুমি কী?!
আমি একটা নরম পুতুল।
আমি তোমাদের ভয় কাটাতে এসেছি ...
ক-কী?!
তুমি কে আসলে?!
নিজের পরিচয় দিয়ে দিতে একান্ত আগ্রহী আমি ...
কিন্তু ওকে কীভাবে বাঁচাবো সেটা আগে শুনে নিলে ভালো হত না...
রিকো ...
বেশ খারাপ অবস্থা ..
কী করবো আমি ...?
প্লিজ বলো! আমি রিকোকে বাঁচাতে চাই!
কী করলে ও আবার শ্বাস নেবে?!
ওর মুখের মাঝে শ্বাস দাও।
চুমু দেবার মতো করে।
কীভাবে চুমু দিতে হয় জানো?
ও আবার শ্বাস নিচ্ছে।
খুব খুশি লাগছে!
ধন্যবাদ!
কীভাবে কৃতজ্ঞতা জানাবো বুঝতে পারছি না...
এত তাড়াতাড়ি খুশি হয়ে যেও না।
হাহ?!
ওর জ্ঞান এখনো ফেরেনি।
এ হতে পারে না!
আমি কী করবো?!
শান্ত হও!
মেয়েটাকে আমার আস্তানায় নিয়ে এসো।
আমি ওকে ঠিক করার চেষ্টা করবো ...
সত্যিই?!
আমাদের ব্যাপারে কোনোকিছু না জেনেই?!
বেশ ...
আমাদের মাঝে একটু দূরত্ব রেখো, ঠিক আছে?
এটা কী জায়গা...?
গুহায় অভিযানের যন্ত্রপাতি...?
এসবের পাশে ...
ওগুলো কী, হুইসেল?
হ-হেই...তুমি আসলে কী?
আহ! তোমাকে মনে হয় আমার নামটা বলা হয়নি..
আমি নানাচি।
আমাকে গুহাচারীরা ডাকে ...
'হলো' বলে।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
একজন "হলো"...?
একটা ছোট বাচ্চা?
তুমি তারমানে আমাদের ব্যাপারে তেমন কিছু জানো না।
তোমাকে দেখেও ঠিক গুহাচারী বলে মনে হয় না।
হেই, ওকে এখানে শোয়াও।
নানাচি, কিছু মনে কোরো না।
তোমার বয়স কি আমাদের সমান না?
চিন্তা লাগছে?
অন্য কাউকে খুঁজে বের করে আনতে চাও?
তোমাকে অনুনয় করছি!
প্লিজ রিকোকে বাঁচাও!
এইতো ভালো ছেলে।
গুহাচারীরা প্রায়ই এই কাজটা করে থাকে ...
কারণ ওরা এটা করার সঠিক উপায় জানে না।
তুমি কী...?!
বিষটা ...!
আহহা, শান্ত হও।
আমরা আগে বিষটাকে ওর শরীরে মিশে যেতে দেবো, তারপর সেটাকে অপসারণ করবো।
এই ওষুধ আমার বন্ধুর বানানো, পরে আমি এটাকে মোম দিয়ে শক্ত করেছি।
এটা মুখ দিয়ে খাওয়ানো না গেলে,
পাছার ফুটা দিয়ে ঢুকাতে হবে...
এখন ওর হাতের দিকে আসি।
হাড়ের ভাঙা অংশগুলো সরিয়ে রক্ত আর মাংসকে সেলাই করে দেই।
দ্যাখো, এই সাদা জিনিসটা হলো স্নায়ু।
ওর বেশ কিছু স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ...
সেলাই করতে আমি পারদর্শী নই।
তুমি যেভাবে ওকে কেটেছ, তা বেশ রগরগে ...
ভালো হয়েছে ও অজ্ঞান হয়ে গেছে ..
আমার মনে হয় এতে আপাতত চলবে।
আহ, শান্তি।
এখন, কঠিন কাজটা।
তোমাকে কিছু জিনিস নিয়ে আসতে হবে।
কী ...?!
শুধু বলো যে আমাকে কী করতে হবে!
এত কাছে এসো না!
তোমাকে আগে সন্দেহ করার জন্য দুঃখিত!
তোমার পা ধরে বলছি! নানাচি,প্লিজ রিকোকে বাঁচাও!
যাই হোক ...
ওর কনুই এর জোড়ায় কাটোনি কেন?
হাড় না ভেঙেই ওর হাতটা জোড়া থেকে খুলে ফেলতে পারতে....
আসলে ...
তুমি কি ওর কথা শুনে কাজ করছিলে?
হ্যাঁ...
আচ্ছা ...
ও একজন অসাধারণ মেয়ে।
হ্যাঁ ...?
যদি কনুইয়ের পরের অংশটা আস্ত থাকে,
তাহলে গুহায় অভিযানের ব্যাপারে একটু হলেও সুবিধা পাবে।
ও এ অবস্থার পরেও এগিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল।
এই অবস্থায় পড়েও ও অ্যাডভেঞ্চারের আশা ছাড়েনি।
র-রিকো ...
ওহ, সেটাই!
আমি এখনো তোমাকে আমাদের নাম বলিনি!
আমি রেগ! আর ও হলো রিকো!
জানি ...
এই প্রথম তোমাদের মতো কেউ এখানে এলো।
তোমরা যখন থেকে আমার শিকার করার জায়গায় ঢুকেছ, তখন থেকে তোমাদের প্রত্যেকটা কথা আমি শুনেছি।
ত-তারপর ...
তারমানে আমরা চতুর্থ লেয়ারে ঢোকার পর থেকে যার অস্তিত্ব অনুভব করছিলাম, সেটা তুমি ছিলে!
হ্যাঁ।
আমি পুরোটা সময়েই দেখেছি।
নইলে আমি অরবড-পিয়ার্সারের বিষের ওষুধ দেবো কী করে?
এক মিনিট ...
তারমানে যখন ঐ জিনিসটা আমাদেরকে আক্রমণ করেছিল, তখন তুমি ...
হ্যাঁ, আমি দেখছিলাম, সবকিছু শুনেওছি।
তোমার চেহারা দেখে এরপর কী বলবে বুঝতে পারছি, "আমাদের সাহায্য করোনি কেন?"
আমি আসলে তোমাদের ব্যাপারে জানতে আগ্রহী ছিলাম।
শুরুতে তোমাদেরকে দেখা দেবার কোনো আগ্রহই ছিল না আমার।
তাহলে আমাদের বাঁচালে কেন?
কারণ তোমাদের জন্য করুণা হচ্ছিল।
"রিকো, আমাকে ফেলে যেও না!"
তুমি মেলায় হারানো বাচ্চার মতো কাঁদছিলে।
আমার সহ্য হচ্ছিলো না।
ওটা কী?
আর কেউ আছে ওখানে?
আমার সাথে যে থাকে, সে।
পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
এইটা আমার ছোট্ট সোনা মিটি।
ও-ওটা কী ...?
বাচ্চাটাও একটা 'হলো'।
কী...?
৬ নম্বর লেয়ারে শরীরে কী পরিমাণ চাপ পড়ে, জানো?
আমি নিশ্চিত ওখানে গেলে, "মনুষ্যত্ব, এমনকি মৃত্যুও দূরে সরে যায়।"
কেউ যদি ষষ্ঠ লেয়ারের অভিশপ্ত গভীরতার হাত থেকে বাঁচতে পারে, তাহলে সে এমনটা হয়ে যায়।
তাদের ব্যক্তিত্ব আর বুদ্ধিমত্তা নাই হয়ে যায়।
'হলো' নামটা শুনে বুঝতেই পারছ, তারা সত্তাহীন, আত্মাহীন এক প্রাণী হয়ে যায়।
যত চেষ্টাই করা হোক না কেন, তারা কখনোই আর আগের অবস্থায় ফেরত আসে না।
তুমি যে কায়দায় তোমার হাতটা বাড়ালে...
তুমি যদি ষষ্ঠ লেয়ারে একাজটা করতে কেমন হত, ভাবতেই একটা শিহরণ লাগছে না?
কিন্তু, নানাচি!
তুমি...
No comments yet. Be the first to leave one.