The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ- মাহফুজ আহমেদ তুহিন
এটা আমার রাজ্য।
-কেউ আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না। উনি হলেন মিঃ রায়প্পান।
একজন আদর্শিক রাজনীতিবিদ।
জে কে নগর পুরোটা তার নিয়ন্ত্রণে।
দুনিয়ার কেউ-ই তার বিরোধিতা করেনি ... এখন পর্যন্ত।
ও জন্ম নিতে চলেছে।
তার জন্মের সময়, রায়প্পানসহ...
সেখানে উপস্থিত প্রত্যেক রাজনীতিবিদকে তাদের ধুতি খুলে দিতে বাধ্য করেছিল।
এই বাচ্চাটাই…
আমাদের গল্পের নায়ক।
এর থেকেও মজার বিষয় হলো…
রায়প্পান বুঝতে পারে নাই এই বাচ্চাই বড় হয় তার পতনের কারণ হবে।
রায়প্পানই তার নাম রেখেছিল।
তামিল মাটিতে জন্ম হয়েছে এই বাচ্চার নাম রাখলাম সিঙ্গারাভেলান।
কিন্তু তার মহল্লার লোকেরা তাকে ভালবাসে ডাকে...
সিংগাম।
পরে, সিংগামের একটা বোন হয় তার নাম মানিমেগালাই।
তার বোনের জন্মের সময় তার মা থাকে ছেড়ে চলে যায়।
আমি এখন কী করব?
কে আমাদের বাচ্ছাদের দেখাশোনা করবে।
এই শোকে,
সিংগামের বাবা মদ্যপ হয়ে যায়, একদিন সেও চলে যায়।
সিংগাম।
মহল্লার লোকেরা তাদের দেখাশোনা করতো।
না খেয়ে ঘুমোতে পারে না, কিছু খেয়ে নেও।
রায়াপ্পান হলো সিংগামের আদর্শ।
সে রায়াপ্পান কে দেখেই রাজনীতি শিখছে।
সিংগামের মতে…
সাফল্যের মানে রায়াপ্পান।
একসময় রায়াপ্পান বাইক চালাতো
আর আজ, নিজের কার চালায়।
তাই সিংগাম চেয়েছিল রায়াপ্পানের কাছাকাছি যেতে,
তার বোনের খেয়াল রাখার পরিবর্তে…
সিংগাম রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখে।
এই, মায়ের নাকফুল কোথায়?
এসবের জন্য টাকা পেলি কোথায়?
মায়ের নাকফুল বিক্রি করেছি, তাতে কী হয়েছে?
এটা আমাদের কাছে মায়ের একমাত্র স্মৃতি ছিল।
কীভাবে এটা বিক্রি করতে পারলে?
তুই কখনই লাভবান হতে পারবি না! তোকে অভিশাপ দিলাম!
-ওই, -বাজে কথা বলা বন্ধ কর!
তোকে জন্ম দিতে গিয়ে মা মরেছে তুই তাকে খুন করেছিস,
সিংগাম তার মায়ের নাকফুল বিক্রি করে দেয় যা ছিল তার একমাত্র স্মৃতি।
মানিমেগালাইকেও কথার দ্বারা আঘাত করেছিল...
তাই সে তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়।
15 বছর পেরেয়ি গেছে।
অর্ডার অনুযায়ী সবকিছু সাজানো হয়েছে।
বলুন, স্যার।
ও আচ্ছা?
সত্যিই, স্যার?
ঠিক আছে, স্যার।
আমি দেখছি কিচ্ছু হবে না, স্যার।
আমি দেখছি, স্যার।
ঠিক আছে, স্যার।
ঠিক আছে।
আপনার হেঁচকি উঠেছে?
শুনতে পাচ্ছ না? জল দাও।
এই, এখানে জল নেই কেন?
নেতার জন্য জল নিয়ে আসো!
-এই, নেতার জন্য জল নিয়ে আসো -নেতার জন্য জল আনো!
নেতা জল খাবেন!
নেতা জল খেতে চাইছেন!
-স্যরি। -এই--
নেতা!
এই নিন জল! স্যার, এই নিন জল!
এটা নেতার জন্য, প্লিজ, আমাকে যেতে দিন।
সে পান করে নাকি তার পাছা ধোঁয় সেটা আমরা দেখব।
-তুমি যেতে পারো। -হ্যাঁ?
-বলুন স্যার। -স্যার।
আমি পথেই রয়েছি,
দশ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাব।
এই, চল।
এতো তাড়া কিসের? জলও খায় নি?
-ব্যাপারটা কি? -বিরক্তিকর কর্মী!
এতোগুলো টাকা বরবাদ হলো!
তারা 10-15 বছর ধরে নেতার সাথে আছে।
তোর কী মনে তারা তোকে তার কাছে ঘেষতে দেবে?
সামান্য জল এনে দিয়ে কাছে যেতে পারবি না ।
ভূমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন, এম এম এমকে পার্টির প্রাক্তন এমএলএ…
মিঃ রায়প্পান, তিনি দক্ষিণ চেন্নাই জেলার সম্পাদকও।
আগাম জামিন আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।
পুলিশ এখন তাকে গ্রেপ্তার করতে এসেছে।
দলের সদস্য ও সমর্থকরাও এখানে এসে জড়ো হয়েছেন।
এখানকার পরিবেশ খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।
উকিলের সাথে কথা বলেছি, আপনি শীঘ্রই বের হয়ে যাবেন।
চিন্তা করবেন না, আমি এটা দেখছি।
-স্যার --- আমার নেতাকে মুক্ত দিন! মুক্তি দিন মিঃ রায়প্পান কে!
আমার নেতাকে মুক্ত দিন!
ক্যামেরা তার দিকে ঘুরাও।
আমার নেতাকে মুক্ত দিন! মুক্তি দিন মিঃ রায়প্পান কে!
মুক্তি দিন আমাদের নেতাকে... আমাদের নেতা মুক্ত দিন...
তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন না!
-সে কে? -জানি না স্যার।
কে এই লোক?
পুলিশ মুর্দাবাদ!
-পুলিশ মুর্দাবাদ! -পুলিশ মুর্দাবাদ!
এটা বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র!
গণতন্ত্র এখন কোথায়?
আমি এই অন্যায় সহ্য করতে পারছি না, স্যার!
আমার নেতাকে গ্রেফতার করো না উনাকে ছেড়ে দিন, কেউ কিছু বলছে না কেন?
আমি এই দৃশ্য সহ্য করতে পারছি না!
বিষ খেয়ে নিজেকে উৎসর্গ করব!
-স্যার, আমি সামলাচ্ছি। -কী…
-ও ফাও বকছে। -না, দেখো। ও বিষ খাচ্ছে।
-আমার কথা শুনুন, স্যার। -কাশির সিরাপের মত গিলছে।
আমি বেঁচে থাকতে গ্রেফতার করতে দেব না!
-আমার নেতা দীর্ঘজীবী হন! -আমার নেতাই আমার জীবন!
-আমার নেতাকে ছেড়ে দাও! -নেতা দীর্ঘজীবী হন!
নেতা! আমার নেতা!
আমার নেতাকে গ্রেফতার করলে, এই তামিলনাড়ু কে বাঁচাবে?
আমার নেতাকে গ্রেফতার করো না! উনিই আমাদের একমাত্র ভরসা!
আমি মরে গেলেও ফিরে আসব তোমাদের সবার থেকে প্রতিশোধ নিতে!
আমার কথা কানে যাচ্ছে না? উত্তর দে!
তুই বিষ খেয়েছিলি কেন?
তোর বোনের কথা ভাবিস নি?
আমার কথাও?
একথা শুনে আমি হতবাক যাই।
তারা দুর্নীতিগ্রস্ত, তারা জেলে যায়, এটা তাদের জন্য একধরনের প্রচারণা।
তুই এতো বোকা হলি কীভাবে?
সর।
-কি হলো? -তুই রাস্তা ব্লক করছিস, সর।
কে ওখানে?
-সর। -স্যার…
ওহ, আমাকে ক্ষমা করবেন! আমি তোমাকে আগে দেখিনি।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।
শুয়ে থাকো।
শুনেছি তুমি অত্যন্ত নিবেদিত কর্মী।
দলের সদস্যরা আমাকে বলেছে।
কিন্তু তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিতে গেল কেন, যদি খারাপ কিছু হয়ে যেত?
-কেন না, স্যার। -কে ওকে বলেছিল?
যখন তারা আপনাকে গ্রেপ্তার করেছিল, আমি এটা সহ্য করতে পারিনি।
এটা কে ছিল?
যখন মন্দ ভালকে দখল করে ...
ভালোর জন্য...
তারপর-
দেখ, আমি জেল থেকে ফিরে এসেছি ...
তুমি যে বেঁচে আছো এটা দেখতে স্বচোখে এসেছি।
জেনে খুশি হলাম, স্যার।
কথা দাও তুমি আর এমনটা করবে না।
কথা দিচ্ছি, নেতা! এমনটা আর করব না।
স্যার…
আপনার দলের প্রচারণার সময় আমার জন্ম হয়েছিল ।
-আপনার বক্তৃতা শুনেই বড় হয়েছি। -এটা কি সত্য, নিজামুদ্দিন?
হ্যাঁ, ও এক পার্টি মিটিংয়ে আপনার বক্তৃতার সময় জন্মগ্রহণ করেছিল।
আমার বক্তব্যের সময় তোমার জন্ম হয়েছিল।
তার মানে তুমি রাজনীতির জন্যই জন্মেছ!
ধন্যবাদ স্যার। আমাকে আশীর্বাদ করুন!
কোথাও যাচ্ছ না, আমার পার্টিতে যোগ দাও!
-আমি তোমাকে দেখবো। -ঠিক আছে, স্যার।
-আমাদের এমনিতেই অনেক সমস্যা রয়েছে? -এই!
তার হেঁচকি উঠেছে শুনতে পাচ্ছ না? ওকে জল দাও!
-এই জল কেবল আপনার জন্য, স্যার। - আমাকে দাও!
যদি তার কিছু হয়ে গেলে কে দায়ী হবে?
আমি এটা স্মারক হিসাবে রাখি?
এই ব্যবহারে আমায় মুগ্ধ করে দিলে, আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক।
-ধন্যবাদ স্যার! -নিজের খেয়াল রেখো।
আমার তৃষ্ণা নিবারণের জন্য, নেতা দীর্ঘজীবী হন!
তাকে স্লোগান বলতে না করো?
জেনে রাখ, তোমার উপর আমার নজর থাকবে।
নজর থাকবে।
ওয়াও...
এখন তোর পরিকল্পনা বুঝতে পেরেছি।
প্রিয় নেতা!
আমি আসছি!
"ভন্ড প্রতারক সে রাজনীতি ভালবাসে কিন্তু সে খুব দক্ষ"
"হাঁসছে নিষ্পাপ শিশুর মতো"
"তোমাকেই তোমার জীবনের জন্য দৌড়াতে বাধ্য করবে এটা সিংগামের স্টাইল"
"সে তোমার মূল্যবান সময় নষ্ট করবে"
"টোপ ফেলে তোমাকে প্রলুব্ধ করে"
"তোমার মস্তিষ্কে প্রবেশ করবে"
"তোমায় সে বিশ্বাস করাবে সোনা হলো ফালতু জিনিস"
"সে সাহসী ও ভন্ড প্রতারক"
"হিরো হিরো হিরো সে আমাদের হিরো"
"শর্টকাটে সে তার উদ্দেশ্য নেয় বাগিয়ে
স্যার, আমি তৈরি, আমি পথেই আছি।
আমি এক্ষুণি ওখানে আসছি, স্যার।
বাইরে থেকে দরজা কে বন্ধ করলো?
"তোমার খেলা তুমি খেলো যদি সমস্যা তোমাকে খুঁজে পাও।"
"সেই খেলা তুমি পাল্টে নাও।"
"ভাগ্যের উপর দাও ছেড়ে তাতেও যদি যাও ধরা পড়ে।"
" ভাল হয় তুমি হার মেনে নাও সিংগামের সাথে করো না ঝামেলা।"
"তার সাথে কেউ করলে ঝামেলা আঘাত করে সে বাজের মতো।"
"কেউ করিস না ঝামেলা সে হলো কুমিরের মতো।"
"যে খেলা তুমি তার সাথে খেলবে সে হলে ওই খেলার আবিষ্কারক।"
-"তোমার চাল দিয়েই সে তোমাকে দেবে ফাঁদে ফেলে।"
"সামনে তোমার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে পিঠপিছে সে তোমায় ছুরিঘাত করবে।"
"তার প্রয়োজন কেবল শুধু ভাগ্য গড়ার ছোট্ট এক সুত্র।"
"বিশাল পর্বতকেও পারে সে ধুলিসাৎ করতে।"
"এমনকি সে পারে আগ্নেয়গিরিও জয় করতে।"
"হিরো হিরো হিরো সে আমাদের হিরো।"
"শর্টকাটে সে তার উদ্দেশ্য নেয় বাগিয়ে।"
"তোমার জীবন বাঁচানোর আশা দেখিয়ে।"
"সে তোমাকে ঠকাবে।"
"সে এক চতুর ঠকবাজ।"
"এখন আমার সুযোগ"।
"এটা আমার সময় রাজনীতির জন্যই আমি জন্মেছি"
সিংগাম!
"শাসন ও নাম কামাতে সে বড্ডজেদী"
জানি আমি কী চাই আর এটা আমি হাসিল করে নেব।
No comments yet. Be the first to leave one.