The first 200 lines.
অনেক বাক্যের ইংরেজি অনুবাদ ছিল না। তাই কিছু বাক্যের সরাসরি অনুবাদ শুনে করা হয়েছে আর অনেক গুলো বাক্যের করা হয়নি। ধন্যবাদ অনন্য দেবনাথ ভাইকে।
অনুবাদক : জয় কিষান
সবাইকে স্বাগতম।
১৯৯০ সাল, মাদ্রাজ... এই হচ্ছে চেন্নাইয়ের ব্যাসার্পাডি।
কৃষ্ণাপ্পা নাইকার ছিলেন এই এলাকার ধনী সমাজসেবী।
উনার বন্ধু করুণাকরণ। দুজনই রাজনৈতিক দলের বলিষ্ঠ ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।
দুজনে মিলে এই এলাকা শাসন করেছিলেন।
কিছু অপ্রত্যাশিত কারণে তাদের রাজনৈতিক দল ভেঙ্গে যায়।
অবিচ্ছেদ্য বন্ধুদের সড়ে যেতে হলো এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব ভাগ করে নিল।
যা তাদের মধ্যে বিরোধের সূচনা করে।
ক্ষমতা ব্যবহার করে তারা এলাকা ভাগ করে নিয়েছিল।
সবকিছুই খুশিমনে ভাগ করে নিয়েছিল।
শুধুমাত্র এই দেয়ালটি ছাড়া। যেটা গৃহায়ণ ও নগর উন্নয়ন বোর্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।
কোন পার্টি দেয়ালটি ব্যবহার করে তাদের প্রচারণা চালাবে তা নিয়ে বিবাদ ছিল।
ঐ দেয়ালে আমাদের পোস্টার থাকলেই মনে হবে যেন এটা আমাদের রাজত্ব।
ঐ দেয়ালটিকে হাতছাড়া করা যাবে না।
এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না।
ঐ দেয়াল আমরা হাতছাড়া করতে পারিনা। হাতছাড়া করলে, কাউকে মুখ দেখানোর লায়েক থাকব না।
এরইমধ্যে কৃষ্ণাপ্পা দেয়ালে পোষ্টার অংকনের কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন।
আমরা সবকিছুতেই ভয় পাই।
আগে আমরা কোথায় ছিলাম আর এখন কোথায় আছি দেখ।
যেন অন্ধকূপে এসে পড়েছি পা ছড়ানোর জায়গাটুকুও নেই।
হেই, আমরা এখন কেন বলছি ?
যখন আমি তিনজন এখানে আছি, ওদের কথা বলতে বাঁধছিল বুঝি?
আগে আমরা একসাথে ছিলাম এখন আমাদের নিজেদের দল আছে।
এমনটা নয় রে, যদি ওরা সেটা করে ফেলে আমাদের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলব।
দেমাক দেখিয়ে ওরা এসব করছে।
আমরা কেন করতে পারব না? আমরা কাপুরুষ নাকি?
করুণাকরণ গৃহায়ণ বোর্ডের লোকদের ক্ষেপিয়ে দেয়াতে তারা কৃষ্ণাপ্পার লোকেদের তাড়িয়ে দেয়!
এখন সবাই উদ্ধত হয়ে গেছে, না?
তোরা সবাই রাস্তায় রাস্তায় পড়েছিলি।
এখন আশ্রয় পেয়ে, আমার বিরুদ্ধে কথা বলছিস?
এটা কার দেয়াল মনে করিস?
এটা সরকারের।
আদালতে একটা পিটিশন করলে...
..এখানে থাকার জন্য যে প্রতারণা করেছিস
কি আজেবাজে বকছেন, এটা সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের থাকার জন্যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিল
আমাদের না জানিয়ে কেউ এই দেয়াল ছুঁতে পারবেনা।
আমাদের আর প্রয়োজন নেই?
তোমাদের প্রয়োজন আছে, তোমাদের পার্টিকে নয়।
আমাদের পার্টির ছবি কোথায় আঁকব?
তোমাদের দেয়ালে আমরা ছবি আঁকলে ভাল লাগবে?
আমি জানি কে তোদের ক্ষেপিয়ে দিয়েছে।
কেন? আমাদের বুদ্ধিশুদ্ধি নেই বুঝি?
দেখুন, এই দেয়াল আমাদের আর আমরা একে ছাড়তে পারব না।
যা পারেন, করুন গিয়ে।
যেসব লোকেরা কৃষ্ণাপ্পার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেত না....
তারাই রুখে দাড়িয়েছে। সেটা দেখে কৃষ্ণাপ্পার ছেলে কানন...
দেয়ালটির জন্য প্রথম খুন করল।
সাঙ্গান মারা যায়, যা বড়সড় দাঙ্গার সৃষ্টি করে।
কিন্তু পুলিশ গ্রেফতার করেছিল গৃহায়ণ বোর্ডের লোকেদের।
সাঙ্গানের শেষকৃত্যে সাহায্য করার জন্য এমন কেউ এলাকাতেই ছিল না।
সাঙ্গানের মৃত্যুর ঠিক ১ বছর পর, করুণাকরণ ফিরে এসে...
..মাঙ্গাকে উসকে দেয়।
ওদের উচিত না..
মাঙ্গা বাড়িতে ভেতরেই কৃষ্ণাপ্পার গলা কেটে দেয়।
কানন ১ সপ্তাহ পরেই মাঙ্গা ও তার ছেলেকে খুন করে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেয়।
কাননকে খুনের ষড়যন্ত্র করায় তারই দলের একজন ধরা পড়ে।
প্রতিশোধের খুন চলতেই থাকল।
খুনের স্তূপ বাড়তে থাকল।
এরই মাঝে কানন দলের উত্তর চেন্নাইয়ের জেলা সভাপতি হয়ে যান।
এলাকার কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বলে টাকা দিয়ে কানন তাদের বশে নিয়ে আসেন।
প্রথমবারের মত কোন বিপক্ষ ছাড়াই সে তার বাবার ছবি দেয়ালে আঁকিয়ে নেয়।
দেয়ালের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়ে নেন।
করুণাকরণ এসব থামাতে পারেননি।
পরাজয়ের কষ্টে করুণাকরণ পরলোকগমন করলেন।
এরপর তার ছেলে মারি গৃহায়ণ বোর্ডের নেতা হয়ে উঠেন।
সাথে দলের ভারও বুঝে নেন।
সেই সময়ে কিছু অশুভকর ঘটনা ঐ দেয়ালের সামনে ঘটে।
এক বৃদ্ধ লোক কোথা থেকে এসে যেন ঐ দেয়ালের সামনেই পড়ে মারা যান।
দুজন লোক তাদের বাইক নিয়ে দেয়ালে ধাক্কা মেরে প্রাণ হারায়।
দেয়ালের উপর থেকে লাফিয়ে একজন আত্মহত্যা করে।
এসব ঘটনায় ভয় পেয়ে, লোকে যখন এক তান্ত্রিকের সাহায্য চাইল.....
এই দেয়াল আরো মানুষের বলি চায়।
আরো রক্ত চায়, রক্তের বলি চায়।
এরপর থেকে মানুষ এটাকে মানুষ খুনী দেয়াল বলে ভয় পেতে লাগল।
একারণে দেয়ালটির সামনেই একটি মন্দির স্থাপন করা হল।
কানন, বাবার ছবিকে রক্ষা করার জন্য এটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
অন্যদিকে মারি ছবিটি সড়ানোর সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
এভাবেই.....
এই প্রজন্মেও লড়াই চলতে থাকল...
"Madras" "মাদ্রাজ"
- বাবু, তুমি পড়াশুনো করে কি হতে চাও? - কালেক্টর
কালেক্টর? কালেক্টর হয়ে কি করবে তুমি ?
- সমাজের উপকার - আমার ছেলেটা লক্ষ্মী রে!
Chennai! North Chennai!
This land of black tamils
Somebody making the tune, no tune can shake our roots.
Our land is Madras and we’re its identity!
Our land is Madras and we’re its identity!
রাজনীতিবিদের নির্মমতা থেকে নিস্তার পাওয়াটাই হলো আমাদের জনগণের স্বাধীনতা।
আমাকে সেই অধিকার অবশ্যই অাদায় করতে হবে।
যে পুলিশ কাউকে ভয় পায় না, তারাই আমাদের ভয় পায়। কেন?
রাজনীতি, রাজনৈতিক ক্ষমতা।
We enjoy every moment like a child in the midst of our run for life
We’re not a plant in solitude, We're the wilds of unity
Monuments of Madras is built not with brick and stone, but with our blood and emotions
If you try to silent us, we’ll make noises that the world will hear
We’ll be the tool to break sorrows
We’ll fly through the sky
We’ll be the tool to break sorrows
We’ll fly through the sky
আমার ইচ্ছা বড় গুন্ডা হবো
সবাই আমাকে দেখে কাঁপবে আমিই হব সর্বেসর্বা।
Our land is Madras We’re its identity
Our land is Madras We’re its identity
ছুরিটা বের করে ওর ভেতরে ডুকিয়ে দিয়েছিলাম। নাড়িভুঁড়ি সব বেড়িয়ে রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিল।
কেউ আমার পেছন থেকে পিন ডুকিয়ে দেয়। আশেপাশে থাকা সবার মধ্যে খুঁজে দেখেছি।
আমাদের সরোজা বোন এর স্বাক্ষী ছিল।
বোন সরোজা.....পুৃলিশ! বোন সরোজা.... পুলিশ!
৫০০ রুপি নিয়ে পুলিশকে ঘুষ দিয়ে দিলাম।
পুলিশ রিপোর্টে লিখে দিল গরুর রক্ত।
When the girl blushes away when proposed It's all for the celebration of love
Football, Carom, Boxing, Kabadi are games that showcase our courage
We stay amidst the sounds of Chennai that has become our music
Paste posters, gather crowd and be left with nothing is our culture
The night will see the light for the ones who are dedicated
Be awake and aware, for that day is not too far
The night will see the light for the ones who are dedicated
Be awake and aware, for that day is not too far
জীবনটা ছোট রে দোস্ত!
প্রত্যেকটা দিন, প্রত্যেকটা মুহূর্ত উপভোগ কর। এটাই তো জীবন।
Our land is Madras We’re its identity
Chennai! North Chennai!
This dominant Tamil land
Somebody makes a tune. No tunes can shake our root!
সবসময় দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকিস কেন? আমাদের এলাকায় আর কোন সমস্যা নেই নাকি?
৩ দিন পানি না পেয়ে মানুষ কষ্টে মরছে, সেটার দিকে নজর দে।
সেটার ব্যবস্থা করেছি দোস্ত। সন্ধ্যার দিকে হয়ে যাবে।
এই না হলে সেক্রেটারি!
- এই দেয়ালটার দখল নিতে হবে আমাদের। - নিব রে!
কি দেখছিস তুই?
ধস্তাধস্তিটা বাদ দিলে, কি দারুণ ছিল ম্যাচটা!
ভুলে যা ভিজি, এসব মনে রাখিস না
খেলায় মারপিট সাধারণ ব্যাপার আর তুই নিজেই শুরু করেছিলি
হেরে গেছিস, এখন জেতার চেষ্ঠা কর।
কার সাথে কথা বলছিস জানিস?
- হেই, ঝামেলা করতে চাস? - শান্ত হ দোস্ত।
- কি করবি তুই? - তোকে এখানেই ফালিফালি করে কাটব।
হেই বোম্মাই, ভিজিকে ছুরি দে। চালিয়ে দেখুক।
আমরা হাত গুটিয়ে বসে বসে দেখব।
ওকে দে ছুরিটা। বস পরিমল।
- তোর বাবা কেমন আছে? - ভাল আছে মারি।
ছোটখাট ব্যাপার নিয়েও, এরা গলা জবাই করে দেয়।
অন্য এলাকার কেউ হলে মানা যায়
সবাই এই এলাকার ছেলে, আমাদের লোক
তুই কি বলিস? কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে দিচ্ছি।
না মারি, ঐ এলাকাতে ভিজির একটা মানসম্মান আছে।
আনবু বলে যদি ছেড়ে দিই, তাহলে পরবর্তীতে ওর মত আরো অনেকে এই কাজ করবে।
এলাকায় এমন অনেক মানুষ আছে যারা কোন হদিস ছাড়াই লাপাত্তা হয়ে গেছে।
ওদের একটু সাবধান হতে বলো।
ভাই কেন অহেতুক কথা বাড়াচ্ছেন।
আমি জানি এটা কিভাবে সামলাব, চলো ভাই।
দাড়া ওখানে। তোর কি মনে হয় এরা মারিয়াম্মা মন্দিরের প্রসাদ বিতরণ করছে?
তুই এভাবে হাঁটতে থাক।
এদের দেখে কি মনে হয় তোর?
জনি, তুই চুপ করে থাকতে পারিস না?
- ওকে চলে যেতে বল। - জনি, দয়া করে এখান থেকে যা।
দেখ মারি, ব্যাপারটা এখানেই খতম কর। শুধুমাত্র তোর কথা ভেবে।
আমার ছেলেরা এরপর থেকে কোন সমস্যা করবে না।
যদি তোর ছেলেরা কোন সমস্যা করে, ওদের পিছে যেই থাকুক না কেন......
আমি জানি কিভাবে সামলাতে হবে।
হেই,চল যাই।
দাড়া, কথার মাঝখানে চলে যাচ্ছিস কেন?
আমার কথা বলা শেষ। এতসব কান্ড ঘটছে কারণ ওদের সমর্থনে তুই আছিস।
একদিন, ও তোর জন্য সমস্যা হয়ে উঠবে।
তুই নিজেও জানিস না কখন কিভাবে তুই সমস্যায় পড়বি।
সেটা আমি দেখে নিব। ও তো ভিজি নয়, ও হচ্ছে আনবু।
আমার ছেলের মত।
হেই কালি, ও কি বলল শুনেছিস তো?
যদি আবার কোন সমস্যা করিস...... তুই কি গুন্ডা হতে চাইছিস নাকি?
লেখাপড়া জানা, ভাল চাকরি করিস। তোর এসব ব্যাপারে জড়িয়ে কি লাভ ?
- ঠিকআছে। - না ভাই, আমি করিনি। ওই করেছে।
চুপ কর, ভাই কথা বলছে তো।
হেই কালি, জীবনটা উপভোগ কর।
বিয়েশাদি করে সংসার কর।
বাচ্চা নে। একটাতে হবে না।
কয়েকটা নে।
যদিও এত টাকাপয়সা নাই, তাও মানুষ আমাদের ভয় পায় কেন?
কারণ আমাদের পেছনে লোকজন আছে।
সৈন্যদল
- আনবু - ভাই
- রেগে আছিস নাকি? - সেরকম কিছু না ভাই।
হাড়গোড় ভেঙ্গে দেয়া উচিত ছিল।
ওর মাথায় যে রাগ, ওকে তো এখানেই মারতো। আমার কারণে বেঁচে গেল।
ওদেরকে এত বুদ্ধিমান বানিয়ে দিস না।
ওরা কাননের দয়াতে বেঁচে আছে।
- বস ভিজি - ঠিক আছে ভাই।
বস ভিজি, মা ওকে খেতে দাও।
বাচ্চাটা কাঁদছে কেন?
এই বাড়িতে খাওয়ার সময়েই সবকিছু হবে।
- হেই বস - সমস্যা নেই ভাই, আমি খেয়েছি।
মারি কি বলল?
ও কি বলবে? সাবধান করে দিয়ে এলাম।
ওর কারণেই তো আনবু এত বল পাচ্ছে।
- একটা দাঁতের পিক দাও। - দিচ্ছি।
কত বার তোমাকে বলতে হবে মাংস খাওয়ার সময়ে এটা রাখার জন্য?
হোক না সে, গামলার পানিতে মাছ কতদিনই বা বাঁচে?
অপেক্ষা কর ভিজি, আমাদেরও সময় আসবে। তারপর আমরা দেখাব, আমরা কে!
ওর আবার কিসের সময়, আমি তো ওকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তুমি ..
No comments yet. Be the first to leave one.