The Seventh Seal

The Seventh Seal (Det sjunde inseglet)

Download Bengali Subtitle

Release info

The Seventh Seal 1957 Criterion 1080p Bluray x264 anoXmous
The Seventh Seal 1957 720p BluRay x264 anoXmous
The Seventh Seal 1957 720p BluRay x264-x0r
The Seventh Seal 1957 1080p BluRay x264-Japhson
The Seventh Seal 1957 720p BluRay x264-[YTS AM]
A Commentary by Irtiza_Chowdhury
ঈশ্বরের অস্তিত্ব ও জীবনের প্রকৃত অর্থ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে থাকা আন্তোনিয়াস ব্লক নামক এক বীরযোদ্ধা তার অনুচরকে নিয়ে দেশে ফেরার সময় যাত্রাপথে মৃত্যুর দেখা পায়। মৃত্যু এসেছে তার জান কবজ করতে। কিন্তু আন্তোনিয়াসও এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র না। মৃত্যুকে সে চ

Tags

BluRay
x264
720p
720
TS
YTS
1080
Published on: 2017-08-02
Downloads: 184
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

"এবং মেষ-শাবক যখন সপ্তম সিলমোহরটি খুললো... "

"তখন স্বর্গের সবকিছু আধঘণ্টা ব্যাপী একদম নীরব ছিল।"

"আর যেই সাত ফেরেশতার কাছে ৭টি শিঙ্গা ছিল..."

"তারা শিঙ্গায় ফুঁক দেবার জন্য প্রস্তুত হলো।''

কে তুমি?

আমি মৃত্যু।

তুমি কি আমার জন্য এসেছ?

আমি দীর্ঘসময় ধরে তোমার পাশে রয়েছি।

আমি জানি।

তুমি কি প্রস্তুত?

আমার রক্তমাংসের শরীরটা ভয় পাচ্ছে, কিন্তু আমি না।

এক মিনিট।

তোমাদের সবাই সময় চাও। কিন্তু আমি বিরাম দিই না।

তুমি তো দাবা খেলো, না?

তুমি কী করে জানো?

রূপকথার কাব্য-কবিতায় পড়েছি।

এটাও জেনে রাখো - আমি বেশ দক্ষ দাবাড়ু।

কিন্তু আমার চেয়ে দক্ষ নও।

কেন তুমি আমার সাথে দাবা খেলতে চাও?

- সেটা তোমার মাথাব্যথার বিষয় না। - তাও ঠিক।

শর্ত হচ্ছে, যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ জিতবে না, আমি বাঁচবো।

আমি জিতে গেলে, তুমি আমায় ছেড়ে দিবে।

তোমার ভাগ্যে কালোটা পড়েছে !

আমার সাথে দারুণ মানিয়েছে, কী বলো?

ললনার পায়ের মধ্যখানে শয়ন করি আমি

আমার মত মানুষের কাছে এটাই স্বর্গ

প্রভু থাকেন ওপরে

কিন্তু শয়তান থাকে আমাদের সাথে নিচে

শুভ-অশুভ সংকেত ও অন্যান্য আতংক নিয়ে কথা বলাবলি হচ্ছে।

দুটো ঘোড়া নাকি একটা আরেকটাকে গিলে ফেলেছে...

কবর পুরোপুরি খোঁড়া আর ভিতরে নাকি মৃতের হাড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

গত সকালে আকাশে নাকি চারটা সূর্য ছিল।

এখানে সরাইখানা কোথায় পাওয়া যাবে বলতে পারবেন?

সরাইখানা কোথায়?

জানি না।

- কী বলেছিল লোকটা? - কিছুই না।

- সে কি বোবা ছিল? - বোবা বললে ভুল হবে, মাইলর্ড।

সে খুবই স্পষ্ট করে কথা বলছিল।

সত্যিই।

কিন্তু খুবই বিষণ্ণ দেখাচ্ছিল তাকে।

সুপ্রভাত। সকালের নাশতা করেছিস?

আমিও যে কেন তোর মত ঘাস খেতে পারি না।

আমাকেও ঘাস খাওয়া শিখিয়ে দে।

বাড়তি খাবার কিনে কুল পাচ্ছি না।

এখানকার মানুষের শিল্পের ব্যাপারে বেশি আগ্রহ নেই।

মিয়া ! ওঠো ! কী যেন একটা দেখলাম !

কী হল?

চোখের সামনে একটা দৃশ্য ভেসে উঠেছিল। অনেক বাস্তব মনে হচ্ছিল সেটা।

তুমি আর তোমার যতসব অবাস্তব কল্পনা !

আমি কিন্তু তাকে দেখেছি।

কাকে?

কুমারী মেরিকে।

তুমি কি সত্যি সত্যি তাকে দেখেছ?

আমি তো পারলে তাকে ছুঁয়েও ফেলতাম।

সোনালী মুকুট আর নীল রঙের গাউন পরে ছিল সে।

সে খালি পায়ে ছিল আর একটা বাচ্চাকে ধরে রেখে তাকে হাঁটা শেখাচ্ছিল।

আমাকে দেখে সে হেসেছিল।

আমার চোখে পানি এসে গিয়েছিল।

আর তা মোছার পর দেখি, সে ওখানে নেই।

তারপর চারদিকটা যেন নীরবতায় ছেয়ে গেল , একেবারে শান্ত হয়ে গেল।

তুমি যে আর কতকিছু বানিয়ে বলবা !

তুমি আমাকে বিশ্বাস না করলেও ওটা বাস্তব ছিল।

তোমার বাস্তবতার নমুনা ভালো করেই জানা আমার।

একবার বললে, শয়তান নাকি তার লেজকে তুলি হিসেবে ব্যবহার করে চাকায় লাল রঙ করছে।

এক প্রসঙ্গ বারবার তোলো কেন?

আর তোমার নখের নিচেও নাকি লাল রঙ লেগে ছিল।

হ্যাঁ, আমি ওটা বানিয়ে বলেছিলাম...

যাতে আমি অন্যান্য যেসব দৃশ্যপট দেখি, তুমি সেগুলো বিশ্বাস করো।

তোমার এইসব ব্যাপারে মুখ বন্ধ রাখাই ভালো ; নাহলে মানুষ তোমাকে বোকা ভাববে।

তাছাড়া অভিনেতাদের মানুষ খুব একটা গুরুত্ব সহকারে নেয় না।

কিন্তু তুমি তো বোকা নও ; অন্তত আমি যতদূর জানি।

আমি আমার দেখা দৃশ্যপট নিয়ে কখনও ছিনিমিনি খেলি না। এটা আমার দোষ না যে আমি কণ্ঠস্বর শুনতে...

এবং কুমারী মেরিকে দেখতে পাই এবং ফেরেশতা ও শয়তান আমার পিছু করে।

কী শুরু করলে সকাল সকাল? সবাইকে বলতে বলতে হয়রান হয়ে গেলাম যে...

সকালবেলা আমায় একটু শান্তিতে ঘুমোতে দিতে !

কতবার হাতে-পায়ে ধরেছি, কিন্তু কোনো কাজ হয় না। এবার কি দয়া করে তোমরা থামবে !

আমি আমাদের মাইকেলের জন্য আরও উন্নত জীবন চাই।

একদিন সে কসরতে দারুণ নৈপুণ্য দেখাবে।

কিংবা একজন বাজিকর হবে যে দুঃসাধ্য সব ভেলকি দেখায়।

কী সেই ভেলকি?

বাতাসের মধ্যে বলকে স্থির রাখা।

- কিন্তু এ তো অসম্ভব। - হ্যাঁ, কিন্তু সেটা আমাদের কাছে, তার কাছে নয়।

সারাক্ষণ দিবাস্বপ্ন !

আমি একটা গান রচনা করেছি ; ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লেগেছে।

শুনবে?

হ্যাঁ। আমার তর সইছে না।

গাছের ডালে বসে আছে একটি ঘুঘু

গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়

যীশুর নামে কত সুন্দর করেই না গাইছে সে

যেন স্বর্গে চলছে আনন্দোৎসব

ঘুম পড়লে নাকি?

- গানটা ভারি মিষ্টি ছিল। - এখনও শেষ হয়নি তো।

শুনেছি তো বাবা ; আমাকে এখন একটু ঘুমোতে দাও। বাকি গান পরে শুনবো নে।

সারাক্ষণ খালি ঘুম আর ঘুম।

কোন মর্যাদাসম্পন্ন অভিনেতা এমন মুখোশ পরে?

যাজকেরা ভালো মাইনা না দিলে বালের চাকরিটা অনেক আগেই ছেড়ে দিতাম।

''মৃত্যু''-এর চরিত্রে অভিনয় করবে?

এসব ঠিক না। এই মুখোশ পরলে তো মানুষ ভয়ে পালাবে।

নাটক কবে?

এলসিনোর-এ সন্ত দিবসে।

গির্জার সিঁড়িতে আমরা নাট্য পরিবেশন করবো।

নাটকের মধ্যে একটু অশ্লীলতা ঢুকালে কেমন হয়? আজকাল এগুলোই বেশি চলে।

হায়রে বোকা, সবখানে তো এখন প্লেগের মহামারী।

যাজকেরা এখন অশ্লীলতার ঘোর বিরোধিতা করছে ; নির্মম মৃত্যু আর নৈতিকতার ব্যাপারে ঢোল পিটিয়ে বেড়াচ্ছে।

আমরা কে কোন চরিত্রে অভিনয় করবো?

তোমার মত বোকাকে মানুষের অমর আত্মার চরিত্রেই মানাবে।

চরিত্রটা আমার পছন্দ হলো না।

আমিই নাট্যদলের পরিচালক। আমার সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে অন্য কোথাও কাজ করো গিয়ে।

" হায়রে বোকা, তোর জীবন আর খুব সময়ই স্থায়ী হবে।

"তোর হাতে বেশি সময় নেই।"

এই মুখোশ পরলে মেয়েরা কী ভাববে আমাকে? ইজ্জত বলে কিছু থাকবে না।

জফ, স্থির থাকো।

একটা শব্দও করবে না।

একটা শব্দও করছি না।

আমি তোমায় ভালোবাসি।

ওটা কী আঁকছেন?

মৃত্যুর নৃত্য।

- ওটা ''মৃত্যু''? - হ্যাঁ, সে অন্যদের সাথে নাচছে।

এইসব আজগুবি ছবি আকার মানে কী?

মানুষকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করানো।

এতে তো ওরা আরও বিমর্ষ হয়ে পড়বে।

ওদের খুশি করেই বা কী লাভ? ওদের ভয় দিলে কী সমস্যা?

ভয় দিলে তো তারা আপনার ছবির দিকেই তাকাবে না।

একশবার তাকাবে।

একজন নগ্ন নারীর চেয়ে কঙ্কাল অনেক বেশি কৌতূহল-উদ্দীপক।

যদি তাদের ভয় দেন...

- তারা ভাববে ... - কেবল তখনই তারা ভাববে।

- এবং আরও বেশি ভয় পাবে। - আর যাজকের সান্নিধ্য পাবার চেষ্টা করবে।

- সেটা আমার দেখার বিষয় না। - হ্যাঁ, আপনি তো কেবল মৃত্যুর নৃত্যের ছবি আঁকছেন (!) ।

আমি কেবল যা সত্যি যা দেখাই। মানুষ সেটাকে কীভাবে নেবে সেটা তাদের ব্যাপার।

কিছু কিছু মানুষ ছবিটা দেখে রেগে যাবে।

তাহলে আমি মজার কোনো ছবি আঁকাবো।

একজন শিল্পীরও তো পেট চালাতে হয় , অন্তত যতদিন সে প্লেগের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে।

প্লেগ তো খুবই ভয়াবহ !

এই দেখেন, প্লেগের আক্রমণে মানুষের ঘাড়ে ফোঁড়া হচ্ছে...

দেহের সর্বাঙ্গে অসহনীয় ব্যথা ছড়িয়ে পড়েছে ; জ্বর-যন্ত্রণা কুঁকড়ে খাচ্ছে তার শরীরকে।

- খুবই কষ্টের ব্যাপার। - হ্যাঁ, খুব কষ্টের।

ব্যথায় তারা পাগল হয়ে যায়, তারা সেই ফোঁড়া কেটে পুঁজ বার করতে চায়...

যন্ত্রণায় নিজেদের হাত কামড়ে ধরে...

আঁচড় কাটতে কাটতে রগ বেড়িয়ে আসে...

তীব্র যন্ত্রণায় তারা চিৎকার করে।

ভয় পাইয়ে দিলাম নাকি?

আমি আবার ভয়? আপনি তাহলে আমাকে চেনেনই না।

ঐসব কী আলতুফালতু ছবি এঁকেছেন?

মানুষ মনে করে, প্লেগটা ঈশ্বর প্রদত্ত কোনো শাস্তি।

তাই মানুষ উদ্দেশ্যহীনভাবে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যায় এবং ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করতে নিজেদের গায়ে চাবুক মারে।

নিজেদের গায়ে চাবুক মারে?

হ্যাঁ, খুবই ভয়াবহ দৃশ্য।

তাদের যেতে দেখলে আপনার কোথাও গিয়ে পালাতে ইচ্ছা করবে।

আপনার কাছে কি মদ হবে? সারাদিন কেবল পানি খেয়েছি।

একেবারে মরুভূমির উটের মত তৃষ্ণা পেয়েছে।

একটু ভয় কিন্তু আপনি পেয়েছেন।

আমি চেষ্টা করবো যতটা পারি স্বীকার করতে...

কিন্তু সত্যি বলতে, আমার মনটা খালি।

আর সেই শূন্যতা একটা আয়না যা আমার মুখের দিক তাক করা।

তাতে আমি নিজেকে দেখতে পাই...

এবং বিরক্তি ও ভয় অনুভব করি।

মানুষের প্রতি আমার অনুভূতিহীনতা আমাকে সমাজ থেকে বিচ্যুত করেছে।

এখন আমি এক ভুতুড়ে জগতে বাস করি যেখানে আমার স্বপ্ন আর কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই।

- এরপরও তুমি মরতে চাও না? - অবশ্যই চাই।

তাহলে অপেক্ষা কীসের?

জ্ঞানের।

তুমি নিশ্চয়তা চাও।

যা খুশি বলতে পারেন ওটাকে।

ঈশ্বরকে কি নিজের বোধশক্তির মাধ্যমে উপলব্ধি করা এতই কঠিন?

কেন তাকে কেবল অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি এবং অভূতপূর্ব অলৌকিক ঘটনার মাঝেই লুকিয়ে থাকতে হবে?

কোন যুক্তিতে আমরা ঈমানদারদের বিশ্বাস করবো, যখন আমাদের নিজেদেরই ঈমান নেই?

কী হবে আমাদের - যারা ঈমান আনতে চায়, কিন্তু পারে না?

আর তাদেরই বা কী হবে - যারা ঈমান আনতে চায় না বা ঈমান আনতে পারে না?

কেন আমি আমার ভিতরকার ঈশ্বরকে শেষ করে দিতে পারি না?

কেন সে যন্ত্রণা, অপমান সহ্য করে আমার মাঝে বাঁচতে চায়...

যখন আমি নিজেই তাকে আমার মন থেকে বার করে দিতে চাই?

কেন সে বিদ্রূপপূর্ণ বাস্তবতায় বিরাজমান...

যার থেকে আমার নিস্তার নেই।

- আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন? - পাচ্ছি।

আমি জ্ঞান চাই। ঈমান নয়। ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে ভিত্তিহীন আন্দাজ নয়। কেবল জ্ঞান।

আমি চাই ঈশ্বর আগ বাড়াক...

তাঁর মুখ দেখাক, আমার সাথে কথা বলুক।

কিন্তু তিনি তো নীরব।

আমি অন্ধকারে তাঁরে কেঁদে ডাকি, কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দেন না।

হয়তো তাঁর অস্তিত্বই নেই।

তাহলে জীবনে ভয় থাকারই কথা না।

মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া একজন মানুষ এই ভেবে বাঁচতে পারে না যে কোনোকিছুরই অস্তিত্ব নেই।

বেশিরভাগ মানুষই মৃত্যু বা অনস্তিত্ব নিয়ে চিন্তা করে না...

যতদিন না সে জীবনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায় আর একদিন অন্ধকারের মুখোমুখি হয়।

হ্যাঁ, সেই দিন।

বুঝতে পারছি আপনি কোন দিনটার কথা বলছেন।

ভয় পাওয়ার জন্য আমাদের সবারই কোনো আদর্শকে বাছা উচিৎ...

আর সেই আদর্শ হবেন ''ঈশ্বর''।

তোমাকে চিন্তিত লাগছে।

''মৃত্যু'' আজ সকালে আমার সাথে দেখা করেছে।

আমরা একসাথে দাবা খেলেছি।

অবকাশের এই সময়টা আমি গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজে ব্যয় করতে চাই।

কী কাজ?

সারাটা জীবন আমি অকারণে কোনো অর্থ ছাড়াই ঘুরেছি, ফিরেছি, কথা বলেছি।

কথাটা বলতে আমার খারাপ লাগছে না বা কোনো অনুতাপ হচ্ছে না।

কারণ আমরা সব মানুষই এভাবে জীবন অতিবাহিত করি।

কিন্তু আমি আমার অবকাশের সময়টা একটা অর্থপূর্ণ কাজের পেছনে ব্যয় করতে চাই।

একারণেই কি তুমি মৃত্যুর সাথে দাবা খেলছ?

হ্যাঁ। সে বেশ দক্ষ এবং চালবাজ...

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left