The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
কালো বই
যাত্রীবৃন্দ, আমরা কিবুৎজ নামের এই স্থানে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিবো।
প্লীজ, ১৫ মিনিটের মধ্যে বাসে ফিরে আসবেন। আপনাদের যাত্রা শুভ হোক।
- আমি ছবি তুলবো। - আচ্ছা।
আপনি পড়ায় ডিস্টার্ব করছেন। দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, কিন্তু ছবি তুলবেন না।
আমি হিব্রু বুঝি না। ডাচ ভাষা জানেন?
আরে তুমি হেগ শহরের এলিস ডি ভ্রিস না?
- রোনি? - তুমি এখানে কি করছো?
- আমি এখানে থাকি। এটা আমার দেশ। - তুমি ইহুদী?
- ইজরায়েলে কি করছো তুমি? - আমার বরের সাথে এসেছি।
ঐতো, কলারওয়ালা। জর্জ।
হটাত করে ধার্মিক হয়ে গেছে। ডাক্তার বলেছে, যুদ্ধের বিভীষিকার জন্য।
তাই: সারাদিন ভগবানের নাম করে, আর রাত হলে দুষ্টামি করে।
এর আগে কানাডিয়ান এক লোকের সাথে সম্পর্ক ছিলো না?
সেই তো। সেই কানাডিয়ান।
জর্জ। হল্যান্ডের বন্ধু। যুদ্ধের সময় পরিচয়।
এখানে কিভাবে এলে?
জলদি উঠুন! আমাদের পরবর্তী যাত্রা বিরতি কাপারনেয়াম।
যেখানে ঈসা মসীহ তাঁর আরোগ্যের বিস্ময়কর ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।
যাই সই। চিঠি লিখবো। ছবি পাঠাবো। টাটা এলিস।
রাচেল রোজেন্থাল আমার বিয়ে হয়েছে।
- লিখে রাখো, রাচেল রোজেন্থাল। - ঠিকানা?
কিবুৎজ স্টাইন। শালোম। গ্রামের নাম শালোম।
মসীহ বললো... জগতের জ্যোতি...
জীবনের জ্যোতি...
জাঞ্জি, স্টিঞ্জি, তোমরা এসো তো।
শুভ সকাল, মিসেস জেপকেমা। শুভ সকাল বাচ্চারা
- শুভ সকাল, দিদি। - শুভ সকাল, রাচেল।
দিবো কানের উপরে একটা, নাম ধরে ডাকবে না বলে ওয়াদা করেছিলে না?
আরও কাজ বাকী, রাতের মধ্যে আস্তাবল পরিষ্কার করতে হবে।
এই চেয়ারে বস। যা।
বাবা, দোয়া করবে না?
মেহমান নতুন আয়াত মুখস্থ করেছে।
সবাই, চোখ বন্ধ করো।
মসীহ তাঁদের বললেন: আমি জগতের জ্যোতি।
আমাকে যে অনুসরণ করবে, সে আঁধারে পথ হারাবে না...
- এবং তাঁর জীবন হবে দীপ্তিময়। - আমেন
বাহ, একটুও বাঁধলো না। স্টিঞ্জি, প্লেটটা এগিয়ে দে।
যদি ইহুদীরাও মসীহকে মানতো...
তাহলে আজকে তাঁদের এত কষ্ট করতে হতো না।
শুরু করো সবাই।
এই মেয়ে। ইংরেজি গান শোনা হারাম।
কিন্তু সুন্দরী মেয়েদের জন্য না।
একটা কথাও বলবা না। জার্মানরা এসেছে ভেবে ভয় পাইছি।
- তোমাকে ভয় দেখাবো কেন? - নৌকাতে উঠতে দাও তারপর বলছি।
- আমারও সিগারেট খেতে ভালো লাগে। - তাহলে খাও।
- কি করছে ওরা? - আরও উপরে উঠার জন্য ভার কমাচ্ছে।
নিচু হও!
- কোথায় যাচ্ছো? - ঐ বাড়িতে আমি থাকি।
থামো, ঐ দেখো, জার্মান।
যাওয়া যাবে না।
আরে আস্তে বাজাও।
ক্যাসেটে তোমারই গান...
- বাজছে। - হ্যাঁ আমারই।
যুদ্ধ শুরুর আগে আমি গান করতাম।
একবার গান গাইলে, গান না গেয়ে থাকা মুশকিল।
- এগুলো, বাবা আমাদের জন্য পাঠিয়েছে। - বাহ, সুন্দর তো।
চুলাটা জ্বালাবে তুমি?
- জিনিসটা সুন্দর। - রেখে দাও তাহলে।
- সত্যি? - আমার পক্ষ থেকে স্মৃতি চিহ্ন।
সুন্দর তো।
ধন্যবাদ।
- এক দিক দিয়ে ভালোই হলো। - কি হলো?
খাওয়ার জন্য আমাকে আর বাইবেলের আয়াত কপচাতে হবে না।
গাড়ি এসেছে। ইঞ্জিনের শব্দ।
মিস স্টেইন।
রাচেল স্টেইন।
জানি তুমি এখানেই আছো।
ফার্মের ছাইয়ের গাঁদায় জার্মানরা তোমার পাশ পেয়েছে।
হেলসম্যান মালডেরিঙ্ক জানতো তুমি কাছাকাছিই ছিলে।
ওরা তোমার নৌকার নাম্বার লিখে নিয়েছে।
- কে বলেছে? - মিথ্যা না।
১+১ সমান ২ হয়, এটা জার্মানরাও জানে। লুকিয়ে থাকা ইহুদী মেয়ে হাওয়া হয়ে গেছে...
আর এই মুল্লুকে এক তুমিই আছো যে তাঁকে সাহায্য করতে পারে।
- আপনি এখানে কেন এসেছেন? - তোমাদের সাবধান করতে।
সৈন্যরা এসে মেয়েটাকে জোর করে পোল্যান্ডে নিয়ে যাবে।
আর ইহুদীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য তোমার চৌদ্দ-গুষ্টিকে শ্রীঘরে ঢুকাবে।
এতকিছু আপনি কিভাবে জানলেন?
জার্মানদের পুলিশ রিপোর্ট হেগের সদর দপ্তরে জমা পড়েছে।
- ওরাই আমাদের জানিয়েছে। - আপনাদের? আপনারা কারা?
আমরা আমরাই। এতটুকুই যথেষ্ট। হল্যান্ডে অনেক ভালো পুলিশও আছে।
শুধু একটা কথাই বলবো, লুকিয়ে থাকো।
শুভ রাত।
- কথা বুঝো নাই? - আমাকে আর রবকে লুকাতে সাহায্য করেন।
"আমরা" মানে বিপ্লবীরা। আপনিও ওদের দলে। তাই আমাদের সাহায্য করেন।
- করতে পারি, কিন্তু বিপদ হবে। - বিপদ সবকিছুতেই আছে।
প্লীজ আমাদের সাহায্য করেন। প্লীজ?
বিসবোক্স দিয়ে পালানোর একটা রাস্তা আছে। তোমাদের স্বাধীন দেশে পৌঁছে দিতে পারবো।
সীমান্ত পার হবো? পাগল নাকি!
কয়েক সপ্তাহের ভিতরে টমিরা এসে হল্যান্ডকে স্বাধীন করবে।
টমিকে টুকরো টুকরো করে কেটে, নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তুমি ঠিক করো, আমার সাথে আসবে নাকি নিজেরাই সামলে নিবে।
থামেন, আমরা আসছি।
কাল ২'টার সময় রেডি থাকবে... আমি নিতে আসবো...
বেশি কিছু নিয়ো না, শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস নিবে।
এখানেই। আমি কোণায় দাঁড়াচ্ছি।
- হ্যাঁ? - উকিল সাহেবের কাছে এসেছি।
- আমার নাম রাচেল স্টেইন। - আমার সাথে আসো। দেখছি ব্যাপারটা।
উইম, স্টেইন নামের মেয়েটা এসেছে। একটু কথা বলবে?
উইম এখন দেখা করতে চায়।
- স্মাল। - রাচেল স্টেইন।
বাবা বলেছিলো, বিপদে পরলে আপনার সাহায্য চাইতে।
যে কোনো মেয়েই তো নিজেকে রাচেল স্টেইন বলতে পারে।
বাবা-মা আর আমার ভাই।
তোমার জন্য কি করতে পারি আমি রাচেল?
লুকিয়ে থাকার জায়গাটা জার্মানরা উড়িয়ে দিয়েছে। কাগজপত্রও সব গেছে। কিছুই নাই।
- একটা সুযোগ পেয়েছি স্বাধীন দেশে চলে যাওয়ার। - তাই নাকি?
- হ্যাঁ, আমার কিছু টাকা লাগবে। - কত?
এক বছর চলার মত হলেই হবে।
১০০ গ্র্যান্ড?
না, অত সম্ভব না।
৫০ দিন।
ডলার আর গহনা দিবেন, যদি পারেন। বান্ডিল মোটা হলে নিতে পারবো না।
রশিদে সই করতে হবে।
পরে আবার তোমার বাবাকে দেখাতে হয় এই রশিদ।
- আমার বাবা-মা কোথায় জানেন কিছু? - না, জানি না। আর জানতেও চাই না।
- কোথায় সই করবো? - এখানে, থামো, প্রথমে চেক নিবে না?
না, আপনার উপরে ভরসা আছে।
রাচেল, কাউকে অন্ধ বিশ্বাস করবে না। সেই দিন আর নাই।
কাগজ দেখাও।
ভ্যান গেইন, পুলিশ বাহিনী। ইহুদী বন্দীদের নিয়ে যাচ্ছি।
১০ জন।
- চেক। তোমরা যেতে পারো। - হিটলারের জয়।
বেরিয়ে এসো।
- রাচেল? রাচেল। - ম্যাক্স, ঐ তো আমার ছোট ভাই।
- আমরাও আছি। - মা!
আস্তে। চলো।
- এখানে কিভাবে আসলে? - উনার মাধ্যমে।
- উনি বলেছেন, নদী পার করে দিতে পারবেন। - তাই আমরাও রাজি হয়ে গেলাম।
- এর নাম রব। আমাকে বাঁচিয়েছে। - হ্যালো।
ধাক্কা দিবে না। সাবধানে সামনে যাও।
বসে পড়ো।
- তাড়াতাড়ি যাও ভাই। - ওর অপারেশন হয়েছে।
- মাত্র ৪ দিন আগে। - আচ্ছা, আচ্ছা, দুঃখিত।
- পাটাতন ফেলে দাও। - আপনি আসবেন না?
না, মাঝি তোমাদের এখান থেকে নিয়ে যাবে।
দেখে শুনে যাবে।
খালাম্মা, নেকলেসটা খুলে রাখেন। অন্ধকারে চকচক করবে।
আমি তো এটা ঘুমানোর সময়ও পরে থাকি।
তাহলে ঢেকে রাখেন। জার্মানরা সব দেখে।
যাওয়া যাক তাহলে।
দেখো, আঁদরুটি। জমিয়ে রেখেছিলাম। এখন কাজে লাগছে।
- কি হয়েছিলো তোমার? - অ্যাপেন্ডিক্সে ইনফেকশন।
- আমাদের সাথে আসতেই পারছিলো না। - উকিল ডাক্তারের ব্যবস্থা না করলে বিপদে পরতাম।
- গোপনে অপারেশন করাইছে। - রান্নাঘরের টেবিলের উপরে।
- মি. স্মাল কি জানতো তোমরা কোথায় আছো? - অবশ্যই। সেই তো আমাদের লুকিয়ে রেখেছিলো।
- আজিব, উনি বারবার বলেছেন জানেন না। - না, উনি আসলে সতর্ক থেকেছেন।
- তুমি কোথায় লুকিয়ে ছিলে? - একটা মুদি-দোকানদারের চিলেকোঠায়।
- বামপন্থি হলেও মানুষ ভালো। - ব্রাসেলস বেশি ভালো ছিলো।
- এখন আর আমরা আলাদা হবো না, তাই না? - হ্যাঁ।
- আমরা পূর্বদিকে যাচ্ছি কেন? - কিভাবে বুঝলে?
যুদ্ধ শুরুর আগে একটা বড় জাহাজের কাণ্ডারি ছিলাম।
যুদ্ধের আগে আমি হল্যান্ড-আমেরিকায় যাতায়াত করতাম। এদিকে ঘুরপথে যাচ্ছি।
অপূর্ব।
বাহির হও। মাল দেখাও।
- খুলো। - লাশের কি দেখবেন?
- ছোঁয়াচে রোগ কিন্তু। টাইফাস। - খুলো।
বন্ধ করো।
- আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। - কেউ তো নালিশ করেনি কখনো।
এক সেন্টিমিটার করে যায়গা রাখা আছে। দেখো।
- এর বেশি ফাঁক রাখলে জার্মানরা ধরে ফেলবে। - না, আমি বৃষ্টির কথা বলছি।
এখনও চেহারায় ব্যথা লাগছে।
আসো।
মুখ পরিষ্কার করে ফেলো।
এগুলো নাও।
জানি না এই ঋণ আমি কিভাবে শোধ করবো।
- এটা খুলে ফেলো... - একটু ঘুরে আসো, জুপ।
ঋণ শোধ করার বদলে...
SD'দের থেকে আমাদের সতর্ক করতে পারো।
চুলে রঙ করতে হবে।
বাবা...
- কাইপারস। - এলিস ডি ভ্রিস।
অভ্যাস হয়ে যাবে। পরিচয় পত্র করা হয়েছে?
হয়েছে, বাবা। একেবারে আসলের মত।
বাহ!
- রান্না করেছো কখনো? - বাড়িতে এক আধটু করেছি।
এখন আর কাজের মেয়ের চাহিদা নাই।
- দুঃখিত। - এখানে থাকতে হলে কাজ করতে হবে।
- ব্যাপার না, পারবো। - মেয়েটার পুরো পরিবারকে জার্মানরা মেরে ফেলেছে।
একদিন আমরা প্রতিশোধ নিবো, এলিস।
পাঁচ মাস পর
এলিস, এদিকে শোনো।
একটা বদলি করাতে হবে। তোমাকে অন্য যায়গায় কাজ করতে হবে।
- কাজ কাজই। - সেটা বিপদজনক হলেও?
- আমার হারানোর আছেই বা কি? - তোমার জীবন।
- এই মেয়েটাই কাল আমার সাথে যাবে? - হ্যাঁ, নতুন স্পাই, এলিস।
No comments yet. Be the first to leave one.