His Dark Materials - Third Season

His Dark Materials - Third Season

Download Bengali Subtitle

Season 3

Release info

His Dark Materials - S03E08 - The Botanic Garden
His Dark Materials - S03E08 - WebHD / Web-DL / Web-rip
His Dark Materials - S03E08 - [Runtime - 57:16]
His Dark Materials - S03E08 - [Runtime - 57:27]
His Dark Materials - S03E08 - [Runtime - 59:54]
A Commentary by AsadujJaman
🛑 [এপিসোড রানটাইম ৫৭:১৬ / ৫৭:২৭ / ৫৯:৫৪] 🛑 ডাউনলোড লিংক --> https://cutt.ly/P0wf22S

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
HD
Published on: 2022-12-30
Downloads: 45
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄

প্যান?

- কোনো হদিস পেলে? - না।

- তুমি ঠিক আছো? - নিশ্চিত না।

এতোকিছু পেরিয়ে আসার পর...

এখন এখানে এলাম।

এসব বাস্তব লাগছে না।

হ্যাঁ।

দালানটায়, আমার মায়ের ডিমন,

তাকে আমার চোখের সামনে মিলিয়ে যেতে দেখেছি।

মনে হয় সে মারা গেছে।

আমার হাফ ছেড়ে বাঁচা উচিত।

আমার বাবা-মায়ের অনেককিছুই...

- বুঝি না আমি। - যেমন?

যেমন কেন আমাকে তারা সত্য বলেনি।

কেন অমন ভয়ানক সব কাজ করেছে।

কেন সে ১৩ বছর আমাকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি,

অথচ পরে হঠাৎ করেই আগ্রহী হলো।

আমাকে কেন ত্যাগ করেছিল তারা?

যখন আমি এজরিয়েল'কে আমার চাচা ভাবতাম, তাকে আইডল মানতাম।

তারপর তাকে ঘৃণা করতাম।

আর এখন, তাকে মাফ করিনি, কিন্তু..

ঠিক ঘৃণাও করি না।

সে যুদ্ধ জিতেছে।

আর আমরা এখানে আসতে পেরেছি, তাই...

অদ্ভুত এক অনুভূতি হচ্ছে যে সে মারা গেছে।

এর মানে আমি একা।

না, মোটেও না।

কী?

কিছু না।

তুমি গোসল করায় খুশি লাগছে কারণ তোমার গা থেকে সারাক্ষণ দুর্গন্ধ আসে।

ওকে দেখে মনে হচ্ছে না আমাকে মিস করছে।

ওকে ঠিকঠাক-ই লাগছে।

তোমাকে দেখলে সে আরো আনন্দিত হবে।

আবার তাদের সাথে মিললে কতোটা ভালো হবে ভাবো তো।

কাছে থাকতে পারলে।

যদি আগের মতো আর না লাগে?

- যদি কখনোই তেমন না লাগে? - লাইরা তোমাকে ভালোবাসে।

অবশেষে আমরা একই দুনিয়ায় আছি। এখানে নিরাপদ আমরা।

- ওগুলো ওরা নয় তো? - না। হলে টের পেতে।

এটা বলছে আমাদের ডিমনরা নিরাপদ আছে।

কিন্তু আরেকজনের সাথে দেখা করতে হবে আমাদের।

প্যান কাছাকাছি-ই আছে।

জর্ডানে লুকোচুরি খেলার সময়টার মতোন লাগছে।

আমি জানি না ও ঠিক কোথায় আছে,

কিন্তু ওকে কাছাকাছি-ই অনুভব করছি।

মনটা আনচান করছে না। এবং জানি ও নিরাপদে আছে।

শোনো।

কীসের আওয়াজ ওটা?

ওরা চাকায় ভর দিয়ে চলছে।

সেই ছেলে এবং মেয়ে...

হ্যালো।

চলো ম্যারি'র সাথে দেখা করবে।

মনে হয় তার সাথে যেতে বলছে।

- ডক্টর ম্যালোন। - লাইরা। তুমি...

বিশ্বাস-ই হচ্ছে না তুমি এখানে।

আপনি কীভাবে এখানে...

তোমাকে খুঁজতে বলা হয়েছিল আমাকে।

জানতাম আবারো দেখা হবে।

ওহ, খোদা, বড়ো হয়ে গেছো।

- হাই। - হাই।

ওহ, খোদা। তোমরা যুদ্ধ দেখে এসেছো।

- পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো। - পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।

আঠাল, ধন্যবাদ। এখানে পৌঁছালে কীভাবে?

- এসো। খিদে পেয়েছে? - হ্যাঁ।

পাপিষ্ঠ জানোয়ার।

ওদের স্রাফ তো তোমার চাইতেও কম।

ওগুলো কখন আসবে ওদের কাছে?

জানি না।

কোনো শুড় নেই, বেচারাদের।

আঠাল খুব সুন্দর।

তার মতো কোনোকিছু কখনো দেখিনি।

এক বছর আগে হলে, এসব দেখে আমার মাথা ঘুরে যেতো।

কিন্তু এটা কথা বলা ভালুক আর দেবদূতের চাইতে তেমন মাথানষ্ট না।

এসব দেখে নিশ্চয়ই কিছুটা বিচলিত লাগছে।

আমারও লেগেছিল।

আমরা অনেক জায়গায় গেছি,

কিন্তু মনে হয় এটাই আমার ফেবারিট দুনিয়া।

এখানে কয়েকমাস থেকে এতোকিছু শিখেছি যা যুগ যুগ ধরেও পারিনি।

- আঠাল অনেককিছু শিখিয়েছে আমাকে। - যেমন?

যেমন... কীভাবে নিজের প্রবৃত্তিতে আস্থা রাখতে হয়।

কীভাবে একটা গাছকে সম্মান দিতে হয়।

গাছকে আবার সম্মান দেয় কীভাবে?

ওটার চাইতে তুমি উন্নত নও এটা ভেবে শুরু করতে পারো।

আমাদের মানুষদের একটা অবুঝ ধারণা আছে...

যে আমরা-ই বিবর্তনের শৃঙ্গ, কিন্তু...

অনেক ভুল ধারণা আছে আমাদের।

সকালে তোমাদের একটা জিনিস দেখাতে চাই।

আমি যা ভাবছি ওটা কি তাই?

আমাকে অক্সফোর্ডে যে প্রশ্ন করেছিলে এটাই তার উত্তর।

মনে আছে? ডাস্ট মানে মহাপাপ কিনা?

তোমার ডাস্ট, আমার শ্যাডো পার্টিকেলকে,

এখানে ওরা স্রাফ বলে। কিন্তু সব একই জিনিস।

এটা হলো আমাদের প্রাণের স্পন্দন।

এটা চেতনা।

তারমানে, ডাস্ট মানে মহাপাপ নয়।

ব্যস আমাদের মতোই ভালো বা মন্দ ওটা।

লাইরা'র চাইতে আপনার চারপাশে ডাস্ট বেশি কেন?

মুলেফাদের (আঠাল) ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে।

বয়সের সাথে বাড়ে। আর অভিজ্ঞতার।

জিনিসটা অবিশ্বাস্য।

এটা কীভাবে বানালেন?

ওই ফলগুলোর তেল-ই মূল চাবিকাঠি।

ওরা ওই ফল খায় আর এজন্যই তারা স্রাফ দেখতে পায়।

গাছগুলোর সাথে ওরা বিবর্তিত হয়ে, এই...

নিখুঁত নির্ভরশীলতা গড়েছে।

সবকিছুই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। আর তারপর...

কিছু একটা বদলে গেল।

হৃদয়বিদারক, তাই না?

গাছগুলো মরে যাচ্ছে।

কোনো রোগবালাই এটা?

না। ডাস্ট হারিয়ে যাচ্ছে।

ব্যস এই দুনিয়া ছেড়ে যাচ্ছে।

ভাবনা, কল্পনা, অনুভূতি, সব উড়ে যাচ্ছে।

এই সুন্দর জায়গাটা যেখানে মানুষ আমাদের চাইতে...

অনেক দুয়ালু ও জ্ঞানী আর...

ব্যস মরে যাচ্ছে এটা।

কী বাঁচাতে পারে এটাকে?

ডাস্টকে ফিরিয়ে আনার কোনো পদ্ধতি?

কাগজে-কলমে, ডাস্ট ভাবনা, সৃজনশীলতার প্রতি আকৃষ্ট হয়। তাই...

অসাধারণ কোনো আবিষ্কার?

আঠাল বলে এটার সমাধান ভেবে বের করতে পারবো না, কিন্তু...

চেষ্টা না করে পারছি না।

তো, এই ডিমনগুলো। ঠিক কী খুঁজছি আমরা?

তারা দেখতে পশুপাখির মতোই।

কিন্তু আপনার অনুভূতির ওপর নির্ভর করে তারা বদলে যায়।

তাই, প্যান উলভারিন হলে, বুঝবেন ওকে রাগিয়ে দিয়েছেন।

কিন্তু তারা আপনার-ই একটা অংশ।

উইল ভাবতো ওর কোনো ডিমন নেই।

সে আপনাদের দুনিয়ার বলে। কিন্তু আছে।

আপনারও আছে।

আমি এখনো সব বোঝার চেষ্টা করছি।

দেখো, কিছুই আর আমাকে অবাক করে না।

এই পুরো যাত্রাটা এতোটাই অবিশ্বাস্য ছিল।

আমার জানা সবকিছু ভুলে যেতে হয়েছে আমাকে।

কিন্তু আপনি আত্মায় বিশ্বাস করেন, তাই না?

- মানে আপনি তো যাজিকা ছিলেন। - আপনি যাজিকা ছিলেন?

মানে আমাদের দুনিয়ার যাজিকা?

আমাদের দুনিয়ায় এখনো যাজিকা আছে।

তো, বাদ দিলেন কেন?

ব্যস একসাথে অনেকগুলো কারণে, আসলে।

ম্যারি, ওদের গল্পগুলো বলো।

আসলে, আমি লিসবনে একটা কনফারেন্সে গিয়েছিলাম।

আর পার্টিকল ফিজিক্সের ওপর একটা গবেষণাপত্র জমা দিচ্ছিলাম।

আমার গীর্জা আমার শিক্ষাগত পেশার খুবই সমর্থন দিতো।

সেবারই প্রথম বিদেশে গিয়েছিলাম আর সবকিছু খুবই ভালোভাবে গিয়েছিল।

আর আমরা উদযাপন করছিলাম, তাই...

বোধহয় একটু সাহস অনুভব করছিলাম।

জানো, সত্যি বলতে, ওই মুহূর্তের আগ পর্যন্ত,

কখনোই মনে হয়নি আমার জীবনে কোনো অপূর্ণতা আছে।

আর তারপর, একজনের দেখা পেলাম।

সে অন্য অধ্যাপকদের মতো ছিল না।

তার জ্ঞানের ঝলক দেখাতে আগ্রহী ছিল না সে।

খুবই সহজ ছিল তার সাথে কথা বলা।

আর হঠাৎ করেই, এমন কথা শেয়ার করছিলাম...

যা করার দরকার আছে বলে কখনো ভাবিনি...

আর এটা ব্যস সম্পূর্ণ নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিলো।

এমন অনুভূতির...

যা কখনো অনুভব করিনি।

আর তারপর সে আমাকে একটা মিষ্টি দিলো,

সামান্য একটা মিষ্টি কাজুবাদাম।

আর সেটা মুখে দেওয়া মাত্র,

অনেক স্মৃতি মনে পড়তে লাগলো।

আর আমি বুঝতে পারলাম...

এরকম আগেও অনুভব করেছি...

বহু বছর আগে, স্কুলে থাকতে।

পেটে সুড়সুড়ি দিয়ে ওঠা প্রজাপতির অনুভূতি।

কারো কাছে যাওয়ার সেই তাড়না।

বোধহয় ব্যাপারটা বুঝতে একটু বেশিই ভীত ছিলাম।

কিন্তু এবার অনুভূতিটা ভুলতে চাইনি আমি।

আমি জানতাম এরপর ওই মঠে ফিরে যেতে পারবো না।

ওই উদ্দীপনা ছাড়া জীবন কাটানোর চিন্তা আর মাথাতেই আনতে পারিনি।

আর ভাবলাম...

"আমি হোটেলে ফিরে গিয়ে..."

"প্রার্থনা করলে এবং আর কখনো প্রলোভনে না পড়ার প্রতিজ্ঞা করলে কেউ কি লাভবান হবে?"

আর জবাবটা চলে এলো।

না...

কেউই হবে না।

এবং আমি বুঝলাম...

কেউই আমাকে ভদ্র মেয়ে হওয়ায় পুরুষ্কৃত করবে না,

কিংবা দুষ্টু হওয়ায় আমাকে শাস্তি দেবে না।

সেরকম কেউই ছিল না।

আর ব্যাপারটা... স্বস্তিদায়ক ছিল।

আর ব্যাপারটা... একটু একাকিত্ব পূর্ণ ছিল।

কিন্তু আমি জানতাম আমি দুনিয়ার সবকিছুর...

স্বাদ নিতে চাই। আমি ভালোবাসার স্বাদ নিতে চেয়েছি।

তো বলেছিলেন?

হ্যাঁ।

- ভয় করেছিল? - খোদা, আমি আতঙ্কিত ছিলাম।

আমি সবকিছুর ঝুঁকি নিচ্ছিলাম, আর নিশ্চিত ছিলাম প্রত্যাখ্যাত হবো।

কিন্তু... ঝুঁকিটা পয়সা উসুল ছিল।

জিনিসটা বিরল।

এমন ঘটলে,

তোমার এরকম অনুভূতি হলে, সেটাকে লুফে নিতে হবে।

ব্যাপারটা হাস্যকর না?

মাত্র একটা মুহুর্ত।

সে শুধু আমাকে একটা মিষ্টি সেধেছিল আর সেটাই আমার জীবন আমূল বদলে দিলো।

প্রথমবারের মতো আমি আমার পুরো মন দিয়ে কিছু একটা করছিলাম।

কেবল একাংশ দিয়ে না।

কোথায় তুমি, প্যান?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left