The first 200 lines.
নিন।
শুভ সকাল!
হাহ।
00:00:40 --> 00:00:58 ::: অনুবাদক: আশিকুর রহমান। :::
শুভ সকাল।
হাহ।
খাইছে রে!
ধুর!
ওরে!
ওরে!
ওহ.…হোয়া!
এই সেরেছে!
হ্যালো, পালোয়ান।
ওহ! হেই।
এইটা না-কি ওটা?
আহ- হাহ। আমি ঐ গল্পটা শুনতে চাই
যে গল্পে আমব্রেলা একাডেমি জাদুঘরে ডাকাতদের হারিয়েছিল।
আবার?
ওকে।
এটা ছিলো অন্ধকার ঝড়ের রাত...
ক্লেয়ার, মা এসেছে।
মা?
কী?
- কে আপনি? - প্যাট্রিক?
- মা! মা! - কী হচ্ছে এসব? এই মহিলা কে?
আহ... আমার বাচ্চা কোথায়?
দশ সেকেন্ডের মধ্যে বের হোন।
- ক্লেয়ার কোথায়? - এখানে কোন ক্লেয়ার নেই।
- তাকে ভয় দেখাচ্ছেন! - দুঃখিত।
কিছু একটা ঠিক নেই!
আসলেই ঠিক নেই।
চলে এসেছি। অবসিডিয়ান হোটেলে।
এখানে সবারই আশার অনুমতি আছে।
আমাকে তুমি দিয়েছ...
আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান উপহার।
প্রথমবারের মত বাঁচতে শিখিয়েছ।
স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছ।
এটাই সবথেকে বড় পাওয়া।
এই বন্দিদশায় থেকে কখনো জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবে না।
যতক্ষণ না কেউ এসে তোমাকে মুক্ত করছে।
-কীভাবে সাহায্য করতে পারি? -হেই।
ধন্যবাদ।
পুরোনো হলান্ড রোড, পেনসিলভেনিয়া।
হুমম।
কী বাজে খাবার!
এই পিচ্চি হারামিটা তোমার ছেলে?
-এখনো প্রমানিত হয় নি। - ইহা হাইস্যকর!
দাঁড়ও... ওর মা কে?
-লায়লা! -কী বললে?
-হোয়া, লায়লা এখানে? - ছিল।
গত রাতে তাকে আমার কাছে গছিয়ে বিদেয় নিছে।
- এইডা কোনো কথা। - চুপ থাক।
সে আমাদের পরিবারের একজন।
গতকাল সে আমাদের মারার চেষ্টা করেছিল,
হ্যা, এজন্যই তো বললাম, "পরিবারের একজন"। ডিয়েগো, সে কি ফিরে আসবে?
আসলে, তার আসতে হবে,
কারণ এখন এর থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সামলাতে হবে।
আস্তে, ভাই!
-লুথার কোথায়? -কে জানে? দৌড়াতে গেছে হইতো।
মমম।
চুলের স্টাইল জোস হইছে।
আসলে, আমি, গতরাতে মার্কাসের সাথে কথা বলেছি।
দাঁড়াও, কীহ? তুমি শত্রুর সাথে কথা বলেছো?
-তাও নিজে গিয়ে? - কাউকে কিছু একটা করতে হতো।
তোমাকে কে যেতে বলেছে, ভানিয়া?
ভিক্টর।
ভিক্টর কে?
আমি।
হইতো সবসময়ই ছিলাম।
এতে কারো কোনো সমস্যা?
নাহ, আমার সমস্যা নেই।
হ্যা, আমারও নেই।
তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত, ভানিয়া।
কিন্তু গতবার যখন দেখেছিলাম, তুমি আমাদের টিম লিডার ছিলে না।
আচ্ছা, আসলে, সব ঠিক আছে, ওকে? মার্কাস সব বুঝতে পেরেছে।
সে-ও আমাদের মত ঝগড়াঝাটি চায় না।
কী বলছো? সে আমাদের মারতে চেয়েছিল!
-লায়লাও তো চেয়েছিল, আর তোমাদের একটা বাচ্ছা আছে। - আমি এটা বোঝাচ্ছি না!
আমরা একটা ডিল করেছি!
সে ফাইভের ব্রিফকেস ফেরত দিবে, এবং আমরা এই টাইমলাইন থেকে চলে যাব।
ব্রিফকেস নেওয়ার জন্য সন্ধ্যায় তার সাথে দেখা করব।
ওহ, ব্যস তো।
তুমি বুঝছো না। তারা চালাকি করছে।
-ওহ, আসলেই? - হ্যা, কিন্তু আমরা এটা ঠিক করতে পারি।
এবং তাদের থেকে ব্রিফকেস নিয়ে, তাদের হালুয়া টাইট করে দিব।
ডিয়েগো, থামো, প্লিজ।
তুৃমি আজকে এমন কিছুই করবে না।
শুধু তার বাচ্চার দেখভাল ছাড়া।
এখনো প্রমানিত হয় নি।
আমি ব্রিফকেস নিয়ে আসব,
এবং ফিরে গিয়ে টাইমলাইন ঠিক করব।
হেই! আমরা কোথাও যাচ্ছি না! এই টাইমলাইন আমাদের জন্য একদম উপযুক্ত।
হ্যা, এটা এলিসনকে গিয়ে বল, যে ঐ মেয়ের জন্য কান্না করছে,
যার কোনো অস্তিত্বই নেই।
তার পর আবার, আমাদের জায়গা দখল করেছে
চোদনা লোকজন, কিউব এবং পাখিরা!
শোনো, অবুঝ চোদনারা! এটা আমাদের ব্যাপারে না!
চারপাশে তাকাও,
খেয়াল করেছো, এই টাইমলাইনে,
কোনো কেয়ামত নেই। সূর্য চমকাচ্ছে।
পাখিরা সবসময়ের মতন কিচিরমিচির করছে।
এটাতে বা-হাত ঢুকিও না। সময়ের সাথে আর পাঙ্গা নিতে চাই না।
এবং আমি কাজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি।
সে বড় হলো কবে?
চিন্তায় পড়ে গেলাম।
হেই, চলো এখান থেকে ভেগে যাই, কী বলো?
একটা ছোটোখাটো রোড ট্রিপের উদ্দেশ্যে।
কী বলছো এসব?
গ্রামের ভেতর ঘুরে বেড়ানোর কথা বলছি।
তুমি আর আমি, তাজা হাওয়া খাচ্ছি।
থেলমা এবং লুইস বেরিয়ে পড়লো ভ্রমনের উদ্দেশ্যে।
জানো তারা মুভির শেষে মারা যায়?
হাত ধরাধরি করে,
জীবনের সেরা সময়টা কাটাচ্ছি, আমার ছোট্ট সোনা!
শোনো...
গতরাতে লুথারের পাদের গন্ধে মরতে মরতে বেঁচে গেছি।
এখান থেকে বেরিয়ে তাজা হাওয়া খাওয়া লাগবে।
ওকে। কিন্তু, আমার সাথেই কেন, ক্লাউস?
কারণ তুমিই তো বললে কাজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছো।
আর এসব লোকজন এটাই করে।
তুমি কি জীবনটা উপভোগ করতে চাও না?
- একটাও চিংড়ি নেই। - কী বললে?
কিছুক্ষণ আগেও এখানে তিনটা চিংড়ি দেখেছি।
হ্যা, হয়তো, রান্নাঘরে ফুরিয়ে গেছে তাই এখান থেকে নিয়ে স্যুপ বানিয়েছে।
- তুমি একটা বক্সদ, কিন্তু আমি তোমার সাথে যাচ্ছি। - ওয়াও।
- আমাকে ছাড়ো বলছি! - তোমাকে এটা করতে দেখেছি!
হেই, কী করছো তুমি?
আপনার ছেলে তিনটা চিংড়ি তার প্যান্টের ভেতর ঢুকিয়েছে।
এটা তো বাফেট! আমি যা ইচ্ছে নিতে পারব!
আমি দেখছি ব্যাপারটা!
- দাঁড়াও, আগে শান্ত হোন। - তোমাকে আদব কায়দা শেখানোর সময় হয়েছে।
আমাকে না মারলে হয় না?
- এটা... - চুপ করে শোন।
আমার বাবা ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মানুষ।
এবং তোমার বয়সী থাকতে, একটা ওয়াদা করেছিলাম
আমার বাচ্চার সাথে কখনো দূর্ব্যবহার করব না।
হ্যা, থামো। আমি কিন্তু কান্না করে দিব।
আমি ব্যস্ত মানুষ, আমার কাঁধে অনেক দায়িত্ব, বুঝেছ?
তাই তোমাকে আমার আপদ হতে দিচ্ছি না, বুঝেছ?
হ্যা, সেটা দেখতেই পাচ্ছি।
তোমার মা না আসা পর্যন্ত থাকতে পারো, বুঝেছ?
কিন্তু কোনো রকম চুদুর বুদুর চলবে না।
এমন হলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না।
এদিকে তাকাও,
তোমার,
কান থেকে কিছু বেরোচ্ছে।
ওহ, আমি...
কানের ঔষধ আনতে ভুলে গেছি।
ওহ, কানের ঔষধ, হাহ?
ঔষধ না লাগালে, এটা বের হতেই থাকে, আর অনেক দূর্গন্ধ বের হয়।
চলো।
হোয়া, হোয়া! কোথায় চললে?
ঔষধ আনতে। এক্ষুনি আসছি।
না। এখানেই থাকো
আর উল্টো পাল্টা কিছু কর না যতক্ষণ না ব্রিফকেস হাতে পাচ্ছি।
হ্যা, কিন্তু তুমি তার বস না, ওকে?
-কে-- - চলো।
রাস্তায় খাবার জন্য কিছু সোডা পানি নিয়ে যাই।
- এমনকিছু, যা তোমাকে প্রশান্তি দিবে। - হেই, দাড়াও। কোথায় চললে?
- এই আস্তাকুঁড় থেকে বেরোনো যাক, বুঝেছ? - চলো।
মা?
লোকজন আমাকে মা বলছে কেন?
আমি কোথায় আছি?
একাডেমিতে, পাগল। সবাই তোমার অপেক্ষায় আছে।
একাডেমিতে?
আহ, এতক্ষণে ঘুম ভাঙলো।
প্লিজ, আমাদের সাথে বসো।
সব ঠিক আছে। কেউ তোমার কিচ্ছু করবে না।
-স্মুথি নিবে? - ওহ।
হ্যা, ধন্যবাদ।
তোমার নিশ্চয় খিদে লেগেছে।
ওহ, আহ.…
না, মনে হয় লাগেনি। এটা কি কাজুবাদামের মাখন?
কাজুবাদামের মাখন, কাগজি বাদামের মাখন, সূর্যমুখীর মাখন, তাহিনি, ব্রাজিলিয়ান বাদাম।
ওয়াও, তুমি কী জানো?
এতকিছু দেখে খানিকটা
খেতে ইচ্ছে করছে!
- নিশ্চিন্তে খাও । -ধন্যবাদ।
ওয়াও।
তো, আমরা জানি তুমিই নাম্বার ওয়ান।
কিন্তু আমাদের সুন্দরভাবে এখনো আলাপ-পরিচয় হয়নি।
আমি বেন, নাম্বার টু।
তোমার সাথে আবারো দেখা হয়ে ভালো লাগলো, ভাই।
সবাই এভাবে কথা বলছে কেন?
কারণ তুমি ১৫ বছরের জন্য মারা গেছ।
মারা গেছি?
মানে?
লম্বা ঘটনা।
যাইহোক, আমি ফে, নাম্বার থ্রী।
আলফান্সো, নাম্বার ফোর।
স্লোন, নাম্বার ফাইভ, হেই।
-হেই। - আমি জেমি, নাম্বার সিক্স।
সে ক্রিস্টোফার, নাম্বার সেভেন।
ওহ, কিছু মনে কোরো না। সে আজ তোমাকে আঙুল মারার মুডে আছে।
সে বুঝতে পারিনি।
এটা ব্যস...
দাড়াও, আহ, নাম্বার ওয়ান এর ব্যাপারে কী?
-তার ব্যাপারে কী? - সে কোথায়?
এটাই তো জানতে চাচ্ছি।
এখানে কি কোনো খেলা চলছে?
No comments yet. Be the first to leave one.