The first 200 lines.
Our Facebook Group: ★ Bangla Subtitle Home ★
অনুবাদক ===>> সাদমান সানজি
আব্বা তুমি কি মজা পাইলা? রাস্তাগুলা একদম পচা!
তরকালাল, সবকিছু হয়ে গেছে?
তরকালালের উপস্থিতে কোন কিছুর কমতি হয়েছে?
চাচা,তারা এখানে!
কিন্তু তুই এত পাগল কেন?
মুসকান রেডি হইছে নাকি দেখ.
এরা খুব সম্মানি লোক, সুতরাং ভাল আচরণ করবি.
চিন্তার কিছু নেই,আব্বু. আমি এটা দেখে নেব!
বেশিরভাগ মেয়ের বাপরা তোকে দেখেই রিজেক্ট করছে..
..এতদিনে অভিজ্ঞতা হবারই কথা! -কি?
মজা নিও না!
-আরে ঠাকুর সাহেব! নমস্কার। -নমস্কার.
আপনিতো সুন্দর একটা পৃথিবী গড়ে তুলেছেন!
-সুন্দর. - আমিতো একটু খাটছি। বাকিসব উপরআলার মেহেরবানী।
-ঠাকুর সাহেব,সে আমার ছেলে বালিন্দার. -বিল্লু.
-সে একটু! - একটু না,অনেক.
-আসুন. -চলো!
জী,আপনাদের রাস্তায় কোন অসুবিধা হয়নিতো?
যে গ্রামের লোকের মুখে আপনার নাম, সেখানে আর অসুবিধা কিসের?
কিন্তু রাস্তাগুলো ভীষণ পচা.
রাস্তাগুলো পচা কিন্তু মানুষগুলো ভাল.
এই কারণেইতো আমরা এখানে.
-আপনারা কিছু নেন? - কেন নেব না?
-প্লীজ. -ভালই.
-আপনিতো জানেন, আমরা এখানে কেন এসেছি. - হ্যা,আমি জানি.
উজালা, মুসকানকে নিয়ে আস.
অনুবাদক ===>> সাদমান সানজি
আব্বু,চল যাই.
ভূতনী!
মুসকান, ভালভাবে বস.
ভাল বুদ্ধি.
-সে সুন্দর -হ্যা!
আমার ছেলে আপনার মুসকানকে পছন্দ করেছে.
আপনার মতামত কি?
মুসকানকে জিজ্ঞাস করি.
তোমার কি হিরোটাকে পছন্দ?
আমার পছন্দ-অপছন্দের প্রশ্নই ওঠে না.
আগে তারা ভিশাল ভাইয়ের সাথে দেখা করুক.
আরে,ভিশাল যদি এসে পড়ে, তাহলে সম্পর্ক হয়ে যাবে!
এই যে ভিশাল.
-ভিশাল,এরা মুসকানকে দেখতে এসেছে. -হা.
ও..হাই!
খোদা রহম কর!
কুল! রিলাক্স!
আমার নাম বালিন্দার!
লোকেরা আমাকে ভালোবেসে ডাকে বিল্লু!
ওই বিল্লু,বেশি দুলিস না. দুলছে!
-কি? - বেশি কথা বল না.
-কেন, কি হইছে? - মুসকান গেলেইতো আমি এই ঘরে আসব.
চাচু,কেননা আমার হবু দুলাভাইকে আমার গ্রামটা দেখাই?
-হ্যাঁ. - না,ভিশাল!
-হ্যাঁ. - না,ভিশাল!
-হা. -আমি আমার শুশুরা দেখতে চাই.
-না. -ঠাকুর সাহেব,যেতে দিন না তাদের.
তারা যাবে দুইজন কিন্তু ফিরবে একজন.
-আস. - হা! চল!
"আমার পৃথিবীটা!"
- ব্যান্ড বাজছে! - ব্যান্ড ?
ব্যান্ড নিয়ে চিন্তার কিছু নাই. বিয়েতেতো বাজবেই.
আমার ভয় হচ্ছে এখনি বেজে না যায়!
আস্তে.
আস্তে!
চিন্তার কোন কারণ নাই. সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে.
এটাই মজা নাই!
এতক্ষণে আমার বিল্লু আর আপনার ভিশাল ভাল বন্ধু হয়ে গেছে.
- এত তাড়াতাড়ি না যাস! - সামনে দেখ ঘাস!
না!
আপনি বিশ্বাস করবেন না আমার বিল্লু এত সুন্দর কথা বলে যে..
..ভিশাল ওর ভক্ত হয়ে যাবে.
ঠাকুর সাহেব, তারা এত দেরি করছে কেন?
আব্বা! আমাকে বাঁচা!
মনে হয় বিয়ের ব্যাপারটা সেখানেই শেষ করে আসবে.
ওই ঘোড়া,তুই আমাকে ফেলে দিলি কেন?
দেখেন তারা এসে গেছে!
কিন্তু আমার বিল্লু কই!
আমি বলেছিলাম না, যাবে দুইজন ফিরবে একজন!
আম্মু!
বেটা, বিল্লু!
কি বেড়ালাম!
আব্বু,এই শালা খুব খারাপ.
-কি? - না!
চল!
সে আমাকে সবকিছু খুব ভালভাবে দেখাইছে.
উপর থেকে নিচে,ডানে থেকে বামে, গাছ-গাছালি, প্রত্যেকটা দিক থেকে আমাকে দেখাইছে!
চল যাই.
-আরে...ছিলে গেছে দেখছি. - আউ.
যদি আমার ছেলে পছন্দ নাই ছিল, সরাসরি না করলেই পারতেন!
আমিও জানতাম না তাকে এভাবে দেখতে হবে.
আয়.
চল, বালিন্দার!
-মজা নাইরে! বিল্লু. -হ্যা.
ছেলেটাতো একটা নমুনাই ছিল.
আমিতো দেখেই বুঝে গেছিলাম, এটা আমাদের দুজনেরই পছন্দ হবে না.
কিন্তু এত শয়তানি কেন করলি ওর সাথে?
যদি তার হাত-পা ভেঙ্গে যেত.
- দুঃখিত,চাচা. - দুঃখিত,চাচা!চল.
একদম ফাটিয়ে দিয়েছ.
ভাল.
আরে,এটা কি?
ওকে, ডার্লিং. মজা কর.
দেখ, উজালা ভাইয়ের জন্য এটা আমার পছন্দ. কেমন হইছে দেখতো?
ভালোই. আমার কি,রাখিতো তুই পড়াবি.
এত ভাব দেখাইস না!
কি জানি,একদিন তোকেও রাখি পড়াতে হতে পারে.
চুপ! এমনটা বলে না.
তোর প্রেমেরও জবাব নাই.
ভাই তোর দিকে ঠিকভাবে দেখেও না, কিন্তু তুই তার প্রেমের স্বপ্নে বিভোর!
স্বপ্নতো আমিও দেখি.পার্থক্য শুধু এটুকু সবাই চোখ বন্ধ করে দেখে আর আমি চোখ খুলে দেখি.
এবং শুধু তোমারই স্বপ্ন দেখি.
- তাই. - হ্যাঁ.
আচ্ছা আমাকে একটা কথা বলতো,তোর ভাই আর কতদিন তোকে কুমারী করে রাখবে?
সে তোর বিয়ে দিবে কি দিবে না?
কি করার ?কোন ভালো ছেলেই পাইনা.
আরে,আমি আছি না!
তোর ভাইকে বল যে,তুই ছেলে পছন্দ করেফেলেছিস. আর...
...বিয়ের কথা-বার্তা বলতে যেন সে আমার বাড়িতে আসে.
তাহলেই তো হয়ে যায়!
- আপনি নিজেই কেন বলেন না? - আরে,আমিতো বলেই দিতাম.
কিন্তু তোর ভাই আমার সামনে আসতেই ...
...চিন্তা আর ভয়ে মরে যায়. থরথর করে ভয়ে কাপতে থাকে.
- তাই ? - হ্যাঁ!
- বলা শেষ ? - হা,বলা শেষ !
খুকী,তুমি ঘরে যাও?
- ভাইয়া, আমিও বাসায় যাই? - দাঁড়া.
ঠিক আছে.
যদি আবার এরকম বেয়াদবি করিস তাহলে...
...পরেরবার মাথা মাটির ভিতরে আর পা মাটির বাইরে থাকবে.
শালাতো বাতি নিভায়ে গেল!
ভাইয়া.
-ভাইয়া. - আমি এখানে,খুকী.
আপনি এখানে বসে আছেন আর আমি আপনাকে কখন থেকে খুজছি.
যেটা ঘটার ঘটে গেছে. তাদের নিয়ে কিসের চিন্তা.
কিন্তু তোকে নিয়ে আমার চিন্তা আছে না,খুকী.
কেউ তোর সাথে অসভ্যতা করলে আমি মাথা ঠিক রাখতে পারব না.
এখন সেসব কথা রাখ এবং খেয়ে নাও. আস.
-তুমি রেঁধেছ? - হ্যাঁ.
ভাল হইছে.
ভাইয়া.
ওঠো!
- ওঠো না ! প্লীজ ! - ঘুমাতে দে,খুকী.
- প্লীজ ওঠো! - কেন ?
কারণ আজকের দিনটা আমার এবং আমি যেটা বলব সেটাই হবে!এখন ওঠো.
ওহ,হ্যা! আজকে তো ভাই ফোঁটা ?
- আপনি ভুলে গিছিলেন? - কিভাবে ভুলতে পারি ?
আমিতো এই দিনটার জন্যই বেচে আছি.
হাতটা দাও.
ভগবান তোকে সুখী রাখুক.
এই বছর আশীর্বাদে কাজ হবে না.
- এ বছর আমাকে কিছু দিতে হবে. - কি?
- আমি মুম্বাইয়ে যেতে চাই. - মুম্বাই!কেন?
কারণ আমি সময়ের সাথে এগোতে চাই.
আমি উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরে যেতে চাই.
'ভিশাল বেটা আমার, মুসকানকে মেয়ের মত রাখিস.'
'তার সব ইচ্ছাপূরন করিস.'
'বেটা, তাকে কখনও মা-বাবার কমতি বুঝতে দিও না.'
'কারণ তুমি ছাড়া তার কেউ নাই.'
ঠিক আছে.
ভাইয়া, ধন্যবাদ! তুমিই সেরা!
ভাইয়া.
- আরে কুল! - কি সমস্যা তোমার ?
আমি দুঃখিত.
এই,দেখতে পাওনা?
দেখতে পাই, জানেমন! এইজন্যই তো ধাক্কাটা মারলাম!
চল ভাইয়া?
হাই, বেইবি!
- ভাইয়া প্লীজ! - দুঃখিত !
চল.
মুসকান তুমি এই জঙ্গলে পড়তে চাও ?
ভাইয়া,এটা জঙ্গল না. এই শহরের সবচেয়ে বড় কলেজ.
হ্যা,আমি দেখছি. এই কারণেই এখানে মানুষের চেয়ে জন্তু-জানোয়ার বেশি.
এটা প্রিন্সিপাল স্যারের অফিস.
হাসো, প্লীজ. আসো.
ভিতরে আসুন.
আস.
ঠিক আছে.
শুভ সকাল, স্যার.
শুভ সকাল!
মুসকান ঠাকুর.
ওহ হ্যাঁ! চাচা ঠাকুরের ভতিজি.
আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, খুকী. এইযে তোমার ফর্ম, পূরণ কর.
ধন্যবাদ.
- তিনি কে ? - সে আমার বড় ভাই.
ওহ বড় ভাইয়া !
ওখানে ব্যাগ নিয়ে দড়িয়ে আছেন কেন?
ব্যাগটা রেখে বসুন.
-আমাদের কলেজে মাথায় প্রেসার দেয়া হয়,কাঁধে না. - মাথায় ?
এই কলেজের শিক্ষার্থীরা মাথা বেচে তারপর এখানে আসে!
আর আপনি মাথায় প্রেসার দেয়ার কথা বলছেন!
এই শহরে কি কাপড়ের মিল বন্ধ হয়ে গেছে যে..
.. মেয়েগুলো তাদের শরীর ঢাকতে ভুলে গেছে?
- আপনি এসব দেখেতে পান না? - দেখতে পাইতো,দেখতে পাই!
বসুন.
গহনাতো মেয়েদের জন্য,কিন্তু এখানে ছেলেরা পড়ছে!
- আপনি এসব দেখেতে পান না? - দেখতে পাইতো,দেখতে পাই!
সিগারেট এমনভাবে ফুঁকে যেন মনে হয়, এটা কলেজ না সিগারেটের ফ্যাক্টরী!
- আপনি এটাও দেখেতে পান না? - আরে! দেখতে পাই.
তাহলে আপনি কিছু করেন না কেন?
আমি কি করতাম? এটাতো আজকালকার ফ্যাশন, বড় ভাইয়া.
No comments yet. Be the first to leave one.