The first 200 lines.
Operation Red Sea (2018) Bangla Subtitle
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি সিরিয়াল কিলারের প্রাগৈতিহাসিক যুগের অনুবাদক এবং বর্তমানে চীনে বসবাসরত প্রিয় সহকর্মীকে। যার নাম M I SHAOWN
অনুবাদে সারাহ্ ইকবাল ফুয়াদ আনাস আহমেদ
সম্পাদনায় ফুয়াদ আনাস আহমেদ
জলদি! সেফ রুমে যাও!
নড়লেই মরবে!
আমাদের জিম্মি দরকার, লাশ না!
খোলো নয়তো মেরে ফেলবো!
জলদি! আমি আর আঁটকে রাখতে পারছি না!
মে ডে! মে ডে!
চাইনিজ বাণিজ্য তরী, গুয়াংডং থেকে বলছি!
আমাদের ওপর জলদস্যুরা আক্রমণ করেছে! আবারও বলছি, জলদস্যুরা আক্রমণ করেছে!
ওরা তো চলে আসছে!
চাইনিজ নেভি থেকে বলছি!
এক্ষুনি জাহাজ থামাও!
চাইনিজ নেভি থেকে বলছি!
এক্ষুনি জাহাজ থামাও!
ক্যাপ্টেন।
জিয়াওলং ইউনিট ওয়ান ও ইউনিট টু হোস্টেজ এরিয়ায় যাচ্ছে।
জিয়াওলং ইউনিট থ্রি ইঞ্জিন রুমে জাহাজ থামানোর চেষ্টায় ব্যস্ত!
আলফা পজিশন, তোমার পরিস্থিতি রিপোর্ট করো!
রিপোর্ট করছি... ব্রিজের ওপর ৩ জলদস্যু ও ১৫ জিম্মিকে দেখা যাচ্ছে!
বিটা পজিশন, তোমার পরিস্থিতি রিপোর্ট করো!
ক্যান্টিন টার্গেট লক করা হয়েছে। ওভার।
রিপোর্ট করছি... ওরা ফুয়েল ভালভ নষ্ট করে ফেলেছে!
ফুয়েল সাপ্লাই বন্ধ করা যাচ্ছে না।
পাওয়ার সাপ্লাই কেটে জাহাজ থামাচ্ছি!
ক্যাপ্টেন, প্রতিনিধি।
ওরা তো ভালো গতি অর্জন করে ফেলেছে!
হাতে সময় কেমন?
স্যার!
জাহাজ ২৩ নট গতিবেগে চলছে!
এই গতিতে,
১৫ মিনিটের মধ্যেই আমরা সোমালিয়ান সীমানায় পৌঁছে যাবো!
ক্যাপ্টেন।
আন্তর্জাতিক সীমারেখা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
রুই ইয়াং,
১০ মিনিট সময় আছে!
অ্যাটেনশন, এভরিওয়ান!
জিম্মিদের নিরাপত্তা বিবেচনায়, সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ করতে হবে!
আদেশের জন্য অপেক্ষা করবে। ওভার!
বাম পাশ দিয়ে যাও!
স্নাইপাররা লুকোও!
এগোতে থাকো!
ওদের ব্যবস্থা নিতে পারবে?
না পারলে,
তিন মিনিটের মধ্যে আমরা আক্রমণ করবো!
ক্যাপ্টেন।
দুই মিনিট পর রিপোর্ট করবো। ওভার।
লি ডং,
আক্রমণ শুরু করবে কীভাবে?
জাহাজ এখনও চলছে, যদিও উদ্দেশ্যহীনভাবে!
হেডউইন্ড আছে ৪৫-৫৫তে
ভালো মানের আক্রমণ করতে গেলে,
আমাদের অন্তত ১২০ থেকে ১৫০ মিটারের ভেতর যেতে হবে!
২৩ নটে চললে,
আক্রমণ করার জন্য
মাত্র তিন সেকেন্ড সময় মিলবে।
আর নয়তো সংঘর্ষ হবে।
সি-বার্ড ওয়ান, অল ক্লিয়ার?
অল ক্লিয়ার।
ক্যাপ্টেন।
১০ সেকেন্ডের মধ্যে আমরা আক্রমণ করবো।
ওভার।
সাবধান।
আক্রমণ!
কোনো পরিবর্তন নেই।
উত্তরপশ্চিমা বায়ুপ্রবাহ।
বেগ প্রায় ২০.৮
সময় তিন সেকেন্ড
লক্ষ্য স্থির!
প্রস্তুত!
প্রস্তুত!
প্রস্তুত!
বসো! সবাই বসে পড়ো!
ক্যাপ্টেন, জিম্মিরা নিরাপদ আছে।
কিন্তু জাহাজ থামানো যাচ্ছে না।
রিপোর্ট করছি... জাহাজ যদি থামানোই না যায়, তাহলে
৫ মিনিটের মধ্যে জাহাজ খালি করতে হবে।
শু হং, তোমার পরিস্থিতি রিপোর্ট করো।
জেনারেটর ওদের দখলে।
আমাদের সময় ফুরিয়ে আসছে।
ঝটপট ভেতরে ঢুকে হাইড্রোলিকগুলো চালাতে হবে।
জাহাজ থামানো না গেলে,
৫ মিনিটের মধ্যে সবাই জাহাজ থেকে নেমে যাবে।
শিল্ডটা দাও।
তোমরা দুজন এখানে থাকো।
শিটো!
আমার সাথে এসো!
ওপরে দেখো, একজন।
হাইড্রোলিকগুলো চালাতে তৈরি!
ক্যাপ্টেন, জিম্মি নিয়ে নৌকায় করে পালাচ্ছে।
ক্যাপ্টেন!
আমি যাচ্ছি!
না, লু জিং!
ওরা তো সংখ্যায় অনেক।
রিস্ক হয়ে যাবে খুব!
কিন্তু, এভাবে তো যেতে দেয়া যায় না।
বেশ!
অনুমতি দিচ্ছি
কিন্তু, সাবধান...
জলসীমা অতিক্রম কোরো না।
কথা দিচ্ছি, জলসীমা পেরোনোর আগেই ধরবো ওকে!
জিয়াওলং ইউনিট টু!
জাহাজ সামলে অ্যারেস্ট করো ওদেরকে!
ক্যাপ্টেন, কমিসার!
জলদস্যুদের তিনটি নৌকা এগিয়ে আসছে!
লু জিং!
৩০০ মিটারের নিরাপদ দূরত্ব অবশ্যই বজায় রাখতে হবে।
সি-বার্ড ওয়ান!
তোমরা আর এগোতে পারবে না।
এবার থামো!
রজার!
আর একটা সুযোগ তো আমায় দাও!
প্লেন ঘোরাও!
লি ডং!
বাকিদেরকেও তোমার সামলানো উচিৎ!
প্রস্তুত!
সি ওয়ান ও টু!
টার্গেট এখন থেমে গেছে।
অ্যারেস্ট করো, আমি কভার দিচ্ছি!
সি ওয়ান ও টু! কপি দ্যাট!
আমি দেখছি!
লু জিং!
আহত হয়েছে!
আমাদের একজন আহত হয়েছে!
কে? কে গুলি খেয়েছে?
লু জিং, লু জিং
ক্যাপ্টেন, কমিসার!
জলদস্যুদের কাস্টোরিতে নেয়া হয়েছে।
লু জিং এখন নিরাপদ।
ওর অবস্থা স্বাভাবিক!
কিন্তু!
কিন্তু ওর ট্রিটমেন্ট শেষ করার জন্য জিবুতিতে থাকতে হবে।
চিন্তার কিছু নেই।
বিশ্রাম নাও।
ক্যাপ্টেন
ওদেরকে বলেছেন?
বলেছি।
কিন্তু,,,
গুলিটা যে ওর স্পাইনাল নার্ভে লেগেছে
সেটা বলতে পারিনি।
রুই!
ঐ কথাটা শুনেছ?
একজন সৈনিক সদা আত্মত্যাগে প্রস্তুত থাকেন!
ঘরে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও তা সত্য!
একজন সৈন্যের দায়িত্ব তো ওদের জানা উচিত
সত্যিটা ওদেরকে জানাতে পারেন।
আপনি ওদের ক্যাপ্টেন। বাবা নন!
সবকিছু ব্যক্তিগতভাবে নিলে তো অসহায়ের মতো...
কষ্টের বোঝায় চাপা পড়বেন!
আমি পারছি না। দায়িত্বটা তো আমারই!
এক সপ্তাহ পর
বাই-বাই!
এই হলো আমাদের টার্গেট... উইলিয়াম পারসন্স।
ইয়েওয়্যার-এর এক এনার্জি কোম্পানির হেড অফ ডেভেলপমেন্ট!
ওর ডিপার্টমেন্ট ইউরেনিয়াম খনি
আর ইয়েলোকেক সমৃদ্ধ দেশগুলো নিয়ে কাজ করে!
এজন্যই তাহলে, ইয়েলোকেকের উৎস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না!
অক্টোবর, ২০১৪!
যে মাসে, ওর বিরুদ্ধে তদন্ত করা হলো!
ঠিক সে সময়েই, এই অবৈধ ইয়েলোকেক পাচার হয়েছিল!
ঠিক তাই!
আমার লোক জানিয়েছে উইলিয়ামের হাতে এখনও বিপুল পরিমাণে ইয়েলোকেক আছে!
আর মাত্রই ও ৩০টা বোমা বানানোর টেকনোলজি পেয়েছে!
ইয়েওয়্যারের অবস্থা তো সুবিধার না!
আর যদি এখনও ওখানে ইয়েলোকেক থাকে,
ও তো দ্রুত চুক্তি সেরে, ওসব বেঁচে ফেলবে!
ওকে ধরেই এগোতে হবে।
উইলিয়ামের ওপর আরও একটা রিপোর্ট আছে!
এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের কেস নিয়ে!
ওকে? আর সব তথ্যপ্রমাণ ওর বিরুদ্ধেই আছে!
মেয়েটা আমার লোককে বলেছে।
উইলিয়াম কখনও ওর নেকলেস খোলে না
কারণ ওর মতে, ওটায় এমন কিছু লুকনো আছে
যা প্রকাশ হলে, দুনিয়ায় ভয়ানক গণ্ডগোল লেগে যাবে!
পেয়ে গেছি।
সোজা ধরতে হবে এবার!
আর কাল সকালেই,
আবু একটা ফুল পেজ রিপোর্ট দিবে।
ওদের প্ল্যান স্যাবোট্যাজ করা যাক!
ব্যাপারটা যেন আর সামনে না আগায়!
দেখো, অলরেডি টেরোরিস্টরা তোমার পেছনে লেগেছে!
তাতে কী?
ব্যাপারটা তোমাকে ভয় দেখানোর না
কিংবা তোমার ভয় পাবারও না।
আলবার্ট, অন্তত তুমি তো জানো
কেন ঐ বড় বড় পত্রিকার চাকরি ছেড়েছি আমি?
কারণ, ওরা পক্ষপাতী হয়ে খবর প্রকাশ করে!
সত্য গোপন করে!
- আর আমায় চাকরি দেয়ার সময়, বলেছিলে... - না!
- সত্য প্রকাশ করার সাহস আমার আছে! - না!
- সেজন্যই আমি আজ এখানে! - না!
তোমার জেদ জানি আমি,
কিন্তু সবকিছুরই তো একটা মাত্রা আছে!
নিজের আদর্শ ভুলে যেতে বসেছ তুমি?
আমি কোনোভাবেই আমার কর্মীদের
প্রাণের ঝুঁকি তো নিতে পারি না!
কিন্তু, প্রাণের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছুই তো আছে!
আজ ভোর তিনটায়
No comments yet. Be the first to leave one.