The first 192 lines.
অনুবাদে: メ AsadujJaman メ
নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে...
বন্ধন কাকে বলে সেটা জানো তো?
একটা শক্তিশালী আকর্ষণ বল।
সমযোজী বন্ধন, আয়োনিক বন্ধন।
যৌগ গঠনে অনু পরমানুর একত্রিত হওয়া।
না?
রাসায়নিক বন্ধনই বস্তুকে বস্তু বানায়।
বন্ধনই এই বাস্তব পৃথিবীকে ধরে রাখে।
- আমাদের কি ধরে রাখে? - হ্যাঁ। হ্যাঁ। না, বুঝেছি।
বন্ধন।
তোমার পরীক্ষার রেজাল্ট অন্যকথা বলছে। বলছে তুমি কিছুই বোঝো না।
হ্যাঁ, কিন্তু, ৫৮ । কাছাকাছিই ছিলাম।
'কাছাকাছি" কি জিনিস?
বিজ্ঞানে "কাছাকাছি" বলে কিছু নেই, ব্যারি। শুধু আছে সঠিক উত্তর এবং ভুল উত্তর।
"কাছাকাছি" মানুষকে চাঁদে নিয়ে যায়নি।
হ্যাঁ, কিন্তু আমি মাত্র দুটো নম্বর চাইছি, মি: হোয়াইট।
দেখুন, আমি যদি রসায়নে পাস না করি, আমাকে সামার স্কুলে যেতে হবে। আর...
মানে, আমি সত্যিই পড়েছি। যাকে বলে, সত্যি, সত্যি পড়েছি।
যাকে বলে, সারারাত ধরে।
আর মানে, রসায়নে এতোটাই ঢুকে গেছি মানে, ধারণা নেয়ার জন্য।
আমার ধারণা হয়তো, মানে, আমার মনোযোগে ঘাটতি আছে...
দয়া করে এটা একটু ছাড় দেয়া যায় না?
ফালতু প্যাচাল পেড়ো না।
উত্তর হচ্ছে না। পরেরবার, নিজেকে প্রয়োগ কোরো।
ইয়ো। যদি আপনাকে চিনি, মেসেজ ছেড়ে যান।
তুমি কি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছো? এবার নিয়ে তিনবার হলো।
দেখো, আমি এই ফোন আরো ১৫ মিনিট খোলা রাখবো। তাই কল করো।
ওহ, আর... আরেকটা কথা, যেটার কথা বলেছিলাম, ওই...
যখন বলেছিলাম,"ওটা সামলাতে"।
বেশ, করো না। জাস্ট বাদ দাও।
ঠিক আছে।
কাম অন।
জেসি, দরজা খোলো।
আমি জানি তুমি বাড়িতে। তোমার গাড়ি এখানে। খোলো। হেই।
কোন সাহায্য করতে পারি?
না। ধন্যবাদ।
বেশ, আমি হচ্ছি ম্যানেজার, তাই গুঁতোগুতিটা কি বন্ধ করা যায়, প্লীজ?
তুমি ম্যানেজার?
হ্যাঁ। হ্যাঁ, তুমি আমাকে সাহায্য করতে পারো। অবশ্যই।
আমার ভেতরে ঢোকা ভীষণ প্রয়োজন, তাই যদি তোমার কাছে মাস্টার কি থাকে...
- তোমার... তোমার কাছে চাবি আছে, তাই না? - হ্যাঁ, আমার কাছে চাবি আছে।
দেখো, যে ছেলেটা এখানে থাকে...
আমার... আমার তার সাথে দেখা করা খুবই জরুরী।
- আর নক করেছেন, তাই না? - হ্যাঁ।
সে উত্তর দেয়নি?
যার মানে...
- দেখো, আমি ওর বাবা, ঠিক আছে? - আপনি মি: জ্যাকসন?
হ্যাঁ। আমিই। ওয়াল্ট জ্যাকসন।
আর তুমি?
- জেন। - জেন। পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো, জেন।
এখন, যদি কিছু মনে না করো...
মি: জ্যাকসন, চাইলে খুশিমনে আপনাকে আমার ফোনটা দিতে পারি।
- তাকে কল দিতে চান? - না।
না। আমি...
যেমনটা বললাম, যদি... যদি পারো আমাকে ভেতরে ঢুকতে দাও...
যাতে আমি আমার ছেলের অবস্থার খোজখবর নিতে পারি।
বুঝতে পেরেছো?
দেখুন, আপনাদের ভেতর যাই চলুক না কেন সেটা পারিবারিক।
আমি পারিবারিক ব্যাপারে জড়াই না।
জেসি আপনাকে ভেতরে না চাইলে, ঢুকতে পারবেন না।
ব্যস।
দু:খিত।
ভেতরে এসো, ড্যাড।
- ধন্যবাদ। - ঠিক আছেন?
হ্যাঁ।
"জেসি জ্যাকসন"?
মাথা কি...?
ওহ, অন্তত একটা টেলিফোন আছে দেখতে পাচ্ছি।
মানে, যে মিটমিটে জিনিসটাতে তোমাকে কল দিচ্ছিলাম?
যাইহোক, ম্যান।
- হেই, আমার জিনিস দেন... দেন... - আমি ভেঙে ফেলবো। ভেঙে ফেলবো!
গাঞ্জাখোর বকচোদ। এতোক্ষণ এসবই করছিলে...
যখন আমি তোমার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলাম?
- না। আমি বিজনেস সামলাচ্ছিলাম। - কিসের বিজনেস?
কিসের বিজনেস?
আমাকে যেই বিজনেসে লাগিয়েছিলেন, বানচোত। কি, অলরেডি ভুলে গেছেন?
এই বিজনেস।
ওটা কি কিছু মনে করালো? মাদারটোষ্ট।
- তুমি কি সত্যিই...? - হেই, বলেছিলেন...
বলেছিলেন,"এটা সামলাতে", তাই, মানে, সামলিয়েছি।
"সামলানো" বলতে আমি ভয় বা প্রভাবিত করার কথা বলেছি।
বলেছি টাকা ফেরত নিয়ে আসতে। আমি কখনোই বলিনি...
- ওহ, কাউকে মারতে বলেননি? - না!
ওয়েল, দেরি হয়ে গেছে, ইয়ো। কারণ বেটা মরেছে।
- ওহ, গড! - বুঝেছেন? সেইভাবে মরেছে।
- ওহ, গড। - ওহ, আর হেই, হেই, হেই। এই যে।
এই যে আপনার টাকা।
হ্যাঁ, ৪৬৬০ টাকা। আপনার অর্ধেক।
মনের সুখে খরচ করেন, অসহায় মাদারটোষ্ট।
বলিনি যে আমিই মেরেছি।
কি ঘটেছে আমাকে বলো।
বেটার বউ এটিএম মেশিন দিয়ে তার মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
- কি গুঁড়িয়েছে...? - মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছে...
এটিএম মেশিন দিয়ে, আমার চোখের সামনে।
মানে, এমনভাবে গুঁড়িয়েছে...
ওহ, খোদা, শব্দটা...
এখনো কানে বাজছে।
মানে, সবজায়গায় এতো রক্ত।
মানে, এতো রক্ত ছিলো, বিশ্বাসই করবেন না।
ভাই, দয়া করে আমাকে...? আমাকে আমার গঞ্জিকা দিন, ঠিক আছে?
গা-গোলানো বন্ধে সাহায্য করে।
তো...
তুমি কাউকে মারোনি?
কেউ কি ভাবতে পারে যে তুমি কাউকে মেরেছো?
আমি পুলিশকে কল করেছি।
তুমি পুলিশকে কল করেছো?
হ্যাঁ। মানে, কল করেই ভেগেছি।
আর তারপর ওরা এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে।
খোদা, মহিলার... মহিলার পুরো মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো।
মানে, সে... কোন কারণ ছাড়াই এই ঘটনা ঘটালো!
মানে, যদিও বেটা তাকে পেত্নী বলেছিলো, কিন্তু, ইয়ো, শালী আসলেই একটা পেত্নী ছিলো।
সে কি তোমাকে সনাক্ত করতে পারবে? তুমি ওখানে ছিলে বলে সনাক্ত করতে পারবে?
শালী নিজের বাম পাছাও সনাক্ত করতে পারছিলো না।
এতোটাই টাল ছিলো।
আর শালীর একটা...
খোদা, শালীর একটা বাচ্চা ছিলো।
শোনো, একটা ব্যাপার আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি না...
কিন্তু লোকটাকে মারার সময় তুমি মহিলাকে থামাতে পারলে না?
শা... শালী আমার দিকে বন্দুক ধরে রেখেছিলো, ঠিক আছে?
হ্যাঁ, আমার বন্দুক, ওকে? আমার।
বলে ফেলুন, বলুন। বলুন।
না, আমি কোন... আমি কোন তুকো বা ক্রেজি-৮ না। আমি দল চালাতে পারবো না।
বলুন। বলুন। বুঝাতে পেরেছেন, ভাই। বুঝাতে পেরেছেন। হ্যাঁ।
ইয়ো। যদি আপনাকে চিনি, মেসেজ ছেড়ে যান।
- হেই, ব্যাজার বলছি, ভাই। - করছিস কি?
- আসল নাম কেন বলছিস! - কি? ওইটা আমার আসল নাম না।
আচ্ছা।
ইয়ো, তোমার ওই প্যান্টগুলো জোগাড় করছি। লম্বায় বত্রিশ, ঠিক?
খালি তোমার জন্য আনছি, মাম্মা।
চলো কিছু ধান্দা করি, ইয়ো।
তো তুমি কি আবার কাজ শুরু করবে?
না।
আপনি যান। ঠিক আছে?
আমি শুধু ভুলতে চাই। আমি শুধু...
দু:খিত।
= উগ্র শ্বেতাঙ্গবাদী সংগঠন।
= হিটলারের নাৎসি বাহিনীর প্রতীক।
হেই।
হেই, ওটার কাহিনী কি?
হেসুস মালভার্দে, মেক্সিকান ড্রাগ ডিলারদের দরবেশ বাবা।
ওয়েল, অবশ্যই, আমি জানি ওটা কে, ঠিক আছে?
চোর ছ্যাচোড়রা তার কাছে হাঁটু গেড়ে প্রার্থণা করে:
"পিলিগ, সাধুবাবা। ডিইএ খেদাও, পিলিগ।"
আমি শুধু... শুধু জানতে চাইছি, ওটা তোমার ডেস্কে কেন?
নিও-নাৎজিদের পিছু নিলে, তুমি নিশ্চয়ই স্বস্তিকা পড়বে না, তাই না?
- সান- জু। - সান কে?
ষষ্ঠ শতাব্দীর চাইনিজ সেনাপতি। যুদ্ধ কৌশলে লিখেছিলেন।
"যদি তুমি শত্রুকে নিজের মতোই জানো...
তবে বিপদ ছাড়াই অসংখ্য যুদ্ধ লড়তে পারবে।"
একদম।
- এজেন্ট শ্রেডার। - স্যার।
- তোমাকে দলে পেয়ে খুশি। - ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
- সবাই তোমাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে? - ওহ, হ্যাঁ, হ্যাঁ। অসাধারণ ছেলেপেলে।
আর মেয়ে। আর মেয়ে। ছেলেপেলে, মেয়ে।
ভালো। এরচেয়ে আসার আর ভালো সময় পেতে না।
আমরা কার্টেলে এক বিশাল ফাটল ধরাতে যাচ্ছি। তাই না, ভ্যাঙ্কো?
জ্বী, স্যার।
ইয়ো, মামা, এইটা দেখ। এইটা তোর পাদ মারার স্যাটেলাইট ছবি।
"মোটু আর পাতলু।" তোদের দুইজনের মতো লাগলো।
তোর মোটকু আমার প্যান্টের ভিতরে, শালা।
- ওই, আস্তে। - এইটা আসল না, বলদ।
খালি আস্তে দেখ, এইতো।
তুই আস্তে দেখ।
আমি হাইজেনবার্গ।
আপনিই হাইজেনবার্গ?
হ্যাঁ, মনে আছে। আপনিই রাঁধেন।
চলো শুরু করা যাক।
জেসি কোথায়?
- ব্যস্ত। - হেই, ব্যাপার না।
একদম কুল।
পুরাপুরি কুল।
হেই, হেই...
ওইখানে পুরাটাই আছে, ম্যান। পুরা টাকা। যদি মানে, গুনে দেখতে চান।
- এখানে? - আমি বলতে চাইছি...
বলতে চাইছি, আমরা বুঝে গেছি, ইয়ো।
কার হয়ে কাজ করছি, আর কোন দ্বিধা বা দ্বন্দ্ব নাই।
পানির মতো পরিষ্কার, ইয়ো। আসলেই।
কি শুনেছো তোমরা?
জেসি কি সত্যিই...?
মানে, ও কি সত্যিই...
এটিএম মেশিন দিয়ে ওই বেটার মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছে?
কে বলছে এসব?
ধুর ভাই, পুরা এলাকা জানে। সবার পুরা "ওইত্তেরি" অবস্থা।
এমনিতে পোলাপাইনের থেকে জোর করে টাকা তোলা লাগে, কিন্তু আজকে...
সবাই আগেই টাকা দিয়ে দিচ্ছে।
একদম সত্যি। সিরিয়াস।
কিন্তু...
ও কি সত্যিই মেরেছে?
তোমরা এটা আমার কাছে শোনোনি।
বিশাল লাঞ্চ (খেয়েছি)।
ধন্যবাদ।
No comments yet. Be the first to leave one.