The first 200 lines.
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি বাংলা সাবটাইটেল কমিউনিটিতে প্রিয় মানুষ.... সাইফুদ্দিন শাকিল , নূরুল্লাহ মাশহুর , নিয়ামুল হক আবেগ ও মায়ায ইসলাম নাফিস ভাইকে।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় কে এন হাসান
দেরি হল কেনো? সব দোষ পাপায়ার। সব সময় শুধু পাপায়ার দোষ।
দেরি কর, আপা। পরিবার আগে। - এসো।
ওই অংশ থেকে সব রাবার কেটেছিস, আলিয়ান?
- আরো অনেক বিল্ডিং আসছে সামনে। - ওহ। আচ্ছা।
এখানে যে লাল আপেল গাছের থাকার কথা ছিল সেটা কোথায়?
- মা ওটা কেটে ফেলেছে। - ওহ, অসধারণ একটা ফলের গাছ ছিল।
উঠান অনেক নোংরা করে ফেলত।
আমার পরিষ্কার করার মত শক্তি ছিল না।
ওহ আচ্ছা।
- তাহলে ওকে তুমি বলবে নাকি আমি বলবো? - তুমিই বলো।
আগে দুইবার বলেছিলাম, আর পারবো না। আর এর ভেতরে পড়তে চাই না।
যদি আলিয়ান রাজী হয়, তার পর আমি এগোবো।
- কিন্তু পাপাই... - আমি নিজেকে বদলাচ্ছি না।
- যা খুশি করো। - আচ্ছা।
- শোনো। - কি? - আজকে মদ খাবে না।
- মনে আছে আগেরবার পুলিশ চেক করেছিল? - কিন্তু আমরা তো আজকে অন্য পথ দিয়ে যাব।
ওই এরিয়ার কোনো চেকিং হয় না।
হেই। গরুর মাংস রেডি। - আনু আপা তুমি সাল্লু আন্টিকে চেনো?
...উনি আমাকে সেলেভার বিয়ের বাপারে জিজ্ঞেস করছিলেন।
- মেয়েটাকে দেখেছো? - না....কে?
যখন আমরা রিনার বিয়েতে গিয়েছিলাম..
...লাঞ্চের আগে যে আমাদের সাথে কথা বলেছিল সে।
- নীল রংয়ের চুড়িদার পরেছিল.... - তার মানে...
..ওই লম্বা চুলের মেয়েটা? - হ্যা।
ওইটা? না।
সে মোটা। আমাদের কুট্টির দ্বিগুন।
ধুর। আমরা একদম পার্ফেক্ট কাউকে খুঁজতে যাচ্ছি না।
- কিন্তু তারা কি জানে সে মাত্র দশম শ্রেনী পাশ? - অবশ্যই তারা জানে।
- ভাল করেই তাকে চেনে। - তারা বেশি বাছবিচার করে না। - এটা কাজে দেবে?
- কিন্তু...সে মোটা। -সত্যিই, মোটা? - হ্যা, সত্যিই মোটা।
এই ব্যাপারে আরো একবার ভেবে দেখা প্রয়োজন।
হেই। যাওয়ার আগে কিছু বলে যা।
- এসবের ব্যাপার ছাড়া তোমাদের আর কিছু বলার নেই? - সেলেভা মামা।
কুট্টি। আরেকটু বস আমাদের সাথে।
- চলে গেলো। - তার ও এসব বোঝা উচিত।
উপদেশ দেওয়া ছাড়া আমরা আর কি করতে পারি?
- ঘোড়াকে টেনে পানিতে নামাতে শুধু তোরাই পারবি। - যদি আমার ধারণা সঠিক হয়....
....তাহল আমাদের আলিয়ানের মনে কিছু একটা ঘুরছে।
হেই। আমার ভাইয়ের ব্যাপারে বাজে কথা বলবে না।
- আমি ধারণা করেছি মাত্র। - ধারণা করার দরকার নেই।
কি? আজকের দিনে ধারণা ও করা যাবে না?
- সবাই ঢোকো। আবার দেখা হবে। - আসি।
আপা যা বলেছে সেটা ভাল করে ভেবে দেখিস, বুঝেছিস?
- আচ্ছা.... সবাই, উঠে পড়। - বিষয়টা সবসময় এড়িয়ে যাস কেনো?
এই তল্লাটে তোর বয়সী কেউ আছে যে বিয়ে করেনি?
জলি আলিয়ান। দয়া করে এসে তোমার বউকে গাড়িতে উঠাও।
এসো, জেসি। গাড়িতে ওঠো।
- গোপি। আবার দেখা হবে। আচ্ছা। - আসি, মা। - আচ্ছা।
- আসি, আপা। - আচ্ছা।
আসি, মা। আয়, মা।
- আয়। - যাওয়ার আগে মামা কে চুমো দিয়ে যাবে না।
উম্মা।
বাবা, ছেলে আর পবিত্র আত্না... আমিন।
- সমস্থ প্রশংসা ঈশ্বরের। - সমস্থ প্রশংসা ঈশ্বরের।
ভেতরে এসো।
হেই বিনয়। তোর বউ কোন এলাকার?
- এনারকুলাম। - ওহ, এনারকুলাম? - হ্যা ওই জায়গার।
ওখানকার কাউকে খুঁজে পেলি কি করে? বল আমাদের।
আমরা ফেসবুকে কথা বলা শুরু করেছিলাম।
আরো বল। সে তোকে পছন্দ করে?
- আমার মত না....সে দেখতে খুব সুন্দরী। - তাই নাকি? খুব সুন্দরী?
- কি? বিশ্বাস হচ্ছে না আমার কথা? - হ।
- ছবি দেখাবো? দেখ। - লটারি কিনবে?
ওহ খোদা। অবিশ্বাস্য।
হেই, সুরা। দেখ।
বিনয় যাকে বিয়ে করবে তাকে দেখেছিস?
দেখ একবার। যাহ তো। আর কোনো কাজকাম নেই?
- সব সময় একই ফাজলামি। - আচ্ছা, দেখিস না।
এটা তো তোর জন্য লটারি, বিনয়। লটারি।
তোর শয়তানি চোখ তার উপরে ফেলিস না, সাজিভা। সে তাকে পাওয়ার জন্য অনেক কষ্ট করেছে।
এখন ড্যাব ড্যাব করে দেখা বাদ দিয়ে ফোন টা ওকে দিয়ে দে।
তোর তো বিয়ে
নতুন একটা স্টাইল বানিয়ে দিই আজকে?
- সেলেভা এসে গেছে...আমি এখন যাই - হেই সুরা। আমার সাথে শহরে যাবি?
- মদ কিনে দেবে? - আমিও যাবো।
- হেই। ঘুরে দেখার জন্য যদি কেউ খোঁজে আমাকে ফোন দিস। - আচ্ছা, ঠিক আছে।
- হেই। তুই পিছনের সিটে যা। - আকাশে যাওয়ার জন্য।
- যেখানে খুশি, ওঠো। - সেলেভা, বাবা।
- খোদা সাহায্য কর। - সেলেভা, ফিরে আসার পথে...
......বালানের দোকান থেকে মেয়েদের নতুন ম্যাগাজিনটা আমার জন্য নিয়ে আসিস।
- ফিরে এলে আমি টাকা দিয়ে দেবো। - আচ্ছা।
- কোথায় নামবে? - হসপিটালে।
মাথা ঘোরা আর পিঠের ব্যাথাটা বেড়েছে।
তাহলে একা কেনো থাকো? ছেলেমেয়েদের একজনকে তোমাকে নিয়ে যেতে বলতে পারো না।
যদি বলি, তাহলে তারা নিয়ে যাবে।
কিন্তু আমি কারোর সাহায্য চাই না।
মরার আগ পর্যন্ত, নিজেরটা নিজেই দেখে নিতে পারব।
হেই। বাবু। তোর শরীর খারাপ হলে...
- আমি তোর কাছ থেকে লটারি কিনবো। - আমার কাছে "করুনা" আর "বাম্পার" টিকেট আছে।
ওগুলো না। গাড়ি পুরষ্কার আছে সেরকম একটা দে।
- গাড়ি পুরষ্কার দেওয়া তারা বন্ধ করে দিয়েছে। - ওহ, তাই নাকি?
- হ্যা। - আচ্ছা...তাহলে আমার লাগবে না।
আমি বাড়িতে এটা মেপে দেখেছি... এখন দেখে নাও।
হেই। চেপে ধরা বাদ দাও...এখন দেখো.. এটা ২৭, দেখেছ?
২৭ থেকে সামান্য কম আছে।
- যদি ভেজাল দেওয়া শুরু কর, তাহলে দাম কম পাবে। - কি?
আমি সব বাছাই করেই রেখেছিলাম। মনে হয় গ্রেসি না দেখে এগুলো মিশিয়েছে।
- হুম। - এখন ৫০০ টাকা দেন।
২৯০ টাকা ফোন রিচার্জের জন্য... বাকিটা বাস ভাড়া।
- হোস্টেল ফিসের কি হবে? - শনিবারের ভেতরে তোর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেব।
- আচ্ছা, যত তাড়াতাড়ি পারো পাঠিয়ে দিও। - পৌছে গিয়ে বাড়িতে ফোন দিস। - আচ্ছা।
- টাকা পয়সা জমানো বাদ দিয়ে তাকে দাও। - বলাটা খুবই সহজ।
পরিবহনের বাসে যাবি... যেটা সরাসরি যাবে...যা এখন।
ভারকেচ্চা... ২ কেজি ৩০০ গ্রাম হবে..
তোর বোনেরা শেষকৃত্যের পরে চলে গেছে? তারা গত কালই চলে গেছে।
আমি বলেছিলাম...মায়ের বয়স হয়েছে.. কিছুদিন থেকে উনার সাথে সময় কাটাতে..
... কিন্তু তারা থাকতে পারলো না। আর তাদের ব্যাপারে বলার কিছুই নেই।
- নে। - এখনকার সমাজ ব্যবস্থায় এরকম।
একবার তাদের বিয়ে হয়ে গেলে, সবকিছু স্বামীর হাতে চলে যায়।
তুই তাদের কাছ থেকে বেশি কিছু আশা করতে পারিস না।
আমি অভিযোগ করছি না। সবাই নিজেদের সমস্যার ভেতরে আছে।
চলে যাচ্ছিস? কৃষি অফিসে যাওয়া দরকার।
- তাহলে দাম কত, ভারকে? বাকি টাকা নেই...ঠিক আগের সপ্তাহের মত। - অবশ্যই।
তাদের পর্যবেক্ষণ দূরে থাক...
....এ জাতীয় অন্য কোনো চারাও পায় নি।
তাই মনে হচ্ছে আমাদের আর কোনো সুযোগ নেই।
- এখন তাহলে কি করব? - তোমার কিছু করার দরকার নেই।
আমরা আমাদের নমুনা স্পাইসি রিসার্চ সেন্টারে পাঠাব...
...আর তেলের পরিমাপটা জানবো।
এর সাথে আমাদের কাজও শেষ।
- কিছু শুনতে পেলে আমাকে জানাবেন। আমি এখন যাচ্ছি। - আচ্ছা।
না। না....ধ্যাত।
- কি হয়েছে? সমস্যা কি? - আরেকটা রাউন্ডের জন্য নিরাপদ আছি।
ভুয়া সংকেত।
- কি হয়েছিল? - কিছু না....শালা একটা পাগল।
- ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম - আমিও।
- কলটা দেখো। - হুম?
নাম্বারের শেষে ৪৯৬... আমিও ম্যাসেজ পেয়েছি এই নাম্বার থেকে।
হাই, হ্যালো, কেমন আছো? এই রকমের।
- উত্তর দাও। - কিসের জন্য?
- মজা করার জন্য....তাহলে খুঁজে পাবো সে কে। - মনে হয় না তার দরকার আছে।
যদি বয়ফ্রেন্ড বা অন্য কিছু খুঁজে পাও?
- সরো। - কি হল, বেটসি?
- কি হল? - কিছুনা।
- কি হয়েছে? - নাও...তোমার টাকা নাও - এসব কি করছ, বেটসি?
- দয়া করে এসব বন্ধ করবে? - আমার লাগবে না। - কি বল এসব, বেটসি।
- কিন্তু তোমার তো হোস্টেল ফিসের প্রয়োজন। - লাগবে না। -থামো, বেটসি। প্লিজ।
থামো। মজা করছিলাম।
- রাগ করিনি। আমার এটা লাগবে না। - যেওনা, বেটসি। প্লিজ বসো।
- প্লিজ, বসে আমার কথা শোনো। - আমি যাচ্ছি।
- আমি কি করেছি? - তুমি বলেছিলে আমাকে কোট্টায়ামে নামিয়ে দিয়ে আসবে....দিয়েছ কি?
যেতে পারছি না কারণ ওই পাবজি খেলোয়ার হনুমান তাহলে দোকান চালাবে।
- বিরাট কাজের মানুষ। - অফিসার যা বলেছে তার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত না।
এরকম কেনো বলছ?
আজকের দিনে কৃষকরা আত্নহত্যা করছে,
আর তুই এসব আবিষ্কার নিয়ে পড়ে আছিস... ব্যাপারটা যান্ত্রিক হয়ে গেছে।
কিন্তু যে কেউ করতে পারে।
তারা সেটা করে না কারণ সরকার....
...ন্যায্য মুল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। - ব্যাগ খোলো, বেটসি।
- কোথায় সে? - ওহ না।
এখানে কি হচ্ছে?
কিছুনা....বেটসির ফটোস্ট্যাট করা প্রয়োজন।
- কিসের? এই মিষ্টির? - না....
তুমি এখানে কেনো? তোমার কোট্টায়াম যাওয়ার কথা ছিল না?
বাস মিস করেছি, ভাইয়া।
পরেরটা সাড়ে ১১ টায় আসবে।
- বাবাকে সেটা ফোন করে বলেছ? - না।
তাহলে আমি ফোন করে বলব, তুমি বাসের জন্য এখানে অপেক্ষা করছ?
- সে এখনো বাড়িতে পৌছায় নি। - না। প্লিজ বলবেন না, ভাইয়া।
উনি ভেবেছেন আমি চলে গিয়েছি।
শুনেছিস?
বলেছি না তোর সমস্থ লেনদেন বাইরে করবি?
-প্লিজ...সেলেভা... আমরা শুধু... - ছেড়ে দে, সেলেভা..
- অনেকদিন আমাদের দেখা হয় নি...তাই। - কথা বলা বন্ধ কর।
বুঝছি এখানে কি চলছিল।
বাসে উঠো আর দ্রুত বাবাকে ফোন দাও।
- কি? - মিষ্টি।
- তোকে পরে দেখে নেবো। - হা? - বেটসি।
তাহলে ওরা ভেতরে বসে মিষ্টি খাচ্ছিলো?
এইজন্যই বলে বন্ধুদের উপকার করতে নেই।
যদি এটা অন্য কেউ হত, তাহলে আমাকে ছেড়ে কথা বলত?
তাকে কতবার বলেছি এসব করিস না।
যদি কোনো সমস্যা হয়, সব কিছুর উত্তর তো আমাকে দিতে হবে।
- মেয়েটাও জড়িত ছিল। - তারা ছোট মানুষ। সব বয়সের দোষ।
বয়সের কোনো দোষ নেই। এসব হল বাবা-মায়ের নজরদারিতার অভাব।
- তার উচিত ছিল মেয়েকে নিজেই বাসে উঠিয়ে দেওয়া। - এক পেগ নিবি তো?
নে। অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলছিস কেনো?
রাখো, বেটসি... মিষ্টি নাশপাতি আছে...
যদি সে আমার বাবাকে ফোন করে?
তাহলে.....
মনে হয় না...সে ফোন করবে।
আমি সেলভার সাথে ব্যাপারটা দেখে নেবো। এসবের ব্যাপারে চিন্তা করো না, ঠিক আছে?
- এই সিটে কেউ আছে? - না।
রাখো, বেটসি।
ফোন করব।
মনে হচ্ছে তার বাবাকে আমার ফোন করা উচিত।
তার পপরিস্থিতির ব্যাপারে একবার ভাব।
সে কি জানতে পারছে এখানে কি চলছে?
তার উচিত আমার বাবার কাছ থেকে শেখা। উনি ভীষণ কড়া ছিলেন।
তুই কিছু বলছিস না কেনো? তুই যেমন ভাবছিস, এটা অত ছোট বিষয় না।
- গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - ঠিক বলেছিস।
দেখেছিস? এখন বুঝতে পেরেছিস।
মা!
মা!
মা?
হেই। মা কি তোর ওখানে গিয়েছে?
না...সে এখানে নেই।
আমাকে না বলে সেখানে যায় না।
No comments yet. Be the first to leave one.