The first 163 lines.
⊗ অনুবাদক ও সম্পাদক ⊗ ⊗ ঈশান মুনতাসির ⊗
ESHAN MONTASIR Presents
না, তুমি যা ভাবছো তা না।
নিও ভিজে গেছে আর এখন সে নিজের কাপড় খুলতে পারছে না।
তাই আর কি....
এটা এই বাড়ির চাবি।
আমি এটা এখানে রেখে যাচ্ছি।
নিওকে দেখে সুস্থ মনে হচ্ছে বলে আমি আনন্দিত।
ইয়ুকা, আসলে এটা....
মনে হয় আমি তোমাদের দুজনের মধ্যে এসে বাম হাত ঢুকিয়ে দিয়েছি।
কি বাজে বলছো এসব।
দাঁড়াও। আমার কথাটাতো শুনো।
আসলে, তুমি ভুল বুঝেছো।
হেই, কোতা।
তোমার ঐ উৎসবটার কথা মনে আছে ছোটবেলায় তুমি আর আমি যে গিয়েছিলাম?
উৎসবে?
কোথাকার ঊৎসব?
এখন এসব বলে কি লাভ, ঠিক নয় কি?
গাধা কোথাকার!
ইয়ুক...
আমি..এত
এত...
ইয়ুকা,
তুমি একটা গাধা।
দাঁড়াও, ইয়ুকা।
এরকমটা কেন করলো?
আমার পিঠে খুব ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে।
সর্দি লেগে গেছে মনে হয়।
নিও...
বাবা এসেছো।
বাবা!
ESHAN MONTASIR Presents
নানা, তোমার কাছে একটা জিনিস চাওয়ার ছিল।
আহহা, ভেঙে গেছে।
তুমি এটা করতে পারবে না।
তুমি এটা করে দেখাও, কোতা।
অবশ্যই।
দেখো, করে ফেলেছি।
ওয়াও...
ওয়াও!
এটা কোনো বড় ব্যাপার না। এটা করার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষত্ব নেই।
এটা আবার ভেঙে গেছে।
এটা তোমার জন্য খুব কঠিন ব্যাপার।
যদি এটা কখনো করতে পারো, তুমি যা চাও আমি তাই করবো।
এত ভাব দেখাইও না।
শুধু অপেক্ষা করো আর দেখো।
পরেরবার দেখা হলে আমি অবশ্যই এটা করে দেখাবো।
প্র্যাক্টিস করতে থাকো, হয়ে যাবে।
আমি যেদিন করতে পারবো সে তোমার কাছে অবশ্যই একটা দিয়ে একটা জিনিস করাবো।
খেয়াল থাকে যেনো।
আচ্ছা আমি মনে রাখবো।
আমি একটা গাধা।
আমাকে দিয়ে কি করাতে চান?
এটাই যদি আপনার ইচ্ছা হয়ে, তাহলে আমি এটাই করবো আপনার জন্য।
বাবা বলে ডাকছে কেন?
সে তো চীফ কারুমার মেয়ে না, তাই না?
অবশ্যই না।
সে জন্ম থেকেই এখানে আবদ্ধ আছে।
এক্সপেরিমেন্ট চলাকালীন সবসময় তার উপর টর্চার করা হয়েছে।
এই টর্চারের মধ্য দিয়ে বাঁচতে হলে, তার সাপোর্টের দরকার হবে।
তার মানে বুঝাতে চাচ্ছেন চীফ কারুমা তাকে সেই সাপোর্টটা দিয়েছে?
চীফ তাকে তার বাবা হিসেবে বিশ্বাস করিয়ে,
তাকে বাঁচার উৎসাহ দিয়ে আসছে,
যাতে করে সে টর্চার সহ্য করে বাবার প্রতি বিশাস রেখে থাকতে পারে।
তাছাড়াও আমার মনে হয় সে অনেকদিন আগে মস্তিষ্কে একটা আঘাত পেয়েছিল।
#৭ এর একটা সাধারণ পার্সোনালিটি আছে আর সে কখনো কোনো মানুষকে আঘাত করে নি।
যা ই হোক, সে একটা ইউকিক কেইস।
আমি চাই তুমি তাকে মেরে ফেলো।
আমি কাউকে হত্যা করতে পারবো না।
তোমার টার্গেট হল একটি ডিক্লোনিয়াস, সে ঠিক তোমার মতো, নানা।
একটা ডিক্লোনিয়াস পালিয়েছে।
ডিক্লোনিয়াসদের একে অপরকে খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা থাকে।
তুমি তাকে খুঁজে বের করতে পারবে।
আমি তাকে খুঁজে বের তো করতে পারবো,
কিন্তু তাকে হত্যা করতে পারবো না।
তাহলে তাকে খুঁজেই বের করো।
আমি এটা সেট আপ করে দিবো যাতে করে তুমি তাকে খুঁজে পাওয়া মাত্রই আমাকে জানাতে পারো।
বাবা...
সে কি আপনার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হ্যাঁ, তোমার উপর নির্ভর করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই, নানা।
সত্যিই? সত্যিই?
তাহলে আমি খুব চেষ্টা করবো।
#৭ কে বের করার প্রস্তুতি করো।
৩৯ ডিগ্রি।
ধেৎ।
নিও...
চিন্তা করো না। আমি বিছানায় থেকেই ঠিক হয়ে যাবো।
আমাকে নিয়ে চিন্তা না করে নিজে একটা আন্ডারওয়ার পড়ো।
নিও?
সকালও হয়ে গেছে?
কয়টা বাজে খেয়ালই নেই।
নিও! নিও!
পানি...
নিও?
আমাকে একটু পানি খাওয়াও।
নিও?
বললাম একটা পানি খাওয়াও।
মনে হয় সে ব্যাপারটা বুঝে নি।
পানি?
ঠিক। আমাকে একটু পানি খাওয়াও।
নিও।
নিও।
ধন্যবাদ।
সাবাস, জুতাটাই খাইয়ে দাও।
নিও!
এমনটা নয় যে আমি তোমাকে এখানে দেখতে এসেছি কোহতা।
আমি কেবল নিও এর জন্য কিছু কাপড় এনেছি।
পানি!পানি!
কি হয়েছে?
তোমার কি হাসপাতালে যাওয়া উচিত না?
না, আমি হাসপাতালে যাচ্ছি না।
কোহতা..
এসব কি?
মঙ্গল কামনার জন্য রিচুয়াল করছো নাকি?
ইউকা।
গতকাল ফেস্টিভলের কথা বলছিলে, তাই না?
এখন আর বলে কী লাভ।
আসলে আমার ঐ ফেস্টিভলের ব্যাপারে কিছুই মনে নেই,
ঐদিন আমি তোমাকে গুডবাই জানিয়েছিলাম মনে আছে।
আর ঐ সময়টার মধ্যেই আমার বাবা এক্সিডেন্টে মারা যায়।
আর কানাই অসুস্থ হয়ে যায়।
ঐ সময়টাতে খুব ভয়াবহ দূর্ঘটনার সম্মুখীন হই আমি আর
এজন্যই হয়তো আমার কিছু মনে নেই।
কি হয়েছে?
তবে ঐদিন আংকেল আর কানাই তোমাকে ট্রেনে করে ঘরে নিয়ে আসতেছিলো।
কি? আমি শুনতে পাই নি।
কিছু না।
কিছু না।
ইউকা?
নিও?
আমি গিয়ে পানিটা চেইঞ্জ করে আসি।
আচ্ছা।
কোতার তাই সেদিনের কোনো কথা মনে নেই।
এজন্যই সে...
আমার সামনে ফালতু কথা বলবে না।
কে আমার সার্জারি করাবে, বল।
তোর কি মনে হয় আমি বলীর পাঠা?
তোমার প্রতি আমি সহানুভূতি জানাই, তবে তুমি এ কাজটা না করলে এখানেই মরতে হবে।
কেন?
অনেক কষ্টে বেঁচে আসলাম আর এখন তুমি আমাকে বলীর পাঠা বানাচ্ছো?
তুমি এটা না করলে মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
তুই কি পাগল হয়ে গেছিস?
মানবজাতির সাথে আমার সম্পর্ক কী হালা মাদারচুদ?
আর সব কথার এক কথা, আমার এই হাল করা বদমাশনীটা কই?
ঐ হাতগুলো কার ছিল?
বল আমাকে, কার কাছে আমি হেরে গেছি?
আমরা এদের ডিক্লোনিয়াস বলি।
ডিক্লো?
মানুষের একটা মিউটেড রুপ। একটা মিউটেন্ট।
একটা মানুষ? এই শালী এটা করসে?
এটা একপ্রকার ইউনিক জিনিস যেমনটা তুমি জানো।
তাদের মাথা থেকে একজোড়া শিং বের হয়।
আর সবচেয়ে আজব করা ব্যাপার হল তাদের দুটা হাত থাকে না।
আমার সাথে তুমি মজা করছো।
তুমি বলেছিলে যে তারা ঐ দুটা গোপন অস্ত্র(হাত) নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
ওগুলা হচ্ছে ভেক্টর, এদের রিসিপ্টরও বলা হয়,
আর তাদের সম্পর্কে আমরা এত কিছু জানতেও পারি নি।
তারা জরুরী মূহুর্তে তাদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে।
আর তাদের মাইক্রো ভাইভ্রেশন ফ্রিকুয়েন্সি দিয়ে অনেক কিছু করতে পারে।
কিন্তু অন্যদিক দিয়ে তাদের দেখলে দেখতে পাবে তাদের ঐ অস্ত্র দুটা নেই।
হাহ?
এটাকে আমরা বলতে পারি, তারা হচ্ছে কিছু অস্বাভাবিক জিন নিয়ে জন্ম নেয়া প্রাণী
যারা জন্ম হওয়ার পরই মারা যায়
No comments yet. Be the first to leave one.