The first 200 lines.
//Cr eated by Rajdeep Das//
//Cre ated by Rajdeep Das//
//Crea ted by Rajdeep Das//
//Creat ed by Rajdeep Das//
//Create d by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created b y Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by R ajdeep Das//
//Created by Ra jdeep Das//
//Created by Raj deep Das//
//Created by Rajd eep Das//
//Created by Rajde ep Das//
//Created by Rajdee p Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep D as//
//Created by Rajdeep Da s//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
//Created by Rajdeep Das//
ভগবানের দোহাই, আমায় ছেড়ে দাও!
আমাদের থেকে বেঁচে কতদূর যাবে, রানী?
- যেতে দাও। - চিল্লা, চিল্লা, চিল্লা, চিল্লা আরো চিল্লা..
দেখি এই মীরাট শহরে কার কলিজায় এতো দম আছে, যে তোকে আমাদের থেকে বাঁচাবে।
- আছে কেউ? - অশোক!
আসতাকফিরুল্লাহ!
ফ্রেঞ্চ পারো না তোমরা?
অশোক, গতকালই তোমায় মেরেছিলাম না?
তাতে কী?
তাতে কী!
সময় বদলে গেছে, ছোকরা।
ছোকরা হবে তোমার বাপ! আমার নাম বাউয়া সিং, বলো কী?
বাউউয়া!
আরে তুমি উচ্ছন্নে যাও, গোল্লায় যাও তুমি।
কী ভাইয়া জ্বি, বাঁচিয়ে নিয়েছো আমার ইজ্জত আবারো?
হ্যাঁ।
বন্ধুবান্ধব এসেছে তোমার, ডাকছে ।
আর আম্মা বলছিলো বাবু নাস্তার জন্য ডাকছে।
আরে, তুমি চা আনো। হাত ধুয়ে আনবে।
- আরে ওয়ে বাউয়ে.. - কেরে ব্যাটা?
- আরে বাউয়া! - বাউয়া ভাই!
জাহাঁপনা! সুপ্রভাত।
সুপ্রভাত, বন্ধুরা, কী খবর?
এই দেখো! নতুন আইফোন।
বাহ!
হুজুর, এই দুঃখী, গরিবেরা
দেখুন আপনার জন্য কী সুন্দর খবর এনেছে।
শুনলে হৃদয় অনুপ জালোটা হয়ে উঠবে, শুধুই ভজন-ভজন।
- দৈনিক জাগরণেও এটা ছাপেনি। - খুব জোরে পড়ো!
জ্বি।
আরো একবার জুনের তীব্র গরমে বাবিতা কুমারী নিজের হৃদয় ভেঙ্গেছে।
- বাহ! - নির্দেশক ইমতিয়াজ আলীর ঘরের পার্টিতে
বাবিতা কুমারীর নিজের বয়ফ্রেন্ডের সাথে লড়াইটা খুব ভয়ানক রূপ নিয়ে ফেলেছে।
যার জন্য অনুরাগ কাশ্যপের আগামী ছবি যেখানে
দুজনের একসাথে কাজ করার কথা ছিল, বাবিত মানা করে দিয়েছে।
- ভাইয়া চা। - সূত্র অনুযায়ী বাবিতার কাছের বন্ধু সামিনা খান কাঁদতে কাঁদতে একটা পার্টিতে কিছু লোককে বলেছে
এই লড়াইয়ের আসল কারণ একজন অন্য হিরোইন।
তাহলে কী এটা মেনে নেওয়া যায়
সবসময়ের মতোই বাবিতা কুমারী হৃদয় দিয়ে বসেছে হৃদয়হীনের সাথে?
ভাবির জ্বির পালকি তো বেরিয়ে পড়েছে আকা।
হ্যাঁ, জিও! মন খুশি হয়ে গেলো, গুড্ডু।
হুজুর ঈদের দিন আছে, যদি এই গরিবদের জন্যে ৫০০ বান্ডিল এমনিই বাতাসে উড়িয়ে দিতেন।
তাহলে এই গরিবদের উপকার হতো।
দাঁড়াও!
- উঠেছে? - উঠে যাবে।
উঠে যাবে? যখন আমি উঠে যাবো পুরো তখন একেবারে উঠবে সে।
তুমি প্রথমে নিজের নাস্তা করো বুঝলে, লেগে পড়েছো সকাল সকাল ওকে বকতে, ওতো ছোটো এখনো।
- ছোটো আছে? লম্বায় না? খাওয়ার তো ভালোই গিলছে! - তুমিও না।
এখানে হাড্ডি ঘসছে বাপের কাজ করতে করতে আর উনার চাই কমলা লেবুর জুস্।
বাপ নই, আমি বাপ নই, ট্যাকসাল আছি
হাত ঢোকালাম আর পয়সা এসে গেলো।
হ্যাঁ, আঁকা, আরো ফেলো।
নাও! অনাথেরা তোমারদের ভাবির নামের বিরিয়ানি খেয়ে নিও, নাও লোটো..লোটো।
ওই!
দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও!
পুরো পাড়া জাগিয়ে দিয়েছে, শালা বাচ্চা।
একটাও টাকা হাতে আসছে না!
মজা লাগছে? মার মার মেরে নিয়ে নে।
মীরাটের মোঘল সম্রাট আজ তোর ছাল তুলবো।
- সকাল হয়ে গেছে! - হ্যাঁ?
বাপের পয়সা বাতাসে ওড়াবি?
- বাচ্চা আছে। - বাচ্চা আছে?
এ শালা যমদূত আর শনি।
এই শোনো অশোক, বেকার কথা বলো না।
একেই তোমার নোংরা স্বভাবের জন্য উচ্চতা আমার বাড়েনি।
উপরন্তু চার পয়সা খরচ করতে মা মারা যায় তোমার?
আমার জন্য তোর উচ্চতা কীভবে কমেছে?
তবে কী দর্জিকে বলে আমি ছোটো করেছি?
জর্দা খাও গপগপ, স্প্রাম ছোটো হয়েছে আর কী।
- কী ছোটো হয়েছে? - স্প্রাম, স্প্রাম ছোটো হয় আরে বিজ্ঞানে পড়েছি।
কুসুম, হয় আমি ওকে মেরে দিচ্ছি নয় তুমি আমায় মেরে ফেলো আজ।
- হ্যাঁ, পুলিশ ডান্ডা পেছনে ঘোরাবে তখন বুঝবে। - বাউয়া!
- মেরো না। - তুমি নিচে যাও।
- তোর ফুর্তির দিন শেষ। - আরে যাও যাও!
- তোর গাড়ি নিয়ে যাচ্ছি আজ। - নিয়ে যাও গাড়ি!
সরো!
আর আমার লাগেনি একটুও।
কেন বাউয়া উনার রক্ত চুষিস তুই?
আম্মা, উনি আমার উচ্চতা নিয়েছে, রক্ত চুষবো না কেন?
তুই বামন জন্মেছিস, সেটা ভগবানের ইচ্ছা বাউয়া।
ভগবান নিজের ইচ্ছে চালিয়েছে, এবার বাউয়া সিং নিজের ইচ্ছা চালাবে।
এবার যাও আমার জন্য একটা জ্যাকেট আর ধুম ৩ মতো টুপি নিয়ে আসো।
তোমার বউমার সিনেমা দেখতে যাচ্ছি।
আম্মা, কতবার বলেছি তোমাকে
তুমি কাঁদবে না।
- আরে কী হলো মেয়েদের? - খুজচ্ছে তো পান্ডে। - ওই যে রিক্সা।
- হ্যাঁ ভাইয়া, সালাম ওয়ালিকুম কেমন আছেন! - নিগার সিনেমা চল। - কতজন বাবু?
ব্যাস আমি ছোটো বাচ্চা আর এটা আমার বাবা।
আরে কেন মজা করছেন, বাবু? আপনি তো বড় মানুষ।
জিজ্ঞাসা করছো কেন, ভুত্নী? দেবো একটা?
- ২০ টাকা নেবো। - নিগার পর্যন্ত তো ১০ লাগে।
আচ্ছা এক কাজ করুন ৫ টাকা দিন আর নিজে চালিয়ে নিন রিস্কা।
১০ টাকা প্রত্যেকের করে, সে যতজনই বসুক।
- আচ্ছা জ্বি, টেনে নেবে? - হ্যাঁ।
দাও তাহলে! আবার দাও!
ভাবির সিনেমা দেখাচ্ছি, এসো সবাই এসো!
এসো এসো সবাই এসো। ফ্রিতে দেখাবো, এসো বাচ্ছাদেরো আনো।
আরে বাবিতার সিনেমা, ঈদের চাঁদ দেখবে!
২ টো আইটেম গান আছে।
সবাই এসো উনি টেনে নেবে।
গুড্ডু, এটা জুনাইদ না? ওকে নেবো?
বাদ দে! ওর দীপিকাকে পছন্দ ইংলিশ সিনেমা দেখে।
এসো এসো সবাই এসো, অনেক জায়েগা আছে এখানে এসো।
আরে ওই যে ভাবি!
মিষ্টি? কীসের জন্য?
মদের খেয়ালে বলছিস নাকি? আমারা কাল আসছি।
- কী হয়েছে? - আরে, কিছুই না।
নিয়ে আসো তোমার তিনটে খান, এখানেই দাঁড়িয়ে আছি আমার জান।
পান্ডে কেন ডাকলো রে, সকাল সকাল?
খারাপ অনুভূতি আসছে আমার।
সিং সাহেব।
বিয়ে কবে করছো?
পান্ডে ফালতু কথাবার্তা বলো না!
নিজের কমিশনের চক্করে এই চুইংগাম, আমার চপ্পলে আটকে দিও না।
এই ১ বছরে ১০টা মেয়ের সাথে দেখা করিয়েছো।
একটাও পছন্দ হয়নি আমার।
তাহলে এই শেষটার মধ্যে কী এমন বিশেষত্ব ছিল?
যেখানে চলাফেরা করা মেয়েদেরই ভালো লাগেনি
সেখানে কীভাবে এক জায়গায় স্থির মেয়ে পছন্দ হবে?
- স্থির? - হ্যাঁ!
আগের মাসেই বলেছিলাম, আরো মেয়েদের সাথে সাক্ষাৎ করাও, বলেছিলাম কী না?
- বলেছিলে। - তাহলে তো আলাদা ব্যাপার।
কিন্তু আসল কীর্তির ব্যাপারে তো এখন জেনেছি।
এসব কথাগুলো তখন বলা উচিৎ ছিল, চুম্মাচাটি করার আগে।
হে আল্লাহ, জাহাঁপনা কথায় মুখ কালো করেছো?
কী সমস্যা এই মেয়েটার মধ্যে, দেখে বল?
সুন্দরী আছে, পড়াশোনাও জানে।
ভালো পরিবারের, বিশাল বড়ো চাকরিও করে।
হ্যাঁ তবে একটু
- যান্ত্রিক সমস্যা আছে। - কেমন হয় সেটা?
একটু প্রযুক্তিগত সমস্যা।
তাছাড়া এও কোথাকার হীরের টুকরো!
চেয়ার থেকে পা তো মাটিতে পৌছায় না, উনার চাই ঐশ্বর্য রাই।
- ঠিক কথা। - আর দুজনের মধ্যে হয়েছে
প্রেম পীড়িত।
না।
প্রেমে ধোঁকা দেবে তাকে? পাল্টি খাবে ভালোবাসায়?
প্রেম? এটা কী হচ্ছে
বাউয়া তুই না বলে প্রেম করে নিলি? আসতাকফিরুল্লাহ!
না, না, না!
না, কী না?
৫ মাস আগের কথা, জানুয়ারির ২৭ তারিখ ছিল।
তুমি আমার পিছনে মেয়েদের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলে।
আর আমি ওদিকের, ওই দরজা থেকে এসেছিলাম
কী অপয়া দিন ছিল ওটা।
এতো বৃষ্টিতেও মীরাট থেকে দিল্লী চলে এলে সিং সাহেব?
৩৮ বছর বয়সেও যেসব লোক অবিবাহিত থাকে পান্ডে
ওদের বৃষ্টিতে ভয় লাগে না।
কতগুলো দেখিয়েছি তোমাকে।
মনে হয় বিয়ে ব্যাপারটা তোমার কপালেই নেই।
চুপ একদম!
মিথ্যে বলেছো আমাকে, এই কয়লার খনিতে এমন হীরে লুকিয়ে রেখেছিলে।
এটা?
- এটা কোথায় পেলে? - তোমার ড্রয়ারে।
সে উপলব্ধ নয়, তাই তো লুকিয়ে রেখেছি।
পান্ডে যত টাকা তোমার মুখে ঢেলেছি, তততে তোমারো উপলব্ধ হওয়া উচিৎ ছিল।
- কীসব বলছো? - কী হ্যাঁ?
সিং সাহেব সে তোমার মতলবের নয়।
আমার মতলবেরই লাগছে।
আরে বন্ধু, সে প্রচুর নাড়াচাড়া করে।
তাহলে আমিও নড়ে নেবো একটু তার সাথে।
পরিচয় তো করাও।
এটা উড়ন্ত তীর ঠাকুর সাহেব।
নিতেই হবে আমাকে।
সিং সাহেব।
লুকোচুরি করে যারা প্রেম করে তারা শেষে বিয়েই করে।
আফিয়া ইউসুফজাই ভান্ডার? আরে, এটা কেমন নাম?
হয় না কিছু লোকের নাম আজব, তারও সেই রকম।
অর্ধেক আফগানি, অর্ধেক পাঞ্জাবি।
সর্বনাশ! তারপর তুই ঠিকানা নিয়ে কী করলি?
তারপর, ধার করে তোর ভাই পৌঁছে গেলো ঠিকানায়।
এমিটি গ্লোবাল স্কুল গর্বিত আমাদের নিজস্ব ছাত্রীকে পেয়ে
২০০১ এর ব্যাচ থেকে। মঙ্গল গ্রহে জীবাশ্ম খুঁজে পেতে
তার বিশেষ অবদান, তার বানানো পৃথিবীর একটি শূন্য মাধ্যাকর্ষণ সিমুলেটর।
ছাত্ররা, আমাদের সিনিয়র বিজ্ঞানীকে স্বাগত জানাচ্ছি, মিস আফিয়া ইউসুফজাই ভান্ডার।
আরে একি!
No comments yet. Be the first to leave one.