The first 200 lines.
Dookudu- The Real Tiger
T
Tr
Tra
Tran
Trans
Transl
Transla
Translat
Translate
Translated
Translated by
Translated by ABU R
Translated by ABU RE
Translated by ABU REZ
Translated by ABU REZA
Translated by ABU REZA
৯০ এর দশকের দিকে,হাইদ্রাবাদ...
শংকর নগর, এর নামকরণ হয় শংকর নারায়নের নামে,
শংকর নারায়ন, জিন্দাবাদ!
প্রায় দশ হাজার পরিবার বাস করে এখানে,
১৯৯২ সালে এ জায়গাকে রেলপথের জায়গা বলে,
কেন্দ্রীয় সরকার মিলিটারি দ্বারা এই জায়গাকে জোর করে খালি করে ফেলে,
১০,০০০ পরিবার রাস্তায় চলে আসে,
ওই সময় শংকর নারায়ন ১৬ দিন আমরন অনশন করে কেন্দ্রীয় সরকারকে তার সামনে মাথা নত করতে বাধ্য করেন,
আর ওই সব ঘরহীনদের তিনি নিজের ঘর ফিরিয়ে দেন,
শংকর ভাই,জিন্দাবাদ!
একবার ভারী বর্ষনে বন্যা হয়েছিল,আর এই সম্পূর্ন এলাকা ডুবে গিয়েছিল,
তখন তিনি সকল ঘরহীনদের তার নিজের ঘরে আশ্রয় দেন,
এবং তাদের নিজের আত্মীয়ের মত দেখাশুনা করেন,
এই ঘটনার পর সবাই শংকর নারায়ন কে শংকর ভাই ডাকা শুরু করে,
এবং তিনি এই এলাকার মানুষের জন্য একজন দেবতা মত।
শংকর ভাই,জিন্দাবাদ!
NTR এর বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ানো সত্ত্বেও ,
সেখানকার জনগণ শংকর নারায়নকে,
বিপুল ভোটে MLA বানায়।
NTR এর একজন ফ্যান ছিল শংকর নারায়ন,
তার ভিতরের সততা দেখে,NTR তাকে তার নিজের পার্টিতে যোগ দেওয়ার আহবান জানান,
কিন্তু জনগণের সেবক সংকর নারায়ন,পার্টিতে যোগদান না করে সেবা করতে থাকেন,
এবং পার্টির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ,
MLA হওয়ার পর শংকর নারায়ণ জনগণের আরও কাছে চলে আসেন,
তিনি যে কোনো অনুষ্ঠানে আশীর্বাদ করার জন্য স্বয়ং যেতেন।
এটা হল নর সিংহ রাও,শংকর নারায়নের রাজনৈতিক সাথী,
এটা হল শিবা,সংকর নারায়নের ডান হাত এবং একজন ভক্ত।
এটা গনেশ,আরেকজন কাছের লোক।
এটা হল সত্যম,শংকর নারায়ণের ছোট ভাই,একজন ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও,
সে তার বড় ভাইয়ের আদর্শের প্রতি আকর্ষিত হয়,
সে তার অনুসারী তৈরি হয়ে যায়,
শংকর তার ছেলে অজয়ের জন্য পাগল ,ছোটবেলায় সে তার মা কে হারায়,
আজকে শংকর নারায়ণের জন্মদিন, তাই দিনটি সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ,
শুধু তার পরিবারে জন্য নয়,সম্পুর্ন শংকর নগরের মানুষের জন্য আজকে উৎসবের দিন।
শংকর ভাই,জিন্দাবাদ!
শোনো,এদের ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দাও!
থামো!
ওদের আসতে দাও!
শুভ জন্মদিন,শংকর সাহেব। - ধন্যবাদ।
আমি অনেক দু'নাম্বারি ব্যাবসা করেছি,
আমি আপনাকে অনেক বিরক্ত করেছি আর সেই সাথে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি,
চিন্তা করেছিলাম আমিই ঠিক,কিন্তু দেখছি যা আপনিই ঠিক,
আজ থেকে আমি আমার সব অবৈধ ব্যাবসা বন্ধ করছি,প্রমিজ।
শুনে খুশি হলাম,মল্লেশ ভাই।
এই জন্য যে তুমি আমাকে বুঝতে পেরেছ, খাবার খেয়ে যেও।
আপনি তো মন থেকে খাবার খাওয়ার কথা বলছেন,
কিন্তু আপনার লোকজন তো আমার দিকে রাগ নিয়ে তাকিয়ে আছে,
আরেক দিন এসে খেয়ে যাব,শংকর ভাই। - ঠিক আছে।
একে বিশ্বাস করবেন না, ভাই।
শত্রুও যদি কারো ঘরে আসে তো তাকে সম্মান করা উচিৎ।
ভাই,এখানে আমাদের আসা উচিৎ হয় নি।ভগবানকে ধব্যবাদ যে শংকর ভাই ওখানে ছিল।
আপনি এখানে কেন এসেছেন ভাই?
এমনি, আমার বাবা বলেছিলেন,যেখানেই আমি যাই আর যার উপরই আমার নজর পরে সব ধ্বংস হয়ে যায়,
আর এই জন্যই আমি এখানে এসেছিলাম।
শুভ জন্মদিন, বাবা!
শুভ জন্মদিন, ভাই! - শুভ জন্মদিন, দুলাভাই!
আরে,এসব কি?
আপনার জন্মদিনে কি উপহার দেওয়া যায় দুই দিন থেকে সেটাই চিন্তা কিরছিল ও।
আপনাকে কি উপহার দেওয়া যায় সেটাই এর ছোট মাথায় চলছিল।
ভাই,তুমিই ওর জীবন। - হ্যাঁ ভাই।
আচ্ছা শোনো,এই চেকটা
মাদার তেরেসা অনাথ আশ্রম ও বাবা আমতে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে দিও। -ঠিক আছে।
হাই চাচা! - হাই! তুমি কি স্কুল থেকে আসছ?
হ্যাঁ চাচা।
তো তোমার স্কুল ব্যাগ কোথায়?
চাচা,মল্লেশ আমার বন্ধু,ওরকোনো বই নাই,তাই আমি আমার ব্যাগ ওকে দিয়ে এসেছি।
দুলাভাই,ওকে দেখে মনে হচ্ছে,ও আপনার মতই হবে। -হ্যাঁ।
ওর কাছে আমার এর চেয়ে আর বেশি কিছু চাওয়ার নাই।
আমি চাইনা যে ও কোনো ডাক্তার বা কালেক্টর তৈরি হোক,আমি চাই যে
সে আমার মতো জনগণের সেবা করুক।
তাহলেই সে তাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবে।
বাবা... -হ্যাঁ বাবা?
মল্লেশ অনেক গরিব,বাবা,
যখন বাবলু ওকে বিরক্ত করছিল,বলছিল তোর বই নাই,ফি দেওয়ার টাকা নাই,
তখন আমার খুব খারাপ লেগেছিল,তাই ওকে আমি আমার ব্যাগ দিয়ে দিয়েছি,
এই জন্য আমার স্যার বলছিল যে,তুমি অনেক দয়াবান!
এই দয়াবান জিনিসটা কি, বাবা? ভাল না খারাপ?
পরবর্তী পরিনাম চিন্তা না করে
যে মানুষের ভাল করে তাকেই দয়াবান বলে।
আর একটা কথা সব সময় মনে রাখবে,কখনও কারো সাহায্য করতে পিছপা হবে না।
আর এই কথা অজয়ের অন্তরে খুব ভাল ভাবে বসে গিয়েছিল।
যাই হোক,আমি আমার বন্ধু ইয়াদাগিরির বিয়েতে যাচ্ছি,
রাতে ফিরব।
এটা কেমন কথা ভাই? আপনার সাথে থাকার জন্য আমরা কত দূর থেকে আসলাম,আর আপনি...
আরে,ঠিক তা নয়।আমি যদি না যাই তো তার খারাপ লাগবে।
আগামীকাল সারাদিন তোমাদের সাথে থাকব,ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
আচ্ছা,এখন তাহলে আসি। - ঠিক আছে। -নিজের খেয়াল রেখো, বাবা।
বিদায়,বাবা!
ভাই! আজকে সারাদিন আপনাকে ছাড়া ছোটু থাকতে পারবে?
আরে একদিনের জন্যই তো যাচ্ছি।
কালকে থেকে আবার ওর সাথেই থাকব।
বর্তমান...মুম্বাই...
মুম্বাই শহরের এক ছোট গুন্ডা,
ছোট-খাটো চুরি করত সে আজ গ্যাংস্টার হয়ে গেছে, Most wanted criminal...
...আজকে আমাদের স্পেশাল স্টোরি এই underworld Don Nayak এর উপরেই। মাদক,জালটাকা,অবৈধ অস্ত্র,খুন
এই সব অবৈধ ব্যাবসা পুরা ভারতে সে একাই চালায়,
যা ভারতের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে,
এই Nayak কোথায় থাকে সেটা কেউই জানে না,
কিন্তু পুলিশ বলছে, ভারত ছাড়া আরও অনেক দেশে এর নেটওয়ার্ক রয়েছে,
Nayak গ্যাং এর অন্যতম দুজন,
একজন তার ছোট ভাই বান্টি,আর একজন গুরু তলোয়ার।
Nayak কে ধরার জন্য এর আগেও আপনি অনেক টীম পাঠিয়েছেন,
কিন্তু ধরতে পারেন নি... আপনি কি বলবেন?
আমরা আমাদের কাজ করছি,খুব শীঘই তাকে ধরব।
গত এক বছর থেকে আপনি এই এক কথাই বলে যাচ্ছেন।
কোনো নতুন কথা শুনতে চাও,তো শোনো,আমরা সবাই অকর্মা, এবার খুশি হয়েছ?
এই হল আমাদের পুলিশ ডিপার্টমেন্ট!
বাবা,টিভির ঐ রিপোর্টারের কথা আপনার খারাপ লেগেছে,তাই না? -আরে,না মা!
ভুল ঐ রিপোর্টারের নয়,আমরাই ওকে ধরতে পারছি না।
কেউই কি ওকে ধরতে পারবে না,বাবা?
পৃথিবীতে যে কোনো অপরাধী, শাস্তি থেকে দূরে পালাতে পারবে না,
ওকে শেষ করার জন্য কেউ না কেউ অবশ্যই আসবে,
সে আসবে মিসাইলের মত আর সব অপরাধ ধ্বংস করে ফেলবে,
মৃত্যু ও তার কাছে আসতে ভয় পাবে,তাকে দেখতেই অপরাধীদের হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাবে!
টিভিতে কি দেখছিস বে? এদিকে দেখ।
ওই,কে বে তুই?
আব্বে সালা! আমি ওর সাথে কথা বলছি,তুই মাঝখানে কেন আসছিস?
ভাই, ও পুলিশ অফিসার!
শাবাশ, এক ঘুষিতেই বুঝে গেছিস যে আমি কে! হ্যাঁ,পুলিশ।
তোর মত অনেক পুলিশ অফিসারকে আমি কিনেছি।
আর মেরেও ফেলেছি। ওই,ওকে বাইরে ফেলে দে!
ওই,যা ভাগ!
তুই যাদের মেরেছিস তারা দূর্বল হতে পারে,যাদের কিনেছিস তারা দালাল হতে পারে,
কিন্তু আমি ওদের থেকে আলাদা।
তুই কি জানিস ডিপার্টমেন্টে মানুষ আমাকে কি বলে ডাকে? সিংহ! গাব্বার সিংহ!
আব্বে যা ভাগ,না হলে তোকে শেষ করে ফেলব।
আমি যদি তোদের মারা শুরু করি না,তো নরকের বাইরে Houseful এর পোস্টার লেগে যাবে।
কেমন লাগল ডায়লগটা? - একদম অস্থির! - তাই নাকি?
আরেকটা উইকেট পড়ল। - কি চাই তোমার?
এইবার তুই লাইনে এসেছিস।
গুরু তলোয়ার...কোথায় সে?
যখনই গুরু তলোয়ার মুম্বাইয়ে আসে,তখন সে সানি সুপারির সাথে থাকে।
মিরচিভাই,তোকে কিভাবে বিশ্বাস করব?
সত্যি বলছি ভাই,কসম। আমাকে ছেড়ে দাও।
আচ্ছা, দিলাম যা।আবার দেখা হবে।
আবার বাবা সবসময়ই বলত,মানুষ চোখ দিয়ে শুধু তার সামনেই দেখতে পায়,
কিন্তু বুদ্ধি দিয়ে পুরা পৃথিবী দেখতে পায়,
আমার মনে হয় অপেক্ষা করার চেয়ে অ্যাটাক করা বেশি ভাল হবে,স্যার।
কোথায় কি করতে হবে তা তোমার বলার কোনো প্রয়োজন নাই। আমি তোমার সিনিয়র অফিসার।
তুমি বলছ গুরু তলোয়ার এখানেই আছে,আর যদি না থাকে তাহলে?
Confirm খবর স্যার,ও এখানেই আছে।
কান দিয়ে যেটা শুনেছ সেটা information, আর যেটা চোখ দিয়ে দেখবে সেটা confirmation.আমি গিয়ে কনফার্ম হয়ে আসি।
স্যার,একা যাওয়াতে প্রচুর ঝুঁকি আছে।
ওই,চুপ কর!
ঝুঁকি নিয়েছি বলেই আজ আমি এই অবস্থানে আছি।আমার সংকেতের জন্য অপেক্ষা করো।
সংকেত? সংকেত কি হবে,স্যার?
আমি শীস দিব। - যদি আমরা শুনতে না পাই তাহলে?
আমি চিৎকার করব। - কিভাবে,স্যার?
আমি এভাবে চিল্লাবো,এবার হয়েছে? বেওকুফ কোথাকার!
দেখ সানি, বিলালকে বুঝা,ওইদিকে Nayak ভাইও অনেক রাগ করছে।
এমন হলে ব্যাবসা কিভাবে চলবে বল?
ঠিক আছে,ভাই, ঐ হারামিকে আমি দেখব।
দামুদার, যত বেনামী সম্পদ আছে সেখানে কোনো ভাবেই Nayak ভাই এর নাম যেন না আসে।
বুঝেছ কি?
গুরু তলোয়ারকে যেভাবেই হোক জীবিত ধরতে হবে।
ঠিক আছে,কিন্তু স্যার সংকেত না দেওয়া পর্যন্ত ভিতরে ঢুকতে নিষেধ করেছিল।
উনার খারাপ লাগতে পারে।
আর যদি উল্টাপাল্টা কিছু হয় তো খারাপ লাগার জন্য বেঁচেই থাকবে না।
তিনি টারজানের মতো চিৎকার করছেন। - মনে হয় তিনি বিপদে পড়েছেন।
ওই কুত্তার বাচ্চা! তুই কে বে? আর এখানে কি করছিস?
আমাকে মারবেন না স্যার। আমি একজন Real Estate এজেন্ট।
একজন খরিদ্দারকে আমার প্রপার্টি দেখার জন্য আসতে বলেছিলাম,
পাশের বিল্ডিং এ না গিয়ে ভুলে এখানে ঢুকে পড়েছি,স্যার।
আমি হাতজোর করছি, স্যার। আমার ছোট ছোট বাচ্চা আছে, স্যার।
প্লিজ স্যার,আমাকে ছেড়ে দিন।
ভাল গল্প বলেছিস কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না।
কিরে ছাগল!তোর আক্কেল বলে কি কিছু নেই?
এক ঘণ্টা থেকে পাশের বিল্ডিং এ অপেক্ষা করছি,আর তুই এখনে কি করছিস?
ওই,তুই কে বে?
খরিদ্দার...দশ দিন থেকে বলছে প্রপার্টি দেখাবে,কিন্তু দেখাচ্ছেই না সালা,
আমাকে ওখানে রেখে এখানে এসে বসে আছে সালা।
ওভাবে কি দেখছিস বে? মারবি নাকি আমাকে,হ্যাঁ?
স্যার,একে মেরে ফেলুন।এ কোনো কাজেরই নয়।
অজয়! কি বলছ এসব? নিজেকে কি ভাবো তুমি হ্যাঁ? সিনিয়র অফিসারের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে?
তুমি কি ভেবেছ কিছু করতে পারব না? আমি কমিশনারের কাছে অভযোগ ক.....
Well done অজয়! গুরু তলোয়ার Nayak গ্যাং এর গুরুত্বপূর্ণ লোক,
এর মাধ্যমে আমরা Nayak এর নেটওয়ার্ক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারব।
-শুভ সকাল,স্যার। -মিঃ মূর্তি,কি হয়েছে আপনার?
- গুলি লেগেছে,স্যার। - ওরা ওখানে গুলি মেরেছে?
ওরা গুলি মারেনি স্যার,এ গুলি মেরেছে।
প্রয়োজন ছিল,স্যার না হলে গুলি বুকে লেগে যেত।
বন্ধ কর এসব কাহিনী ,ভিতরে গুন্ডাদের সামনে আমাকে গালি দিচ্ছিলে না তুমি?
আপনাকে বাঁচানোর আর কোনো উপায় ছিল না।
No comments yet. Be the first to leave one.