The first 200 lines.
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট পেতে জয়েন করুন
"যেকোন মুভি/সিরিজ ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন" Movie Links BD .Com Download All Movie in One Place
১৯৯৯- সাফ গেমস কাঠমুন্ডু।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন পেনাল্টি শ্যুট হতে যাচ্ছে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্কার হয়ে যাবে এই অভিযানে কোন দল উল্লাস করবে।
একটা রোমাঞ্চকর মোকাবেলার পর।
এবারও কি ভারত দ্বিতীয়বারের মতো ব্যর্থ হবে?
স্ট্রাইকার ভিপি সত্যিয়ান যিনি ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন।
এবং সবচেয়ে সেরা ডিফেন্ডারও বটে।
এই শটটি নিবেন,
ইন্ডিয়ান টিম ক্যাপ্টেন ভিপি সত্যিয়ান।
সে ইন্ডিয়ান টিমের সেরা ডিফেন্ডার।
জোরালো শটের জন্য তার খ্যাতি রয়েছে।
এটা খুব চ্যালেঞ্জিং হয়ে যাবে,
ইরাক দলের গোলকিপারের জন্য।
ভিপি সত্যিয়ান খুব সহজেই চোখ এবং পায়ের গতিবিধি দিয়ে....
তাকে পরাস্ত করে ফেলবে।
গোলকিপার আন্দাজই করতে পারবেনা যে,
সে কোন দিক দিয়ে শট করতে যাচ্ছে।
রেফারি বাঁশিতে ফু দিয়েছেন।
সে শট করেছে।
ওহ না!
সে মিস করেছে।
বল বারে লেগে বাহিরে চলে গেছে।
ইন্ডিয়ার জন্য এটা একটা বিপর্যয়।
টিমের জন্য যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।
আর এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠা ভিপি সত্যিয়ানের জন্য খুবই কষ্টকর হবে।
এটা ইরাকের জন্য সৌভাগ্যের।
কিন্তু ইন্ডিয়ার জন্য দুর্ভাগ্যের।
২০০৬- ১৮ জুলাই।
এবার শুনবেন খবরের বিস্তারিত।
ফুটবল খেলোয়াড় ভিপি সত্যিয়ান ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা গিয়েছেন।
চেন্নাইয়ের পাল্লাভারাম স্টেশনে আজ সকাল ১১:২০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
তাঁর বয়স ছিলো ৪১
তিনি ৮৮ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে নয় ম্যাচে ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি ইন্ডিয়ান টিমের নির্বাচক এবং কোচ ছিলেন।
খেলার মাঠে তাঁর ঝলকানো ডিফেন্ডিং সক্ষমতায়।
ইন্ডিয়ার সেরা ডিফেন্ডার ছিলেন সত্যিয়ান।
তিনি কান্নুড়ের লাকি স্টার ক্লাবের মাধ্যমে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন।
কেরালা পুলিশ, মোহন বাগান,
কলকাতা মোহামেডান এবং ইন্ডিয়ান ব্যাংক টিমের ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইন্ডিয়ান ব্যাংক ফুটবল টিমের কোচ।
এবং চেন্নাই ব্র্যাঞ্চের সহকারী ম্যানেজার ছিলেন সত্যিয়ান।
ম্যাডাম।
আমার সত্যিয়ান খুন হয়েছে।
ক্যাপ্টেন।
১৯৭৬ কান্নুড়।
"This earth spins daily"
"By the kick of time in some ancient day"
"Here the legs are running after the ball spinning by kicks"
"With hopes, defeat disappointments"
"Attain victory"
"Come to the playground with courage"
"The time has come to fig ht"
"In this playground from where uproar is rising,
"like the ball kicked high forcefully"
"Now the sun has risen"
"Rise up from where you have fallen"
"O brave, heroic men"
"The world is a playground today"
"No defeat, no fear"
"We can't go back now"
"Step into the playground all set to fight and win"
"Remem berthat you should not grow weary or shattered"
"In this playground from where uproar is rising"
"Like the ball kicked high forcefully"
"Now the sun has risen"
"Rise up from where you have fallen"
২০০৬-১৮ জুলাই পাল্লাভারাম রেলওয়ে স্টেশন, চেন্নাই।
সম্মানিত যাত্রী সাধারণের মনযোগ আকর্ষন করছি ৪০৭০৫ নাম্বার চেন্নাই বীচ ট্রেনটি,
অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ২ নং প্লাটফর্মে এসে দাঁড়াবে।
হ্যালো... হ্যালো
কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে।
ভিপি সত্যিয়ান নেতৃত্ব দিচ্ছেন কান্নুড় লাকি স্টারকে।
জিপি কুট্টান নেতৃত্ব দিচ্ছেন নীলেশ্বারাম সেভেনসকে।
একটি টান টান উত্তেজনাপূর্ন ম্যাচ হতে যাচ্ছে, বন্ধুগন।
মাঠে এসে ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সবাইকে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাচ শুরু হয়ে যাবে।
একটি গুরুত্বপূর্ন ঘোষণা।
এখানে আপনাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন পুলিশ বা সেনাবাহিনী নেই।
তাই আপনারা নিজ দায়িত্বে নিজেরাই নিজেদের খেয়াল রাখবেন।
অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই খেলা শুরু হবে।
আমি এখন মাইক হস্তান্তর করছি।
এখানে বাস থামাও আমি নেমে যাব।
এখানে কোন স্টপেজ নাই পরের স্টপেজে নেমে যাইয়েন।
তুমি এটা কী বলতেছ?
ফুটবল ম্যাচ হচ্ছে এখানে,একটু থামাবে না!!!
গাড়ি থামাও বলছি।
এখানে ফুটবল খেলা চলতেছে, আর এই লোকেরা কোন গ্রহে যে যাচ্ছে!
সত্যিয়া আমাদের জিতিয়ে দিয়ে, তুমি চলে যেও।
বাকিটা আমাদের ছেলেরা দেখবে।
ভাই মুরালী.....
সত্যিয়ার একটা টি পার্টি আছে।
তাই তাকে তুমি রাতে পাবে না।
আজকে তোমাদেরও টি পার্টি আছে?
-তোমার বয়স কত? -৪৬
ভাগ্য সুপ্রসন্ন করতে তোমারও চা খাওয়া দরকার!
আজকে কোথায়?
পালেরী!
এক বি.টেকিয়ান!
বি.টেকিয়ান মেয়ে কী চা বানাতে জানে?
- যদি জানে? -মনে হয়না জানে।
আমরা যদি এই খেলায় হারি, ওরা আমাদের এই জায়গা ছাড়তে বাধ্য করবে।
সত্যিয়াকে পাশ কাটিয়ে গোল দেওয়া ঠ্যালা আছে।
যদি সে মাঠে থাকে,
তাহলে গোল দেওয়া কষ্টসাধ্য হবে।
এই।
নানমিন্দাতে তুমি ওটা কিধরনের খেলা খেললে?
যদি ওরকমভাবে খেলো এরা তোমার কুপোকাত করবে।
কেরে এই মালগাড়ি?
ওকে আমি দেখব।
আজকে সে বাড়ি ফিরতে পারবে না।
আমি ওকে নাকানিচুবানি খাওয়াব...
সাবধানে।
ভি পি সত্যিয়ান....হাহ...
যদিও সে ফাউল করেছিল,
তুই লাল কার্ড পেয়ে ভালো হয়েছে!
এখন অন্তত আমরা পৌঁছাতে পারব।
আমরা সকাল ১১ টায় পৌঁছাবো বলেছিলাম।
তুই পুলিশে চাকরি করিস, আমি শুধু এটাই বলেছি।
আর খেলার ব্যাপারে কোন কিছুই বলিনি।
মা অ্যানি, ওরা চলে এসেছে।
যা তাড়াতাড়ি সেজেগুজে আয়।
ওহহ! ওরা চলে এসেছে!
এখনই তাদের আসার সময় হলো?
তারা হেঁটে আসতে পারলো না?
অ্যানি, ছেলে হ্যান্ডসাম আছে।
ওহ না! এটা সে?
সত্যি করে বল তো,তুই কি ওকে চিনিস?
কোথাওকার ভবঘুরে হবে, সম্ভবত!
তাহলে....ওকে আমি খুব ভালো করে চিনি।
খেলে,পায়ের হাড়গোড় ভাঙ্গে।
আর প্রতিনিয়ত পেপারে তার ছবি আসে।
তাই...বাবা না বলেছিল যে, সে পুলিশে আছে।
নিশ্চয় পুলিশ স্টেশনে!
আইয়হ! আমার বিরক্ত লাগতেছে...
ওদের সামনে চা হাতে ধরে দাঁড়াতে!
দে তো এটা...সে আর তার মরার ফুটবল।
আমি সবাইকে বলেছিলাম যে,তুমি পুলিশে আছ।
ঠিক আছে না?
হ্যাঁ, আমি পুলিশে আছি।
ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন হিসেবে।
ক্যাপ্টেন না ছাই!
কী মসিবতে পড়লাম, খোদা!
এখন আর তাকে চা খাওয়া লাগবে না!
তো, ফুটবলই তোমার মূখ্য বিষয়!
সত্যি বলতে, আমিও একজন ফুটবল ফ্যান।
কিন্তু আমার মেয়ের এ ব্যাপারে কোন আগ্রহ নাই।
তাহলে বাপ অনুমোদন দিয়ে দিলো।
এমনিতেই আমি পুলিশকে ঘৃনা করি।
দ্বিতীয়ত এই ফুটবল খেলোয়াড়দের!
তাদেরকে দু চক্ষে দেখতে ইচ্ছে করে না।
চা খেতে দিবি না?
দুধ নাই।
সে তো ভয়ঙ্কর জিনিস, দোস্ত।
লেবুর শরবত আর জিলাপি যে তোর প্রিয় এটা সে জেনে গেছে!
কেমন লাগলো? তোমার পছন্দ হয়েছে?
হুমম।
আমার পছন্দ হয়েছে।
আজকে কতগুলো গোল ঠেকিয়েছ, ডিফেন্ডার?
আমি মেয়ে দেখতে গেছিলাম।
ওখান থেকে ফেরার সময়ে,আমি....
তোর লজ্জা করে না?
ইন্ডিয়ান টিমে সিলেক্ট হওয়ার পরেও সাত বছরের বাচ্চার মতো খেলিস!!!!
মেয়েপক্ষ প্রস্তাবে রাজি হয়েছে।
কিন্তু মেয়ের ছেলেকে পছন্দ হয়নি।
ভাইয়া।
তুই বিচলিত হোস না।
বাবাকে কে যেন বলছে তুই কাজে না গিয়ে সবসময় বল নিয়ে পড়ে থাকিস!
সেই তখন থেকে এই বকবকানি চলছে।
সেজন্য তুই বাবার কাছ থেকে এসব শুনছিস।
যেখানেই খেলা হোক না কেন আমি সেখানেই চলে যাব।
আমার হৃদয় জুড়ে শুধুই ফুটবল।
এই পুলিশের চাকরি সত্যিই বোরিং।
আস্তে! বাবা শুনতে পাবে।
শোন,মেয়েটাকে তোর পছন্দ হয়েছে?
হুমমম...সুন্দর.....জিলাপিও সুন্দর।
তুই দেখছিস ওটা?
তাদের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি।
একদিন,ঐ ট্রফিটা আমি এখানে নিয়ে আসব।
বিশ্বকাপের দরকার নাই।
এই সান্তোস ট্রফিটা....
অন্তত পেয়ে দেখা....
কী জ্বালা রে বাবা!
বলটা কোথায়? তুমি কী ওটা সেলাই করেছ?
তুই সাত সকালেই চলে এসেছিস?
তুমিই তো আমাকে আসতে বলেছিলে, না?
ঠিক আছে, আমি দিব।
যা ভিতর থেকে একটু পানি নিয়ে আয়।
সত্যিয়েট্টা,তুমি কী যাচ্ছো?
- ওটা কী হয়েছে? - এক্ষুনি হয়ে যাবে।
তাহলে আমাকে কিত্তানের দোকানের কাছে একটু নামিয়ে দিও।
এই, আজকে তালেশ্বরীর ম্যাচ।
চুপ করো তুমি।
সবসময় দেখি তুমি এই বুটটা সেলাই করো!
সোনা,তুমি নিজের চরকায় তেল দাও।
এখানে হুকুমগিরি করতে আসবে না!
সত্যিয়া, একটু ঘোল খেয়ে তারপর যা।
আমি ঘোল পছন্দ করি না, তুমি জানো না এটা?
সে শুধু লেবুর শরবত পছন্দ করে, তুমি জানো না?
No comments yet. Be the first to leave one.