The first 200 lines.
বাংলা অনুবাদে মোঃ সায়মুন ইসলাম শুভ
সত্য ঘটনার উপর নির্মিত
যখন আমার ৭ বছর বয়স,
মুরুব্বি দের সাথে নদীর ওপারের যুদ্ধ দেখেছিলাম।
প্রচুর মানুষ ছিলো, সবাই বিল্ডিং টার দিকে তাকিয়ে।
আমার বাবা বলেছিলেন,
তারা সবাই বীর।
আমাদের রক্ষা করছে।
আমি জানতাম না কি হচ্ছিলো আসলে সে সময়ে।
শুধু মনে আছে রাইস বল( চালের পিঠা) গুলো খেতে খুব সুস্বাদু ছিলো।
সেসময় থেকে,
প্রতি বছর বাবা গুদামঘর টি দেখতে যেতেন।
মোমবাতি জ্বালাতেন
এবং এক বাটি রাইস বল রেখে আসতেন।
এখন বাবা আর নেই,
আমি যাই এখন।
আমি কখনোই ভুলতে পারবো না বাবার কথা,
ভেতরের মানুষ গুলো আমাদের রক্ষা করছে, ঠিক আছে?
দ্রুত!
কিসের অপেক্ষা করছিস?
একটু সামনে গেলেই সাংহাই!
শহরের ভবিষ্যৎ এখন তোদের উপর।
সবাইকে বলে রাখছি শোন,
হুবেই সিকিউরিটি সৈন্যদলের মুখ তোরা।
প্রানবন্ত থাক!
দ্রুত আগা।
পেছনে পরে যাওয়া দের দিকে না তাকিয়ে।
আগাতে থাক!
যদি বাঁচতে চাও!
নাম্বার ৯, বয়স্কদের সম্মান করো।
নাম্বার ১০, নিজের জীবনের মূল্য দিবে।
আধা ভরা গ্লাস এর মানে কি?
যৌউ ই বলেছিল,
সাংহাই আর কত দূর?
আর বেশিক্ষণ না!
একজন ভালো মানুষ হতে,
তার অবশ্যই ভালো কিছু করার উদ্যম থাকতে হবে।
থামো!
সবাই এখানে থামো!
থামো!
দ্রুত!
দ্রুত!
তাড়াতাড়ি!
সবাই একসাথে!
দ্রুত!
কোথায় আমরা?
দাচাং।
এ কি রে বাবা...
কোনো NRA (National Revolutionary Army)এর দল নেই। মিলিটারি পুলিশ ও নাই।
এমনকি কোনো জাপানিজ ও নাই!
- লড়াই? - কাকু।
আমরা কিসের জন্য লড়ছি?
- ভাই এখানে। - আমার মনে হয় আমরা ডাকাত দের মারছি।
কি করবো এখন আমরা?
- নড়ো না! - যদি বলতে হয় দুইটা কথা বলবো।
ফিরে যাই!
কি?
ফিরে যাবো?
এখানে একটাও গাড়ি নেই!
আমরা কিভাবে ফিরে যাবো শুনি?
ফসল কাটার সময় হতে চলছে।
তাহলে তুমি কেন ফিরে যাচ্ছোনা?
গাধার গাড়ি,ঘোড়ার গাড়ি, ট্রেন, কোনো ব্যাপার না।
শুধু কয়েকটি দিন এর ব্যাপার
এবং আমরা বাড়িতে।
আমাদের শহীদ দের উদ্দেশ্যে!
স্যালুট!
গুলি করো!
শোনো সবাই!
সবাই শোনো!
ওখানে কে?
একজন চাইনিজ!
এখানে একজন চাইনিজ আছে!
কাকু!
দৌড়াও!
ক্যাপ্টেন ফুজিটা, ওকে যেতে দিয়েন না!
জাপানিজ!
দৌড়াও
খালি দৌড়াতে থাকিস না!
টিমের সাথে আগা!
কভার কর!
ওপেন ফায়ার!
ওপেন ফায়ার!
দুয়ান ও!
দুয়ান ও!
ভাই!
দৌড়াস না শুধু!
কাকু!
কাকু!
সবাইকে মেরে ফেল!
গুলি কর!
এরপরে!
সিনিয়র কর্মকর্তা দের থেকে নির্দেশ :
পলাতক দের শাস্তি পেতেই হবে!
- যা! - দয়া করুন, স্যার!
আমরা আলাদা হয়ে গেছিলাম!
আপনার কাছে ভিক্ষা চাচ্ছি, দয়া করুন!
প্রস্তুত!
- আমি এখনো লড়াই করতে পারবো! - গুলি করো!
আমাকে মারবেন না!
আমি মরতে চাই না!
এরপরে!
বিভাগীয় কমান্ডার আর নেই।
কর্ণেল এর খোজ নেই!
আমাদের কোনো লিডার নেই!
আমাকে যেতে দিন!
আমি এখনো লড়তে পারবো!
সাহায্য করুন।
কাকু!
সাহায্য করুন।
সে আমাদের এলাকার!
আমাদের লোক ও!
আমরা ওকে বাঁচাতে পারবো না।
চলো যাই।
দুঃখিত।
দুঃখিত।
দুঃখিত।
এখানে প্রচুর মানুষ।
ওরা কি সাহায্য করতে এসেছে?
তুই বলদা!
জাপানিজ রা ওখানে।
NRA পিছু হটেছে।
কাকু, চলো ওখানে যাই
কমান্ডার কে বলি,
আমরা পেছনে পরে গেছিলাম।
পেছনে পরছি?
না পলাতক মনে করবে!
যদি আমাদের ধরে আমরা সবাই লাশ!
চলো!
চলো! চলো!
নতুন সৈন্যদল!
এক লাইনে দাঁড়াও!
এবং এগুতে থাকো!
চালিয়ে যাও!
ভাই।
শালা পলাতক।
দ্রুত কর!
যা।
দ্রুত দ্রুত!
১ম ব্যাটালিয়ন, ম্যাশিন গান কোম্পানি,
লেই শোং রিপোর্ট করছি!
দরজা খোলো!
ভাইরা!
এখন চাইনা প্রজাতন্ত্রের ২৬ বছর,
অক্টোবর ২৬,
সন্ধ্যা ১০ টা ৭,
সাংহাই এর
অবশিষ্ট সৈন্যদল সবাই এখানে।
ভাইরা!
আমরা এখন এখানে,
আমাদের প্রস্তুত হতে হবে এবং জীবন দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে!
সবাই কে বলছি ভাগ্যের উপর নির্ভর করো না
অথবা যা হবার নয় তার আশায় থেকো না, বুঝেছ?
জ্বি, স্যার!
কর্ণেল এসেছেন!
এটেনশন!
কর্ণেল শির কাছে রিপোর্ট করছি,
মেশিন গান কোম্পানির কমান্ডার, লেই শোং, রিপোর্ট করছি।
৭ জন আহত,
সাথে ১৬ জন পলাতক দের সাথে এনেছি।
নিজ অবস্থানে ফিরে যাও।
জ্বি, স্যার!
বাতি নেভাও!
ভাইরা,
এখানে শত হাজার জাপানিজ সৈনিক অবস্থান করছে,
কোনোরকম যুদ্ধে জড়িয়ে পরলে আমাদের টিকে থাকার কোনো সম্ভাবনাই নেই।
অর্ধেক দিন ও যদি টিকে থাকতে পারি তাওও বিস্ময়কর কিছু হবে।
পুরো সাংহাইয়ের নজর আগামীকাল আমাদের উপর থাকবে,
সিহাং গুদামঘর আমাদের শেষ ঠিকানা।
এটাই হবে আমার কবরস্থান।
চলো কাজে ফেরা যাক।
দুর্গ নির্মাণ করতে থাকো!
তুমি এখানে আসো!
প্রত্যেকে
যারা শ্বাস নিচ্ছো, উঠে দাঁড়াও!
লাইনে দাঁড়াও!
নিজের নাম্বার বলতে থাকো!
বলবো আমার বাল।
আমাকে বলির পাঠা বানাচ্ছে।
মুরগী।
আবার বল তো?
দাঁড়া!
আমি পারবোনা।
তো কি?
দাঁড়া!
আমাদের মাথায় গুলি করো,
নয়তো যেতে দেও আমাদের।
নড়বি না!
ছেড়ে দেও!
ছেড়ে দেও!
স্কোয়াড ৭!
এখানে!
এই কাপুরুষ পলাতক গুলারে নিয়ে যা।
মেরে ফেল এদের!
জ্বি, স্যার!
ঝু!
এদের নিয়ে যা,
দুর্গ নির্মাণের কাজে লাগা।
লাইনে দাঁড়া!
স্যার,
No comments yet. Be the first to leave one.