Money Heist

Money Heist (La casa de papel)

Download Bengali Subtitle

Season 4

Release info

লা কাসা দে পাপেল সিজন ৪ এপিসোড ২ বাংলা সাবটাইটেল
লা কাসা দে পাপেল (০৪x০২) বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহসিন
লা কাসা দে পাপেল - সিজন ০৪, এপিসোড ০২
Money Heist S04E02 WEBRip x264-XviD-AFG
Money Heist S04E02 WEBRip x264-ION10
La Casa De Papel S04E02 WEBRip x264-ION10
La Casa de Papel S04E02 NF WEB-DL DDP5 1 x264-NTG
La Casa de Papel S04E02 720p 10bit WEBRip 2CH x265 HEVC-PSA
A Commentary by LeoMohosin
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নেটফ্লিক্সের সারা জাগানো সিরিজ মানি হেইস্টের ৪র্থ সিজনের ২য় এপিসোড। ভালো লাগলে গুড রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন।

Tags

webrip
web
x264
BRip
Web-DL
web-dl
WEB-DL
720p
720
x265
HEVC
2CH
XviD
Published on: 2020-04-06
Downloads: 127
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

সবার জীবনেই মনে করার মতো কিছু সুখস্মৃতি থাকে।

জীবনের খারাপ সময়গুলোতে,

ওই সুখস্মৃতিগুলোর কথা মনে পড়ে বেশি।

নাইরোবির ভাইটাল সাইনের বিপ আর একটা অলৌকিকতা দেখার অপেক্ষায় থাকার সময়...

ওই সুখস্মৃতিগুলোর একটা মনে খুব দাগ কাটছিল।

আশ্রমের ওই ফুটবল ম্যাচটা।

ডিফেন্সে দাঁড়াও! এক মিনিট আছে মাত্র!

- যাও! - হেই, নাইরোবি।

কখনোই ভাবিনি, থ্রো করার আগের সেকেন্ডেও...

এত মজা লুকিয়ে থাকতে পারে।

- কী করছ তুমি? - দাঁড়াও!

সমকামিতার অজুহাতে আমার বিচিতে হাত দিতে চাইছ?

ভাইরে ভাই! বন্ধ করো এসব! মাত্র এক মিনিট বাকি আছে...

- আর এখন তোমরা ঝগড়া করছ? - ও আমায় পিছন থেকে লাথি মেরেছে।

তুমিই তো হাত দিয়ে ওর বিচিতে ঘষা দিলে!

আচ্ছা, আচ্ছা! এখন থেকে কেউ কাউকে টাচ করবে না। বুঝলে?

পেনাল্টি!

যথেষ্ট হয়েছে ভাই!

এখন ঝগড়াই লেগে যাবে!

সিগন্যাল ফিরে আসার কোনো নাম-গন্ধ নেই।

- ওরা সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। - এখন কী করব আমরা?

- ওকে হারাতে যাচ্ছি আমরা। - না, না, না! কোনোমতেই না!

সাবধানে।

ধীরে-সুস্থে।

এই তো, পেয়ে গেছি।

অনেক ভালো হচ্ছে কাজটা।

এখন বুলেটটা বের করে ফেলো।

বের করো।

এই তো এখানে এটা।

গুড, গুড।

সাবধানে, এই তো এসে গেছে।

এই তো! এই যে এটা!

কিন্তু আমি একে স্মৃতিকাতরতা হিসেবেই আখ্যায়িত করব।

পুরনো স্মৃতিগুলো ঘেঁটে ঘেঁটে বের করা।

যদিও ওই সময় আমরা কেউই বুঝিনি, এটা ছিল জীবনের অন্যতম সেরা সময়।

লিসবন তখনো তাঁবু থেকে তিন কিলোমিটার দূরে,

তাঁকে জোর করে পোশাক পড়ানো হয়েছে।

কর্নার থেকে ওইটা সিয়েরার প্রথম গোল!

ধরতে গেলে, পুরো রোবটের মতোই...

আমরা নাইরোবির ফুসফুসের একটা অংশ অপসারণ করলাম।

আমরা ওর জীবন বাঁচাচ্ছি, নাকি মৃত্যুর দোরগোড়ায় ঠেলে দিচ্ছি, সেটাও জানতাম না।

আমাদের দলের জন্য সেটা দ্বিতীয় পরাজয়।

মানে আমাদের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোল!

তৃতীয় গোলটা খাবো খাবো অবস্থা। সেটা ছিল স্বয়ং পালেরমোর পক্ষ থেকেই,

আর হজম করতে যাচ্ছিলাম আমরা।

দলনেতা হিসেবে সে যতটা যুতসই,

তার চেয়ে দুর্ধর্ষ ছিল দলের খেলোয়াড় হিসেবে!

প্ল্যান অনুযায়ী পরবর্তী ধাপ ছিল,

'প্রফেসর মাদ্রিদে পৌঁছবে'।

কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী সেটাও পাল্টে গেছে।

কারণ একজন রাইডার অনুপস্থিত ছিল সেখানে।

প্রফেসর, আমাদেরকে যেতে হবে।

মোটরবাইকে চড়ে সবার অলক্ষ্যে ওরা গ্রাম্য বনাঞ্চল, ধুলোমাখা রাস্তা...

খামার-টামারের মধ্য দিয়ে লা মাঞ্চা অতিক্রম করলো।

নাইট এবং তাঁর অনুচর একের পর এক পরাজয় বরণের পর,

সেই মহাযুদ্ধে, এক তুমুল সংঘর্ষের দিকে আগাচ্ছিল।

সবকিছু বিস্ফোরিত হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

বিশ্বাস হচ্ছে?

আমি অন্তঃসত্ত্বা!

এরকমটা কেউ ভেবেছিল?

দারুণ তো!

ধন্যবাদ।

এই তো, আর একটু।

তোমার সাহসের তারিফ করতে হয়।

যা করা দরকার, আমি শুধু তা-ই করেছি।

যদি ওদের বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াতাম, ওরা আমাদের নাৎসি বাহিনীর মতো পিষে ফেলত।

- বেশি ব্যথা লাগলে বোলো আমায়। - যতটুকু অ্যালকোহল দরকার, ততটুকু দাও।

সমস্যা নেই, আমি ব্যথা সহ্য করতে পারব।

আচ্ছা দেখি!

মাথার নাট-বল্টু সব ঢিলা হয়ে গেছে নাকি?

ওকে তো প্রায় মেরেই ফেলেছিলে।

- এভাবে মেজাজ গরম করলে হবে? - কেন গরম হবে না?

- পুরোটা সময় দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে। - বুঝেছি।

ঠিকই বলেছ। কিন্তু তাই বলে পোলাপানের মতো আচরণ করা মানায় না।

- তোমার পুরো টি-শার্টে রক্ত লেগে আছে। - ওহ!

ভাবো আমি এখানে নেই। আর চোখে ক্ষত নিয়ে কিছু দেখতে পাব না।

শোনো, আমান্দা...

এই ডাকাতির ঘটনায় তোমার মনে কোনো ভীতি সঞ্চার হয়েছে?

হ্যাঁ, তাই-তো মনে হচ্ছে।

অবশ্যই।

আর আমি তো ৩০ মিনিটের বেশি এক ফোঁটাও ঘুমোতে পারিনি।

- না। - এতটা অস্বস্তি লাগছে যে...

এটা...

এরকম ডাকাতির ঘটনায় জিনিসটা স্বাভাবিক...

কারণ দেখো, চারিপাশে চাপা উত্তেজনার ছড়াছড়ি।

উত্তেজনা বেশি হলেও, তা নিয়ে একদম চিন্তা কোরো না।

তোমার এই দুশ্চিন্তা কাটানোর একটা পথ আমি বাতলে দিচ্ছি।

কারণ আমরা চাই, তুমি সকল প্রকার চাপ ও চিন্তা মুক্ত থাকো।

কারণ এমন অবস্থায়, এটা থেকে নিজেকে দূরে রাখা কঠিন।

আর কিছু ক্ষেত্রে...

এরকম অবস্থা একদম শেষ পর্যন্ত চলতে পারে।

হেই।

তোমার গায়ে রক্ত লেগে আছে। কাছে আসো, আমি পরিষ্কার করে দিচ্ছি।

চিন্তা করো না প্রিয়, যতক্ষণ আমি পাশে আছি...

ততক্ষণ তোমায় কোনো সমস্যায় পড়তে দেব না।

আমার কাছে তুমি হচ্ছ বিশেষ একজন!

আমরা এখন ব্যাংক অব স্পেনের ভিতর ডাকাতি করছি।

তুমি হয়ত প্ল্যান-ট্যান সব ভুলে গেছ, কিন্তু আমি ভুলিনি।

- আমরা এমন বলদের মতো আচরণ করতে পারি না। - আমি হয়ত ট্রমায় ভুগছি।

এমনও হতে পারে, আমরা সবাই ট্রমায় ভুগছি।

কী সব বলছ তুমি? আমি আবার কী ট্রমায় ভুগছি?

- মানলাম, এটা বলা উচিত হয়নি। - বলো না...

তুমি টোকিওর সাথে ব্রেক-আপ করে দিয়েছ।

তুমি ছাড়া আর কে টোকিওর সাথে ব্রেক-আপ করত শুনি?

এমন কাউকে খুঁজে পাবে না। কাউকেই না।

টোকিও সম্পর্কে কী জানো তুমি?

টোকিও হচ্ছে মাসেরাতি গাড়ির মতো, মাসেরাতির দিকে সবার আগ্রহই বেশি।

যদি তুমি চাবি-সহ, দরজা খোলা একটা মাসেরাতি...

খোলা রাস্তায় রেখে চলে আসো...

তাহলে তো মারা খেতেই হবে।

দেখো, রিও...

সবকিছু পানির মতো পরিষ্কার করে বলছি,

হতে পারে, তারা তোমার পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে তুমি ট্রমায় ভুগছ।

হতে পারে ওদের অমানবিক নির্যাতন তোমায় পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছে।

কিন্তু আমি চাই তুমি এই অবসাদ কাটিয়ে উঠো।

এজন্যই তুমি টোকিওর সাথে ব্রেক-আপ করেছ, তাই না?

কোনো মানুষ বা একদল মানুষ যদি তোমায় আঘাত দিত...

তাহলেও এই ট্রমায় ভুগতে হতো তোমাকে। তাই বাদ দাও এসব!

আমার উপর ভরসা রাখতে পারো। তোমায় সাহায্য করতে সদা প্রস্তুত।

যেকোনো কিছু দিয়ে।

লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান...

দুঃখের সংবাদ হলো, আমাকে au revoir. বলতেই হচ্ছে।

আমি চলে যাচ্ছি।

তোমরা কিন্তু দারুণ কাজ করো। এভাবেই কাজের গতি অব্যাহত রেখো।

কাজটা কি ঠিক হচ্ছে?

মাতিয়াস...

আমি চলে যাচ্ছি।

তোমাদের সাথে কাজ করতে পারাটা আনন্দের ছিল।

তারপরেও বলব...

তোমায় ভালোবাসি প্রিয় মাতিয়াস।

সবার উদ্দেশ্যেই বলছি,

আশা করি আমার নেতৃত্বে এতোটাও বিষণ্ণতার ছোঁয়া ছিল না।

এটা নিয়ে মুখরোচক কাহিনী বানিয়ে তোমাদের জানেমন,

তোমাদের আণ্ডাবাচ্চা, নাতি-পতি, চোদ্দ-গুষ্টিকে পেট-পুরে খাওয়াতে পারবে।

লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান,

সময়টাকে মিস করব অনেক।

শান্ত হও।

পালেরমো, শান্ত হও।

বিষয়টা নিয়ে সমঝোতা করতে পারি।

ঠাণ্ডা মাথায়।

এখন কাউকে যেতে দিচ্ছি না।

তুই coup d'état এর নাটক সাজিয়েছিস! শালী হারামজাদি!

কী চাস তুই?

পুরো বাহিনীর দায়িত্ব আমার হাতে, তুমি শুধু দলের একজন টেকনিক্যাল।

টেকনিক্যাল?

আমি কি টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের মতো কাঁচ দিয়ে তোমায় আঘাত করেছি?

আমাকে কী ধরণের আদেশ দেবার জন্য রাখা হয়েছে?...

এখন গলাও! এখন গলাতে হবে না!

ব্যাথিস্কেপ ইন! ব্যাথিস্কেপ আউট!

ডুব দাও! উঠো!

আমাকে কি রাস্তার কুকুর মনে হয়?

এসব বাল-ছাল করার জন্য এখানে আসিনি! এসব করার কোনো ইচ্ছাও নেই, আমি চললাম।

আমি ম্যানুয়াল ডোরটা একটিভ করে...

তোমার কাজটা আরও সহজ করে দিচ্ছি।

যদি এখানে থাকি, তাহলে সবকটার উপর গুলির বন্যা বইয়ে দিব।

আমি এখন আর তোমাদের গ্যাংয়ে নেই।

এখানে এসেছি তোমায় সাহায্য করতে।

কসম কেটে বলছি, আমার পরবর্তী কাজ হলো...

গুলি করে তোমার খুলি উড়িয়ে দেয়া।

আমার তা মনে হয় না।

কিন্তু আমার তা-ই মনে হয়।

ক্লেমোর মাইন।

চারপাশে তাকিয়ে দেখো,

ওরা তোমার ডিরেকশনে পয়েন্ট করা।

আমি এখানে থেকে বেঁচে ফিরতে পারব।

ভালো করেই জানো, তোমায় খুন করতে আমার হাত একটুও কাঁপবে না।

রিল্যাক্স।

আমাদের সাথে এভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারো না।

বাজি লাগাবে নাকি?

পালেরমো!

শান্ত হও!

ওহ আচ্ছা!

দাড়িওয়ালা রাজকন্যা তাঁর রাজপুত্তুরকে ট্রেন স্টেশনে বিদায় জানাতে এসেছে।

আল্লার ওয়াস্তে তোমার উদ্দেশ্যে কিছু সম্মান ছুড়ে দিলাম, হেলসিংকি।

কোথায় যাচ্ছ তুমি?

জেলে?

কপালে গুলি খেতে?

বন্ধুদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে?

আমি কাউকে বিক্রি করে দিচ্ছি না।

আমার বাঁচার যন্ত্র আমার কাছেই আছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র।

তোমাদের সাথে কোনো বিশ্বাসঘাতকতা করছি না।

চলে যাওয়াটা বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

আমাদেরকে একা রেখে চলে যাওয়াটা এক প্রকার বিশ্বাসঘাতকতা।

না!

আমি তোমায় আজ মারতে চাই না, মোটু!

আমায় মারতে চাও না?

আমাকে আজকে মারতেই হবে তোমার।

বোকার মতো আচরণ করো না, হেলসিংকি।

কারণ তুমি বাইরে গেলেই,

দিব্যি কেটে বলছি...

শব্দ হবে বুম,

বুম,

ciao.

সত্যি করে বলছি, পালেরমো।

বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেবো।

১০০% সত্য।

এই তো ভাই আমার!

রিও কে যা বলেছ, তা আমায় একটু বলবে?

- কী বলেছি? - সে ট্রমায় ভুগছে, এরকম কিছু?

এটাকে দৈহিক অসুস্থতা বা অবসাদ, যা খুশি বলতে পারো।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left