The first 200 lines.
[ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং, সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং ও ভালো-মন্দ ফিডব্যাক কাম্য]।
তার সাথে কথা বলো না।
ফালতু একটা লোক।
আপনার সাথে দেখা করে ভাল লাগল, স্যার।
আমি আইনজীবী কাং হো-চ্যাং।
আমার কাউন্সিল টিম মাত্রই বেরিয়েছে।
তারা আপনার ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রস্তুত করছে।
আমি হলাম পরামর্শদাতা।
আচ্ছা।
বোতামগুলো বেশ সমস্যা করছে।
উঠে দাঁড়ালেই বোতাম খুলে যায়।
"বোতাম বদলাতে হবে"
এই পোশাকটা, বেশ নোংরা।
আচ্ছা, নোংরা পোশাক।
পোশাক বদলাতে হবে।
- তুমি আমার অফিসে গেলে, - জী স্যার।
আমার জন্য একটা জিনিস আনতে হবে।
- অবশ্যই স্যার। - আমার ডেস্কে একটা বাইবেল আছে।
বাই...
বাইবেল? ঠিক আছে।
বাইবেল।
আর কিছু লাগবে?
হ্যালো, কাং হো-চ্যাং বলছি।
জ্বী?
••ভাবানুবাদ ও সম্পাদনায়•• সাজিম রাজ
সহযোগিতায় হুমায়রা হিমু
হ্যালো, স্যার।
আমি হ্যান-গিওলের বাবা।
আপনার সাথে দেখা করে ভালো লাগলো।
আমাকে কি দেখতে শিক্ষকের মতো লাগছে?
জ্বী?
আমার পোশাক দেখে হয়তো বুঝতে পারেন নি।
আসলে, আমিও একজন অভিভাবক।
আচ্ছা।
তারা আমাদের এখানে ডেকেছে কেন?
কে জানে। তারা আমাকে ডেকেছে, কিন্তু কেন ডেকেছে বলেনি।
বাচ্চারা কি কোন গন্ডগোল পাকিয়েছে?
আপনার ছেলের নাম কী?
দো ইউন-জ্যে।
ইউন-জ্যে? ইউন-জ্যে।
মাঝে-সাঝে মারামারি করা ছেলেদের জন্য স্বাভাবিক।
এভাবেই তারা বেড়ে ওঠে এবং পরিপক্ক হয়, তাই না?
কিছু বাচ্চা এমন হতে পারে।
কিন্তু আমার ইউন-জ্যে কাউকে মারার মতো বাচ্চা না।
ও বেশ ভদ্র।
হ্যালো।
আমি ৮ম গ্রেডের তৃতীয় শ্রেণীর হোমরুম শিক্ষক।
হ্যালো, আমি হ্যান গিওলের বাবা।
- আপনার সাথে দেখা করে ভালো লাগলো। - হ্যালো।
আপনি কফি বা গ্রীন টি চান?
জ্বী, কফি।
ধন্যবাদ।
আমার আরো আগেই হ্যালো বলা দরকার ছিল, কিন্তু আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম।
ওহ্, এটার দরকার নেই।
টিচার ডে'তে দেওয়ার সুযোগ হয়নি তাই....
- ওহ্, গরম। - আপনি ঠিক আছেন? ওহ খোদা!
- সমস্যা নেই, পুড়েনি। - আমি আপনাকে একটা ভেজা টিস্যু দিচ্ছি।
ওহহো, কী গরম!
নিয়ে নিলেই তো পারতো।
আপনি নিশ্চয় শিক্ষক, হ্যালো।
আমি একজনের অভিভাবক।
আচ্ছা।
আপনিই শিক্ষক নিশ্চয়, হ্যালো।
দেরীতে আসার জন্য দুঃখিত। আমি পার্ক কিউ-বিউমের দাদা।
তিনিও অভিভাবক।
উনি দো ইউন-জ্যে'র বাবা।
আপনার মধ্যে অন্যরকম একটা ভাব ছিল।
আপনাকে একদম শিক্ষকের মতো লাগছিল।
আমার কি এখানে আসা উচিত হয়নি?
মিটিংটা কি কেবল বাবাদের জন্য?
না।
আমি এখানে এসেছি কারণ, আমার স্ত্রী হাইতির সেচ্ছাসেবক হয়ে দেশের বাইরে গেছে।
উনি বেশ ভালো কাজ করছেন। বেশ প্রশংসনীয় কাজ।
ওহ্, আমি...
উহু…
হ্যালো, আপনারা বসতে পারেন।
মনে হচ্ছে সবাই এসে পড়েছেন।
মিঃ জেয়ং, আপনি ওখানে গিয়ে বসতে পারেন।
- আপনি ছাত্রদের ডিন? - হ্যাঁ, কিন্তু আজ আমি অভিভাবক হয়ে এসেছি।
আমি জেয়ং আই-দেউনের বাবা।
আমি হানিয়াম ইন্টারন্যাশনাল মিডল স্কুলের প্রিন্সিপাল ওহ জুং-সাব।
আপনারা ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও, আপনাদের আসার জন্য অনুরোধ করেছি।
কারণ, আজ সকালে পুলিশ আমাদের ডেকে পাঠিয়েছে।
হানিয়াম ইন্টারন্যাশনাল মিডল স্কুল থেকে বলছি।
আমাদের স্কুলের পেই ইউনিফর্ম?
- গেওন-উ। - সে কি আপনার স্কুলের ছাত্র?
এক জেলে তাকে লেকের মধ্যে পেয়েছে।
ও তাকে খুব দ্রুতই খুঁজে পেয়েছে।
ওহ্, বাচ্চাটা খুব ভাগ্যবান।
যখন মানুষ ডুবে,
তাদের সারা শরীর ফুলে বেলুনের মতো পানিতে ভাসে।
এবং তাদের চেহারার অবস্থা, যেন ক্ষণিকেই বোম ফাটবে।
সব চুল সারা শরীরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে।
দেখতে খুব ভয়ানক লাগে।
ওহ্ খোদা, দুর্ঘটনা কীভাবে হলো?
এটা কোন দুর্ঘটনা ছিল না।
গেওন-উয়ের হোমরুম শিক্ষক, মিসঃ সং জেয়ং-উক,
তার কাছ থেকে একটা চিঠি পেয়েছে।
প্লীজ, পড়ুন এটা।
"আমি অনেক দিন ধরেই বুলিংয়ের শিকার হয়ে আসছি"।
"তাদের প্রতিশোধের ভয়ে, আমি কাউকে কিছু বলতে পারিনি"।
- "ওরা আমাকে মানুষ হিসেবে দেখে না।" - ওরা আমাকে মানুষ হিসেবে দেখে না।
এখন আমার নিজেরও নিজেকে আর মানুষ মনে হয়না।
আমি দুঃখিত, মা।
- "তোমার ছেলে হতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ।" - তোমার ছেলে হতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ।
ভালোবাসি তোমাকে, মা।
"অস্টম গ্রেড, তৃতীয় শ্রেণী, দো ইউন-জ্যে।"
"পার্ক কিউ-বিউম।"
"জেয়ং আই-দেউন।"
"ক্যাং হ্যান-গিওল।"
এটুকুই।
দাড়াঁন, ওই চিঠিতে ইউন-জ্যে'র নাম কেন?
এখানে ওর নামই সবার প্রথমে।
হ্যাঁ,
কিন্তু ওই চিঠিতে আমার ছেলের নাম কেন?
শুনুন, মিঃ দো।
দয়া করে শান্ত হয়ে বসুন।
বসুন।
আমরা এখন স্কুল বুলিং পসিলি নিয়েই মিটিং শুরু করব।
গেওন-উ'র অভিভাবকদেরও এখানে উপস্থিত থাকার কথা।
মিসঃ সং, গেওন-উ'র বাবা কী করে?
তার স্টুডেন্ট কার্ডে কেবল তার মায়ের তথ্যই আছে।
আমি একজন অস্থায়ী হোমরুম শিক্ষক মাত্র, তাই আমি নিশ্চিত নই।
শুনুন, যেহেতু আপনি অস্থায়ী শিক্ষক, তাই হয়তো আপনি জানেন না।
আমার ছেলে প্রতি মাসে ইউনিসেফকে ৩০,০০০ ওন দান করে।
কারণ, ওর নাকি কালো-চামড়ার বাচ্চাগুলোর জন্য খারাপ লাগে।
প্রিন্সিপাল ওহ..
আপনি কি ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেছেন?
তারা চারজন একই কথা বলছে যে, এমন কোন কিছুই ঘটেনি।
দেখেছেন? এটা সত্যি না।
খোদার কাছে হাজার শুকরিয়া।
হ্যান-গিওল এখন কোথায়?
দোষী ছাত্ররা এখন বির্তকক্ষণ রুমে অপেক্ষা করছে।
এটা কী ধরণের ফালতু কথা?
জ্বী?
আমাদের বাচ্চারা ক্লাসে না থাকলে, অন্য বাচ্চারা কী ভাববে?
যথাযথ তথ্য পাওয়ার আগেই আপনি তাদের অপরাধী বানিয়ে দিচ্ছেন?
আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে থাকার অধিকার রয়েছে।
আপনার আইন অনুযায়ী কাজ করা উচিত।
নির্দোষ বাচ্চাগুলোকে আটকে রেখেছেন কেন?
তাদের কেবল বির্তকক্ষণ রুমে রাখা হয়েছে, আটক করে রাখা হয়নি।
টাঙ্গানো, ঝুলানো একই কথা।
বড়রা যখন কথা বলছে তখন, আপনার জ্ঞান দেয়ার দরকার নেই।
মিস, সং।
-সং! -সং!
- হেই, কয়েকটা ছবি তোল। -গোল !
গোল!
হ্যাঁ। চিন্তা করবেন না, মিঃ চেয়ারম্যান।
আমি দুঃখিত।
জ্বী, অবশ্যই।
অবশ্যই, আমরা স্কুলে গুজব রটানোর সুযোগ দিতে পারি না।
বিশেষ করে, এমন কোন বিষয় নিয়ে।
মিঃ দো।
আমাদের স্কুলে ধুমপান করা নিষেধ।
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও করছি তাহলে।
[গেওন-উ অচেতন, স্কুল ভায়োলেন্স, সুইসাইড নোট]
তাদের নাম বর্ণানুসারে নেই।
ঠিক বলেছেন।
হ্যান-গিওল হয়তো ওর রুমমেট বলে তার নাম সর্বশেষে লিখেছে।
ও আমার ছেলের সাথে রুম শেয়ার করতো?
আমি নিশ্চিত আমার ছেলেটা ঘুমাতেও খুব ভয় পেয়েছে।
এমন ঘটনা এখানে আগে কখনো ঘটেছে?
কোনভাবেই না! কখনো না।
আমি বলতে চাচ্ছি না কিন্তু সত্যি বলতে কি,
মিস সং, এখানে একজন অস্থায়ী শিক্ষিকা।
ও হয়তো বাচ্চাদের দায়িত্ব নিয়ে তেমন একটা সচেতন না।
তারা ওর মতো শিক্ষককে কীভাবে হোমরুমের দায়িত্ব দিতে পারে?
এসবের জন্য স্কুলই দায়ী।
তাহলে বাচ্চাটার বুলিংয়ের ব্যাপারে তারা আবল-তাবল বকছে কেন?
যে বাচ্চাটা মারা গেছে তার কী নাম ছিল?
সে কি সবসময় ঝামেলা- টামেলা করে?
ওর নাম কিম গেওন-উ আর সে এখনো মরেনি।
তারা বলেছে ও অচেতন অবস্থায় আছে।
আর আপনি বকবকানি বন্ধ করতে পারবেন? আপনি আমাদের বিরক্ত করছেন।
আমি কীভাবে বিরক্ত করলাম?
কানে আঙ্গুল দিয়ে থাকুন তাহলে।
জানি না বলা উচিত হবে কিনা, কিন্তু সত্যি বলতে,
গেওন-উন একজন সুবিধাভোগী ছাত্র।
অনেক বাচ্চার অভিভাবক এমনই,
তারা প্রায়ই অনর্থক প্রত্যাশা নিয়ে বসে থাকে।
যার কারণে, তাদের উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হয়।
আর তাদের আত্মহত্যার পিছনে এটা বড় বড় কারণগুলোর একটা।
দেখেছেন?
তার অভিভাবদের মধ্যেই সমস্যা রয়েছে।
তাহলে আমরা একটা কাজ করতে পারি,
গেওন-উ'র হুঁশ আসা পর্যন্ত, চিঠিটা গোপন রাখি।
এবং প্রিন্সিপালের হাতে ছেড়ে দিই।
মিসঃ সং এখনো বেশ তরুণী, এবং দায়িত্ববোধেরও অভাব।
আমিও এতক্ষণ তাই বলছি।
একটা সুইসাইড নোট প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এটা প্রকাশ না করে তুমি গোপন রাখবে।
- সুইসাইড নোট? এটা কোন সুইসাইড নোট না। -তাহলে এটা কী?
এটা কেবল একটা চিঠি।
মৃত ব্যক্তির লেখা শেষ শব্দগুলোকে সুইসাইড নোট বলে।
কিন্তু আপনি বলেছেন ও এখনো মরেনি, না?
উল্টা-পাল্টা কিছু করলে, তোমাকে এরজন্য শাস্তি ভোগ করতে হবে।
যদি চিঠির ব্যাপারটা উঠে আসে, সত্য যাই হোক না কেন,
সেই চিঠিতে থাকা নামগুলো, অপরাধীদের নাম হয়েই থাকবে।
সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালনা করা পিতা-মাতার কর্তব্য।
যদিও আপনারা তার পিতা-মাতা নন।
No comments yet. Be the first to leave one.