The first 200 lines.
t
tr
tra
tran
trans
transl
transla
translat
translate
translated
translated by
translated by Symon
translated by Symon A
translated by Symon Al
translated by Symon Ale
translated by Symon Alex
$30 হাজার স্কলারশিপের বিজয়ী হল...
...মিস লুজিয়ানা, এরিকা শুয়ার্জ.
আর নতুন মিস আমেরিকা হল মিস ক্যানসাস...
...টারা ডন হল্যান্ড!
...স্কলারশিপ...
মিস লুজিয়ানা, এরিকা শুয়ার্জ.
আর নতুন মিস আমেরিকা হল মিস ক্যানসাস, টারা ডন হল্যান্ড!
পৃথিবীতে দুই ধরণের লোক আছে,
উইনার এবং লুজার.
তোমাদের প্রত্যেকের মধ্যে...
...একদম অন্তরের অন্তস্থলে...
...আছে উইনার, যে অপেক্ষায় আছে পৃথিবীর সামনে নিজেকে প্রমাণ করার.
আমার নাইন স্টেপ প্রোগ্রাম "রিফিউজ টু লুজ".
এতে রয়েছে তোমার প্রয়োজনীয় প্রতিটি পদক্ষেপ...
...যেগুলোর সাহায্যে তুমি তোমার লুজিং হ্যাবিটগুলো দূর করতে পারবে,
এবং নিজের স্বপ্নকে সত্যি করতে পারবে.
আর নয় দ্বিধাগ্রস্ত.
আর নয় কোন নালিশ.
থাকবেনা কোন অজুহাত.
তোমরা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিবে যে...
...তোমরা উইনার!
ধন্যবাদ.
আমি যাচ্ছি.
জানিনা কতক্ষণ লাগবে.
না, আমার হাতে সিগারেট নেই!
আচ্ছা, আমি হসপিটালে. রাখি.
মিস হুভার? আপনার ভাই এখন ঠিক আছেন.
আপনি উনার থেকে ধারালো জিনিষপত্র দূরে রাখবেন, ছুরি, কেঁচি ইত্যাদি.
যেগুলো উনার জন্য স্বাভাবিক নয় সেগুলো দূরে রাখুন.
- আমার মতে এখানে থাকলেই ভাল, তবে... - আমি জানি. ইনস্যুরেন্স.
দেখা করবেন?
Hey, ফ্র্যাঙ্ক.
শেরিল.
তোকে দেখে অনেক ভাল লাগল.
হ্যা, অবশ্যই.
কিছু বলবি?
না.
Hello?
সবাই কোথায়?
তুই ডুয়েনের সাথে থাকবি.
ডুয়েন, hi. ফ্র্যাঙ্ক মামা এসেছে.
তার সমস্যা হবেনা. আমাদের কথা হয়েছে.
জানি. কিন্ত তোকে একা ঘুমাতে দেওয়া যাবেনা. ডাক্তার বলেছে.
দুঃখিত, ভাই, চেষ্টা করে দেখ.
তোর সমস্যা হবেনা. সে চুপচাপ থাকে.
এইযে চাদর.
প্লিজ, ফ্র্যাঙ্ক.
প্লিজ.
ধন্যবাদ.
আমি ডিনার রেডি করছি.
ফ্রেশ হয়ে চলে আয়.
আর প্লিজ, দরজাটা খোলা রাখিস.
ডুয়েন, গাড়ি থেকে চিকেনের বাকেটটা নিয়ে এসো. আমি সালাদ বানাচ্ছি.
- ওলিভ? - কী?
- দাদাভাই তোমার সাথে? - হ্যা.
- কী করছ তোমরা? - রিহার্স করছি.
- 10 মিনিট পর চলে এসো. - ঠিক আছে.
- Hi. - Hi. ফ্র্যাঙ্ক এসেছে.
ওহ্. স্ট্যান গ্রসম্যান ফোন করেছিল?
নিজেই চেক করো.
ডুয়েন, যাও চিকেন নিয়ে আসো.
আর টেবিল রেডি করে ফেলো, শুধু পেপার প্লেট.
তোর কি মনে আছে ওলিভ "লিটল মিস সানশাইনে" রানার আপ হয়েছিল?
- তারা এইমাত্র ফোন করে বলল... - Hey, তোমার বোনের মেসেজ!
Hi. আমি রিচার্ড হুভার, স্ট্যান গ্রসম্যানকে দিন.
তার সাথে কীভাবে...
আমি আসলে জানতে চাচ্ছিলাম আমার বইয়ের ডিলটা পাকা হয়েছে কিনা.
যদি...
হ্যা.
আপনি তাকে বলতে পারবেন এই উইকেন্ডে আমাকে ফোন করতে?
তার কাছে আমার ফোন নাম্বার আছে. শুধু আমাকে বইয়ের ব্যাপারে জানাতে.
আচ্ছা, ধন্যবাদ.
- স্ট্যান গ্রসম্যানের কী হল? - সে স্কটসড্যালে.
ফোন করেনি কেন?
আমারটা আমকেই ভাবতে দাও.
ডুয়েন, ফ্র্যাঙ্ককে বলো ডিনার রেডি হয়েছে.
ওলিভ, চলে এসো!
আসছি!
কী? ডিনার?
তুমি কি কথা বলোনা?
কেন?
মানে বলতে পারো. তবে ইচ্ছে করেই বলোনা.
ওটা কি নিৎচে?
ফ্রিডরিখ নিৎচের কারণে কথা বলোনা.
হয়েছে.
ফ্র্যাঙ্ক, তুমি ডুয়েনের পাশে বসো.
এইযে সালাদ, আর আমি স্প্রাইট নিয়ে আসছি.
ওলিভ, আসো! জলদি!
আসছি.
তোমার বন্ধুবান্ধব নেই?
কেউ নেই?
তোমার পরিবারকেও?
ফ্র্যাঙ্ক! Hey!
- রিচার্ড. - দেখা হয়ে... ভাল লাগল.
আমি ওলিভকে নিয়ে আসছি.
- ওলিভ? বাবা? - তোমরা দুজন শুরু করে দাও.
- জলদি! - আসছি.
- ফ্র্যাঙ্ক, স্প্রাইট? - হ্যা.
আর সবাই একটু সালাদ খেয়ে নাও.
ধন্যবাদ, শেরিল.
শেরিল, জানতে পারলাম ডুয়েন নাকি কথা বলেনা.
ওহ্, হ্যা, সে নীরবতার শপথ নিয়েছে.
তুমি নীরবতার শপথ নিয়েছ?
সে এয়ার ফোর্স একাডেমিতে জয়েন করবে, টেস্ট পাইলট হবে...
এটা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সে কোন কথা বলবেনা.
- মজা করছ না তো? - Hi, ফ্র্যাঙ্ক মামা.
ওহ্, hey, ওলিভ. তুমি বড় হয়ে যাচ্ছ.
সত্যিকারের মানুষের মত.
- তোমার হাতে কী হয়েছে? - ওলিভ.
ব্যাপার না. আসলে একটা দুর্ঘটনা হয়েছে. আমি ঠিক আছি.
- তোমার রিহার্সের কী অবস্থা? - ভাল.
আমাদের করে দেখাবে?
জানিনা. দাদাভাই যদি বলেন.
আর কয়েকটা দিন. এখনো পুরোপুরি হয়নি.
আবার চিকেন? প্রতিদিন এই বালের চিকেন!
- খোদার ওয়াস্তে কি একবার... - বাবা!
...সাধারণ মানুষের মত অন্যকিছু খাবনা, শুধু চিকেন?
- Hey, বাবা! বাবা! - আমি তো...
- ক্রাইস্ট. - এত সমস্যা হলে নিজেই রান্না করে খেয়ে নাও.
- সানসেট ম্যানরে তো... - সানসেট ম্যানরে থাকতে চাইলে চাকরি না হারাতে.
তো তুমি এই শপথ কবে নিয়েছ?
9 মাস হয়ে গিয়েছে. একটা শব্দও বলেনি.
আমার মতে এটা একটা চমৎকার শৃঙ্খলার উদহারন.
- রিচার্ড. - সত্যি বলছি.
ডুয়েনের কাছ থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি.
ডুয়েনের লক্ষ্য আছে. তার স্বপ্ন আছে.
হয়তোবা আমার নয়, বা তোমারও নয়.
কিন্ত সে নিজের লক্ষ্যের দিকে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে.
আসলে আমি নাইন স্টেপের কথা ভাবছিলাম...
খোদার ওয়াস্তে থামো!
আর ডুয়েন নয়টার মধ্যে সাতটা পালন করে যাচ্ছে.
রিচার্ড, প্লিজ.
আমি এমনিতেই বলছিলাম.
আমি তাকে সাপোর্ট করি.
কীভাবে হয়েছে?
- কী কীভাবে হয়েছে? - তোমার দুর্ঘটনা.
সোনা, খাও.
ওহ্, না, আমার সমস্যা নেই. যদি তুমি বাধা না দাও.
না, আমি সৎ থাকতে চাই. আমি ভাবছিলাম তোর সমস্যা হবে কিনা.
না, সমস্যা নেই.
ওলিভ, আসলে ফ্র্যাঙ্ক মামার কোন দুর্ঘটনা হয়নি.
আসলে সে... নিজেকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল.
সত্যি? কেন?
দুঃখিত. আমার মনে হয় এটা নিয়ে কথা না বলাই ভাল.
সোনা, ফ্র্যাঙ্ক মামাকে ডিনার করতে দাও.
তুমি কেন নিজেকে মারতে চেয়েছিলে?
না, উত্তর দিওনা, ফ্র্যাঙ্ক.
- রিচার্ড! রিচার্ড! - সে এটার উত্তর দিবেনা.
- আমি নিজেকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলাম... - ওর কথা শুনবেনা.
- ...কারণ আমি কষ্ট পেয়েছিলাম. - সে একটা পাগল.
- রিচার্ড! - দুঃখিত! কিন্ত এটা 7 বছরের বাচ্চার জন্য...
- ...ভাল হবেনা. - ধীরে ধীরে এমনিই জানবে.
- আচ্ছা. - বলো, ফ্র্যাঙ্ক.
তুমি কষ্ট পেয়েছিলে কেন?
আসলে অনেকগুলো কারণ আছে.
আমি একজনকে ভালোবেসে ছিলাম যে আমাকে ভালোবাসেনি.
কে?
আমার এক ছাত্র. আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ছিলাম.
ছাত্র?
ছেলে ছিল? তুমি এক ছেলেকে ভালোবেসে ছিলে?
- হ্যা. অনেক. - অদ্ভুত.
ঠিকই বলেছ, এটা অদ্ভুত ছিল. আসলেই অনেক অদ্ভুত.
- এদের জন্য অন্য এক নাম আছে. - বাবা.
- তাহলে তখন তুমি নিজেকে মেরে ফেলতে চেয়েছ? - না.
আমি যেই ছেলেকে ভালোবেসে ছিলাম সে অন্য এক ছেলে ভালোবাসত, ল্যারি সুগারম্যান.
- ল্যারি সুগারম্যান কে? - ল্যারি সুগারম্যান সম্ভবত...
...আমেরিকার দ্বিতীয় গণ্যমান্য প্রুস্ত পণ্ডিত.
- তাহলে প্রথম কে? - প্রথম হলাম আমি, রিচ.
- তাই? - হমম.
তাহলে তখন.
না. আসলে আমার তখন মন খারাপ ছিল,
তাই আমি উল্টাপাল্টা অনেক কিছু বলে ফেলেছিলাম,
উল্টাপাল্টা অনেক কাজও করেছিলাম,
তাই আমাকে চাকরি হারাতে হল...
...এবং বাধ্য হয়ে আমার ঘর ছেড়ে সস্তা মোটেলে থাকতে হল.
- আর তখন তুমি নিজেকে... - না.
আসলে, আমি এসব মেনে নিয়েছিলাম.
কিন্ত দুই দিন আগে ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশন ল্যারি সুগারম্যানকে...
...তার অসীম জ্ঞানের জন্য জিনিয়াস গ্র্যান্ট পুরষ্কার দিয়েছে.
আর তখন আমি...
একটু আগেই চলে যেতে চেয়েছিলে.
হ্যা, হ্যা. আর ব্যর্থ হয়েছি.
ওলিভ, এখানে বোঝার বিষয় হল যে ফ্র্যাঙ্ক মামা হার মেনে নিয়েছে.
সে বোকামি করেছে, আফসোস, সে নিজে হার মেনে নিয়েছে,
No comments yet. Be the first to leave one.