The first 200 lines.
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
জিনিয়াসের গত পর্বে...
রন্টজেন তোমার ক্রেডিট ছিনিয়ে নিয়েছে, যেটা তুমি পাওয়ার যোগ্য ছিলে!
সে একটা ইঁদুর, ইহুদিদের মতো।
আর ইঁদুরদের নির্মূল করতে হবে।
নোবেল এবারই প্রথম দিচ্ছে, তুমি এর পরেরটা পাবে।
যা কিছু প্রমাণিত এই ক্লাসে শুধুমাত্র
তাই আলোচনা করা হবে।
অণুসমূহের কোনো অস্তিত্ব নেই।
আমাদের মাঝে মিস্টার বেসোকে এনেছ
এরকম দারুণ একজন ভোজন রসিক!
আশা করি শীঘ্রই ফিরে আসবেন
চিঠি পাওয়ার আগেই মিস্টার বেসো।
আমি সময়কে থামানোর একটা ফর্মুলা বের করব।
তুমি হয়ত জানবেও না, আমি যে চলে গিয়েছি।
ওহ, কী সুন্দর চিন্তা-ধারা!
প্রিয় ফ্রাউ উইন্টেলার, আমার চিন্তাভাবনা আর অনুভূতিগুলো
আপনার প্রিয় মেরীর সাথে শেয়ার করবেন আশা করি।
তাকে যতটুকু অভিনিবেশ দিয়েছি সে এর থেকে আরও বেশি অভিনিবেশ পাবার যোগ্য।
মা, তুমি ভালো করেই জানো যে আমার জীবনে এখন অন্য কেউ আছে।
মেলিভা, তুমি মোর জীবনের ভাবনা।
সে একটা ক্ষুদে ডাইনি।
সে ডাইনি নয়, সে আমার স্ত্রী!
সে খুব ব্যস্ত, বাবা।
সে এখনো একটা চাকরী যোগাড় করতে পারেনি।
পেটেন্ট অফিসে একটা পদ খালি আছে।
আমি একজন বিজ্ঞানী, মার্সেল।
কেরানিগিরির চেয়ে ভালো কিছু আশা করি অবশ্যই!
পেটেন্ট অফিসে স্বাগতম, মিস্টার আইনস্টাইন।
আপনাকে কি সাহায্য করতে পারি, ম্যাডাম?
ভালোই চমক দিলেন।
এটা আসল "পিয়েজো ইলেকক্ট্রিক মিটার", তাই না?
আমি দুঃখিত, কিন্তু আপনি কে?
অপূর্ণাঙ্গ যন্ত্র হিসাবে, এটা বেশ কার্যকর।
কিন্তু প্রতিবিম্বিত পাদ ইলেকক্ট্রোমিটার আর
আয়নীকরণ চ্যাম্বার যোগ করলে এটা পূর্ণতা ফিরে পেত।
যখন প্রথম মডেল তৈরি করেছিলাম,
আয়নীকরণ চ্যাম্বারের কথা ভেবেছিলাম কিন্তু সন্তুষ্টি পাচ্ছিলাম না
কারণ এর ফলে বায়ু একটি পর্যাপ্ত অস্তরক হয়ে যেত।
আপনি "পিয়েজো ইলেকক্ট্রিক মিটার" আবিষ্কার করেছেন?
আপনার জন্য কিছু করতে পারি, ম্যাডাম?
আমার পর্যবেক্ষণ গুলো পরিচালনা করার জন্য
গবেষণাগারে একটু জায়গা খুঁজছিলাম।
আমি সরবোনে লেখাপড়া করি।
পদার্থবিদ্যা?
নির্দিষ্ট ভাবে বলতে গেলে চুম্বকত্ব।
আপনি কিন্তু এখনো আপনার নাম বলেননি।
মেরী স্ক্লোডোস্কা।
পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।
পিয়ের ক্যুরি।
এখানে আপনার বসানো যন্ত্রটা
সমগ্র সুইজারল্যান্ডের মধ্যে সমলয়ের সারমর্ম প্রকাশ করে...
এটা আলোর গতিতে তড়িচ্চুম্বকীয় সিগন্যাল পাঠায়।
একটা বিস্ময়কর ধারণা!
একজন পেটেন্ট কেরানি হিসেবে, আমি নিজেকে অবশ্যই প্রশ্ন করি
এই যন্ত্রটি এর নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করতে পারে কিনা।
নিউটনের সূত্রানুযায়ী, উত্তরটা হলো হ্যাঁ।
পরম যুগপত্তা সম্ভব কারণ,
সময় হচ্ছে পরম।
আর সবগুলো কাজ সম্পন্ন হয় যদি আমরা
বার্ণ থেকে জুরিখে সিগন্যাল পাঠাই।
কিন্তু চলন্ত ট্রেনে অবস্থিত একটা ঘড়িতে
যদি বার্ণ থেকে সিগন্যাল পাঠাই তাহলে কী হবে?
ঘড়িটা চলন্ত ট্রেনে কেন?
আপনাকে প্রথমত এটাকে অবতরণ করাতে হবে।
এটা তো খুব লম্বা...
না, আসল কাহিনী এটা না।
এখানে কী চলছে?
একটা দরখাস্ত মূল্যায়ন করছি, স্যার।
সেই একই যন্ত্র, যেটা আপনার
টেবিলের কাছ দিয়ে ৩ সপ্তাহ আগে চলে যেতে দেখেছি।
জ্বি, হ্যালার, যদিও এখনো আমি নিশ্চিত নই
এটা পেটেন্ট দরখাস্ত স্বত্বে কী প্রভাব ফেলতে পারে?
যদি এটাকে ভালোভাবে কাজ করাতে পারি
আইনস্টাইন,
একটা যন্ত্র কাজ করুক বা না করুক
ওটাকে ঠিক করা আপনার কাজ নয়।
আপনার সিগন্যাল বক্স আর
রেল সুইচ অ্যাপ্লিকেশন এর কাজ কতটুকু এগিয়েছে?
আ, আমি...
আমি দেখছি
সূর্যাস্তের আগেই সবগুলো ফাইল আমার টেবিলের উপর দেখতে চাই।
আর একটা দিন সময় দিন, স্যার!
প্লিজ, আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আছে...
আপনারতো বাড়িতে বিবি-বাচ্চাও আছে, তাই না?
আপনার জায়গায় থাকলে আমি, আমি এতকিছু
ভেবে দেখার চিন্তাই করতাম না।
প্রফেসর ক্লেইনার, প্রফেসর ক্লেইনার ,
আমাকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা করবেন।
আমি কাজে আটকা পড়েছিলাম।
তোমার কথা শোনার মত কেউ নাই, আইনস্টাইন।
সময় ১ ঘণ্টা শেষ হয়ে গেছে।
স্যার, প্লিজ।
আর ৫ টা মিনিট সময় দেন।
নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি, আমার এই গবেষণামূলক প্রবন্ধ
আপনি আগে কোথাও দেখেননি।
তোমার কাছে সময় আছে ১ মিনিট।
এক মিনিট, ধন্যবাদ...
সবাই বিশ্বাস করে যে আলো হচ্ছে একটা তরঙ্গ, তাই না?
আমি প্রমাণ করতে পারব যে একটি আলোক রশ্মি যে কোনো বিন্দু থেকেই বিচ্ছুরিত হোক না কেন
যেকোনো বিন্দুতে, এটা এনার্জি কোয়ান্টার নির্দিষ্ট একটা সংখ্যা নিয়ে গঠিত।
আর সেটা উৎপন্ন আর শোষিত হতে পারে শুধুমাত্র সমাপ্তিক একক হিসেবে।
মাত্র ১০ সেকেন্ড লেগেছে।
ফিলিপ লেনার্ডের আলোকতড়িৎ প্রভাব
নিয়ে প্রবন্ধটার কথা মনে আছে আপনার?
তিনি বলেছিলেন যে আলো সবসময় তরঙ্গের মতো আচরণ করে না।
কিন্তু তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
বলুন দেখি, এটা কে পারবে?
তুমি।
না!
না, হ্যাঁ, হ্যাঁ, কিন্তু, না...
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক!
আমার বিশ্বাস আমি ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক ব্যবহার করে
আলোকতড়িৎ প্রভাব ব্যাখ্যা আর আলোর দ্বৈত প্রভাব প্রমাণ করতে পারব।
তুমি সব ডাক্তারি থিসিস নিয়ে তর্ক করতে চাইছ যে
আমরা ১৯৭৮ সাল থেকে প্রচলিত
পদার্থবিদ্যার মূল সূত্র সমূহ ভুলভাবে ব্যবহার করে আসছি।
২০০...
আর ২৭ বছর
ভালোভাবে গবেষণা করে তবেই আবার এসো।
দেখো, হ্যান্স, বাবা এসেছে!
প্রফেসরের সাথে কী হলো?
দারুণ, ধন্যবাদ।
সন্তানকে একটা চুমোও দিলে না?
ওনার কোলে একটু যাও!
সে আমার সাথে রাগ দেখিয়েছে, ডলি।
এমনকি আমার প্রমাণগুলোও পড়েনি।
আলবার্ট।
আমি নিশ্চিত, আমার এটা ঠিক আছে।
কিন্তু অ্যাকাডেমির সেই গণ্যমান্যরা যদি আমার প্রবন্ধটা না দেখে তাহলে
এটা সারাজীবন লোকচক্ষুর অন্তরালেই থেকে যাবে।
তুমি কিসের আশায় বসে আছ, আলবার্ট?
এক টুকরো কাগজ ফ্রেমে বন্দী করে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখবে?
আমি, আমি আমার আইডিয়াগুলো শুনাতে চাই।
স্বীকৃত আর আলোচিত হওয়ার জন্য
স্বীকৃত হওয়ার জন্য।
তাহলে প্রফেসর ক্লেইনারকে ভুলে যাও।
তোমার কাজগুলো সবার নজরে আনা আবশ্যক।
প্রবন্ধগুলো প্রকাশ করো।
একজন থার্ড-ক্লাস পেটেন্ট ক্লার্কের
প্রবন্ধ কে প্রকাশ করবে?
আমি আমার পুরো জীবনটাই
উপেক্ষা আর অবমূল্যায়নে কাটিয়েছি।
নবাবজাদার মতো চলার সামর্থ্য আমার ছিল না।
হয় বিজ্ঞান জগতে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য
সেই ডাইনোসরদের অনুমতির অপেক্ষায় থাকতে পারো,
বা তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারো
কল্পনা-শক্তিহীন মানুষদের কবলে পড়ে
নিজের আইডিয়া গুলোকে এভাবে শেষ হতে দিতে পারো না।
গবেষণা করার মতো সময় আমার কাছে নেই।
আমি লাইব্রেরিতে যাবো।
আর আমার গণিত।
আমি সবকিছুই প্রমাণ করব।
আমার হাতের লেখা খুব খারাপ।
আলবার্ট, মুখটা বন্ধ করো
আমি তোমায় সাহায্য করব।
এটা পড়ো।
প্রফেসর?
এটা পড়েছেন?
বার্নে কিছু লোক আপনার আবিষ্কার "লাইট কোয়ান্টা"
আলোকতড়িৎ প্রভাবে প্রফেসর লেনার্ডের
বিষয় পাওয়ার জন্য ব্যবহার করেছে।
অসম্ভব।
কোয়ান্টা হচ্ছে একটা গাণিতিক সংকলন।
এগুলো বাস্তবিক কোনো বিষয় নয়।
এটা পড়ুন, স্যার।
আলবার্ট আইনস্টাইন।
"একটি অনুসন্ধানমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে
আলোর সৃষ্টি এবং পরিবর্তন সম্বন্ধে।"
একটু উচ্চ পর্যায়ের বিষয়, কী মনে হয়?
ওর প্রমাণগুলো দারুণ।
প্রমাণকে প্রমাণিত করা যে এক প্রকার আহাম্মকী কাজ
তা আমরা দুজনেই জানি।
এটাও মনে রাখতে হবে, এটা বিশ্বাস জাগিয়ে প্রতারণা করতে পারে।
হ্যাঁ, মনে হয় পরবর্তী ইস্যুর জন্য সামান্য একটু জায়গা আছে,
কিন্তু কেউ যদি এটাকে ২য় চিন্তাটায় নিয়ে যায়
তাহলে বেশ অবাক হবো।
পাবলিশ করার পর ৪ সপ্তাহ হয়ে গেছে!
৪ সপ্তাহ সামান্য কিছু না!
জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনার আশা করেছিলে নাকি?
বাবা।
না, না, না, তোমার বাবা ঠিকই বলেছে, ডলি,
আর তুমিও।
একটা প্রবন্ধ ছিল মাত্র।
আরেকটা লেখব।
সেটাও যদি কেউ গ্রাহ্য না করে, আরেকটা লেখব।
সবসময় তো আর ইগ্নোর করতে পারবে না।
আমাদের শুধু একটা সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে।
আমার মনে হয় তুমি তাদের জন্য একটা কলুর বলদ।
একটা অসামঞ্জস্যতা, একটা কূটাভাস যেটা কেউ দেখে না
আণবিক যন্ত্র, ইথার, আলো, স্থান...
ওহ হ্যাঁ, পদার্থবিদ্যার সবকিছু।
এতটা কঠিন হওয়া উচিত না।
হবে না, ডলি।
তোমার সহযোগিতা পেলে।
না, এটা ব্যতিক্রমী হতে হবে।
আবার চেষ্টা করুন।
ইতোমধ্যে ২০ বার করে ফেলেছি।
এটা ব্যতিক্রম কিছু নয়।
এটাতে নতুন কিছু উপাদান ধারণ করাতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.